ম্যারাডোনার বিষাদময় ডালাসে অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে মাঠে নামছে আর্জেন্টিনা

ম্যারাডোনার বিষাদময় ডালাসে অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে মাঠে নামছে আর্জেন্টিনা
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

তিন দশক আগে ১৯৯৪ বিশ্বকাপে যে ডালাস শহর ডোপিং ট্র্যাজেডিতে দিয়েগো ম্যারাডোনার অশ্রুসিক্ত বিদায় দেখেছিল, সেই চেনা প্রান্তরে সোমবার (২২ জুন) রাতে মাঠে নামছে আলবিসেলেস্তেরা। তবে কটন বোলের পরিবর্তে ভেন্যু এবার এটিঅ্যান্ডটি স্টেডিয়াম। এখানে গ্রুপ পর্বের দ্বিতীয় ম্যাচে লিওনেল মেসির আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ শক্তিশালী অস্ট্রিয়া। পুরোনো সেই বিষাদময় ইতিহাসের স্মৃতি হাতড়ে আর্জেন্টাইন সমর্থকেরা ডালাসের মাটিতেই ম্যারাডোনার ‘কেড়ে নেওয়া বিশ্বকাপ’ পুনরুদ্ধারের স্বপ্ন দেখছেন।
বাংলাদেশ সময় সোমবার রাত ১১টায় শুরু হতে যাওয়া এ ম্যাচের আবহে জড়িয়ে আছে এক ভিন্ন রোমাঞ্চ। বর্তমান স্কোয়াডের মাত্র ছয়জন খেলোয়াড় ম্যারাডোনার সেই বিখ্যাত পা কেটে নেওয়ার ট্র্যাজেডির সময় পৃথিবীতে এসেছিলেন, বাকিদের কাছে এটি শুধুই ইতিহাস। তবে মাঠের লড়াইয়ে কোচ লিওনেল স্কালোনির ভাবনায় এসব আবেগের চেয়ে বেশি প্রাধান্য পাচ্ছে রণকৌশল ও দল নির্বাচন। নিজের কোচিং ক্যারিয়ারে ৯৭ ম্যাচের মধ্যে মাত্র তিনবার একই একাদশ অপরিবর্তিত রাখা স্কালোনি এবারও অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে দলে পরিবর্তন আনতে যাচ্ছেন, যা তার চেনা ফর্মুলা।
প্রথম ম্যাচে আলজেরিয়াকে ৩-০ গোলে উড়িয়ে দিয়ে টুর্নামেন্ট শুরু করেছে আর্জেন্টিনা। ম্যাচে অধিনায়ক লিওনেল মেসি করেছেন দৃষ্টিনন্দন হ্যাটট্রিক। অপরদিকে জর্ডানকে ৩-১ গোলে হারিয়ে পূর্ণ ৩ পয়েন্ট তুলে নিয়েছে রালফ রাংনিকের অস্ট্রিয়াও। ফলে আজকের ম্যাচটি মূলত গ্রুপ পর্বের শীর্ষস্থান নির্ধারণের লড়াইয়ে রূপ নিয়েছে। তবে অস্ট্রিয়াকে হালকাভাবে নেওয়ার কোনো সুযোগ দেখছেন না আর্জেন্টাইন থিঙ্কট্যাংক। সহকারী কোচ পাবলো আইমার ইতোমধ্যেই সতর্ক করেছেন, অস্ট্রিয়া শারীরিকভাবে অত্যন্ত শক্তিশালী, সুসংগঠিত এবং প্রতিপক্ষকে হাই-প্রেসিংয়ের মাধ্যমে ব্যাকফুটে ঠেলে দিতে ওস্তাদ। বিশেষ করে গোলরক্ষক ও ডিফেন্ডারদের ওপর অনবরত চাপ সৃষ্টি করে তাদের বিল্ড-আপ খেলা নষ্ট করাই রাংনিকের দলের মূল শক্তি।
টানা ৮ ম্যাচ জয়ের আত্মবিশ্বাস এবং শেষ চার ম্যাচের তিনটিতে অন্তত তিনটি করে গোল করার দুর্দান্ত ফর্ম আর্জেন্টিনাকে এগিয়ে রাখছে। আলবিসেলেস্তেরা যেখানে নিখুঁত পাসিং ও বল নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে ম্যাচের ছন্দ ধরে রাখতে চাইবে, সেখানে অস্ট্রিয়া চাইবে ফিজিক্যাল ট্যাকল ও প্রেসিং দিয়ে সেই ছন্দ পণ্ড করতে। অতীতের সব বেদনা আর মাঠের কঠিন চ্যালেঞ্জকে পেছনে ফেলে আর্জেন্টাইন ভক্তদের এখন একটাই চাওয়া; যে ডালাস একদা ম্যারাডোনার ট্র্যাজিক সমাপ্তি দেখেছিল, সেখানেই যেন আজ রাতে আলো ছড়ায় লিওনেল মেসির জাদুকরী বাঁ পা।

