এলএনজি সরবরাহ কম, গ্যাসের স্বল্পচাপের সতর্কবার্তা

এলএনজি সরবরাহ কম, গ্যাসের স্বল্পচাপের সতর্কবার্তা
নিজস্ব প্রতিবেদক

সমুদ্রে দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে মহেশখালীর এলএনজি টার্মিনাল থেকে গ্যাসের সরবরাহ কমে গেছে। এর প্রভাব পড়েছে সারা দেশ। পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়া পর্যন্ত দেশের আবাসিক, বাণিজ্যিক, শিল্পসহ সব শ্রেণির গ্রাহক গ্যাসের স্বল্পচাপের সমস্যায় পড়তে পারেন।
মঙ্গলবার (৭ জুলাই) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ সতর্কবার্তা দিয়েছে বাংলাদেশ তেল, গ্যাস ও খনিজ সম্পদ করপোরেশন (পেট্রোবাংলা)।
কক্সবাজারের মহেশখালীতে দুটি ভাসমান টার্মিনালের মাধ্যমে দেশে আমদানি করা তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) রিগ্যাসিফায়েড এলএনজিতে (আরএলএনজি) রূপান্তর করে সারা দেশে সরবরাহ হয়।
পেট্রোবাংলা সূত্র বলছে, দেশে এমনিতেই দীর্ঘদিন ধরে চাহিদার তুলনায় গ্যাসের সরবরাহ কম। এর মধ্যে ২টি টার্মিনাল থেকে ১০০-১০৫ কোটি ঘনফুট এলএনজি সরবরাহ করা হচ্ছিল। সমুদ্রে প্রতিকূল আবহাওয়া পরিস্থিতির কারণে সোমবার (৬ জুলাই) গভীর রাত থেকে ধাপে ধাপে ৩০ কোটি ঘনফুট কমানো হয়েছে। এখন ৭৫ কোটি ঘনফুট এলএনজি সরবরাহ করা হচ্ছে। আবহাওয়া ঠিক হলে আবার এলএনজির সরবরাহ বাড়ানো হবে।
দেশে দিনে সরবরাহ করা মোট গ্যাসের ৩৫ থেকে ৪০ শতাংশ আসে আমদানি করা এলএনজি থেকে। তাই এলএনজির সরবরাহ কমলে গ্যাসের সংকট বেড়ে যায়।
গ্যাসের সরবরাহ কমায় গ্রাহকের কাছে দুঃখ প্রকাশ করে বিজ্ঞপ্তি পাঠিয়েছে
রাজধানী ও এর আশপাশের জেলায় গ্যাস বিতরণকারী সংস্থা তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন পিএলসি এক বিজ্ঞপ্তিতে গ্যাসের সরবরাহ কমায় গ্রাহকের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেছে। সংস্থাটি বলছে, দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে মহেশখালীর টার্মিনালগুলো থেকে এলএনজি সরবরাহ প্রায় ৩০ কোটি ঘনফুট কমেছে। এ কারণে তিতাস গ্যাসের আওতাভুক্ত এলাকার সব শ্রেণির গ্রাহকপ্রান্তে গ্যাসের স্বল্প চাপ বিরাজ করবে। পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়া পর্যন্ত চাপ কম থাকবে।

