ভিসা জটিলতায় বিপাকে ইরানের বিশ্বকাপ প্রতিনিধিদল

ভিসা জটিলতায় বিপাকে ইরানের বিশ্বকাপ প্রতিনিধিদল
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

বিশ্বকাপের দামামা বাজছে, কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিমালার বেড়াজালে পড়ে চরম অনিশ্চয়তায় দিন কাটাচ্ছে ইরানের ফুটবল প্রতিনিধিদল। টুর্নামেন্টে অংশ নিতে গিয়ে দেশটির শীর্ষ কর্মকর্তা ও গুরুত্বপূর্ণ ব্যাকরুম স্টাফদের বড় একটি অংশ এখনো ওয়াশিংটনের সবুজ সংকেত না পাওয়ায় ইরানি শিবিরে দেখা দিয়েছে তীব্র হতাশা।
ইরান ফুটবল ফেডারেশনের দেওয়া তথ্যমতে, প্রাথমিকভাবে ভিসা বঞ্চিত হওয়া ১৫ জন প্রতিনিধির মধ্যে মাত্র চারজন আপিলের পর ছাড়পত্র পেয়েছেন। চারজনের মধ্যে রয়েছেন একজন টেকনিক্যাল বিশ্লেষক ও আন্তর্জাতিক বিভাগের দুই কর্মকর্তা। তবে নতুন করে আবেদন করার পরও খোদ ফেডারেশন সভাপতি মেহদি তাজ, একজন সহ-সভাপতি এবং প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তাদের ভিসা দেয়নি মার্কিন প্রশাসন। এ রাজনৈতিক টানাপোড়েন ও নিরাপত্তা উদ্বেগের জেরে ইরান তাদের বিশ্বকাপ প্রস্তুতি শিবির যুক্তরাষ্ট্র থেকে মেক্সিকোতে সরিয়ে নিতে বাধ্য হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৬ জুন) বাংলাদেশ সময় সকাল ৭টায় নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে ইরানের বিশ্বকাপ মিশন শুরু হওয়ার কথা। কিন্তু মাঠের বাইরের এ জটিলতা তাদের মানসিক প্রস্তুতিতে বড় ধাক্কা দিয়েছে। এরপর ২১ জুন বেলজিয়াম এবং ২৭ জুন মিশরের মুখোমুখি হবে তারা। তবে কেবল দলের কর্মকর্তারা নন, ইরানি সমর্থকদের জন্য নির্ধারিত টিকিট কোটা বাতিলের মার্কিন সিদ্ধান্ত পুরো পরিস্থিতিকে আরও ঘোলাটে করে তুলেছে। যদিও ফিফা জানিয়েছে, তারা ইরানি সমর্থকদের মাঠে উপস্থিতি নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ চেষ্টা চালাচ্ছে।
এর আগে ইরান ফুটবল ফেডারেশন ফিফার কাছে ১০ দফা দাবি উত্থাপন করেছিল। তার মধ্যে অন্যতম ছিল ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)-এর সঙ্গে সম্পৃক্ত খেলোয়াড় ও কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণের অনুমতি দেওয়া। তবে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও জানিয়েছেন, খেলোয়াড়দের স্বাগত জানানো হলেও আইআরজিসি সংশ্লিষ্ট কাউকে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না। এর আগেও কানাডায় অনুষ্ঠিত ফিফার বার্ষিক কংগ্রেসে অংশ নিতে গিয়ে একই কারণে বাধার মুখে পড়েছিল ইরানি প্রতিনিধিরা।
চলতি বিশ্বকাপে শুধু ইরানই নয়, সোমালিয়ার রেফারি ওমর আরতানসহ বিভিন্ন দেশের সমর্থকরাও একই ধরনের ভিসা জটিলতার মুখোমুখি হয়েছেন। আয়োজক দেশের এমন অনমনীয় মনোভাবের তীব্র সমালোচনা করে সাবেক ফিফা প্রধান সেপ ব্ল্যাটার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বলেছেন, যোগ্য দল, কর্মকর্তা ও রেফারিদের অবাধ প্রবেশ নিশ্চিত করা আয়োজকদের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব এবং এই বাধা ফুটবলের সার্বজনীন চেতনার পরিপন্থী। ফিফার নিয়ম অনুযায়ী একটি দলের ৫০ জন প্রতিনিধির ব্যয়ভার বহনের সুযোগ থাকলেও, মাঠের লড়াই শুরুর আগ মুহূর্তের এ প্রশাসনিক জটিলতা ইরানের বিশ্বকাপ অভিযানকে এক বড় সংকটের মুখে দাঁড় করিয়েছে।

