ম্যারাডোনাকে জয় উৎসর্গ করে যা বললেন মেসি

ম্যারাডোনাকে জয় উৎসর্গ করে যা বললেন মেসি
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

ইংল্যান্ডের বিপক্ষে রুদ্ধশ্বাস ও নাটকীয় লড়াইয়ে জয় ছিনিয়ে নিয়ে বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠেছে আর্জেন্টিনা। ১৯৮৬ সালের সেই ঐতিহাসিক স্মৃতি ফিরিয়ে এনে আলবিসেলেস্তেদের এ জয়ের ম্যাচে অধিনায়ক লিওনেল মেসি নিজে গোল না পেলেও, দলের দুটি জয়সূচক গোলেই রেখেছেন সরাসরি অবদান। শেষ মুহূর্তের এ রোমাঞ্চকর প্রত্যাবর্তনের পর মাঠেই আবেগ ধরে রাখতে পারেননি আর্জেন্টাইন জাদুকর। চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ইংলিশদের বধ করার এই বিশেষ জয় তিনি উৎসর্গ করেছেন প্রয়াত ফুটবল ঈশ্বর দিয়েগো ম্যারাডোনাকে।
ঠিক ৪০ বছর আগে ১৯৮৬ সালের বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের বিপক্ষেই ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সেরা ব্যক্তিগত নৈপুণ্য দেখিয়েছিলেন ম্যারাডোনা। সেই পারফরম্যান্স তৎকালীন ফকল্যান্ড যুদ্ধের ক্ষতবিক্ষত আর্জেন্টাইনদের মনে এনে দিয়েছিল এক পশলা শান্তি। চার দশক পর আবারও সেই ইংল্যান্ড প্রতিপক্ষ হওয়ায় স্বাভাবিকভাবেই ঘুরেফিরে আসছিল দিয়েগোর নাম। ম্যাচ শেষে টিওয়াইসি স্পোর্টসের সাংবাদিক মাতিয়াস পেলিচিওনি যখন ম্যারাডোনার ঐতিহাসিক সেই জার্সির একটি প্রতিরূপ মেসির হাতে তুলে দেন, তখন আবেগঘন কণ্ঠে মেসি জানান, ওপর থেকে দিয়েগো নিশ্চিতভাবেই এ জয় দারুণভাবে উপভোগ করছেন এবং আজকের বিশেষ দিনে এটি তার জন্য একটি অন্যতম সেরা উপহার।
মেক্সিকোর আজতেকা স্টেডিয়ামের সেই ‘হ্যান্ড অব গড’ আর ‘মহাজাগতিক ঘুড়ি’র মতো ড্রিবলিংয়ে করা ম্যারাডোনার সেই বিখ্যাত গোল দুটির আবহ যেন এই ম্যাচেও ছুঁয়ে গিয়েছিল ফুটবলারদের। ফকল্যান্ড যুদ্ধের ৪৪ বছর পেরিয়ে গেলেও বর্তমান প্রজন্মের খেলোয়াড়রা মাঠে ‘মালভিনাস আর্জেন্টিনার’ লেখা ব্যানার নিয়ে উদযাপন করে বুঝিয়ে দিয়েছেন, ম্যাচটি তাদের জন্য শুধু সেমিফাইনাল ছিল না, ছিল বাড়তি অনুপ্রেরণার এক মনস্তাত্ত্বিক লড়াই। জাতীয় সংগীতের সময় দর্শকদের গাওয়া আবেগী গানের সুর কীভাবে মাঠে তাদের স্পর্শ করেছিল এবং ম্যাচজুড়ে আবেগ নিয়ন্ত্রণ করা কতটা কঠিন ছিল, তা অকপটে স্বীকার করেছেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক।
এ জয়ের মধ্য দিয়ে একাধিক রেকর্ডের পাতায় নাম লিখিয়েছেন লিওনেল মেসি। রবিবার (১৯ জুলাই) দিবাগত রাতে নিউজার্সিতে স্পেনের বিপক্ষে ক্যারিয়ারের তৃতীয় বিশ্বকাপ ফাইনাল খেলতে মাঠে নামবেন তিনি। এটি তাকে স্পর্শ করাবে ব্রাজিলিয়ান কিংবদন্তি কাফুর অনন্য রেকর্ডকে। একই সাথে কিলিয়ান এমবাপ্পেকে ছাড়িয়ে বিশ্বকাপের ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলদাতার অবস্থান আরও মজবুত করা এবং দ্বিতীয়বারের মতো ট্রফি উঁচিয়ে ধরার হাতছানি এখন মেসির সামনে। আটলান্টার এই ঐতিহাসিক জয়ের পর গ্যালারিতে আর্জেন্টাইন সমর্থকদের কণ্ঠে এখন একটাই সুর—ফকল্যান্ডের জন্য, দিয়েগোর জন্য আর লিওর শেষ গোলের জন্য। প্রথম দুটি পূরণ হলেও, শেষ স্বপ্নটি সত্যি হবে কি না, তার চূড়ান্ত উত্তর মিলবে রবিবারের ফাইনালে।

