নিষেধাজ্ঞার শঙ্কায় আর্জেন্টাইন তারকাসহ ১৮ ফুটবলার

নিষেধাজ্ঞার শঙ্কায় আর্জেন্টাইন তারকাসহ ১৮ ফুটবলার
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

৪৮ দলের বিশ্বযজ্ঞে এখন টিকে আছে শীর্ষ আট দল। একদিনের বিরতি দিয়ে বৃহস্পতিবার ৯ জুলাই থেকেই শুরু হচ্ছে ফিফা বিশ্বকাপের রোমাঞ্চকর কোয়ার্টার ফাইনাল পর্ব। তবে শেষ চারের টিকিট কাটার এ লড়াইয়ের আগে বড় এক দুশ্চিন্তা ভর করেছে দলগুলোর শিবিরে। মাঠের লড়াইয়ে নামার আগেই কার্ডের খড়গ মাথায় নিয়ে চরম সতর্ক অবস্থায় আছেন আট দলের অন্তত ১৮ জন ফুটবলার। কোয়ার্টার ফাইনালের ম্যাচে আরেকটি হলুদ কার্ড পেলেই, তাদের দল সেমিফাইনালে উঠলেও নিয়ম অনুযায়ী সেই ম্যাচে মাঠে নামা হবে না এই তারকাদের।
এই নিষেধাজ্ঞার ঝুঁকিতে থাকা দলগুলোর মধ্যে রয়েছে আর্জেন্টিনা, ফ্রান্স, স্পেন ও ইংল্যান্ডের মতো বিশ্বফুটবলের অন্যতম ফেভারিটরা। তবে সবচেয়ে বেশি টেনশনে দিন কাটছে ইংল্যান্ড ও মরক্কো শিবিরের, কারণ এই দুই দলেরই সর্বোচ্চ চারজন করে খেলোয়াড় নকআউট পর্বে ইতোমধ্যে একটি করে হলুদ কার্ড দেখে ফেলেছেন। ফলে সেমিফাইনাল নিশ্চিতের ম্যাচে তাদের বাড়তি সতর্ক হয়ে খেলতে হবে। এছাড়া সুইজারল্যান্ড ও ফ্রান্সের তিনজন করে এবং আর্জেন্টিনা, স্পেন, বেলজিয়াম ও নরওয়ের একজন করে ফুটবলার এই তালিকায় রয়েছেন।
অবশ্য ২০২৬ সালের এই বর্ধিত আসরে খেলোয়াড়দের সুরক্ষার কথা বিবেচনা করে কার্ড নীতিতে বড় পরিবর্তন এনেছে বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা। ৩২ দলের পরিবর্তে এবার ৪৮ দল অংশ নেওয়ায় নকআউট পর্বে একটি বাড়তি রাউন্ড যোগ হয়েছে। ফলে সেমিফাইনাল পর্যন্ত পৌঁছাতে এবার একেকটি দলকে ছয়টি ম্যাচ খেলতে হচ্ছে। আগের নিয়ম বহাল থাকলে সেমিফাইনালের মতো গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে তারকাদের হারানোর একটি বড় আশঙ্কা তৈরি হতো। তাই নতুন নিয়ম অনুযায়ী গ্রুপ পর্বের সব হলুদ কার্ড নকআউট পর্ব শুরুর আগেই বাতিল বা রিসেট করা হয়েছিল।
তবে শেষ ৩২ কিংবা শেষ ১৬-র ম্যাচে যারা কার্ড পেয়েছেন, তারা কোয়ার্টার ফাইনালে আরেকটি কার্ড দেখলেই এক ম্যাচের জন্য স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিষিদ্ধ হবেন। সুখবর হলো, কোয়ার্টার ফাইনাল পর্ব শেষ হওয়ার পর হলুদ কার্ডের এই হিসাব আবার নতুন করে শূন্য থেকে শুরু হবে। ফলে কেবল হলুদ কার্ডের কারণে কোনো খেলোয়াড়ই স্বপ্নের ফাইনাল ম্যাচ থেকে বঞ্চিত হবেন না। ফাইনালে খেলতে না পারার একমাত্র কারণ হতে পারে সেমিফাইনাল ম্যাচে সরাসরি লাল কার্ড পাওয়া। কোনো খেলোয়াড় লাল কার্ড পেলে তিনি পরের ম্যাচে নিষিদ্ধ হবেন এবং সহিংস আচরণের তীব্রতা অনুযায়ী ফিফার শৃঙ্খলা কমিটি শাস্তির মেয়াদ আরও বাড়াতে পারবে।
নিষেধাজ্ঞার ঝুঁকিতে থাকা ১৮ ফুটবলার-
ইংল্যান্ড: জুড বেলিংহ্যাম, নিকো ও’রাইলি, ডেক্লান রাইস, মার্ক গেহি
মরক্কো: ইসা দিওপ, আশরাফ হাকিমি, রেদোয়ান হালহাল, বিলাল এল খান্নুস
ফ্রান্স: মানু কোনো, মাইকেল ওলিসে, ব্রাডলি বারকোলা
সুইজারল্যান্ড: গ্রানিত জাকা, দেনিস জাকারিয়া, মিরো মুহাইম
আর্জেন্টিনা: গঞ্জালো মন্তিয়েল
স্পেন: ফেরান তোরেস
বেলজিয়াম: ব্র্যান্ডন মেচেলে
নরওয়ে: অ্যান্তোনিও নুসা
উল্লেখ্য, ৯ জুলাই থেকে ১২ জুলাই পর্যন্ত চলবে শেষ আটের লড়াই। এরপর ১৪ ও ১৫ জুলাই সেমিফাইনাল, ১৮ জুলাই তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ এবং আগামী ১৯ জুলাই বিশ্বজয়ী দল নির্ধারণের মধ্য দিয়ে পর্দা নামবে ফুটবল বিশ্বের এই মেগা আসরের।

