লাল কার্ড বিতর্কে যা বললেন ফিফা সভপতি

লাল কার্ড বিতর্কে যা বললেন ফিফা সভপতি
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

চলমান বিশ্বকাপে লাল কার্ড সংক্রান্ত একটি বিতর্কিত সিদ্ধান্তের জেরে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ফোন পাওয়ার কথা স্বীকার করেছেন আন্তর্জাতিক ফুটবল সংস্থার প্রধান জিয়ান্নি ইনফান্তিনো। তবে তিনি দৃঢ়তার সঙ্গে জানিয়েছেন, সংস্থার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণে মার্কিন প্রেসিডেন্টের কোনো ধরনের প্রভাব বা হস্তক্ষেপ ছিল না।
আন্তর্জাতিক ফুটবল সংস্থার পক্ষ থেকে জারি করা এক বিবৃতিতে ইনফান্তিনো জানান, বিশ্বকাপ আয়োজনের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে তার প্রায়ই কথা হয়ে থাকে। সেই ধারাবাহিকতাতেই ট্রাম্প তাকে ফোন করেছিলেন। তবে লাল কার্ডের সিদ্ধান্তের পেছনে কোনো বাহ্যিক চাপ কাজ করেনি বলে উল্লেখ করেন ফিফা সভপতি। তিনি বলেন, মার্কিন প্রেসিডেন্টকে তখনই পরিষ্কার জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল যে বিষয়টি সম্পূর্ণভাবে শৃঙ্খলা রক্ষা কমিটির বিবেচনাধীন এবং তারাই নিয়ম অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেবে। এখানে ব্যক্তিগতভাবে কারও কিছু করার সুযোগ নেই এবং পুরো প্রক্রিয়াটি সংস্থার নিজস্ব বিধিমালা মেনেই সম্পন্ন হয়েছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মার্কিন ফরোয়ার্ড ফোলারিন বালোগানের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়ে চলমান তুমুল আলোচনার প্রেক্ষিতে ইনফান্তিনো আরও বলেন, শৃঙ্খলা রক্ষা কমিটি সম্পূর্ণ স্বাধীন ও নিয়ম মেনে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। কমিটির পর্যালোচনায় দেখা গেছে, বালোগুনকে লাল কার্ড দেখানোর সিদ্ধান্তটি প্রয়োজনের তুলনায় অনেক বেশি কঠোর ছিল এবং সে কারণেই বিধি মোতাবেক তার ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হয়েছে।
এর আগে অবশ্য হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজেই আন্তর্জাতিক ফুটবল সংস্থাকে সিদ্ধান্তটি পুনর্বিবেচনার অনুরোধ জানানোর কথা অকপটে স্বীকার করেন। ট্রাম্প দাবি করেন, তিনি কোনো নির্দেশ দেননি, বরং ঘটনাটি স্রেফ আরেকবার খতিয়ে দেখতে বলেছিলেন। পুরো ম্যাচটি দেখার অভিজ্ঞতা থেকে ট্রাম্পের মত ছিল, সেটি কোনো ফাউলই ছিল না, বরং দুই ফুটবলার দ্রুতগতিতে দৌড়ানোর সময় একে অপরের সঙ্গে ধাক্কা খেয়েছিলেন মাত্র। এ সময় ম্যাচ পরিচালনাকারী ব্রাজিলের রেফারি রাফায়েল ক্লসের নিরপেক্ষতা নিয়েও প্রকাশ্যেই সন্দেহ প্রকাশ করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। রেফারির অতীত রেকর্ড নিয়ে প্রশ্ন তুলে তাকে ‘সন্দেহজনক’ বলে আখ্যা দেন তিনি।
বিশ্বকাপের দীর্ঘ ইতিহাসে এর আগে কোনো রাষ্ট্রপ্রধানের অনুরোধ বা হস্তক্ষেপে আন্তর্জাতিক ফুটবল সংস্থাকে নিজেদের সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করতে দেখা যায়নি। অতীতে ১৯৯৮ সালে লরাঁ ব্লাঁ কিংবা ২০০২ সালে মাইকেল বালাকের মতো কিংবদন্তিরা কার্ডজনিত নিষেধাজ্ঞার কারণে বিশ্বকাপের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ মিস করলেও সংশ্লিষ্ট দেশের রাষ্ট্রপ্রধানরা সংস্থার সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রকাশ্যে কোনো প্রশ্ন তোলেননি বা ফোন করে হস্তক্ষেপের চেষ্টা করেননি।

