বাংলাদেশের ম্যাচকে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছেন কোরিয়ার কোচ

বাংলাদেশের ম্যাচকে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছেন কোরিয়ার কোচ
সিটিজেন স্পোর্টস ডেস্ক

নারী এশিয়ান কাপের ‘বি’ গ্রুপের ম্যাচে শুক্রবার (৬ মার্চ) উত্তর কোরিয়ার মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ। প্রতিযোগিতার তিনবারের চ্যাম্পিয়ন উত্তর কোরিয়া সবশেষ এই শিরোপা জিতেছিল ২০০৮ সালে। ২০১০-এ হয়েছিল রানার্সআপ। এরপর নিষেধাজ্ঞা, বাছাই পেরুতে না পারা, নিজেদের প্রত্যাহার করে নেওয়া মিলিয়ে গত তিন আসরে ছিল অনুপস্থিত। ১৫ বছর পর এশিয়ার নারী ফুটবলের সর্বোচ্চ মঞ্চে তারা ফিরেছে ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে নবম এবং এশিয়ায় দ্বিতীয় স্থানে থেকে।
ওয়েস্টার্ন সিডনি স্টেডিয়ামে বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) বাংলাদেশ-উত্তর কোরিয়া ম্যাচ পূর্ব সংবাদসম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সেখানেই বাংলাদেশ দলের ভূয়সী প্রশংসা করেন উত্তর কোরিয়া কোচ রি সন হো, ‘আমি এখানে এসে চীন বনাম বাংলাদেশ ম্যাচটি দেখেছি এবং আমার মনে হয়েছে বাংলাদেশ দল আমি যতটা ভেবেছিলাম তার চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী।’
চীনের বিপক্ষে বাংলাদেশের ২-০ গোলে হেরে যাওয়া ম্যাচটি নিয়ে উত্তর কোরিয়া কোচ, ‘তাদের (বাংলাদেশ) আক্রমণভাগ অনেক দ্রুত এবং রক্ষণ থেকে আক্রমণে যাওয়ার গতি ও দক্ষতা বেশ তীক্ষ্ণ। সাধারণভাবে বলতে গেলে, তারা বেশ দ্রুতগতির দল। তাই আমাদের রক্ষণভাগে অনেক বেশি মনোযোগী হতে হবে, যাতে তারা গোল করার কোনো সুযোগ না পায়।’
উজবেকিস্তানকে ৩-০ গোলে হারিয়ে এশিয়ান কাপ মিশন শুরু করেছে উত্তর কোরিয়া। গ্রুপে তিনটি ম্যাচই জিততে চান তারা। তবে বাংলাদেশ ম্যাচ যে সহজ হবে না, এটি বারবার বলেছেন তিনি।
রি সন হো বলেন, ‘আমি আগামীকালের (৬ মার্চ) ম্যাচ নিয়ে চিন্তিত। কারণ আমি দেখছি যে আমাদের গ্রুপের তিনটি দলই খুব শক্তিশালী। কোনো দলকেই খাটো করে দেখার সুযোগ নেই। তাই আমি মনে করি আগামীকালের ম্যাচটি আমাদের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ হতে যাচ্ছে।’
বাংলাদেশের নির্দিষ্ট কোনো খেলোয়াড়কে নিয়ে চিন্তিত কিনা এমন প্রশ্নের উত্তরে রি সন হো বলেন, ‘মূলত আমি তাদের আক্রমণভাগের তিন জন খেলোয়াড়কে বিপজ্জনক মনে করি। এর মধ্যে বিশেষ করে ১৭ নম্বর জার্সিধারী (ঋতুপর্ণা) খেলোয়াড়কে নিয়ে আমি সতর্ক। তিনি বাম প্রান্ত দিয়ে খুব দ্রুত আক্রমণ করতে পারেন।’
উত্তর কোরিয়া কোচ আরও বলেন, ‘আমি আগেই বলেছি, তাদের আক্রমণভাগের খেলোয়াড়দের গতি অনেক বেশি। আক্রমণ এবং রক্ষণ— উভয় ক্ষেত্রেই তাদের গতি আমাদের ভাবিয়ে তুলছে। ম্যাচে এই খেলোয়াড়দের রুখতে আমাদের রক্ষণভাগকে আরও বেশি মনোযোগী হতে হবে।’

