মেসির বয়সটা না বাড়ুক

মেসির বয়সটা না বাড়ুক
রুবেল আবিদ

সব তো পাওয়া হয়ে গেল– ব্যক্তিগত অর্জনের সব পালক যোগ হয়েছে সাফল্যের মুকুটে। দলীয় সাফল্যে যোগ হয়েছে মহাদেশীয় শ্রেষ্ঠত্বের স্মারক, লা ফিনালিসিমার ট্রফি এবং সবশেষে ২০২২ সালে কাতারে মাথায় উঠল বিশ্বমুকুটও। পরম আরাধ্য বিশ্বকাপ ট্রফি জয়ের পর আর কী বাকি থাকে! লিওনেল মেসি আর কীসের জন্য আরেকটি বিশ্বকাপ খেলবেন– এমন প্রশ্ন কাতার বিশ্বকাপের পর অনেকের মনেই জেগেছে।
মেসি–ভক্তরা সেই সময় প্রিয় তারকার ২০২৬ বিশ্বকাপ খেলার পক্ষে যুক্তি তুলে ধরেছিল এভাবে– বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি গোলের রেকর্ডটা নিজের করে নিতে হবে, হাতছানি দিয়ে ডাকছে সবচেয়ে বেশি ম্যাচের রেকর্ডও। মেসি নিজে কী ভাবছিলেন, সেটা তিনি কখনো স্পষ্ট করে বলেননি। হয়তো ভাবছিলেন, নির্ভার হয়ে শুধু খেলার আনন্দে বিশ্বকাপ খেলতে কেমন লাগে; সেটা একবার দেখতে হবে না! ২০২২ সাল পর্যন্ত একটা বিশ্বকাপ ট্রফি জয়ের স্বপ্নের ভার আর আকাশছোঁয়া প্রত্যাশার চাপ নিয়েই তো বিশ্বকাপ খেলেছেন মেসি।
নির্ভার হয়ে আনন্দচিত্তে বিশ্বকাপ খেলতে কেমন লাগে, সেটা দেখার জন্যই যদি এবার মেসি তিন তারকাখচিত আর্জেন্টিনার জার্সি গায়ে বিশ্বকাপ খেলতে নেমে থাকেন বা অন্য যেকোনো কারণে হোক; বিশ্বজোড়া ফুটবলপ্রেমীরা তাকে ধন্যবাদ না দিয়ে পারবেন না। নির্ভার মেসি প্রতিপক্ষের জন্য কতটা ভয়ংকর, ফুটবল রোমান্টিকদের জন্য কতটা দৃষ্টিসুখকর, সেটা তো তিনি গ্রুপ পর্বে আর্জেন্টিনার প্রথম দুই ম্যাচেই বুঝিয়ে দিয়েছেন।

আলজেরিয়ার বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে কী দুর্দান্ত একটা হ্যাটট্রিকই না করলেন, অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে দ্বিতীয় ম্যাচে জোড়া গোল। ২ ম্যাচে ৫ গোল আর কী দৃষ্টিনন্দনই না সেই গোলগুলো! মেসি বল নিয়ে ওপরে উঠছেন, বল হারিয়ে ফেললে দ্রুত নিচে নেমে এসে তা আবার নিজের দখলে নেওয়ার চেষ্টা করছেন– প্রথম দুই ম্যাচে আর্জেন্টিনার অধিনায়ককে দেখে মনে হয়েছে বার্সেলোনার ২২–২৩ বছরের সেই পুরোনো মেসি।
মানুষ বলে, স্বপ্ন না থাকলে অনুপ্রেরণা আসবে কী করে। কিন্তু পিঠ থেকে স্বপ্নের বোঝা নেমে যাওয়ার পর মানুষের বয়স যে দৃশ্যত ১০–১৫ বছর কমে যেতে পারে, সেটা হয়তো দেখালেন মেসি। তার এমন পারফরম্যান্সের পর বাংলাদেশের ফুটবল আকাশে কিছু বাক্যের ধ্বনি–প্রতিধ্বনি শোনা যাচ্ছে– যেমন দৌড়াচ্ছেন, পরিশ্রম করছেন; মেসি কি আরেকটি বিশ্বকাপও খেলবে? কেউ কেউ আবার বলছেন– ইশ্, মেসির বয়সটা যদি এমনই থাকত।
বাংলাদেশে ঘড়ির কাঁটা আজ রাতে যখন ১২টা অতিক্রম করবে, ৩৯ বছর বয়সে পা পড়বে মেসির। আগামী বছর এই দিনে তিনি পা রাখবেন চল্লিশে। এরপর চল্লিশ পেরোলেই চালশে। মেসির বয়স বাড়বে, মেসি ফুটবল ছেড়ে দেবেন; এই কথাগুলো লিখতে লিখতে কেমন একটা অনুভূতি যেন হচ্ছে! একটা সময় মেসিকে আর মাঠে দেখতে পাবে না তার ভক্তরা– এটা তারা মেনে নেবে কীভাবে? প্রশ্নটি করেছিলাম বাংলাদেশের সাবেক ফুটবলার ও মেসিভক্ত জাহিদ হাসান এমিলিকে। তার উত্তর ছিল এ রকম, ‘এটা মেনে নেওয়া কঠিন।’
বিশ্বের তাবত মেসিভক্ত তথা ফুটবলপ্রেমীদের হৃদয়ে মোচড় দেওয়ার কথা চিন্তা করে প্রার্থনা করতে ইচ্ছে করছে– ঘড়ির কাঁটা ঘোরে ঘুরুক, মেসির বয়সটা যেন না বাড়ে। কোটি কোটি মেসিভক্ত যেন আরেকটি বিশ্বকাপে মেসিজাদু দেখতে পারে, সেজন্য চারটি বছর পৃথিবী থমকে থাকুক! চার বছর পরই যে আরেকটি বিশ্বকাপ আসবে পৃথিবীতে।

