শিরোনাম

যে কারণে হয় তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ

সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক
যে কারণে হয় তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ
তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে মুখোমুখি হবেন কেইন ও এমবাপ্পে

আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ২-১ ব্যবধানে সেমিফাইনালে হেরেছে ইংল্যান্ড। তার আগে স্পেনের কাছে হেরেছে ফ্রান্স। এবারের বিশ্বকাপ মিশন এখনই শেষ হচ্ছে না এই দুই দলের। তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে মাঠে নামবে ফ্রান্স ও ইংল্যান্ড।

বিশ্বকাপের ইতিহাসে এর আগে দুইবার তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ খেলেছে ইংল্যান্ড এবং দুইবারই তাদের মাঠ ছাড়তে হয়েছে খালি হাতে। ১৯৯০ বিশ্বকাপে স্বাগতিক ইতালির কাছে ২-১ ব্যবধানে এবং সবশেষ ২০১৮ সালে বেলজিয়ামের কাছে ২-০ গোলে হেরেছিল তারা।

অন্যদিকে তৃতীয় স্থানের লড়াইয়ে ফ্রান্সের অতীত রেকর্ড বেশ সমৃদ্ধ। তিনবার এই পজিশনের জন্য লড়েছে তারা, যার মধ্যে জয় এসেছে দুইটিতে। ১৯৫৮ সালে পশ্চিম জার্মানিকে ৬-৩ গোলে এবং ১৯৮৬ সালে বেলজিয়ামকে অতিরিক্ত সময়ে ৪-২ গোলে হারিয়েছিল ফ্রান্স। তবে ১৯৮২ সালে পোল্যান্ডের কাছে ৩-২ ব্যবধানে হেরে তৃতীয় স্থান হাতছাড়া করেছিল তারা।

তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচটি হতে যাচ্ছে ফ্রান্সের বিশ্বকাপজয়ী কোচ দিদিয়ের দেশমের শেষ ম্যাচ। তাই ম্যাচটি জিতে দেশমকে বিদায় জানাতে মুখিয়ে থাকবে ফরাসিরা।

টানা দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের ‘গোল্ডেন বুট’ জয়ের সুযোগ কিলিয়ান এমবাপ্পের সামনে। এই মুহূর্তে টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকায় লিওনেল মেসির সঙ্গে যৌথভাবে শীর্ষে আছেন এমবাপ্পে। তবে অ্যাসিস্টের দিক থেকে মেসির চেয়ে পিছিয়ে থাকায় তালিকায় এই মুহূর্তে দুই নম্বরে আছেন তিনি। শনিবারের ম্যাচে একটি গোল বা অ্যাসিস্ট এমবাপ্পেকে গোল্ডেন বুটের দৌড়ে এগিয়ে রাখবে মেসির থেকে।

তৃতীয় স্থান নির্ধারণী এই ম্যাচের কারণ মূলত বাণিজ্যিক ও আর্থিক মুনাফা। ফিফার জন্য এই ম্যাচ মানে টিকিট বিক্রি থেকে অতিরিক্ত রাজস্ব আয়ের সুযোগ। পাশাপাশি টেলিভিশন সম্প্রচারকারী চ্যানেলগুলোও এই ম্যাচ দেখিয়ে বিজ্ঞাপন থেকে বিশাল অঙ্কের টাকা আয় করতে পারে।

তবে শুধু ব্যবসাই নয়, বিশ্ব র‍্যাঙ্কিংয়ের ক্ষেত্রেও এই ম্যাচের পয়েন্ট গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলে। খেলোয়াড়রা সুযোগ পান ব্যক্তিগত অর্জন বাড়িয়ে নেওয়ার। এছাড়াও এবারের বিশ্বকাপে তৃতীয় হওয়া দল চতুর্থ হওয়া দলের চেয়ে ২ মিলিয়ন ডলার বেশি আর্থিক পুরস্কার পাবে।

বিশ্বকাপের প্রথম আসরে (১৯৩০ সালে) এমন তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ ছিল না। কিন্তু এরপর তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ‘সান্ত্বনার’ এই ম্যাচ ১৯৩৪ সালে বিশ্বকাপের দ্বিতীয় আসর থেকে চালু করা হয়।

/টিই/