বর্তমান সরকারকে ভয়াবহ পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে হচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী

বর্তমান সরকারকে ভয়াবহ পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে হচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী
নিজস্ব প্রতিবেদক

বর্তমান বিএনপি সরকারকে ভয়াবহ পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) দুপুরে সচিবালয়ে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর প্রতিনিধিদের সঙ্গে এক বৈঠকে এ কথা বলেন তিনি।
বিষয়টি নিশ্চিত করে প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব মো. সুজাউদ্দৌলা (সুজন মাহমুদ) জানান, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর প্রতিনিধিরা তাদের বিভিন্ন সমস্যার কথা প্রধানমন্ত্রীর কাছে উপস্থাপন করেছেন। তিনি অধীর আগ্রহে তাদের বক্তব্য শুনেছেন।
উপ-প্রেস সচিব বলেন, এ সময় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহামন বলেন, ‘দেশের সব প্রতিষ্ঠান, দেশের অর্থনীতি ফ্যাসিস্ট সরকার ধ্বংস করে গেছে। প্রতি বছর ১৬ বিলিয়ন ডলার পাচার হতো। এভাবে যদি অর্থ পাচার না হতো, তাহলে আপনাদের (ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী) অনেক সমস্যা সমাধান হয়ে যেতো।’
তিনি বলেন, ‘আমাদের সরকার পর্যায়ক্রমে যেগুলো সমাধানযোগ্য– সেগুলো আগে সমাধান করার চেষ্টা করছে।’
দেশের বিরাজমান সমস্যার প্রসঙ্গ টেনে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দেশে এত এত সমস্যা এখনো বিরাজমান দেখে এখনো বিস্মিত হই। কেননা ১৭ বছর তো এগুলো অ্যাড্রেস হওয়ার কথা ছিল। সে সময় এগুলো যদি অ্যাড্রেস করা হতো, তাহলে অনেক সমস্যার সমাধান হয়ে যেতো।’
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘এখনকার যুদ্ধটা অনেক বড়। এখানে টিকে থাকতে হলে, আগামীতে সুখী সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হলে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে, ঐক্যবদ্ধভাবে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।’
ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীকে দেশের অবিচ্ছেদ অংশ হিসেবে অভিহিত করে প্রধানমন্ত্রী জানান, তিনি এবং তার সরকার এমন একটা দেশ গড়ে তুলতে কাজ করছেন, যেখানে কোনো জাতি-গোষ্ঠীর বৈষম্য থাকবে না। সবার জন্য প্রত্যাশিত বাংলাদেশ বিনির্মাণে সবাইকে একসাথে নিয়ে এগিয়ে যেতে চান তিনি। কাউকে আলাদা মনে করেন না।
উপ-প্রেস সচিব মো. সুজাউদ্দৌলা আরও জানান, বৈঠকে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর পক্ষ থেকে সমতলে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর ভূমির মালিকানা সমস্যা সমাধানে ভূমি কমিশন গঠন, আদিবাসী অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর জন্য জাতীয় কনভেনশন অনুষ্ঠান, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী শব্দের পরিবর্তে গোত্রভিত্তিক পরিচয় প্রদান, আদিবাসী হিসেবে সাংবিধানিক স্বীকৃতি, কেন্দ্রীয় কালচারাল সেন্টার, বিভিন্ন প্রকল্পের নামে বা রিজার্ভ বনাঞ্চল থেকে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর বসতি উচ্ছেদ বন্ধ করা এবং ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর জন্য ঋণ সুবিধা প্রদানের দাবি উপস্থাপন করা হয়।
বৈঠকে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী বিষয়ক প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী বিজন কান্তি সরকার, সংসদ সদস্য আন্না মিনজ, সংস্কৃতি কর্মী সঞ্জিব দ্রংসহ ১৭ জেলার ১৮টি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

বর্তমান বিএনপি সরকারকে ভয়াবহ পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) দুপুরে সচিবালয়ে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর প্রতিনিধিদের সঙ্গে এক বৈঠকে এ কথা বলেন তিনি।
বিষয়টি নিশ্চিত করে প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব মো. সুজাউদ্দৌলা (সুজন মাহমুদ) জানান, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর প্রতিনিধিরা তাদের বিভিন্ন সমস্যার কথা প্রধানমন্ত্রীর কাছে উপস্থাপন করেছেন। তিনি অধীর আগ্রহে তাদের বক্তব্য শুনেছেন।
উপ-প্রেস সচিব বলেন, এ সময় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহামন বলেন, ‘দেশের সব প্রতিষ্ঠান, দেশের অর্থনীতি ফ্যাসিস্ট সরকার ধ্বংস করে গেছে। প্রতি বছর ১৬ বিলিয়ন ডলার পাচার হতো। এভাবে যদি অর্থ পাচার না হতো, তাহলে আপনাদের (ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী) অনেক সমস্যা সমাধান হয়ে যেতো।’
তিনি বলেন, ‘আমাদের সরকার পর্যায়ক্রমে যেগুলো সমাধানযোগ্য– সেগুলো আগে সমাধান করার চেষ্টা করছে।’
দেশের বিরাজমান সমস্যার প্রসঙ্গ টেনে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দেশে এত এত সমস্যা এখনো বিরাজমান দেখে এখনো বিস্মিত হই। কেননা ১৭ বছর তো এগুলো অ্যাড্রেস হওয়ার কথা ছিল। সে সময় এগুলো যদি অ্যাড্রেস করা হতো, তাহলে অনেক সমস্যার সমাধান হয়ে যেতো।’
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘এখনকার যুদ্ধটা অনেক বড়। এখানে টিকে থাকতে হলে, আগামীতে সুখী সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হলে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে, ঐক্যবদ্ধভাবে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।’
ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীকে দেশের অবিচ্ছেদ অংশ হিসেবে অভিহিত করে প্রধানমন্ত্রী জানান, তিনি এবং তার সরকার এমন একটা দেশ গড়ে তুলতে কাজ করছেন, যেখানে কোনো জাতি-গোষ্ঠীর বৈষম্য থাকবে না। সবার জন্য প্রত্যাশিত বাংলাদেশ বিনির্মাণে সবাইকে একসাথে নিয়ে এগিয়ে যেতে চান তিনি। কাউকে আলাদা মনে করেন না।
উপ-প্রেস সচিব মো. সুজাউদ্দৌলা আরও জানান, বৈঠকে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর পক্ষ থেকে সমতলে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর ভূমির মালিকানা সমস্যা সমাধানে ভূমি কমিশন গঠন, আদিবাসী অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর জন্য জাতীয় কনভেনশন অনুষ্ঠান, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী শব্দের পরিবর্তে গোত্রভিত্তিক পরিচয় প্রদান, আদিবাসী হিসেবে সাংবিধানিক স্বীকৃতি, কেন্দ্রীয় কালচারাল সেন্টার, বিভিন্ন প্রকল্পের নামে বা রিজার্ভ বনাঞ্চল থেকে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর বসতি উচ্ছেদ বন্ধ করা এবং ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর জন্য ঋণ সুবিধা প্রদানের দাবি উপস্থাপন করা হয়।
বৈঠকে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী বিষয়ক প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী বিজন কান্তি সরকার, সংসদ সদস্য আন্না মিনজ, সংস্কৃতি কর্মী সঞ্জিব দ্রংসহ ১৭ জেলার ১৮টি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