সব তো পাওয়া হয়ে গেল– ব্যক্তিগত অর্জনের সব পালক যোগ হয়েছে সাফল্যের মুকুটে। দলীয় সাফল্যে যোগ হয়েছে মহাদেশীয় শ্রেষ্ঠত্বের স্মারক, লা ফিনালিসিমার ট্রফি এবং সবশেষে ২০২২ সালে কাতারে মাথায় উঠল বিশ্বমুকুটও। পরম আরাধ্য বিশ্বকাপ ট্রফি জয়ের পর আর কী বাকি থাকে! লিওনেল মেসি আর কীসের জন্য আরেকটি বিশ্বকাপ খেলবেন– এমন প্রশ্ন কাতার বিশ্বকাপের পর অনেকের মনেই জেগেছে।
মেসি–ভক্তরা সেই সময় প্রিয় তারকার ২০২৬ বিশ্বকাপ খেলার পক্ষে যুক্তি তুলে ধরেছিল এভাবে– বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি গোলের রেকর্ডটা নিজের করে নিতে হবে, হাতছানি দিয়ে ডাকছে সবচেয়ে বেশি ম্যাচের রেকর্ডও। মেসি নিজে কী ভাবছিলেন, সেটা তিনি কখনো স্পষ্ট করে বলেননি। হয়তো ভাবছিলেন, নির্ভার হয়ে শুধু খেলার আনন্দে বিশ্বকাপ খেলতে কেমন লাগে; সেটা একবার দেখতে হবে না! ২০২২ সাল পর্যন্ত একটা বিশ্বকাপ ট্রফি জয়ের স্বপ্নের ভার আর আকাশছোঁয়া প্রত্যাশার চাপ নিয়েই তো বিশ্বকাপ খেলেছেন মেসি।
নির্ভার হয়ে আনন্দচিত্তে বিশ্বকাপ খেলতে কেমন লাগে, সেটা দেখার জন্যই যদি এবার মেসি তিন তারকাখচিত আর্জেন্টিনার জার্সি গায়ে বিশ্বকাপ খেলতে নেমে থাকেন বা অন্য যেকোনো কারণে হোক; বিশ্বজোড়া ফুটবলপ্রেমীরা তাকে ধন্যবাদ না দিয়ে পারবেন না। নির্ভার মেসি প্রতিপক্ষের জন্য কতটা ভয়ংকর, ফুটবল রোমান্টিকদের জন্য কতটা দৃষ্টিসুখকর, সেটা তো তিনি গ্রুপ পর্বে আর্জেন্টিনার প্রথম দুই ম্যাচেই বুঝিয়ে দিয়েছেন।