সমুদ্রে দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে মহেশখালীর এলএনজি টার্মিনাল থেকে গ্যাসের সরবরাহ কমে গেছে। এর প্রভাব পড়েছে সারা দেশ। পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়া পর্যন্ত দেশের আবাসিক, বাণিজ্যিক, শিল্পসহ সব শ্রেণির গ্রাহক গ্যাসের স্বল্পচাপের সমস্যায় পড়তে পারেন।
মঙ্গলবার (৭ জুলাই) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ সতর্কবার্তা দিয়েছে বাংলাদেশ তেল, গ্যাস ও খনিজ সম্পদ করপোরেশন (পেট্রোবাংলা)।
কক্সবাজারের মহেশখালীতে দুটি ভাসমান টার্মিনালের মাধ্যমে দেশে আমদানি করা তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) রিগ্যাসিফায়েড এলএনজিতে (আরএলএনজি) রূপান্তর করে সারা দেশে সরবরাহ হয়।
পেট্রোবাংলা সূত্র বলছে, দেশে এমনিতেই দীর্ঘদিন ধরে চাহিদার তুলনায় গ্যাসের সরবরাহ কম। এর মধ্যে ২টি টার্মিনাল থেকে ১০০-১০৫ কোটি ঘনফুট এলএনজি সরবরাহ করা হচ্ছিল। সমুদ্রে প্রতিকূল আবহাওয়া পরিস্থিতির কারণে সোমবার (৬ জুলাই) গভীর রাত থেকে ধাপে ধাপে ৩০ কোটি ঘনফুট কমানো হয়েছে। এখন ৭৫ কোটি ঘনফুট এলএনজি সরবরাহ করা হচ্ছে। আবহাওয়া ঠিক হলে আবার এলএনজির সরবরাহ বাড়ানো হবে।
দেশে দিনে সরবরাহ করা মোট গ্যাসের ৩৫ থেকে ৪০ শতাংশ আসে আমদানি করা এলএনজি থেকে। তাই এলএনজির সরবরাহ কমলে গ্যাসের সংকট বেড়ে যায়।
গ্যাসের সরবরাহ কমায় গ্রাহকের কাছে দুঃখ প্রকাশ করে বিজ্ঞপ্তি পাঠিয়েছে
রাজধানী ও এর আশপাশের জেলায় গ্যাস বিতরণকারী সংস্থা তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন পিএলসি এক বিজ্ঞপ্তিতে গ্যাসের সরবরাহ কমায় গ্রাহকের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেছে। সংস্থাটি বলছে, দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে মহেশখালীর টার্মিনালগুলো থেকে এলএনজি সরবরাহ প্রায় ৩০ কোটি ঘনফুট কমেছে। এ কারণে তিতাস গ্যাসের আওতাভুক্ত এলাকার সব শ্রেণির গ্রাহকপ্রান্তে গ্যাসের স্বল্প চাপ বিরাজ করবে। পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়া পর্যন্ত চাপ কম থাকবে।

এলএনজি সরবরাহ কম, গ্যাসের স্বল্পচাপের সতর্কবার্তা
নিজস্ব প্রতিবেদক

সমুদ্রে দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে মহেশখালীর এলএনজি টার্মিনাল থেকে গ্যাসের সরবরাহ কমে গেছে। এর প্রভাব পড়েছে সারা দেশ। পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়া পর্যন্ত দেশের আবাসিক, বাণিজ্যিক, শিল্পসহ সব শ্রেণির গ্রাহক গ্যাসের স্বল্পচাপের সমস্যায় পড়তে পারেন।
মঙ্গলবার (৭ জুলাই) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ সতর্কবার্তা দিয়েছে বাংলাদেশ তেল, গ্যাস ও খনিজ সম্পদ করপোরেশন (পেট্রোবাংলা)।
কক্সবাজারের মহেশখালীতে দুটি ভাসমান টার্মিনালের মাধ্যমে দেশে আমদানি করা তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) রিগ্যাসিফায়েড এলএনজিতে (আরএলএনজি) রূপান্তর করে সারা দেশে সরবরাহ হয়।
পেট্রোবাংলা সূত্র বলছে, দেশে এমনিতেই দীর্ঘদিন ধরে চাহিদার তুলনায় গ্যাসের সরবরাহ কম। এর মধ্যে ২টি টার্মিনাল থেকে ১০০-১০৫ কোটি ঘনফুট এলএনজি সরবরাহ করা হচ্ছিল। সমুদ্রে প্রতিকূল আবহাওয়া পরিস্থিতির কারণে সোমবার (৬ জুলাই) গভীর রাত থেকে ধাপে ধাপে ৩০ কোটি ঘনফুট কমানো হয়েছে। এখন ৭৫ কোটি ঘনফুট এলএনজি সরবরাহ করা হচ্ছে। আবহাওয়া ঠিক হলে আবার এলএনজির সরবরাহ বাড়ানো হবে।
দেশে দিনে সরবরাহ করা মোট গ্যাসের ৩৫ থেকে ৪০ শতাংশ আসে আমদানি করা এলএনজি থেকে। তাই এলএনজির সরবরাহ কমলে গ্যাসের সংকট বেড়ে যায়।
গ্যাসের সরবরাহ কমায় গ্রাহকের কাছে দুঃখ প্রকাশ করে বিজ্ঞপ্তি পাঠিয়েছে
রাজধানী ও এর আশপাশের জেলায় গ্যাস বিতরণকারী সংস্থা তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন পিএলসি এক বিজ্ঞপ্তিতে গ্যাসের সরবরাহ কমায় গ্রাহকের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেছে। সংস্থাটি বলছে, দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে মহেশখালীর টার্মিনালগুলো থেকে এলএনজি সরবরাহ প্রায় ৩০ কোটি ঘনফুট কমেছে। এ কারণে তিতাস গ্যাসের আওতাভুক্ত এলাকার সব শ্রেণির গ্রাহকপ্রান্তে গ্যাসের স্বল্প চাপ বিরাজ করবে। পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়া পর্যন্ত চাপ কম থাকবে।

সারাদেশে কমতে পারে গ্যাসের চাপ: তিতাস