ইংল্যান্ডের বিপক্ষে রুদ্ধশ্বাস ও নাটকীয় লড়াইয়ে জয় ছিনিয়ে নিয়ে বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠেছে আর্জেন্টিনা। ১৯৮৬ সালের সেই ঐতিহাসিক স্মৃতি ফিরিয়ে এনে আলবিসেলেস্তেদের এ জয়ের ম্যাচে অধিনায়ক লিওনেল মেসি নিজে গোল না পেলেও, দলের দুটি জয়সূচক গোলেই রেখেছেন সরাসরি অবদান। শেষ মুহূর্তের এ রোমাঞ্চকর প্রত্যাবর্তনের পর মাঠেই আবেগ ধরে রাখতে পারেননি আর্জেন্টাইন জাদুকর। চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ইংলিশদের বধ করার এই বিশেষ জয় তিনি উৎসর্গ করেছেন প্রয়াত ফুটবল ঈশ্বর দিয়েগো ম্যারাডোনাকে।
ঠিক ৪০ বছর আগে ১৯৮৬ সালের বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের বিপক্ষেই ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সেরা ব্যক্তিগত নৈপুণ্য দেখিয়েছিলেন ম্যারাডোনা। সেই পারফরম্যান্স তৎকালীন ফকল্যান্ড যুদ্ধের ক্ষতবিক্ষত আর্জেন্টাইনদের মনে এনে দিয়েছিল এক পশলা শান্তি। চার দশক পর আবারও সেই ইংল্যান্ড প্রতিপক্ষ হওয়ায় স্বাভাবিকভাবেই ঘুরেফিরে আসছিল দিয়েগোর নাম। ম্যাচ শেষে টিওয়াইসি স্পোর্টসের সাংবাদিক মাতিয়াস পেলিচিওনি যখন ম্যারাডোনার ঐতিহাসিক সেই জার্সির একটি প্রতিরূপ মেসির হাতে তুলে দেন, তখন আবেগঘন কণ্ঠে মেসি জানান, ওপর থেকে দিয়েগো নিশ্চিতভাবেই এ জয় দারুণভাবে উপভোগ করছেন এবং আজকের বিশেষ দিনে এটি তার জন্য একটি অন্যতম সেরা উপহার।
মেক্সিকোর আজতেকা স্টেডিয়ামের সেই ‘হ্যান্ড অব গড’ আর ‘মহাজাগতিক ঘুড়ি’র মতো ড্রিবলিংয়ে করা ম্যারাডোনার সেই বিখ্যাত গোল দুটির আবহ যেন এই ম্যাচেও ছুঁয়ে গিয়েছিল ফুটবলারদের। ফকল্যান্ড যুদ্ধের ৪৪ বছর পেরিয়ে গেলেও বর্তমান প্রজন্মের খেলোয়াড়রা মাঠে ‘মালভিনাস আর্জেন্টিনার’ লেখা ব্যানার নিয়ে উদযাপন করে বুঝিয়ে দিয়েছেন, ম্যাচটি তাদের জন্য শুধু সেমিফাইনাল ছিল না, ছিল বাড়তি অনুপ্রেরণার এক মনস্তাত্ত্বিক লড়াই। জাতীয় সংগীতের সময় দর্শকদের গাওয়া আবেগী গানের সুর কীভাবে মাঠে তাদের স্পর্শ করেছিল এবং ম্যাচজুড়ে আবেগ নিয়ন্ত্রণ করা কতটা কঠিন ছিল, তা অকপটে স্বীকার করেছেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক।
এ জয়ের মধ্য দিয়ে একাধিক রেকর্ডের পাতায় নাম লিখিয়েছেন লিওনেল মেসি। রবিবার (১৯ জুলাই) দিবাগত রাতে নিউজার্সিতে স্পেনের বিপক্ষে ক্যারিয়ারের তৃতীয় বিশ্বকাপ ফাইনাল খেলতে মাঠে নামবেন তিনি। এটি তাকে স্পর্শ করাবে ব্রাজিলিয়ান কিংবদন্তি কাফুর অনন্য রেকর্ডকে। একই সাথে কিলিয়ান এমবাপ্পেকে ছাড়িয়ে বিশ্বকাপের ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলদাতার অবস্থান আরও মজবুত করা এবং দ্বিতীয়বারের মতো ট্রফি উঁচিয়ে ধরার হাতছানি এখন মেসির সামনে। আটলান্টার এই ঐতিহাসিক জয়ের পর গ্যালারিতে আর্জেন্টাইন সমর্থকদের কণ্ঠে এখন একটাই সুর—ফকল্যান্ডের জন্য, দিয়েগোর জন্য আর লিওর শেষ গোলের জন্য। প্রথম দুটি পূরণ হলেও, শেষ স্বপ্নটি সত্যি হবে কি না, তার চূড়ান্ত উত্তর মিলবে রবিবারের ফাইনালে।

ম্যারাডোনাকে জয় উৎসর্গ করে যা বললেন মেসি
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