আলজেরিয়ার বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে কী দুর্দান্ত একটা হ্যাটট্রিকই না করলেন, অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে দ্বিতীয় ম্যাচে জোড়া গোল। ২ ম্যাচে ৫ গোল আর কী দৃষ্টিনন্দনই না সেই গোলগুলো! মেসি বল নিয়ে ওপরে উঠছেন, বল হারিয়ে ফেললে দ্রুত নিচে নেমে এসে তা আবার নিজের দখলে নেওয়ার চেষ্টা করছেন– প্রথম দুই ম্যাচে আর্জেন্টিনার অধিনায়ককে দেখে মনে হয়েছে বার্সেলোনার ২২–২৩ বছরের সেই পুরোনো মেসি।
মানুষ বলে, স্বপ্ন না থাকলে অনুপ্রেরণা আসবে কী করে। কিন্তু পিঠ থেকে স্বপ্নের বোঝা নেমে যাওয়ার পর মানুষের বয়স যে দৃশ্যত ১০–১৫ বছর কমে যেতে পারে, সেটা হয়তো দেখালেন মেসি। তার এমন পারফরম্যান্সের পর বাংলাদেশের ফুটবল আকাশে কিছু বাক্যের ধ্বনি–প্রতিধ্বনি শোনা যাচ্ছে– যেমন দৌড়াচ্ছেন, পরিশ্রম করছেন; মেসি কি আরেকটি বিশ্বকাপও খেলবে? কেউ কেউ আবার বলছেন– ইশ্, মেসির বয়সটা যদি এমনই থাকত।
বাংলাদেশে ঘড়ির কাঁটা আজ রাতে যখন ১২টা অতিক্রম করবে, ৩৯ বছর বয়সে পা পড়বে মেসির। আগামী বছর এই দিনে তিনি পা রাখবেন চল্লিশে। এরপর চল্লিশ পেরোলেই চালশে। মেসির বয়স বাড়বে, মেসি ফুটবল ছেড়ে দেবেন; এই কথাগুলো লিখতে লিখতে কেমন একটা অনুভূতি যেন হচ্ছে! একটা সময় মেসিকে আর মাঠে দেখতে পাবে না তার ভক্তরা– এটা তারা মেনে নেবে কীভাবে? প্রশ্নটি করেছিলাম বাংলাদেশের সাবেক ফুটবলার ও মেসিভক্ত জাহিদ হাসান এমিলিকে। তার উত্তর ছিল এ রকম, ‘এটা মেনে নেওয়া কঠিন।’
বিশ্বের তাবত মেসিভক্ত তথা ফুটবলপ্রেমীদের হৃদয়ে মোচড় দেওয়ার কথা চিন্তা করে প্রার্থনা করতে ইচ্ছে করছে– ঘড়ির কাঁটা ঘোরে ঘুরুক, মেসির বয়সটা যেন না বাড়ে। কোটি কোটি মেসিভক্ত যেন আরেকটি বিশ্বকাপে মেসিজাদু দেখতে পারে, সেজন্য চারটি বছর পৃথিবী থমকে থাকুক! চার বছর পরই যে আরেকটি বিশ্বকাপ আসবে পৃথিবীতে।

মেসির বয়সটা না বাড়ুক
রুবেল আবিদ

সব তো পাওয়া হয়ে গেল– ব্যক্তিগত অর্জনের সব পালক যোগ হয়েছে সাফল্যের মুকুটে। দলীয় সাফল্যে যোগ হয়েছে মহাদেশীয় শ্রেষ্ঠত্বের স্মারক, লা ফিনালিসিমার ট্রফি এবং সবশেষে ২০২২ সালে কাতারে মাথায় উঠল বিশ্বমুকুটও। পরম আরাধ্য বিশ্বকাপ ট্রফি জয়ের পর আর কী বাকি থাকে! লিওনেল মেসি আর কীসের জন্য আরেকটি বিশ্বকাপ খেলবেন– এমন প্রশ্ন কাতার বিশ্বকাপের পর অনেকের মনেই জেগেছে।
মেসি–ভক্তরা সেই সময় প্রিয় তারকার ২০২৬ বিশ্বকাপ খেলার পক্ষে যুক্তি তুলে ধরেছিল এভাবে– বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি গোলের রেকর্ডটা নিজের করে নিতে হবে, হাতছানি দিয়ে ডাকছে সবচেয়ে বেশি ম্যাচের রেকর্ডও। মেসি নিজে কী ভাবছিলেন, সেটা তিনি কখনো স্পষ্ট করে বলেননি। হয়তো ভাবছিলেন, নির্ভার হয়ে শুধু খেলার আনন্দে বিশ্বকাপ খেলতে কেমন লাগে; সেটা একবার দেখতে হবে না! ২০২২ সাল পর্যন্ত একটা বিশ্বকাপ ট্রফি জয়ের স্বপ্নের ভার আর আকাশছোঁয়া প্রত্যাশার চাপ নিয়েই তো বিশ্বকাপ খেলেছেন মেসি।
নির্ভার হয়ে আনন্দচিত্তে বিশ্বকাপ খেলতে কেমন লাগে, সেটা দেখার জন্যই যদি এবার মেসি তিন তারকাখচিত আর্জেন্টিনার জার্সি গায়ে বিশ্বকাপ খেলতে নেমে থাকেন বা অন্য যেকোনো কারণে হোক; বিশ্বজোড়া ফুটবলপ্রেমীরা তাকে ধন্যবাদ না দিয়ে পারবেন না। নির্ভার মেসি প্রতিপক্ষের জন্য কতটা ভয়ংকর, ফুটবল রোমান্টিকদের জন্য কতটা দৃষ্টিসুখকর, সেটা তো তিনি গ্রুপ পর্বে আর্জেন্টিনার প্রথম দুই ম্যাচেই বুঝিয়ে দিয়েছেন।