চলমান বিশ্বকাপে লাল কার্ড সংক্রান্ত একটি বিতর্কিত সিদ্ধান্তের জেরে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ফোন পাওয়ার কথা স্বীকার করেছেন আন্তর্জাতিক ফুটবল সংস্থার প্রধান জিয়ান্নি ইনফান্তিনো। তবে তিনি দৃঢ়তার সঙ্গে জানিয়েছেন, সংস্থার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণে মার্কিন প্রেসিডেন্টের কোনো ধরনের প্রভাব বা হস্তক্ষেপ ছিল না।
আন্তর্জাতিক ফুটবল সংস্থার পক্ষ থেকে জারি করা এক বিবৃতিতে ইনফান্তিনো জানান, বিশ্বকাপ আয়োজনের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে তার প্রায়ই কথা হয়ে থাকে। সেই ধারাবাহিকতাতেই ট্রাম্প তাকে ফোন করেছিলেন। তবে লাল কার্ডের সিদ্ধান্তের পেছনে কোনো বাহ্যিক চাপ কাজ করেনি বলে উল্লেখ করেন ফিফা সভপতি। তিনি বলেন, মার্কিন প্রেসিডেন্টকে তখনই পরিষ্কার জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল যে বিষয়টি সম্পূর্ণভাবে শৃঙ্খলা রক্ষা কমিটির বিবেচনাধীন এবং তারাই নিয়ম অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেবে। এখানে ব্যক্তিগতভাবে কারও কিছু করার সুযোগ নেই এবং পুরো প্রক্রিয়াটি সংস্থার নিজস্ব বিধিমালা মেনেই সম্পন্ন হয়েছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মার্কিন ফরোয়ার্ড ফোলারিন বালোগানের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়ে চলমান তুমুল আলোচনার প্রেক্ষিতে ইনফান্তিনো আরও বলেন, শৃঙ্খলা রক্ষা কমিটি সম্পূর্ণ স্বাধীন ও নিয়ম মেনে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। কমিটির পর্যালোচনায় দেখা গেছে, বালোগুনকে লাল কার্ড দেখানোর সিদ্ধান্তটি প্রয়োজনের তুলনায় অনেক বেশি কঠোর ছিল এবং সে কারণেই বিধি মোতাবেক তার ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হয়েছে।
এর আগে অবশ্য হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজেই আন্তর্জাতিক ফুটবল সংস্থাকে সিদ্ধান্তটি পুনর্বিবেচনার অনুরোধ জানানোর কথা অকপটে স্বীকার করেন। ট্রাম্প দাবি করেন, তিনি কোনো নির্দেশ দেননি, বরং ঘটনাটি স্রেফ আরেকবার খতিয়ে দেখতে বলেছিলেন। পুরো ম্যাচটি দেখার অভিজ্ঞতা থেকে ট্রাম্পের মত ছিল, সেটি কোনো ফাউলই ছিল না, বরং দুই ফুটবলার দ্রুতগতিতে দৌড়ানোর সময় একে অপরের সঙ্গে ধাক্কা খেয়েছিলেন মাত্র। এ সময় ম্যাচ পরিচালনাকারী ব্রাজিলের রেফারি রাফায়েল ক্লসের নিরপেক্ষতা নিয়েও প্রকাশ্যেই সন্দেহ প্রকাশ করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। রেফারির অতীত রেকর্ড নিয়ে প্রশ্ন তুলে তাকে ‘সন্দেহজনক’ বলে আখ্যা দেন তিনি।
বিশ্বকাপের দীর্ঘ ইতিহাসে এর আগে কোনো রাষ্ট্রপ্রধানের অনুরোধ বা হস্তক্ষেপে আন্তর্জাতিক ফুটবল সংস্থাকে নিজেদের সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করতে দেখা যায়নি। অতীতে ১৯৯৮ সালে লরাঁ ব্লাঁ কিংবা ২০০২ সালে মাইকেল বালাকের মতো কিংবদন্তিরা কার্ডজনিত নিষেধাজ্ঞার কারণে বিশ্বকাপের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ মিস করলেও সংশ্লিষ্ট দেশের রাষ্ট্রপ্রধানরা সংস্থার সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রকাশ্যে কোনো প্রশ্ন তোলেননি বা ফোন করে হস্তক্ষেপের চেষ্টা করেননি।

লাল কার্ড বিতর্কে যা বললেন ফিফা সভপতি
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