ইংল্যান্ডের বিপক্ষে রুদ্ধশ্বাস ও নাটকীয় লড়াইয়ে জয় ছিনিয়ে নিয়ে বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠেছে আর্জেন্টিনা। ১৯৮৬ সালের সেই ঐতিহাসিক স্মৃতি ফিরিয়ে এনে আলবিসেলেস্তেদের এ জয়ের ম্যাচে অধিনায়ক লিওনেল মেসি নিজে গোল না পেলেও, দলের দুটি জয়সূচক গোলেই রেখেছেন সরাসরি অবদান। শেষ মুহূর্তের এ রোমাঞ্চকর প্রত্যাবর্তনের পর মাঠেই আবেগ ধরে রাখতে পারেননি আর্জেন্টাইন জাদুকর। চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ইংলিশদের বধ করার এই বিশেষ জয় তিনি উৎসর্গ করেছেন প্রয়াত ফুটবল ঈশ্বর দিয়েগো ম্যারাডোনাকে।
ঠিক ৪০ বছর আগে ১৯৮৬ সালের বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের বিপক্ষেই ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সেরা ব্যক্তিগত নৈপুণ্য দেখিয়েছিলেন ম্যারাডোনা। সেই পারফরম্যান্স তৎকালীন ফকল্যান্ড যুদ্ধের ক্ষতবিক্ষত আর্জেন্টাইনদের মনে এনে দিয়েছিল এক পশলা শান্তি। চার দশক পর আবারও সেই ইংল্যান্ড প্রতিপক্ষ হওয়ায় স্বাভাবিকভাবেই ঘুরেফিরে আসছিল দিয়েগোর নাম। ম্যাচ শেষে টিওয়াইসি স্পোর্টসের সাংবাদিক মাতিয়াস পেলিচিওনি যখন ম্যারাডোনার ঐতিহাসিক সেই জার্সির একটি প্রতিরূপ মেসির হাতে তুলে দেন, তখন আবেগঘন কণ্ঠে মেসি জানান, ওপর থেকে দিয়েগো নিশ্চিতভাবেই এ জয় দারুণভাবে উপভোগ করছেন এবং আজকের বিশেষ দিনে এটি তার জন্য একটি অন্যতম সেরা উপহার।
মেক্সিকোর আজতেকা স্টেডিয়ামের সেই ‘হ্যান্ড অব গড’ আর ‘মহাজাগতিক ঘুড়ি’র মতো ড্রিবলিংয়ে করা ম্যারাডোনার সেই বিখ্যাত গোল দুটির আবহ যেন এই ম্যাচেও ছুঁয়ে গিয়েছিল ফুটবলারদের। ফকল্যান্ড যুদ্ধের ৪৪ বছর পেরিয়ে গেলেও বর্তমান প্রজন্মের খেলোয়াড়রা মাঠে ‘মালভিনাস আর্জেন্টিনার’ লেখা ব্যানার নিয়ে উদযাপন করে বুঝিয়ে দিয়েছেন, ম্যাচটি তাদের জন্য শুধু সেমিফাইনাল ছিল না, ছিল বাড়তি অনুপ্রেরণার এক মনস্তাত্ত্বিক লড়াই। জাতীয় সংগীতের সময় দর্শকদের গাওয়া আবেগী গানের সুর কীভাবে মাঠে তাদের স্পর্শ করেছিল এবং ম্যাচজুড়ে আবেগ নিয়ন্ত্রণ করা কতটা কঠিন ছিল, তা অকপটে স্বীকার করেছেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক।
এ জয়ের মধ্য দিয়ে একাধিক রেকর্ডের পাতায় নাম লিখিয়েছেন লিওনেল মেসি। রবিবার (১৯ জুলাই) দিবাগত রাতে নিউজার্সিতে স্পেনের বিপক্ষে ক্যারিয়ারের তৃতীয় বিশ্বকাপ ফাইনাল খেলতে মাঠে নামবেন তিনি। এটি তাকে স্পর্শ করাবে ব্রাজিলিয়ান কিংবদন্তি কাফুর অনন্য রেকর্ডকে। একই সাথে কিলিয়ান এমবাপ্পেকে ছাড়িয়ে বিশ্বকাপের ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলদাতার অবস্থান আরও মজবুত করা এবং দ্বিতীয়বারের মতো ট্রফি উঁচিয়ে ধরার হাতছানি এখন মেসির সামনে। আটলান্টার এই ঐতিহাসিক জয়ের পর গ্যালারিতে আর্জেন্টাইন সমর্থকদের কণ্ঠে এখন একটাই সুর—ফকল্যান্ডের জন্য, দিয়েগোর জন্য আর লিওর শেষ গোলের জন্য। প্রথম দুটি পূরণ হলেও, শেষ স্বপ্নটি সত্যি হবে কি না, তার চূড়ান্ত উত্তর মিলবে রবিবারের ফাইনালে।

ফকল্যান্ড ব্যানারে উদযাপন, শাস্তির মুখে আর্জেন্টিনা




