ঝুঁকিপূর্ণ দেয়ালে জোড়াতালি দিয়ে ১ কোটি ৩৩ লাখ টাকার বিল!

ঝুঁকিপূর্ণ দেয়ালে জোড়াতালি দিয়ে ১ কোটি ৩৩ লাখ টাকার বিল!
সেলিনা আক্তার

রাজধানীর বেইলি রোডের ইস্কাটন গার্ডেন সরকারি কর্মকর্তা কোয়ার্টারের ঝুঁকিপূর্ণ ও জরাজীর্ণ সীমানা প্রাচীর পুনর্নির্মাণের জন্য নেওয়া হয়েছে কোটিরও বেশি টাকার প্রকল্প। কিন্তু পুরোনো দেয়াল অপসারণ না করেই তার ওপর নতুন করে ইট গেঁথে প্রাচীর উঁচু করা হচ্ছে। অভিযোগ উঠেছে, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান আর প্রকৌশলী মিলে এই কাজটি করছেন। এতে নির্মাণকাজের মান ও ভবিষ্যৎ নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
গণপূর্ত সূত্রে জানা যায়, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ইস্কাটন গার্ডেন সরকারি কর্মকর্তা কোয়ার্টারের ঝুঁকিপূর্ণ ও জরাজীর্ণ সীমানা প্রাচীর উঁচু করা এবং পুনর্নির্মাণের কাজ করার দায়িত্ব দেওয়া হয় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স বি এম বিল্ডার্সকে। এ কাজের চুক্তিমূল্য ১ কোটি ৩৩ লাখ ৫ হাজার ৩১০ টাকা। প্রকল্পটি বাস্তবায়নের দায়িত্বে রয়েছে গণপূর্ত অধিদপ্তরের বিভাগ-৪।

সোমবার (৬ জুলাই) সরেজমিনে বেইলি রোডের অফিসার্স ক্লাবের বিপরীতে গুলফিশান ও কাহকাশান অফিসার্স কোয়ার্টার এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, পুরোনো ঝুঁকিপূর্ণ সীমানা প্রাচীর ভেঙে নতুন করে নির্মাণের পরিবর্তে আগের দেয়ালের ওপরই ইট গেঁথে প্রাচীর উঁচু করা হচ্ছে। কোথাও কোথাও পুরোনো দেয়ালের ওপর শুধু প্লাস্টার করে তার ওপর নতুন ইটের গাঁথুনি দেওয়া হয়েছে। কয়েকটি অংশে ইতোমধ্যে নতুন প্রাচীরের ওপর বালু-সিমেন্টের আস্তরণও সম্পন্ন করা হয়েছে। তবে পুরাতন অংশের ৩ ফুট উচ্চতার পিলার ছিল। এখন সীমানা প্রাচীর ইট দিয়ে বাড়িয়ে ৮ ফুট করা হলেও বর্ধিতাংশের কোনো পিলার দেওয়া হয়নি। এতে ভবিষ্যতে দুর্ঘটনার ঝুঁকি থেকেই যাচ্ছে।
গুলফিশান ও কাহকাশান কোয়ার্টারের সীমানা প্রাচীর সংলগ্ন ফুটপাতে গাছ বিক্রি করেন ফরহাদ। তিনি সিজেডএন টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, ‘প্রায় এক মাস ধরে এখানে সীমানা প্রাচীরের কাজ চলছে। কিন্তু আগের ইটের দেয়াল না ভেঙে শুধু প্লাস্টার করে তার ওপর নতুন করে ইট দিয়ে দেয়াল নির্মাণ করা হচ্ছে।’ আর কাজটি তোড়জোড় করে শেষ করা হচ্ছে বলেও জানা গেছে।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে ঢাকা গণপূর্ত বিভাগ-৪-এর নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মাসুদ রানার সঙ্গে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। পরে তার ব্যক্তিগত হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরে অভিযোগের বিষয়ে বিস্তারিত বার্তা পাঠানো হলেও এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত কোনো জবাব পাওয়া যায়নি।

