৪ বছর ধরে ইমামশূন্য জাবির দুই হলের মসজিদ

৪ বছর ধরে ইমামশূন্য জাবির দুই হলের মসজিদ
জাবি প্রতিনিধি

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) শহীদ সালাম-বরকত হল ও আ ফ ম কামালউদ্দিন হল সংলগ্ন যৌথ কেন্দ্রীয় মসজিদে প্রায় চার বছর ধরে স্থায়ী ইমামের পদ শূন্য রয়েছে। দীর্ঘ সময় ধরে পদটি খালি থাকায় দুই হলের শিক্ষার্থীদের মধ্যে অসন্তোষ বাড়ছে। দ্রুত স্থায়ী ইমাম নিয়োগের দাবি আবাসিক হল দুটির শিক্ষার্থীদের।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ২০২২ সালের আগস্টে দায়িত্বপ্রাপ্ত ইমামের চাকরির মেয়াদ শেষ হওয়ার পর থেকে নতুন করে কোনো ইমাম নিয়োগ দেওয়া হয়নি। যদিও শূন্য পদে নিয়োগ দেওয়ার উদ্দেশ্যে ২০২৪ সালে সাক্ষাৎকার গ্রহণ করা হয়েছিল। তবে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় তৎকালীন ছাত্রলীগের কিছু নেতাকর্মীর হস্তক্ষেপ ও অনিয়মের অভিযোগ ওঠে। ফলে শিক্ষার্থীদের প্রতিবাদের মুখে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সেই নিয়োগ কার্যক্রম স্থগিত করে এবং পরবর্তীতে তা বাতিল করা হয়।
শিক্ষার্থীদের দাবি, ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানের পর বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন ক্ষেত্রে পরিবর্তন এলেও মসজিদের ইমাম নিয়োগের বিষয়টি এখনো ঝুলে আছে। এ বিষয়ে তারা নতুন প্রশাসনের কাছে একাধিকবার লিখিত আবেদন ও দাবি জানিয়েছে। কিন্তু প্রশাসনিক জটিলতার কথা উল্লেখ করে এখন পর্যন্ত নিয়োগ প্রক্রিয়ায় দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি হয়নি বলে অভিযোগ তাদের।
জানা যায়, মসজিদটি কেবল শহীদ সালাম-বরকত হল ও আ ফ ম কামালউদ্দিন হলের প্রায় ৮০০ শিক্ষার্থীর জন্যই নয়; পার্শ্ববর্তী শিক্ষক আবাসিক এলাকার বাসিন্দা, বটতলা এলাকার ব্যবসায়ী, দর্শনার্থী এবং সাপ্তাহিক কোর্সে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরাও নিয়মিত এখানে নামাজ আদায় করেন। ফলে স্থায়ী ইমাম না থাকায় ভোগান্তির পরিধি আরও বিস্তৃত হয়েছে।
বর্তমানে মসজিদের একমাত্র মুয়াজ্জিন নিজ দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি ইমামতির দায়িত্বও পালন করছেন। তবে তিনি অসুস্থ থাকলে কিংবা ছুটিতে গেলে শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকেই কাউকে ইমামতি করতে হয়। এতে নিয়মিত ধর্মীয় কার্যক্রম পরিচালনায় নানা ধরনের সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে বলে জানিয়েছেন মুসল্লিরা।
কয়েকজন আবাসিক শিক্ষার্থীরা বলেন, একটি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ইমামের দায়িত্ব শুধু নামাজ পরিচালনার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। ধর্মীয় শিক্ষা, নৈতিক দিকনির্দেশনা এবং বিভিন্ন সামাজিক ও ব্যক্তিগত বিষয়ে পরামর্শ প্রদানের ক্ষেত্রেও একজন ইমাম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। দীর্ঘদিন ধরে পদটি শূন্য থাকায় তারা এসব সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।
এদিকে, সার্বিক পরিস্থিতিতে গত ১০ জুলাই রাতে দুই হলের শিক্ষার্থীরা একটি জরুরি পরামর্শ সভা আয়োজন করেন। সভা শেষে ১২ জুলাই তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে দ্রুত ইমাম নিয়োগের দাবি জানান। একই সঙ্গে চলতি সপ্তাহের মধ্যেই এ বিষয়ে দৃশ্যমান অগ্রগতি দেখতে চান বলে জানান তারা।
এ বিষয়ে আ ফ ম কামালউদ্দিন হল ছাত্রসংসদের সভাপতি আবরার শাহরিয়ার বলেন, ১৬ জুলাইয়ের মধ্যে নতুন ইমাম নিয়োগের আনুষ্ঠানিক প্রজ্ঞাপন জারি না হলে দুই হলের সাধারণ শিক্ষার্থীরা পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করবে। আমরা আশা করি, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বিষয়টির গুরুত্ব অনুধাবন করে দ্রুত নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করবে।
জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার এ বি এম আজিজুর রহমান বলেন, ইমাম নিয়োগের বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে আগামী সপ্তাহের মধ্যেই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে বলে আশা করছি।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) শহীদ সালাম-বরকত হল ও আ ফ ম কামালউদ্দিন হল সংলগ্ন যৌথ কেন্দ্রীয় মসজিদে প্রায় চার বছর ধরে স্থায়ী ইমামের পদ শূন্য রয়েছে। দীর্ঘ সময় ধরে পদটি খালি থাকায় দুই হলের শিক্ষার্থীদের মধ্যে অসন্তোষ বাড়ছে। দ্রুত স্থায়ী ইমাম নিয়োগের দাবি আবাসিক হল দুটির শিক্ষার্থীদের।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ২০২২ সালের আগস্টে দায়িত্বপ্রাপ্ত ইমামের চাকরির মেয়াদ শেষ হওয়ার পর থেকে নতুন করে কোনো ইমাম নিয়োগ দেওয়া হয়নি। যদিও শূন্য পদে নিয়োগ দেওয়ার উদ্দেশ্যে ২০২৪ সালে সাক্ষাৎকার গ্রহণ করা হয়েছিল। তবে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় তৎকালীন ছাত্রলীগের কিছু নেতাকর্মীর হস্তক্ষেপ ও অনিয়মের অভিযোগ ওঠে। ফলে শিক্ষার্থীদের প্রতিবাদের মুখে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সেই নিয়োগ কার্যক্রম স্থগিত করে এবং পরবর্তীতে তা বাতিল করা হয়।
শিক্ষার্থীদের দাবি, ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানের পর বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন ক্ষেত্রে পরিবর্তন এলেও মসজিদের ইমাম নিয়োগের বিষয়টি এখনো ঝুলে আছে। এ বিষয়ে তারা নতুন প্রশাসনের কাছে একাধিকবার লিখিত আবেদন ও দাবি জানিয়েছে। কিন্তু প্রশাসনিক জটিলতার কথা উল্লেখ করে এখন পর্যন্ত নিয়োগ প্রক্রিয়ায় দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি হয়নি বলে অভিযোগ তাদের।
জানা যায়, মসজিদটি কেবল শহীদ সালাম-বরকত হল ও আ ফ ম কামালউদ্দিন হলের প্রায় ৮০০ শিক্ষার্থীর জন্যই নয়; পার্শ্ববর্তী শিক্ষক আবাসিক এলাকার বাসিন্দা, বটতলা এলাকার ব্যবসায়ী, দর্শনার্থী এবং সাপ্তাহিক কোর্সে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরাও নিয়মিত এখানে নামাজ আদায় করেন। ফলে স্থায়ী ইমাম না থাকায় ভোগান্তির পরিধি আরও বিস্তৃত হয়েছে।
বর্তমানে মসজিদের একমাত্র মুয়াজ্জিন নিজ দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি ইমামতির দায়িত্বও পালন করছেন। তবে তিনি অসুস্থ থাকলে কিংবা ছুটিতে গেলে শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকেই কাউকে ইমামতি করতে হয়। এতে নিয়মিত ধর্মীয় কার্যক্রম পরিচালনায় নানা ধরনের সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে বলে জানিয়েছেন মুসল্লিরা।
কয়েকজন আবাসিক শিক্ষার্থীরা বলেন, একটি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ইমামের দায়িত্ব শুধু নামাজ পরিচালনার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। ধর্মীয় শিক্ষা, নৈতিক দিকনির্দেশনা এবং বিভিন্ন সামাজিক ও ব্যক্তিগত বিষয়ে পরামর্শ প্রদানের ক্ষেত্রেও একজন ইমাম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। দীর্ঘদিন ধরে পদটি শূন্য থাকায় তারা এসব সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।
এদিকে, সার্বিক পরিস্থিতিতে গত ১০ জুলাই রাতে দুই হলের শিক্ষার্থীরা একটি জরুরি পরামর্শ সভা আয়োজন করেন। সভা শেষে ১২ জুলাই তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে দ্রুত ইমাম নিয়োগের দাবি জানান। একই সঙ্গে চলতি সপ্তাহের মধ্যেই এ বিষয়ে দৃশ্যমান অগ্রগতি দেখতে চান বলে জানান তারা।
এ বিষয়ে আ ফ ম কামালউদ্দিন হল ছাত্রসংসদের সভাপতি আবরার শাহরিয়ার বলেন, ১৬ জুলাইয়ের মধ্যে নতুন ইমাম নিয়োগের আনুষ্ঠানিক প্রজ্ঞাপন জারি না হলে দুই হলের সাধারণ শিক্ষার্থীরা পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করবে। আমরা আশা করি, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বিষয়টির গুরুত্ব অনুধাবন করে দ্রুত নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করবে।
জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার এ বি এম আজিজুর রহমান বলেন, ইমাম নিয়োগের বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে আগামী সপ্তাহের মধ্যেই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে বলে আশা করছি।

