বিশ্বকাপে দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন নরওয়ের

বিশ্বকাপে দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন নরওয়ের
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

দীর্ঘ ২৮ বছর পর বিশ্বকাপের মঞ্চে রাজকীয় প্রত্যাবর্তন ঘটলো নরওয়ের। বিশ্বমঞ্চে নিজেদের প্রথম ম্যাচেই মধ্যপ্রাচ্যের দেশ ইরাককে ৪-১ গোলের বড় ব্যবধানে উড়িয়ে দিয়েছে ইউরোপের প্রতিনিধিরা। বাছাইপর্বের চমৎকার ছন্দ মূল পর্বেও ধরে রেখে ম্যাচের শুরু থেকেই প্রতিপক্ষকে চেপে ধরে আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে নরওয়ে। প্রথমার্ধেই দুই দলের ফুটবলারদের মধ্যে জমে ওঠে সেয়ানে সেয়ানে লড়াই, যার ফলে বিরতিতে যাওয়ার আগেই দর্শকরা দেখেন তিনটি দৃষ্টিনন্দন গোল।
ম্যাচের ২৯ মিনিটে প্রথম ডেডলক ভাঙেন নরওয়ের তারকা স্ট্রাইকার আর্লিং হলান্ড। সতীর্থের বাড়ানো পাস থেকে চমৎকার স্লাইড শটে বল জালে জড়িয়ে দলকে এগিয়ে নেন এ গোলমেশিন। তবে পিছিয়ে পড়ে দমে যায়নি ১৯৮৬ সালের পর বিশ্বকাপে ফেরা ইরাক। ৩৯ মিনিটে দারুণ এক হেডে ইরাকিদের সমতায় ফেরান আয়মেন হুসেইন। অবশ্য ইরাকের এ স্বস্তির আনন্দ স্থায়ী ছিল মাত্র চার মিনিট। প্রথমার্ধের ৪৩ মিনিটে আবারও নিজের জাত চেনান হলান্ড। প্রতিপক্ষের রক্ষণ ভেদ করে ব্যক্তিগত দ্বিতীয় গোলটি তুলে নিয়ে নরওয়েকে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে থেকে বিরতিতে নিয়ে যান তিনি। বিরতিতে যাওয়ার ঠিক আগে যোগ করা সময়ে সমতায় ফেরার দারুণ এক সুযোগ হাতছাড়া করে ইরাক। নরওয়ের ডিফেন্ডারদের দৃঢ়তা এবং দূরপাল্লার শট লক্ষ্যভ্রষ্ট হওয়ায় হতাশ হতে হয় তাদের।
দ্বিতীয়ার্ধে গোল শোধে মরিয়া হয়ে কয়েকটি আক্রমণ চালালেও ফিনিশিংয়ের অভাবে কাঙ্ক্ষিত গোলের দেখা পায়নি ইরাক। উল্টো সুযোগ নষ্টের খেসারত দিতে হয় ম্যাচের ৭৬ মিনিটে। অধিনায়ক মার্টিন ওডেগার্ডের নিখুঁত কর্নার থেকে জোরালো হেডে নরওয়ের ব্যবধান ৩-১ করেন লিও ওস্টিগার্ড। এ গোলের পর ম্যাচের লাগাম পুরোপুরি নরওয়ের নিয়ন্ত্রণে চলে যায়। শেষদিকে ইরাকি গোলরক্ষক জালাল হাসানের দুর্দান্ত সেভে হলান্ডের হ্যাটট্রিক মিস হলেও অতিরিক্ত সময়ে আর রক্ষা পায়নি ইরাক। প্রতিপক্ষের আক্রমণ প্রতিহত করতে গিয়ে নিজেদের জালেই বল পাঠিয়ে আত্মঘাতী গোল করে বসেন ইরাকের গোলদাতা আয়মেন হুসেইন। ফলে ৪-১ গোলের বিশাল জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে ১৯৯৮ সালের পর প্রথম বিশ্বকাপে আসা নরওয়ে।