রাজধানীর বেইলি রোডের ইস্কাটন গার্ডেন সরকারি কর্মকর্তা কোয়ার্টারের ঝুঁকিপূর্ণ ও জরাজীর্ণ সীমানা প্রাচীর পুনর্নির্মাণের জন্য নেওয়া হয়েছে কোটিরও বেশি টাকার প্রকল্প। কিন্তু পুরোনো দেয়াল অপসারণ না করেই তার ওপর নতুন করে ইট গেঁথে প্রাচীর উঁচু করা হচ্ছে। অভিযোগ উঠেছে, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান আর প্রকৌশলী মিলে এই কাজটি করছেন। এতে নির্মাণকাজের মান ও ভবিষ্যৎ নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
গণপূর্ত সূত্রে জানা যায়, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ইস্কাটন গার্ডেন সরকারি কর্মকর্তা কোয়ার্টারের ঝুঁকিপূর্ণ ও জরাজীর্ণ সীমানা প্রাচীর উঁচু করা এবং পুনর্নির্মাণের কাজ করার দায়িত্ব দেওয়া হয় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স বি এম বিল্ডার্সকে। এ কাজের চুক্তিমূল্য ১ কোটি ৩৩ লাখ ৫ হাজার ৩১০ টাকা। প্রকল্পটি বাস্তবায়নের দায়িত্বে রয়েছে গণপূর্ত অধিদপ্তরের বিভাগ-৪।

সোমবার (৬ জুলাই) সরেজমিনে বেইলি রোডের অফিসার্স ক্লাবের বিপরীতে গুলফিশান ও কাহকাশান অফিসার্স কোয়ার্টার এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, পুরোনো ঝুঁকিপূর্ণ সীমানা প্রাচীর ভেঙে নতুন করে নির্মাণের পরিবর্তে আগের দেয়ালের ওপরই ইট গেঁথে প্রাচীর উঁচু করা হচ্ছে। কোথাও কোথাও পুরোনো দেয়ালের ওপর শুধু প্লাস্টার করে তার ওপর নতুন ইটের গাঁথুনি দেওয়া হয়েছে। কয়েকটি অংশে ইতোমধ্যে নতুন প্রাচীরের ওপর বালু-সিমেন্টের আস্তরণও সম্পন্ন করা হয়েছে। তবে পুরাতন অংশের ৩ ফুট উচ্চতার পিলার ছিল। এখন সীমানা প্রাচীর ইট দিয়ে বাড়িয়ে ৮ ফুট করা হলেও বর্ধিতাংশের কোনো পিলার দেওয়া হয়নি। এতে ভবিষ্যতে দুর্ঘটনার ঝুঁকি থেকেই যাচ্ছে।
গুলফিশান ও কাহকাশান কোয়ার্টারের সীমানা প্রাচীর সংলগ্ন ফুটপাতে গাছ বিক্রি করেন ফরহাদ। তিনি সিজেডএন টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, ‘প্রায় এক মাস ধরে এখানে সীমানা প্রাচীরের কাজ চলছে। কিন্তু আগের ইটের দেয়াল না ভেঙে শুধু প্লাস্টার করে তার ওপর নতুন করে ইট দিয়ে দেয়াল নির্মাণ করা হচ্ছে।’ আর কাজটি তোড়জোড় করে শেষ করা হচ্ছে বলেও জানা গেছে।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে ঢাকা গণপূর্ত বিভাগ-৪-এর নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মাসুদ রানার সঙ্গে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। পরে তার ব্যক্তিগত হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরে অভিযোগের বিষয়ে বিস্তারিত বার্তা পাঠানো হলেও এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত কোনো জবাব পাওয়া যায়নি।