৪ বছর ধরে ইমামশূন্য জাবির দুই হলের মসজিদ
জাবি প্রতিনিধি

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) শহীদ সালাম-বরকত হল ও আ ফ ম কামালউদ্দিন হল সংলগ্ন যৌথ কেন্দ্রীয় মসজিদে প্রায় চার বছর ধরে স্থায়ী ইমামের পদ শূন্য রয়েছে। দীর্ঘ সময় ধরে পদটি খালি থাকায় দুই হলের শিক্ষার্থীদের মধ্যে অসন্তোষ বাড়ছে। দ্রুত স্থায়ী ইমাম নিয়োগের দাবি আবাসিক হল দুটির শিক্ষার্থীদের।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ২০২২ সালের আগস্টে দায়িত্বপ্রাপ্ত ইমামের চাকরির মেয়াদ শেষ হওয়ার পর থেকে নতুন করে কোনো ইমাম নিয়োগ দেওয়া হয়নি। যদিও শূন্য পদে নিয়োগ দেওয়ার উদ্দেশ্যে ২০২৪ সালে সাক্ষাৎকার গ্রহণ করা হয়েছিল। তবে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় তৎকালীন ছাত্রলীগের কিছু নেতাকর্মীর হস্তক্ষেপ ও অনিয়মের অভিযোগ ওঠে। ফলে শিক্ষার্থীদের প্রতিবাদের মুখে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সেই নিয়োগ কার্যক্রম স্থগিত করে এবং পরবর্তীতে তা বাতিল করা হয়।
শিক্ষার্থীদের দাবি, ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানের পর বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন ক্ষেত্রে পরিবর্তন এলেও মসজিদের ইমাম নিয়োগের বিষয়টি এখনো ঝুলে আছে। এ বিষয়ে তারা নতুন প্রশাসনের কাছে একাধিকবার লিখিত আবেদন ও দাবি জানিয়েছে। কিন্তু প্রশাসনিক জটিলতার কথা উল্লেখ করে এখন পর্যন্ত নিয়োগ প্রক্রিয়ায় দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি হয়নি বলে অভিযোগ তাদের।
জানা যায়, মসজিদটি কেবল শহীদ সালাম-বরকত হল ও আ ফ ম কামালউদ্দিন হলের প্রায় ৮০০ শিক্ষার্থীর জন্যই নয়; পার্শ্ববর্তী শিক্ষক আবাসিক এলাকার বাসিন্দা, বটতলা এলাকার ব্যবসায়ী, দর্শনার্থী এবং সাপ্তাহিক কোর্সে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরাও নিয়মিত এখানে নামাজ আদায় করেন। ফলে স্থায়ী ইমাম না থাকায় ভোগান্তির পরিধি আরও বিস্তৃত হয়েছে।
বর্তমানে মসজিদের একমাত্র মুয়াজ্জিন নিজ দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি ইমামতির দায়িত্বও পালন করছেন। তবে তিনি অসুস্থ থাকলে কিংবা ছুটিতে গেলে শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকেই কাউকে ইমামতি করতে হয়। এতে নিয়মিত ধর্মীয় কার্যক্রম পরিচালনায় নানা ধরনের সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে বলে জানিয়েছেন মুসল্লিরা।
কয়েকজন আবাসিক শিক্ষার্থীরা বলেন, একটি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ইমামের দায়িত্ব শুধু নামাজ পরিচালনার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। ধর্মীয় শিক্ষা, নৈতিক দিকনির্দেশনা এবং বিভিন্ন সামাজিক ও ব্যক্তিগত বিষয়ে পরামর্শ প্রদানের ক্ষেত্রেও একজন ইমাম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। দীর্ঘদিন ধরে পদটি শূন্য থাকায় তারা এসব সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।
এদিকে, সার্বিক পরিস্থিতিতে গত ১০ জুলাই রাতে দুই হলের শিক্ষার্থীরা একটি জরুরি পরামর্শ সভা আয়োজন করেন। সভা শেষে ১২ জুলাই তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে দ্রুত ইমাম নিয়োগের দাবি জানান। একই সঙ্গে চলতি সপ্তাহের মধ্যেই এ বিষয়ে দৃশ্যমান অগ্রগতি দেখতে চান বলে জানান তারা।
এ বিষয়ে আ ফ ম কামালউদ্দিন হল ছাত্রসংসদের সভাপতি আবরার শাহরিয়ার বলেন, ১৬ জুলাইয়ের মধ্যে নতুন ইমাম নিয়োগের আনুষ্ঠানিক প্রজ্ঞাপন জারি না হলে দুই হলের সাধারণ শিক্ষার্থীরা পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করবে। আমরা আশা করি, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বিষয়টির গুরুত্ব অনুধাবন করে দ্রুত নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করবে।
জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার এ বি এম আজিজুর রহমান বলেন, ইমাম নিয়োগের বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে আগামী সপ্তাহের মধ্যেই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে বলে আশা করছি।

কাগজ, সিল আর স্বাক্ষরের গোলকধাঁধায় জাবি শিক্ষার্থীরা