দীর্ঘ ২৮ বছর পর বিশ্বকাপের মঞ্চে রাজকীয় প্রত্যাবর্তন ঘটলো নরওয়ের। বিশ্বমঞ্চে নিজেদের প্রথম ম্যাচেই মধ্যপ্রাচ্যের দেশ ইরাককে ৪-১ গোলের বড় ব্যবধানে উড়িয়ে দিয়েছে ইউরোপের প্রতিনিধিরা। বাছাইপর্বের চমৎকার ছন্দ মূল পর্বেও ধরে রেখে ম্যাচের শুরু থেকেই প্রতিপক্ষকে চেপে ধরে আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে নরওয়ে। প্রথমার্ধেই দুই দলের ফুটবলারদের মধ্যে জমে ওঠে সেয়ানে সেয়ানে লড়াই, যার ফলে বিরতিতে যাওয়ার আগেই দর্শকরা দেখেন তিনটি দৃষ্টিনন্দন গোল।
ম্যাচের ২৯ মিনিটে প্রথম ডেডলক ভাঙেন নরওয়ের তারকা স্ট্রাইকার আর্লিং হলান্ড। সতীর্থের বাড়ানো পাস থেকে চমৎকার স্লাইড শটে বল জালে জড়িয়ে দলকে এগিয়ে নেন এ গোলমেশিন। তবে পিছিয়ে পড়ে দমে যায়নি ১৯৮৬ সালের পর বিশ্বকাপে ফেরা ইরাক। ৩৯ মিনিটে দারুণ এক হেডে ইরাকিদের সমতায় ফেরান আয়মেন হুসেইন। অবশ্য ইরাকের এ স্বস্তির আনন্দ স্থায়ী ছিল মাত্র চার মিনিট। প্রথমার্ধের ৪৩ মিনিটে আবারও নিজের জাত চেনান হলান্ড। প্রতিপক্ষের রক্ষণ ভেদ করে ব্যক্তিগত দ্বিতীয় গোলটি তুলে নিয়ে নরওয়েকে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে থেকে বিরতিতে নিয়ে যান তিনি। বিরতিতে যাওয়ার ঠিক আগে যোগ করা সময়ে সমতায় ফেরার দারুণ এক সুযোগ হাতছাড়া করে ইরাক। নরওয়ের ডিফেন্ডারদের দৃঢ়তা এবং দূরপাল্লার শট লক্ষ্যভ্রষ্ট হওয়ায় হতাশ হতে হয় তাদের।
দ্বিতীয়ার্ধে গোল শোধে মরিয়া হয়ে কয়েকটি আক্রমণ চালালেও ফিনিশিংয়ের অভাবে কাঙ্ক্ষিত গোলের দেখা পায়নি ইরাক। উল্টো সুযোগ নষ্টের খেসারত দিতে হয় ম্যাচের ৭৬ মিনিটে। অধিনায়ক মার্টিন ওডেগার্ডের নিখুঁত কর্নার থেকে জোরালো হেডে নরওয়ের ব্যবধান ৩-১ করেন লিও ওস্টিগার্ড। এ গোলের পর ম্যাচের লাগাম পুরোপুরি নরওয়ের নিয়ন্ত্রণে চলে যায়। শেষদিকে ইরাকি গোলরক্ষক জালাল হাসানের দুর্দান্ত সেভে হলান্ডের হ্যাটট্রিক মিস হলেও অতিরিক্ত সময়ে আর রক্ষা পায়নি ইরাক। প্রতিপক্ষের আক্রমণ প্রতিহত করতে গিয়ে নিজেদের জালেই বল পাঠিয়ে আত্মঘাতী গোল করে বসেন ইরাকের গোলদাতা আয়মেন হুসেইন। ফলে ৪-১ গোলের বিশাল জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে ১৯৯৮ সালের পর প্রথম বিশ্বকাপে আসা নরওয়ে।

বিশ্বকাপে দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন নরওয়ের
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