ঝুঁকিপূর্ণ দেয়ালে জোড়াতালি দিয়ে ১ কোটি ৩৩ লাখ টাকার বিল!
সেলিনা আক্তার

রাজধানীর বেইলি রোডের ইস্কাটন গার্ডেন সরকারি কর্মকর্তা কোয়ার্টারের ঝুঁকিপূর্ণ ও জরাজীর্ণ সীমানা প্রাচীর পুনর্নির্মাণের জন্য নেওয়া হয়েছে কোটিরও বেশি টাকার প্রকল্প। কিন্তু পুরোনো দেয়াল অপসারণ না করেই তার ওপর নতুন করে ইট গেঁথে প্রাচীর উঁচু করা হচ্ছে। অভিযোগ উঠেছে, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান আর প্রকৌশলী মিলে এই কাজটি করছেন। এতে নির্মাণকাজের মান ও ভবিষ্যৎ নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
গণপূর্ত সূত্রে জানা যায়, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ইস্কাটন গার্ডেন সরকারি কর্মকর্তা কোয়ার্টারের ঝুঁকিপূর্ণ ও জরাজীর্ণ সীমানা প্রাচীর উঁচু করা এবং পুনর্নির্মাণের কাজ করার দায়িত্ব দেওয়া হয় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স বি এম বিল্ডার্সকে। এ কাজের চুক্তিমূল্য ১ কোটি ৩৩ লাখ ৫ হাজার ৩১০ টাকা। প্রকল্পটি বাস্তবায়নের দায়িত্বে রয়েছে গণপূর্ত অধিদপ্তরের বিভাগ-৪।

সোমবার (৬ জুলাই) সরেজমিনে বেইলি রোডের অফিসার্স ক্লাবের বিপরীতে গুলফিশান ও কাহকাশান অফিসার্স কোয়ার্টার এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, পুরোনো ঝুঁকিপূর্ণ সীমানা প্রাচীর ভেঙে নতুন করে নির্মাণের পরিবর্তে আগের দেয়ালের ওপরই ইট গেঁথে প্রাচীর উঁচু করা হচ্ছে। কোথাও কোথাও পুরোনো দেয়ালের ওপর শুধু প্লাস্টার করে তার ওপর নতুন ইটের গাঁথুনি দেওয়া হয়েছে। কয়েকটি অংশে ইতোমধ্যে নতুন প্রাচীরের ওপর বালু-সিমেন্টের আস্তরণও সম্পন্ন করা হয়েছে। তবে পুরাতন অংশের ৩ ফুট উচ্চতার পিলার ছিল। এখন সীমানা প্রাচীর ইট দিয়ে বাড়িয়ে ৮ ফুট করা হলেও বর্ধিতাংশের কোনো পিলার দেওয়া হয়নি। এতে ভবিষ্যতে দুর্ঘটনার ঝুঁকি থেকেই যাচ্ছে।
গুলফিশান ও কাহকাশান কোয়ার্টারের সীমানা প্রাচীর সংলগ্ন ফুটপাতে গাছ বিক্রি করেন ফরহাদ। তিনি সিজেডএন টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, ‘প্রায় এক মাস ধরে এখানে সীমানা প্রাচীরের কাজ চলছে। কিন্তু আগের ইটের দেয়াল না ভেঙে শুধু প্লাস্টার করে তার ওপর নতুন করে ইট দিয়ে দেয়াল নির্মাণ করা হচ্ছে।’ আর কাজটি তোড়জোড় করে শেষ করা হচ্ছে বলেও জানা গেছে।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে ঢাকা গণপূর্ত বিভাগ-৪-এর নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মাসুদ রানার সঙ্গে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। পরে তার ব্যক্তিগত হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরে অভিযোগের বিষয়ে বিস্তারিত বার্তা পাঠানো হলেও এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত কোনো জবাব পাওয়া যায়নি।

‘খণ্ড’ নামে লেকশোর পাচ্ছে ৯ কাঠা, রাজউকের গচ্চা ৬০ কোটি
রাজউকের ১৫০ কোটি টাকার জমিতে ‘নিকেতন লেডিস পার্ক’ কার স্বার্থে