তিন দশক আগে ১৯৯৪ বিশ্বকাপে যে ডালাস শহর ডোপিং ট্র্যাজেডিতে দিয়েগো ম্যারাডোনার অশ্রুসিক্ত বিদায় দেখেছিল, সেই চেনা প্রান্তরে সোমবার (২২ জুন) রাতে মাঠে নামছে আলবিসেলেস্তেরা। তবে কটন বোলের পরিবর্তে ভেন্যু এবার এটিঅ্যান্ডটি স্টেডিয়াম। এখানে গ্রুপ পর্বের দ্বিতীয় ম্যাচে লিওনেল মেসির আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ শক্তিশালী অস্ট্রিয়া। পুরোনো সেই বিষাদময় ইতিহাসের স্মৃতি হাতড়ে আর্জেন্টাইন সমর্থকেরা ডালাসের মাটিতেই ম্যারাডোনার ‘কেড়ে নেওয়া বিশ্বকাপ’ পুনরুদ্ধারের স্বপ্ন দেখছেন।
বাংলাদেশ সময় সোমবার রাত ১১টায় শুরু হতে যাওয়া এ ম্যাচের আবহে জড়িয়ে আছে এক ভিন্ন রোমাঞ্চ। বর্তমান স্কোয়াডের মাত্র ছয়জন খেলোয়াড় ম্যারাডোনার সেই বিখ্যাত পা কেটে নেওয়ার ট্র্যাজেডির সময় পৃথিবীতে এসেছিলেন, বাকিদের কাছে এটি শুধুই ইতিহাস। তবে মাঠের লড়াইয়ে কোচ লিওনেল স্কালোনির ভাবনায় এসব আবেগের চেয়ে বেশি প্রাধান্য পাচ্ছে রণকৌশল ও দল নির্বাচন। নিজের কোচিং ক্যারিয়ারে ৯৭ ম্যাচের মধ্যে মাত্র তিনবার একই একাদশ অপরিবর্তিত রাখা স্কালোনি এবারও অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে দলে পরিবর্তন আনতে যাচ্ছেন, যা তার চেনা ফর্মুলা।
প্রথম ম্যাচে আলজেরিয়াকে ৩-০ গোলে উড়িয়ে দিয়ে টুর্নামেন্ট শুরু করেছে আর্জেন্টিনা। ম্যাচে অধিনায়ক লিওনেল মেসি করেছেন দৃষ্টিনন্দন হ্যাটট্রিক। অপরদিকে জর্ডানকে ৩-১ গোলে হারিয়ে পূর্ণ ৩ পয়েন্ট তুলে নিয়েছে রালফ রাংনিকের অস্ট্রিয়াও। ফলে আজকের ম্যাচটি মূলত গ্রুপ পর্বের শীর্ষস্থান নির্ধারণের লড়াইয়ে রূপ নিয়েছে। তবে অস্ট্রিয়াকে হালকাভাবে নেওয়ার কোনো সুযোগ দেখছেন না আর্জেন্টাইন থিঙ্কট্যাংক। সহকারী কোচ পাবলো আইমার ইতোমধ্যেই সতর্ক করেছেন, অস্ট্রিয়া শারীরিকভাবে অত্যন্ত শক্তিশালী, সুসংগঠিত এবং প্রতিপক্ষকে হাই-প্রেসিংয়ের মাধ্যমে ব্যাকফুটে ঠেলে দিতে ওস্তাদ। বিশেষ করে গোলরক্ষক ও ডিফেন্ডারদের ওপর অনবরত চাপ সৃষ্টি করে তাদের বিল্ড-আপ খেলা নষ্ট করাই রাংনিকের দলের মূল শক্তি।
টানা ৮ ম্যাচ জয়ের আত্মবিশ্বাস এবং শেষ চার ম্যাচের তিনটিতে অন্তত তিনটি করে গোল করার দুর্দান্ত ফর্ম আর্জেন্টিনাকে এগিয়ে রাখছে। আলবিসেলেস্তেরা যেখানে নিখুঁত পাসিং ও বল নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে ম্যাচের ছন্দ ধরে রাখতে চাইবে, সেখানে অস্ট্রিয়া চাইবে ফিজিক্যাল ট্যাকল ও প্রেসিং দিয়ে সেই ছন্দ পণ্ড করতে। অতীতের সব বেদনা আর মাঠের কঠিন চ্যালেঞ্জকে পেছনে ফেলে আর্জেন্টাইন ভক্তদের এখন একটাই চাওয়া; যে ডালাস একদা ম্যারাডোনার ট্র্যাজিক সমাপ্তি দেখেছিল, সেখানেই যেন আজ রাতে আলো ছড়ায় লিওনেল মেসির জাদুকরী বাঁ পা।

ম্যারাডোনার বিষাদময় ডালাসে অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে মাঠে নামছে আর্জেন্টিনা
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