বিশ্বকাপের দামামা বাজছে, কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিমালার বেড়াজালে পড়ে চরম অনিশ্চয়তায় দিন কাটাচ্ছে ইরানের ফুটবল প্রতিনিধিদল। টুর্নামেন্টে অংশ নিতে গিয়ে দেশটির শীর্ষ কর্মকর্তা ও গুরুত্বপূর্ণ ব্যাকরুম স্টাফদের বড় একটি অংশ এখনো ওয়াশিংটনের সবুজ সংকেত না পাওয়ায় ইরানি শিবিরে দেখা দিয়েছে তীব্র হতাশা।
ইরান ফুটবল ফেডারেশনের দেওয়া তথ্যমতে, প্রাথমিকভাবে ভিসা বঞ্চিত হওয়া ১৫ জন প্রতিনিধির মধ্যে মাত্র চারজন আপিলের পর ছাড়পত্র পেয়েছেন। চারজনের মধ্যে রয়েছেন একজন টেকনিক্যাল বিশ্লেষক ও আন্তর্জাতিক বিভাগের দুই কর্মকর্তা। তবে নতুন করে আবেদন করার পরও খোদ ফেডারেশন সভাপতি মেহদি তাজ, একজন সহ-সভাপতি এবং প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তাদের ভিসা দেয়নি মার্কিন প্রশাসন। এ রাজনৈতিক টানাপোড়েন ও নিরাপত্তা উদ্বেগের জেরে ইরান তাদের বিশ্বকাপ প্রস্তুতি শিবির যুক্তরাষ্ট্র থেকে মেক্সিকোতে সরিয়ে নিতে বাধ্য হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৬ জুন) বাংলাদেশ সময় সকাল ৭টায় নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে ইরানের বিশ্বকাপ মিশন শুরু হওয়ার কথা। কিন্তু মাঠের বাইরের এ জটিলতা তাদের মানসিক প্রস্তুতিতে বড় ধাক্কা দিয়েছে। এরপর ২১ জুন বেলজিয়াম এবং ২৭ জুন মিশরের মুখোমুখি হবে তারা। তবে কেবল দলের কর্মকর্তারা নন, ইরানি সমর্থকদের জন্য নির্ধারিত টিকিট কোটা বাতিলের মার্কিন সিদ্ধান্ত পুরো পরিস্থিতিকে আরও ঘোলাটে করে তুলেছে। যদিও ফিফা জানিয়েছে, তারা ইরানি সমর্থকদের মাঠে উপস্থিতি নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ চেষ্টা চালাচ্ছে।
এর আগে ইরান ফুটবল ফেডারেশন ফিফার কাছে ১০ দফা দাবি উত্থাপন করেছিল। তার মধ্যে অন্যতম ছিল ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)-এর সঙ্গে সম্পৃক্ত খেলোয়াড় ও কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণের অনুমতি দেওয়া। তবে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও জানিয়েছেন, খেলোয়াড়দের স্বাগত জানানো হলেও আইআরজিসি সংশ্লিষ্ট কাউকে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না। এর আগেও কানাডায় অনুষ্ঠিত ফিফার বার্ষিক কংগ্রেসে অংশ নিতে গিয়ে একই কারণে বাধার মুখে পড়েছিল ইরানি প্রতিনিধিরা।
চলতি বিশ্বকাপে শুধু ইরানই নয়, সোমালিয়ার রেফারি ওমর আরতানসহ বিভিন্ন দেশের সমর্থকরাও একই ধরনের ভিসা জটিলতার মুখোমুখি হয়েছেন। আয়োজক দেশের এমন অনমনীয় মনোভাবের তীব্র সমালোচনা করে সাবেক ফিফা প্রধান সেপ ব্ল্যাটার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বলেছেন, যোগ্য দল, কর্মকর্তা ও রেফারিদের অবাধ প্রবেশ নিশ্চিত করা আয়োজকদের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব এবং এই বাধা ফুটবলের সার্বজনীন চেতনার পরিপন্থী। ফিফার নিয়ম অনুযায়ী একটি দলের ৫০ জন প্রতিনিধির ব্যয়ভার বহনের সুযোগ থাকলেও, মাঠের লড়াই শুরুর আগ মুহূর্তের এ প্রশাসনিক জটিলতা ইরানের বিশ্বকাপ অভিযানকে এক বড় সংকটের মুখে দাঁড় করিয়েছে।

ভিসা জটিলতায় বিপাকে ইরানের বিশ্বকাপ প্রতিনিধিদল
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