আলজেরিয়ার বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে কী দুর্দান্ত একটা হ্যাটট্রিকই না করলেন, অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে দ্বিতীয় ম্যাচে জোড়া গোল। ২ ম্যাচে ৫ গোল আর কী দৃষ্টিনন্দনই না সেই গোলগুলো! মেসি বল নিয়ে ওপরে উঠছেন, বল হারিয়ে ফেললে দ্রুত নিচে নেমে এসে তা আবার নিজের দখলে নেওয়ার চেষ্টা করছেন– প্রথম দুই ম্যাচে আর্জেন্টিনার অধিনায়ককে দেখে মনে হয়েছে বার্সেলোনার ২২–২৩ বছরের সেই পুরোনো মেসি।
মানুষ বলে, স্বপ্ন না থাকলে অনুপ্রেরণা আসবে কী করে। কিন্তু পিঠ থেকে স্বপ্নের বোঝা নেমে যাওয়ার পর মানুষের বয়স যে দৃশ্যত ১০–১৫ বছর কমে যেতে পারে, সেটা হয়তো দেখালেন মেসি। তার এমন পারফরম্যান্সের পর বাংলাদেশের ফুটবল আকাশে কিছু বাক্যের ধ্বনি–প্রতিধ্বনি শোনা যাচ্ছে– যেমন দৌড়াচ্ছেন, পরিশ্রম করছেন; মেসি কি আরেকটি বিশ্বকাপও খেলবে? কেউ কেউ আবার বলছেন– ইশ্, মেসির বয়সটা যদি এমনই থাকত।
বাংলাদেশে ঘড়ির কাঁটা আজ রাতে যখন ১২টা অতিক্রম করবে, ৩৯ বছর বয়সে পা পড়বে মেসির। আগামী বছর এই দিনে তিনি পা রাখবেন চল্লিশে। এরপর চল্লিশ পেরোলেই চালশে। মেসির বয়স বাড়বে, মেসি ফুটবল ছেড়ে দেবেন; এই কথাগুলো লিখতে লিখতে কেমন একটা অনুভূতি যেন হচ্ছে! একটা সময় মেসিকে আর মাঠে দেখতে পাবে না তার ভক্তরা– এটা তারা মেনে নেবে কীভাবে? প্রশ্নটি করেছিলাম বাংলাদেশের সাবেক ফুটবলার ও মেসিভক্ত জাহিদ হাসান এমিলিকে। তার উত্তর ছিল এ রকম, ‘এটা মেনে নেওয়া কঠিন।’
বিশ্বের তাবত মেসিভক্ত তথা ফুটবলপ্রেমীদের হৃদয়ে মোচড় দেওয়ার কথা চিন্তা করে প্রার্থনা করতে ইচ্ছে করছে– ঘড়ির কাঁটা ঘোরে ঘুরুক, মেসির বয়সটা যেন না বাড়ে। কোটি কোটি মেসিভক্ত যেন আরেকটি বিশ্বকাপে মেসিজাদু দেখতে পারে, সেজন্য চারটি বছর পৃথিবী থমকে থাকুক! চার বছর পরই যে আরেকটি বিশ্বকাপ আসবে পৃথিবীতে।

সাংবাদিকের সঙ্গে মেসির গোল উদ্যাপন