নারী এশিয়ান কাপের ‘বি’ গ্রুপের ম্যাচে শুক্রবার (৬ মার্চ) উত্তর কোরিয়ার মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ। প্রতিযোগিতার তিনবারের চ্যাম্পিয়ন উত্তর কোরিয়া সবশেষ এই শিরোপা জিতেছিল ২০০৮ সালে। ২০১০-এ হয়েছিল রানার্সআপ। এরপর নিষেধাজ্ঞা, বাছাই পেরুতে না পারা, নিজেদের প্রত্যাহার করে নেওয়া মিলিয়ে গত তিন আসরে ছিল অনুপস্থিত। ১৫ বছর পর এশিয়ার নারী ফুটবলের সর্বোচ্চ মঞ্চে তারা ফিরেছে ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে নবম এবং এশিয়ায় দ্বিতীয় স্থানে থেকে।
ওয়েস্টার্ন সিডনি স্টেডিয়ামে বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) বাংলাদেশ-উত্তর কোরিয়া ম্যাচ পূর্ব সংবাদসম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সেখানেই বাংলাদেশ দলের ভূয়সী প্রশংসা করেন উত্তর কোরিয়া কোচ রি সন হো, ‘আমি এখানে এসে চীন বনাম বাংলাদেশ ম্যাচটি দেখেছি এবং আমার মনে হয়েছে বাংলাদেশ দল আমি যতটা ভেবেছিলাম তার চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী।’
চীনের বিপক্ষে বাংলাদেশের ২-০ গোলে হেরে যাওয়া ম্যাচটি নিয়ে উত্তর কোরিয়া কোচ, ‘তাদের (বাংলাদেশ) আক্রমণভাগ অনেক দ্রুত এবং রক্ষণ থেকে আক্রমণে যাওয়ার গতি ও দক্ষতা বেশ তীক্ষ্ণ। সাধারণভাবে বলতে গেলে, তারা বেশ দ্রুতগতির দল। তাই আমাদের রক্ষণভাগে অনেক বেশি মনোযোগী হতে হবে, যাতে তারা গোল করার কোনো সুযোগ না পায়।’
উজবেকিস্তানকে ৩-০ গোলে হারিয়ে এশিয়ান কাপ মিশন শুরু করেছে উত্তর কোরিয়া। গ্রুপে তিনটি ম্যাচই জিততে চান তারা। তবে বাংলাদেশ ম্যাচ যে সহজ হবে না, এটি বারবার বলেছেন তিনি।
রি সন হো বলেন, ‘আমি আগামীকালের (৬ মার্চ) ম্যাচ নিয়ে চিন্তিত। কারণ আমি দেখছি যে আমাদের গ্রুপের তিনটি দলই খুব শক্তিশালী। কোনো দলকেই খাটো করে দেখার সুযোগ নেই। তাই আমি মনে করি আগামীকালের ম্যাচটি আমাদের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ হতে যাচ্ছে।’
বাংলাদেশের নির্দিষ্ট কোনো খেলোয়াড়কে নিয়ে চিন্তিত কিনা এমন প্রশ্নের উত্তরে রি সন হো বলেন, ‘মূলত আমি তাদের আক্রমণভাগের তিন জন খেলোয়াড়কে বিপজ্জনক মনে করি। এর মধ্যে বিশেষ করে ১৭ নম্বর জার্সিধারী (ঋতুপর্ণা) খেলোয়াড়কে নিয়ে আমি সতর্ক। তিনি বাম প্রান্ত দিয়ে খুব দ্রুত আক্রমণ করতে পারেন।’
উত্তর কোরিয়া কোচ আরও বলেন, ‘আমি আগেই বলেছি, তাদের আক্রমণভাগের খেলোয়াড়দের গতি অনেক বেশি। আক্রমণ এবং রক্ষণ— উভয় ক্ষেত্রেই তাদের গতি আমাদের ভাবিয়ে তুলছে। ম্যাচে এই খেলোয়াড়দের রুখতে আমাদের রক্ষণভাগকে আরও বেশি মনোযোগী হতে হবে।’