বর্তমান সরকারকে ভয়াবহ পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে হচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী
নিজস্ব প্রতিবেদক

বর্তমান বিএনপি সরকারকে ভয়াবহ পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) দুপুরে সচিবালয়ে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর প্রতিনিধিদের সঙ্গে এক বৈঠকে এ কথা বলেন তিনি।
বিষয়টি নিশ্চিত করে প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব মো. সুজাউদ্দৌলা (সুজন মাহমুদ) জানান, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর প্রতিনিধিরা তাদের বিভিন্ন সমস্যার কথা প্রধানমন্ত্রীর কাছে উপস্থাপন করেছেন। তিনি অধীর আগ্রহে তাদের বক্তব্য শুনেছেন।
উপ-প্রেস সচিব বলেন, এ সময় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহামন বলেন, ‘দেশের সব প্রতিষ্ঠান, দেশের অর্থনীতি ফ্যাসিস্ট সরকার ধ্বংস করে গেছে। প্রতি বছর ১৬ বিলিয়ন ডলার পাচার হতো। এভাবে যদি অর্থ পাচার না হতো, তাহলে আপনাদের (ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী) অনেক সমস্যা সমাধান হয়ে যেতো।’
তিনি বলেন, ‘আমাদের সরকার পর্যায়ক্রমে যেগুলো সমাধানযোগ্য– সেগুলো আগে সমাধান করার চেষ্টা করছে।’
দেশের বিরাজমান সমস্যার প্রসঙ্গ টেনে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দেশে এত এত সমস্যা এখনো বিরাজমান দেখে এখনো বিস্মিত হই। কেননা ১৭ বছর তো এগুলো অ্যাড্রেস হওয়ার কথা ছিল। সে সময় এগুলো যদি অ্যাড্রেস করা হতো, তাহলে অনেক সমস্যার সমাধান হয়ে যেতো।’
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘এখনকার যুদ্ধটা অনেক বড়। এখানে টিকে থাকতে হলে, আগামীতে সুখী সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হলে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে, ঐক্যবদ্ধভাবে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।’
ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীকে দেশের অবিচ্ছেদ অংশ হিসেবে অভিহিত করে প্রধানমন্ত্রী জানান, তিনি এবং তার সরকার এমন একটা দেশ গড়ে তুলতে কাজ করছেন, যেখানে কোনো জাতি-গোষ্ঠীর বৈষম্য থাকবে না। সবার জন্য প্রত্যাশিত বাংলাদেশ বিনির্মাণে সবাইকে একসাথে নিয়ে এগিয়ে যেতে চান তিনি। কাউকে আলাদা মনে করেন না।
উপ-প্রেস সচিব মো. সুজাউদ্দৌলা আরও জানান, বৈঠকে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর পক্ষ থেকে সমতলে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর ভূমির মালিকানা সমস্যা সমাধানে ভূমি কমিশন গঠন, আদিবাসী অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর জন্য জাতীয় কনভেনশন অনুষ্ঠান, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী শব্দের পরিবর্তে গোত্রভিত্তিক পরিচয় প্রদান, আদিবাসী হিসেবে সাংবিধানিক স্বীকৃতি, কেন্দ্রীয় কালচারাল সেন্টার, বিভিন্ন প্রকল্পের নামে বা রিজার্ভ বনাঞ্চল থেকে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর বসতি উচ্ছেদ বন্ধ করা এবং ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর জন্য ঋণ সুবিধা প্রদানের দাবি উপস্থাপন করা হয়।
বৈঠকে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী বিষয়ক প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী বিজন কান্তি সরকার, সংসদ সদস্য আন্না মিনজ, সংস্কৃতি কর্মী সঞ্জিব দ্রংসহ ১৭ জেলার ১৮টি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

শহীদদের তালিকা নিয়ে রাজনীতিকরণ হয়েছে: প্রধানমন্ত্রী







