বিতর্কিত লাল কার্ডের বিরুদ্ধে আপিলের সুযোগ নেই যুক্তরাষ্ট্রের

বিতর্কিত লাল কার্ডের বিরুদ্ধে আপিলের সুযোগ নেই যুক্তরাষ্ট্রের
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার বিপক্ষে ম্যাচে ফরোয়ার্ড ফোলারিন বালোগানের বিতর্কিত লাল কার্ডের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে কোনো আইনি পদক্ষেপ বা আপিল করতে পারছে না স্বাগতিক যুক্তরাষ্ট্র। ফুটবলের বিশ্বমঞ্চের কঠোর নিয়ম অনুযায়ী, মাঠের ভেতরে রেফারির নেওয়া যেকোনো তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত এবং টুর্নামেন্ট চলাকালীন তা চ্যালেঞ্জ করার কোনো সুযোগ অংশ নেওয়া দলগুলোর থাকে না।
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) ভোরে অনুষ্ঠিত ম্যাচে বসনিয়াকে হারিয়ে ইতোমধ্যে বিশ্বকাপের শেষ ষোলো নিশ্চিত করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। দলের জয়ে প্রথম গোলটি করে দলকে এগিয়ে নিয়েছিলেন ফরোয়ার্ড বালোগান নিজেই, আর পরে মালিক টিলম্যান আরেকটি গোল করে দলের জয় সুনিশ্চিত করেন। তবে ম্যাচের ৬৪তম মিনিটে বল দখলের লড়াইয়ে নামলে ঘটে এক অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা। বসনিয়ার ডিফেন্ডার তারিক মুহারেমোভিচের গোড়ালিতে বালোগানের বুটের স্টাড লেগে যায়। মাঠের রেফারি প্রথমে এটিকে সাধারণ ফাউল হিসেবে বিবেচনা করে বাঁশি বাজালেও, পরবর্তীতে ভিডিও সহকারী রেফারি পরামর্শে ঘটনার রিপ্লে দেখে সরাসরি লাল কার্ডের নির্দেশ দেন।
এর ফলে বেলজিয়ামের বিপক্ষে নকআউট পর্বের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে মাঠের বাইরে থাকতে হবে যুক্তরাষ্ট্রের এই তারকা ফরোয়ার্ডকে। এর আগে আর্জেন্টিনার উদ্বোধনী ম্যাচে লিওনেল মেসি প্রায় একই ধরনের একটি ফাউল করে পার পেয়ে যাওয়ায় অনেক সমর্থকই আশা করেছিলেন যুক্তরাষ্ট্র হয়তো এ সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করার সুযোগ পাবে। কিন্তু ফিফার নিয়মে স্পষ্ট বলা আছে, সরাসরি লাল কার্ড বা দ্বিতীয় হলুদ কার্ডের কারণে মাঠ ছাড়লে খেলোয়াড় স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরবর্তী ম্যাচে নিষিদ্ধ থাকবেন, যদি না শৃঙ্খলা কমিটি অতিরিক্ত কোনো শাস্তি যোগ করে। যেহেতু বালোগানকে শুধু এক ম্যাচের স্বাভাবিক নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে, তাই নিয়মের বেড়াজালে এখানে যুক্তরাষ্ট্রের আপিল করার কোনো আইনি পথ খোলা নেই।
এদিকে রেফারির এ সিদ্ধান্ত নিয়ে ফুটবল মহলে তীব্র সমালোচনা শুরু হয়েছে। সাবেক ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ রেফারি মার্ক ক্ল্যাটেনবার্গ এটিকে একটি ভুল সিদ্ধান্ত বলে আখ্যা দিয়েছেন। তার মতে, বালোগানের এ চ্যালেঞ্জটি ছিল সম্পূর্ণ অনাকাঙ্ক্ষিত ও দুর্ঘটনাবশত এবং এখানে ভিডিও সহকারী রেফারির হস্তক্ষেপ করার কোনো প্রয়োজনই ছিল না। বিতর্কিত এই লাল কার্ডের সিদ্ধান্তটি পুরো ম্যাচের স্বাভাবিক গতিপথ বদলে দিয়েছে বলেও মন্তব্য করেন এই সাবেক রেফারি।

বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার বিপক্ষে ম্যাচে ফরোয়ার্ড ফোলারিন বালোগানের বিতর্কিত লাল কার্ডের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে কোনো আইনি পদক্ষেপ বা আপিল করতে পারছে না স্বাগতিক যুক্তরাষ্ট্র। ফুটবলের বিশ্বমঞ্চের কঠোর নিয়ম অনুযায়ী, মাঠের ভেতরে রেফারির নেওয়া যেকোনো তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত এবং টুর্নামেন্ট চলাকালীন তা চ্যালেঞ্জ করার কোনো সুযোগ অংশ নেওয়া দলগুলোর থাকে না।
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) ভোরে অনুষ্ঠিত ম্যাচে বসনিয়াকে হারিয়ে ইতোমধ্যে বিশ্বকাপের শেষ ষোলো নিশ্চিত করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। দলের জয়ে প্রথম গোলটি করে দলকে এগিয়ে নিয়েছিলেন ফরোয়ার্ড বালোগান নিজেই, আর পরে মালিক টিলম্যান আরেকটি গোল করে দলের জয় সুনিশ্চিত করেন। তবে ম্যাচের ৬৪তম মিনিটে বল দখলের লড়াইয়ে নামলে ঘটে এক অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা। বসনিয়ার ডিফেন্ডার তারিক মুহারেমোভিচের গোড়ালিতে বালোগানের বুটের স্টাড লেগে যায়। মাঠের রেফারি প্রথমে এটিকে সাধারণ ফাউল হিসেবে বিবেচনা করে বাঁশি বাজালেও, পরবর্তীতে ভিডিও সহকারী রেফারি পরামর্শে ঘটনার রিপ্লে দেখে সরাসরি লাল কার্ডের নির্দেশ দেন।
এর ফলে বেলজিয়ামের বিপক্ষে নকআউট পর্বের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে মাঠের বাইরে থাকতে হবে যুক্তরাষ্ট্রের এই তারকা ফরোয়ার্ডকে। এর আগে আর্জেন্টিনার উদ্বোধনী ম্যাচে লিওনেল মেসি প্রায় একই ধরনের একটি ফাউল করে পার পেয়ে যাওয়ায় অনেক সমর্থকই আশা করেছিলেন যুক্তরাষ্ট্র হয়তো এ সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করার সুযোগ পাবে। কিন্তু ফিফার নিয়মে স্পষ্ট বলা আছে, সরাসরি লাল কার্ড বা দ্বিতীয় হলুদ কার্ডের কারণে মাঠ ছাড়লে খেলোয়াড় স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরবর্তী ম্যাচে নিষিদ্ধ থাকবেন, যদি না শৃঙ্খলা কমিটি অতিরিক্ত কোনো শাস্তি যোগ করে। যেহেতু বালোগানকে শুধু এক ম্যাচের স্বাভাবিক নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে, তাই নিয়মের বেড়াজালে এখানে যুক্তরাষ্ট্রের আপিল করার কোনো আইনি পথ খোলা নেই।
এদিকে রেফারির এ সিদ্ধান্ত নিয়ে ফুটবল মহলে তীব্র সমালোচনা শুরু হয়েছে। সাবেক ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ রেফারি মার্ক ক্ল্যাটেনবার্গ এটিকে একটি ভুল সিদ্ধান্ত বলে আখ্যা দিয়েছেন। তার মতে, বালোগানের এ চ্যালেঞ্জটি ছিল সম্পূর্ণ অনাকাঙ্ক্ষিত ও দুর্ঘটনাবশত এবং এখানে ভিডিও সহকারী রেফারির হস্তক্ষেপ করার কোনো প্রয়োজনই ছিল না। বিতর্কিত এই লাল কার্ডের সিদ্ধান্তটি পুরো ম্যাচের স্বাভাবিক গতিপথ বদলে দিয়েছে বলেও মন্তব্য করেন এই সাবেক রেফারি।

বিতর্কিত লাল কার্ডের বিরুদ্ধে আপিলের সুযোগ নেই যুক্তরাষ্ট্রের