বাংলাদেশের ম্যাচকে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছেন কোরিয়ার কোচ
সিটিজেন স্পোর্টস ডেস্ক

নারী এশিয়ান কাপের ‘বি’ গ্রুপের ম্যাচে শুক্রবার (৬ মার্চ) উত্তর কোরিয়ার মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ। প্রতিযোগিতার তিনবারের চ্যাম্পিয়ন উত্তর কোরিয়া সবশেষ এই শিরোপা জিতেছিল ২০০৮ সালে। ২০১০-এ হয়েছিল রানার্সআপ। এরপর নিষেধাজ্ঞা, বাছাই পেরুতে না পারা, নিজেদের প্রত্যাহার করে নেওয়া মিলিয়ে গত তিন আসরে ছিল অনুপস্থিত। ১৫ বছর পর এশিয়ার নারী ফুটবলের সর্বোচ্চ মঞ্চে তারা ফিরেছে ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে নবম এবং এশিয়ায় দ্বিতীয় স্থানে থেকে।
ওয়েস্টার্ন সিডনি স্টেডিয়ামে বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) বাংলাদেশ-উত্তর কোরিয়া ম্যাচ পূর্ব সংবাদসম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সেখানেই বাংলাদেশ দলের ভূয়সী প্রশংসা করেন উত্তর কোরিয়া কোচ রি সন হো, ‘আমি এখানে এসে চীন বনাম বাংলাদেশ ম্যাচটি দেখেছি এবং আমার মনে হয়েছে বাংলাদেশ দল আমি যতটা ভেবেছিলাম তার চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী।’
চীনের বিপক্ষে বাংলাদেশের ২-০ গোলে হেরে যাওয়া ম্যাচটি নিয়ে উত্তর কোরিয়া কোচ, ‘তাদের (বাংলাদেশ) আক্রমণভাগ অনেক দ্রুত এবং রক্ষণ থেকে আক্রমণে যাওয়ার গতি ও দক্ষতা বেশ তীক্ষ্ণ। সাধারণভাবে বলতে গেলে, তারা বেশ দ্রুতগতির দল। তাই আমাদের রক্ষণভাগে অনেক বেশি মনোযোগী হতে হবে, যাতে তারা গোল করার কোনো সুযোগ না পায়।’
উজবেকিস্তানকে ৩-০ গোলে হারিয়ে এশিয়ান কাপ মিশন শুরু করেছে উত্তর কোরিয়া। গ্রুপে তিনটি ম্যাচই জিততে চান তারা। তবে বাংলাদেশ ম্যাচ যে সহজ হবে না, এটি বারবার বলেছেন তিনি।
রি সন হো বলেন, ‘আমি আগামীকালের (৬ মার্চ) ম্যাচ নিয়ে চিন্তিত। কারণ আমি দেখছি যে আমাদের গ্রুপের তিনটি দলই খুব শক্তিশালী। কোনো দলকেই খাটো করে দেখার সুযোগ নেই। তাই আমি মনে করি আগামীকালের ম্যাচটি আমাদের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ হতে যাচ্ছে।’
বাংলাদেশের নির্দিষ্ট কোনো খেলোয়াড়কে নিয়ে চিন্তিত কিনা এমন প্রশ্নের উত্তরে রি সন হো বলেন, ‘মূলত আমি তাদের আক্রমণভাগের তিন জন খেলোয়াড়কে বিপজ্জনক মনে করি। এর মধ্যে বিশেষ করে ১৭ নম্বর জার্সিধারী (ঋতুপর্ণা) খেলোয়াড়কে নিয়ে আমি সতর্ক। তিনি বাম প্রান্ত দিয়ে খুব দ্রুত আক্রমণ করতে পারেন।’
উত্তর কোরিয়া কোচ আরও বলেন, ‘আমি আগেই বলেছি, তাদের আক্রমণভাগের খেলোয়াড়দের গতি অনেক বেশি। আক্রমণ এবং রক্ষণ— উভয় ক্ষেত্রেই তাদের গতি আমাদের ভাবিয়ে তুলছে। ম্যাচে এই খেলোয়াড়দের রুখতে আমাদের রক্ষণভাগকে আরও বেশি মনোযোগী হতে হবে।’