তিন দশক আগে ১৯৯৪ বিশ্বকাপে যে ডালাস শহর ডোপিং ট্র্যাজেডিতে দিয়েগো ম্যারাডোনার অশ্রুসিক্ত বিদায় দেখেছিল, সেই চেনা প্রান্তরে সোমবার (২২ জুন) রাতে মাঠে নামছে আলবিসেলেস্তেরা। তবে কটন বোলের পরিবর্তে ভেন্যু এবার এটিঅ্যান্ডটি স্টেডিয়াম। এখানে গ্রুপ পর্বের দ্বিতীয় ম্যাচে লিওনেল মেসির আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ শক্তিশালী অস্ট্রিয়া। পুরোনো সেই বিষাদময় ইতিহাসের স্মৃতি হাতড়ে আর্জেন্টাইন সমর্থকেরা ডালাসের মাটিতেই ম্যারাডোনার ‘কেড়ে নেওয়া বিশ্বকাপ’ পুনরুদ্ধারের স্বপ্ন দেখছেন।
বাংলাদেশ সময় সোমবার রাত ১১টায় শুরু হতে যাওয়া এ ম্যাচের আবহে জড়িয়ে আছে এক ভিন্ন রোমাঞ্চ। বর্তমান স্কোয়াডের মাত্র ছয়জন খেলোয়াড় ম্যারাডোনার সেই বিখ্যাত পা কেটে নেওয়ার ট্র্যাজেডির সময় পৃথিবীতে এসেছিলেন, বাকিদের কাছে এটি শুধুই ইতিহাস। তবে মাঠের লড়াইয়ে কোচ লিওনেল স্কালোনির ভাবনায় এসব আবেগের চেয়ে বেশি প্রাধান্য পাচ্ছে রণকৌশল ও দল নির্বাচন। নিজের কোচিং ক্যারিয়ারে ৯৭ ম্যাচের মধ্যে মাত্র তিনবার একই একাদশ অপরিবর্তিত রাখা স্কালোনি এবারও অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে দলে পরিবর্তন আনতে যাচ্ছেন, যা তার চেনা ফর্মুলা।
প্রথম ম্যাচে আলজেরিয়াকে ৩-০ গোলে উড়িয়ে দিয়ে টুর্নামেন্ট শুরু করেছে আর্জেন্টিনা। ম্যাচে অধিনায়ক লিওনেল মেসি করেছেন দৃষ্টিনন্দন হ্যাটট্রিক। অপরদিকে জর্ডানকে ৩-১ গোলে হারিয়ে পূর্ণ ৩ পয়েন্ট তুলে নিয়েছে রালফ রাংনিকের অস্ট্রিয়াও। ফলে আজকের ম্যাচটি মূলত গ্রুপ পর্বের শীর্ষস্থান নির্ধারণের লড়াইয়ে রূপ নিয়েছে। তবে অস্ট্রিয়াকে হালকাভাবে নেওয়ার কোনো সুযোগ দেখছেন না আর্জেন্টাইন থিঙ্কট্যাংক। সহকারী কোচ পাবলো আইমার ইতোমধ্যেই সতর্ক করেছেন, অস্ট্রিয়া শারীরিকভাবে অত্যন্ত শক্তিশালী, সুসংগঠিত এবং প্রতিপক্ষকে হাই-প্রেসিংয়ের মাধ্যমে ব্যাকফুটে ঠেলে দিতে ওস্তাদ। বিশেষ করে গোলরক্ষক ও ডিফেন্ডারদের ওপর অনবরত চাপ সৃষ্টি করে তাদের বিল্ড-আপ খেলা নষ্ট করাই রাংনিকের দলের মূল শক্তি।
টানা ৮ ম্যাচ জয়ের আত্মবিশ্বাস এবং শেষ চার ম্যাচের তিনটিতে অন্তত তিনটি করে গোল করার দুর্দান্ত ফর্ম আর্জেন্টিনাকে এগিয়ে রাখছে। আলবিসেলেস্তেরা যেখানে নিখুঁত পাসিং ও বল নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে ম্যাচের ছন্দ ধরে রাখতে চাইবে, সেখানে অস্ট্রিয়া চাইবে ফিজিক্যাল ট্যাকল ও প্রেসিং দিয়ে সেই ছন্দ পণ্ড করতে। অতীতের সব বেদনা আর মাঠের কঠিন চ্যালেঞ্জকে পেছনে ফেলে আর্জেন্টাইন ভক্তদের এখন একটাই চাওয়া; যে ডালাস একদা ম্যারাডোনার ট্র্যাজিক সমাপ্তি দেখেছিল, সেখানেই যেন আজ রাতে আলো ছড়ায় লিওনেল মেসির জাদুকরী বাঁ পা।

আর্জেন্টিনা-অস্ট্রিয়া ম্যাচ নিয়ে কী বলছে সুপার কম্পিউটার