চলমান বিশ্বকাপে লাল কার্ড সংক্রান্ত একটি বিতর্কিত সিদ্ধান্তের জেরে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ফোন পাওয়ার কথা স্বীকার করেছেন আন্তর্জাতিক ফুটবল সংস্থার প্রধান জিয়ান্নি ইনফান্তিনো। তবে তিনি দৃঢ়তার সঙ্গে জানিয়েছেন, সংস্থার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণে মার্কিন প্রেসিডেন্টের কোনো ধরনের প্রভাব বা হস্তক্ষেপ ছিল না।
আন্তর্জাতিক ফুটবল সংস্থার পক্ষ থেকে জারি করা এক বিবৃতিতে ইনফান্তিনো জানান, বিশ্বকাপ আয়োজনের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে তার প্রায়ই কথা হয়ে থাকে। সেই ধারাবাহিকতাতেই ট্রাম্প তাকে ফোন করেছিলেন। তবে লাল কার্ডের সিদ্ধান্তের পেছনে কোনো বাহ্যিক চাপ কাজ করেনি বলে উল্লেখ করেন ফিফা সভপতি। তিনি বলেন, মার্কিন প্রেসিডেন্টকে তখনই পরিষ্কার জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল যে বিষয়টি সম্পূর্ণভাবে শৃঙ্খলা রক্ষা কমিটির বিবেচনাধীন এবং তারাই নিয়ম অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেবে। এখানে ব্যক্তিগতভাবে কারও কিছু করার সুযোগ নেই এবং পুরো প্রক্রিয়াটি সংস্থার নিজস্ব বিধিমালা মেনেই সম্পন্ন হয়েছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মার্কিন ফরোয়ার্ড ফোলারিন বালোগানের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়ে চলমান তুমুল আলোচনার প্রেক্ষিতে ইনফান্তিনো আরও বলেন, শৃঙ্খলা রক্ষা কমিটি সম্পূর্ণ স্বাধীন ও নিয়ম মেনে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। কমিটির পর্যালোচনায় দেখা গেছে, বালোগুনকে লাল কার্ড দেখানোর সিদ্ধান্তটি প্রয়োজনের তুলনায় অনেক বেশি কঠোর ছিল এবং সে কারণেই বিধি মোতাবেক তার ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হয়েছে।
এর আগে অবশ্য হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজেই আন্তর্জাতিক ফুটবল সংস্থাকে সিদ্ধান্তটি পুনর্বিবেচনার অনুরোধ জানানোর কথা অকপটে স্বীকার করেন। ট্রাম্প দাবি করেন, তিনি কোনো নির্দেশ দেননি, বরং ঘটনাটি স্রেফ আরেকবার খতিয়ে দেখতে বলেছিলেন। পুরো ম্যাচটি দেখার অভিজ্ঞতা থেকে ট্রাম্পের মত ছিল, সেটি কোনো ফাউলই ছিল না, বরং দুই ফুটবলার দ্রুতগতিতে দৌড়ানোর সময় একে অপরের সঙ্গে ধাক্কা খেয়েছিলেন মাত্র। এ সময় ম্যাচ পরিচালনাকারী ব্রাজিলের রেফারি রাফায়েল ক্লসের নিরপেক্ষতা নিয়েও প্রকাশ্যেই সন্দেহ প্রকাশ করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। রেফারির অতীত রেকর্ড নিয়ে প্রশ্ন তুলে তাকে ‘সন্দেহজনক’ বলে আখ্যা দেন তিনি।
বিশ্বকাপের দীর্ঘ ইতিহাসে এর আগে কোনো রাষ্ট্রপ্রধানের অনুরোধ বা হস্তক্ষেপে আন্তর্জাতিক ফুটবল সংস্থাকে নিজেদের সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করতে দেখা যায়নি। অতীতে ১৯৯৮ সালে লরাঁ ব্লাঁ কিংবা ২০০২ সালে মাইকেল বালাকের মতো কিংবদন্তিরা কার্ডজনিত নিষেধাজ্ঞার কারণে বিশ্বকাপের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ মিস করলেও সংশ্লিষ্ট দেশের রাষ্ট্রপ্রধানরা সংস্থার সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রকাশ্যে কোনো প্রশ্ন তোলেননি বা ফোন করে হস্তক্ষেপের চেষ্টা করেননি।

বিতর্কিত লাল কার্ডের বিরুদ্ধে আপিলের সুযোগ নেই যুক্তরাষ্ট্রের