দীর্ঘ ২৮ বছর পর বিশ্বকাপের মঞ্চে রাজকীয় প্রত্যাবর্তন ঘটলো নরওয়ের। বিশ্বমঞ্চে নিজেদের প্রথম ম্যাচেই মধ্যপ্রাচ্যের দেশ ইরাককে ৪-১ গোলের বড় ব্যবধানে উড়িয়ে দিয়েছে ইউরোপের প্রতিনিধিরা। বাছাইপর্বের চমৎকার ছন্দ মূল পর্বেও ধরে রেখে ম্যাচের শুরু থেকেই প্রতিপক্ষকে চেপে ধরে আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে নরওয়ে। প্রথমার্ধেই দুই দলের ফুটবলারদের মধ্যে জমে ওঠে সেয়ানে সেয়ানে লড়াই, যার ফলে বিরতিতে যাওয়ার আগেই দর্শকরা দেখেন তিনটি দৃষ্টিনন্দন গোল।
ম্যাচের ২৯ মিনিটে প্রথম ডেডলক ভাঙেন নরওয়ের তারকা স্ট্রাইকার আর্লিং হলান্ড। সতীর্থের বাড়ানো পাস থেকে চমৎকার স্লাইড শটে বল জালে জড়িয়ে দলকে এগিয়ে নেন এ গোলমেশিন। তবে পিছিয়ে পড়ে দমে যায়নি ১৯৮৬ সালের পর বিশ্বকাপে ফেরা ইরাক। ৩৯ মিনিটে দারুণ এক হেডে ইরাকিদের সমতায় ফেরান আয়মেন হুসেইন। অবশ্য ইরাকের এ স্বস্তির আনন্দ স্থায়ী ছিল মাত্র চার মিনিট। প্রথমার্ধের ৪৩ মিনিটে আবারও নিজের জাত চেনান হলান্ড। প্রতিপক্ষের রক্ষণ ভেদ করে ব্যক্তিগত দ্বিতীয় গোলটি তুলে নিয়ে নরওয়েকে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে থেকে বিরতিতে নিয়ে যান তিনি। বিরতিতে যাওয়ার ঠিক আগে যোগ করা সময়ে সমতায় ফেরার দারুণ এক সুযোগ হাতছাড়া করে ইরাক। নরওয়ের ডিফেন্ডারদের দৃঢ়তা এবং দূরপাল্লার শট লক্ষ্যভ্রষ্ট হওয়ায় হতাশ হতে হয় তাদের।
দ্বিতীয়ার্ধে গোল শোধে মরিয়া হয়ে কয়েকটি আক্রমণ চালালেও ফিনিশিংয়ের অভাবে কাঙ্ক্ষিত গোলের দেখা পায়নি ইরাক। উল্টো সুযোগ নষ্টের খেসারত দিতে হয় ম্যাচের ৭৬ মিনিটে। অধিনায়ক মার্টিন ওডেগার্ডের নিখুঁত কর্নার থেকে জোরালো হেডে নরওয়ের ব্যবধান ৩-১ করেন লিও ওস্টিগার্ড। এ গোলের পর ম্যাচের লাগাম পুরোপুরি নরওয়ের নিয়ন্ত্রণে চলে যায়। শেষদিকে ইরাকি গোলরক্ষক জালাল হাসানের দুর্দান্ত সেভে হলান্ডের হ্যাটট্রিক মিস হলেও অতিরিক্ত সময়ে আর রক্ষা পায়নি ইরাক। প্রতিপক্ষের আক্রমণ প্রতিহত করতে গিয়ে নিজেদের জালেই বল পাঠিয়ে আত্মঘাতী গোল করে বসেন ইরাকের গোলদাতা আয়মেন হুসেইন। ফলে ৪-১ গোলের বিশাল জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে ১৯৯৮ সালের পর প্রথম বিশ্বকাপে আসা নরওয়ে।

হলান্ড ‘শো’তে ইরাককে হারালো নরওয়ে