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার বিপক্ষে ম্যাচে ফরোয়ার্ড ফোলারিন বালোগানের বিতর্কিত লাল কার্ডের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে কোনো আইনি পদক্ষেপ বা আপিল করতে পারছে না স্বাগতিক যুক্তরাষ্ট্র। ফুটবলের বিশ্বমঞ্চের কঠোর নিয়ম অনুযায়ী, মাঠের ভেতরে রেফারির নেওয়া যেকোনো তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত এবং টুর্নামেন্ট চলাকালীন তা চ্যালেঞ্জ করার কোনো সুযোগ অংশ নেওয়া দলগুলোর থাকে না।
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) ভোরে অনুষ্ঠিত ম্যাচে বসনিয়াকে হারিয়ে ইতোমধ্যে বিশ্বকাপের শেষ ষোলো নিশ্চিত করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। দলের জয়ে প্রথম গোলটি করে দলকে এগিয়ে নিয়েছিলেন ফরোয়ার্ড বালোগান নিজেই, আর পরে মালিক টিলম্যান আরেকটি গোল করে দলের জয় সুনিশ্চিত করেন। তবে ম্যাচের ৬৪তম মিনিটে বল দখলের লড়াইয়ে নামলে ঘটে এক অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা। বসনিয়ার ডিফেন্ডার তারিক মুহারেমোভিচের গোড়ালিতে বালোগানের বুটের স্টাড লেগে যায়। মাঠের রেফারি প্রথমে এটিকে সাধারণ ফাউল হিসেবে বিবেচনা করে বাঁশি বাজালেও, পরবর্তীতে ভিডিও সহকারী রেফারি পরামর্শে ঘটনার রিপ্লে দেখে সরাসরি লাল কার্ডের নির্দেশ দেন।
এর ফলে বেলজিয়ামের বিপক্ষে নকআউট পর্বের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে মাঠের বাইরে থাকতে হবে যুক্তরাষ্ট্রের এই তারকা ফরোয়ার্ডকে। এর আগে আর্জেন্টিনার উদ্বোধনী ম্যাচে লিওনেল মেসি প্রায় একই ধরনের একটি ফাউল করে পার পেয়ে যাওয়ায় অনেক সমর্থকই আশা করেছিলেন যুক্তরাষ্ট্র হয়তো এ সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করার সুযোগ পাবে। কিন্তু ফিফার নিয়মে স্পষ্ট বলা আছে, সরাসরি লাল কার্ড বা দ্বিতীয় হলুদ কার্ডের কারণে মাঠ ছাড়লে খেলোয়াড় স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরবর্তী ম্যাচে নিষিদ্ধ থাকবেন, যদি না শৃঙ্খলা কমিটি অতিরিক্ত কোনো শাস্তি যোগ করে। যেহেতু বালোগানকে শুধু এক ম্যাচের স্বাভাবিক নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে, তাই নিয়মের বেড়াজালে এখানে যুক্তরাষ্ট্রের আপিল করার কোনো আইনি পথ খোলা নেই।
এদিকে রেফারির এ সিদ্ধান্ত নিয়ে ফুটবল মহলে তীব্র সমালোচনা শুরু হয়েছে। সাবেক ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ রেফারি মার্ক ক্ল্যাটেনবার্গ এটিকে একটি ভুল সিদ্ধান্ত বলে আখ্যা দিয়েছেন। তার মতে, বালোগানের এ চ্যালেঞ্জটি ছিল সম্পূর্ণ অনাকাঙ্ক্ষিত ও দুর্ঘটনাবশত এবং এখানে ভিডিও সহকারী রেফারির হস্তক্ষেপ করার কোনো প্রয়োজনই ছিল না। বিতর্কিত এই লাল কার্ডের সিদ্ধান্তটি পুরো ম্যাচের স্বাভাবিক গতিপথ বদলে দিয়েছে বলেও মন্তব্য করেন এই সাবেক রেফারি।

বালোগান পেলেন লাল কার্ড, সমর্থকরা পাচ্ছেন ফ্রি পিৎজা


