বাছাইপর্বে জয় না পেয়েও সুইডেন যেভাবে বিশ্বকাপে

বাছাইপর্বে জয় না পেয়েও সুইডেন যেভাবে বিশ্বকাপে
সিটিজেন স্পোর্টস ডেস্ক

ফুটবল বিশ্বকাপের প্লেঅফ পর্বও শেষ হয়েছে। এরই মধ্যে জানা গেছে কোন ৪৮ দল খেলতে যাচ্ছে ২০২৬ বিশ্বকাপ। ইউরোপিয়ান অঞ্চলের প্লেঅফ পর্ব পেরিয়ে সুইডেন জায়গা করে নিয়েছে ফুটবলের সবচেয়ে বড় আসরে। অথচ একটু পেছন ফিরে তাকালে দেখা যাবে সুইডেন বিশ্বকাপ বাছাই পর্বে কোনো জয়ই পাইনি।
বাছাই পর্বে কোনো জয় না পাওয়া দল কিভাবে এলো বিশ্বকাপে। উয়েফার নিয়ম ছিল বাছাইপর্ব থেকে ছিটকে যাওয়া দল নেশনস লিগে ভালো করলে পেতে পারে বিশ্বকাপ প্লে-অফে খেলার সুযোগ। সেই নিয়মেই প্লে-অফে পৌঁছেছিল সুইডেন।
এ, বি, সি, ডি-এই চার ভাগে ভাগ হয়ে র্যাঙ্কিংয়ের ভিত্তিতে নেশনস লিগে অংশ নেয় ইউরোপের দলগুলা। বিশ্বকাপে সুযোগ না পাওয়া ৪টি দলের সরাসরি প্লে-অফ সেমিফাইনালে খেলার নিয়ম করে উয়েফা।
নেশনস লিগে ‘সি’ ক্যাটাগরিতে ছিল সুইডেনে। সি-১ গ্রুপে স্লোভাকিয়া, এস্তোনিয়া, আজারবাইজানকে পেছনে ফেলে চ্যাম্পিয়ন হয় সুইডেন। তারপরও মোট ১৪টি গ্রুপ চ্যাম্পিয়নের মধ্যে তাদের র্যাঙ্কিং ছিল ১০ নম্বর।
সুইডেনের ভাগ্য ভালো থাকায় ‘এ’ ক্যাটাগরির চার গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন স্পেন, পর্তুগাল, জার্মানি ও ফ্রান্স বিশ্বকাপ বাছাইয়েও সেরা হয় নিজেদের গ্রুপে। ‘বি’ ক্যাটাগরির নরওয়ে আর ইংল্যান্ডও বিশ্বকাপ বাছাইয়ে নিজেদের গ্রুপে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল। তাই নেশনস লিগ থেকে প্লেঅফে সুযোগ পায় রোমানিয়া, সুইডেন, নর্থ মেসিডোনিয়া ও নর্থ সুইডেন।
পরে প্লেঅফ সেমিফাইনালে সুইডেন ২-১ গোলে হারায় ইউক্রেন। পরে প্লেঅফ ফাইনালে সুইডেন ৩-২ গোলে হারায় পোল্যান্ডকে।
ফলে মূল বাছাইয়ে কোনো ম্যাচ না জিতেও নিয়মের ফাঁক গলে প্লেঅফে সুযোগ পেয়ে বিশ্বকাপের টিকিট নিশ্চিত করেছে সুইডেন।
অথচ নিজেদের গ্রুপে ৬টি ম্যাচ জিতেও বিশ্বকাপ প্লেঅফে জায়গা পাওয়ায় হতাশা জানিয়েছিলেন ইতালির কোচ গাত্তুসো। শেষ পর্যন্ত প্লেঅফে তারা বসনিয়া অ্যান্ড হার্জেগোভিনার কাছে হেরে টানা তৃতীয়বার মিস করে বিশ্বকাপের টিকিট।