বিশ্বকাপের দামামা বাজছে, কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিমালার বেড়াজালে পড়ে চরম অনিশ্চয়তায় দিন কাটাচ্ছে ইরানের ফুটবল প্রতিনিধিদল। টুর্নামেন্টে অংশ নিতে গিয়ে দেশটির শীর্ষ কর্মকর্তা ও গুরুত্বপূর্ণ ব্যাকরুম স্টাফদের বড় একটি অংশ এখনো ওয়াশিংটনের সবুজ সংকেত না পাওয়ায় ইরানি শিবিরে দেখা দিয়েছে তীব্র হতাশা।
ইরান ফুটবল ফেডারেশনের দেওয়া তথ্যমতে, প্রাথমিকভাবে ভিসা বঞ্চিত হওয়া ১৫ জন প্রতিনিধির মধ্যে মাত্র চারজন আপিলের পর ছাড়পত্র পেয়েছেন। চারজনের মধ্যে রয়েছেন একজন টেকনিক্যাল বিশ্লেষক ও আন্তর্জাতিক বিভাগের দুই কর্মকর্তা। তবে নতুন করে আবেদন করার পরও খোদ ফেডারেশন সভাপতি মেহদি তাজ, একজন সহ-সভাপতি এবং প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তাদের ভিসা দেয়নি মার্কিন প্রশাসন। এ রাজনৈতিক টানাপোড়েন ও নিরাপত্তা উদ্বেগের জেরে ইরান তাদের বিশ্বকাপ প্রস্তুতি শিবির যুক্তরাষ্ট্র থেকে মেক্সিকোতে সরিয়ে নিতে বাধ্য হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৬ জুন) বাংলাদেশ সময় সকাল ৭টায় নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে ইরানের বিশ্বকাপ মিশন শুরু হওয়ার কথা। কিন্তু মাঠের বাইরের এ জটিলতা তাদের মানসিক প্রস্তুতিতে বড় ধাক্কা দিয়েছে। এরপর ২১ জুন বেলজিয়াম এবং ২৭ জুন মিশরের মুখোমুখি হবে তারা। তবে কেবল দলের কর্মকর্তারা নন, ইরানি সমর্থকদের জন্য নির্ধারিত টিকিট কোটা বাতিলের মার্কিন সিদ্ধান্ত পুরো পরিস্থিতিকে আরও ঘোলাটে করে তুলেছে। যদিও ফিফা জানিয়েছে, তারা ইরানি সমর্থকদের মাঠে উপস্থিতি নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ চেষ্টা চালাচ্ছে।
এর আগে ইরান ফুটবল ফেডারেশন ফিফার কাছে ১০ দফা দাবি উত্থাপন করেছিল। তার মধ্যে অন্যতম ছিল ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)-এর সঙ্গে সম্পৃক্ত খেলোয়াড় ও কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণের অনুমতি দেওয়া। তবে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও জানিয়েছেন, খেলোয়াড়দের স্বাগত জানানো হলেও আইআরজিসি সংশ্লিষ্ট কাউকে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না। এর আগেও কানাডায় অনুষ্ঠিত ফিফার বার্ষিক কংগ্রেসে অংশ নিতে গিয়ে একই কারণে বাধার মুখে পড়েছিল ইরানি প্রতিনিধিরা।
চলতি বিশ্বকাপে শুধু ইরানই নয়, সোমালিয়ার রেফারি ওমর আরতানসহ বিভিন্ন দেশের সমর্থকরাও একই ধরনের ভিসা জটিলতার মুখোমুখি হয়েছেন। আয়োজক দেশের এমন অনমনীয় মনোভাবের তীব্র সমালোচনা করে সাবেক ফিফা প্রধান সেপ ব্ল্যাটার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বলেছেন, যোগ্য দল, কর্মকর্তা ও রেফারিদের অবাধ প্রবেশ নিশ্চিত করা আয়োজকদের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব এবং এই বাধা ফুটবলের সার্বজনীন চেতনার পরিপন্থী। ফিফার নিয়ম অনুযায়ী একটি দলের ৫০ জন প্রতিনিধির ব্যয়ভার বহনের সুযোগ থাকলেও, মাঠের লড়াই শুরুর আগ মুহূর্তের এ প্রশাসনিক জটিলতা ইরানের বিশ্বকাপ অভিযানকে এক বড় সংকটের মুখে দাঁড় করিয়েছে।

ইরানকুন্ডার গোলে তুরস্কের বিপক্ষে এগিয়ে অস্ট্রেলিয়া
‘আমরা জিততে চেয়েছিলাম’, ড্র করে হতাশ মরক্কো