ফুটবল বিশ্বকাপের প্লেঅফ পর্বও শেষ হয়েছে। এরই মধ্যে জানা গেছে কোন ৪৮ দল খেলতে যাচ্ছে ২০২৬ বিশ্বকাপ। ইউরোপিয়ান অঞ্চলের প্লেঅফ পর্ব পেরিয়ে সুইডেন জায়গা করে নিয়েছে ফুটবলের সবচেয়ে বড় আসরে। অথচ একটু পেছন ফিরে তাকালে দেখা যাবে সুইডেন বিশ্বকাপ বাছাই পর্বে কোনো জয়ই পাইনি।
বাছাই পর্বে কোনো জয় না পাওয়া দল কিভাবে এলো বিশ্বকাপে। উয়েফার নিয়ম ছিল বাছাইপর্ব থেকে ছিটকে যাওয়া দল নেশনস লিগে ভালো করলে পেতে পারে বিশ্বকাপ প্লে-অফে খেলার সুযোগ। সেই নিয়মেই প্লে-অফে পৌঁছেছিল সুইডেন।
এ, বি, সি, ডি-এই চার ভাগে ভাগ হয়ে র্যাঙ্কিংয়ের ভিত্তিতে নেশনস লিগে অংশ নেয় ইউরোপের দলগুলা। বিশ্বকাপে সুযোগ না পাওয়া ৪টি দলের সরাসরি প্লে-অফ সেমিফাইনালে খেলার নিয়ম করে উয়েফা।
নেশনস লিগে ‘সি’ ক্যাটাগরিতে ছিল সুইডেনে। সি-১ গ্রুপে স্লোভাকিয়া, এস্তোনিয়া, আজারবাইজানকে পেছনে ফেলে চ্যাম্পিয়ন হয় সুইডেন। তারপরও মোট ১৪টি গ্রুপ চ্যাম্পিয়নের মধ্যে তাদের র্যাঙ্কিং ছিল ১০ নম্বর।
সুইডেনের ভাগ্য ভালো থাকায় ‘এ’ ক্যাটাগরির চার গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন স্পেন, পর্তুগাল, জার্মানি ও ফ্রান্স বিশ্বকাপ বাছাইয়েও সেরা হয় নিজেদের গ্রুপে। ‘বি’ ক্যাটাগরির নরওয়ে আর ইংল্যান্ডও বিশ্বকাপ বাছাইয়ে নিজেদের গ্রুপে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল। তাই নেশনস লিগ থেকে প্লেঅফে সুযোগ পায় রোমানিয়া, সুইডেন, নর্থ মেসিডোনিয়া ও নর্থ সুইডেন।
পরে প্লেঅফ সেমিফাইনালে সুইডেন ২-১ গোলে হারায় ইউক্রেন। পরে প্লেঅফ ফাইনালে সুইডেন ৩-২ গোলে হারায় পোল্যান্ডকে।
ফলে মূল বাছাইয়ে কোনো ম্যাচ না জিতেও নিয়মের ফাঁক গলে প্লেঅফে সুযোগ পেয়ে বিশ্বকাপের টিকিট নিশ্চিত করেছে সুইডেন।
অথচ নিজেদের গ্রুপে ৬টি ম্যাচ জিতেও বিশ্বকাপ প্লেঅফে জায়গা পাওয়ায় হতাশা জানিয়েছিলেন ইতালির কোচ গাত্তুসো। শেষ পর্যন্ত প্লেঅফে তারা বসনিয়া অ্যান্ড হার্জেগোভিনার কাছে হেরে টানা তৃতীয়বার মিস করে বিশ্বকাপের টিকিট।

বাছাইপর্বে জয় না পেয়েও সুইডেন যেভাবে বিশ্বকাপে
সিটিজেন স্পোর্টস ডেস্ক

ফুটবল বিশ্বকাপের প্লেঅফ পর্বও শেষ হয়েছে। এরই মধ্যে জানা গেছে কোন ৪৮ দল খেলতে যাচ্ছে ২০২৬ বিশ্বকাপ। ইউরোপিয়ান অঞ্চলের প্লেঅফ পর্ব পেরিয়ে সুইডেন জায়গা করে নিয়েছে ফুটবলের সবচেয়ে বড় আসরে। অথচ একটু পেছন ফিরে তাকালে দেখা যাবে সুইডেন বিশ্বকাপ বাছাই পর্বে কোনো জয়ই পাইনি।
বাছাই পর্বে কোনো জয় না পাওয়া দল কিভাবে এলো বিশ্বকাপে। উয়েফার নিয়ম ছিল বাছাইপর্ব থেকে ছিটকে যাওয়া দল নেশনস লিগে ভালো করলে পেতে পারে বিশ্বকাপ প্লে-অফে খেলার সুযোগ। সেই নিয়মেই প্লে-অফে পৌঁছেছিল সুইডেন।
এ, বি, সি, ডি-এই চার ভাগে ভাগ হয়ে র্যাঙ্কিংয়ের ভিত্তিতে নেশনস লিগে অংশ নেয় ইউরোপের দলগুলা। বিশ্বকাপে সুযোগ না পাওয়া ৪টি দলের সরাসরি প্লে-অফ সেমিফাইনালে খেলার নিয়ম করে উয়েফা।
নেশনস লিগে ‘সি’ ক্যাটাগরিতে ছিল সুইডেনে। সি-১ গ্রুপে স্লোভাকিয়া, এস্তোনিয়া, আজারবাইজানকে পেছনে ফেলে চ্যাম্পিয়ন হয় সুইডেন। তারপরও মোট ১৪টি গ্রুপ চ্যাম্পিয়নের মধ্যে তাদের র্যাঙ্কিং ছিল ১০ নম্বর।
সুইডেনের ভাগ্য ভালো থাকায় ‘এ’ ক্যাটাগরির চার গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন স্পেন, পর্তুগাল, জার্মানি ও ফ্রান্স বিশ্বকাপ বাছাইয়েও সেরা হয় নিজেদের গ্রুপে। ‘বি’ ক্যাটাগরির নরওয়ে আর ইংল্যান্ডও বিশ্বকাপ বাছাইয়ে নিজেদের গ্রুপে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল। তাই নেশনস লিগ থেকে প্লেঅফে সুযোগ পায় রোমানিয়া, সুইডেন, নর্থ মেসিডোনিয়া ও নর্থ সুইডেন।
পরে প্লেঅফ সেমিফাইনালে সুইডেন ২-১ গোলে হারায় ইউক্রেন। পরে প্লেঅফ ফাইনালে সুইডেন ৩-২ গোলে হারায় পোল্যান্ডকে।
ফলে মূল বাছাইয়ে কোনো ম্যাচ না জিতেও নিয়মের ফাঁক গলে প্লেঅফে সুযোগ পেয়ে বিশ্বকাপের টিকিট নিশ্চিত করেছে সুইডেন।
অথচ নিজেদের গ্রুপে ৬টি ম্যাচ জিতেও বিশ্বকাপ প্লেঅফে জায়গা পাওয়ায় হতাশা জানিয়েছিলেন ইতালির কোচ গাত্তুসো। শেষ পর্যন্ত প্লেঅফে তারা বসনিয়া অ্যান্ড হার্জেগোভিনার কাছে হেরে টানা তৃতীয়বার মিস করে বিশ্বকাপের টিকিট।