৪৮ দলের বিশ্বযজ্ঞে এখন টিকে আছে শীর্ষ আট দল। একদিনের বিরতি দিয়ে বৃহস্পতিবার ৯ জুলাই থেকেই শুরু হচ্ছে ফিফা বিশ্বকাপের রোমাঞ্চকর কোয়ার্টার ফাইনাল পর্ব। তবে শেষ চারের টিকিট কাটার এ লড়াইয়ের আগে বড় এক দুশ্চিন্তা ভর করেছে দলগুলোর শিবিরে। মাঠের লড়াইয়ে নামার আগেই কার্ডের খড়গ মাথায় নিয়ে চরম সতর্ক অবস্থায় আছেন আট দলের অন্তত ১৮ জন ফুটবলার। কোয়ার্টার ফাইনালের ম্যাচে আরেকটি হলুদ কার্ড পেলেই, তাদের দল সেমিফাইনালে উঠলেও নিয়ম অনুযায়ী সেই ম্যাচে মাঠে নামা হবে না এই তারকাদের।
এই নিষেধাজ্ঞার ঝুঁকিতে থাকা দলগুলোর মধ্যে রয়েছে আর্জেন্টিনা, ফ্রান্স, স্পেন ও ইংল্যান্ডের মতো বিশ্বফুটবলের অন্যতম ফেভারিটরা। তবে সবচেয়ে বেশি টেনশনে দিন কাটছে ইংল্যান্ড ও মরক্কো শিবিরের, কারণ এই দুই দলেরই সর্বোচ্চ চারজন করে খেলোয়াড় নকআউট পর্বে ইতোমধ্যে একটি করে হলুদ কার্ড দেখে ফেলেছেন। ফলে সেমিফাইনাল নিশ্চিতের ম্যাচে তাদের বাড়তি সতর্ক হয়ে খেলতে হবে। এছাড়া সুইজারল্যান্ড ও ফ্রান্সের তিনজন করে এবং আর্জেন্টিনা, স্পেন, বেলজিয়াম ও নরওয়ের একজন করে ফুটবলার এই তালিকায় রয়েছেন।
অবশ্য ২০২৬ সালের এই বর্ধিত আসরে খেলোয়াড়দের সুরক্ষার কথা বিবেচনা করে কার্ড নীতিতে বড় পরিবর্তন এনেছে বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা। ৩২ দলের পরিবর্তে এবার ৪৮ দল অংশ নেওয়ায় নকআউট পর্বে একটি বাড়তি রাউন্ড যোগ হয়েছে। ফলে সেমিফাইনাল পর্যন্ত পৌঁছাতে এবার একেকটি দলকে ছয়টি ম্যাচ খেলতে হচ্ছে। আগের নিয়ম বহাল থাকলে সেমিফাইনালের মতো গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে তারকাদের হারানোর একটি বড় আশঙ্কা তৈরি হতো। তাই নতুন নিয়ম অনুযায়ী গ্রুপ পর্বের সব হলুদ কার্ড নকআউট পর্ব শুরুর আগেই বাতিল বা রিসেট করা হয়েছিল।
তবে শেষ ৩২ কিংবা শেষ ১৬-র ম্যাচে যারা কার্ড পেয়েছেন, তারা কোয়ার্টার ফাইনালে আরেকটি কার্ড দেখলেই এক ম্যাচের জন্য স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিষিদ্ধ হবেন। সুখবর হলো, কোয়ার্টার ফাইনাল পর্ব শেষ হওয়ার পর হলুদ কার্ডের এই হিসাব আবার নতুন করে শূন্য থেকে শুরু হবে। ফলে কেবল হলুদ কার্ডের কারণে কোনো খেলোয়াড়ই স্বপ্নের ফাইনাল ম্যাচ থেকে বঞ্চিত হবেন না। ফাইনালে খেলতে না পারার একমাত্র কারণ হতে পারে সেমিফাইনাল ম্যাচে সরাসরি লাল কার্ড পাওয়া। কোনো খেলোয়াড় লাল কার্ড পেলে তিনি পরের ম্যাচে নিষিদ্ধ হবেন এবং সহিংস আচরণের তীব্রতা অনুযায়ী ফিফার শৃঙ্খলা কমিটি শাস্তির মেয়াদ আরও বাড়াতে পারবে।
নিষেধাজ্ঞার ঝুঁকিতে থাকা ১৮ ফুটবলার-
ইংল্যান্ড: জুড বেলিংহ্যাম, নিকো ও’রাইলি, ডেক্লান রাইস, মার্ক গেহি
মরক্কো: ইসা দিওপ, আশরাফ হাকিমি, রেদোয়ান হালহাল, বিলাল এল খান্নুস
ফ্রান্স: মানু কোনো, মাইকেল ওলিসে, ব্রাডলি বারকোলা
সুইজারল্যান্ড: গ্রানিত জাকা, দেনিস জাকারিয়া, মিরো মুহাইম
আর্জেন্টিনা: গঞ্জালো মন্তিয়েল
স্পেন: ফেরান তোরেস
বেলজিয়াম: ব্র্যান্ডন মেচেলে
নরওয়ে: অ্যান্তোনিও নুসা
উল্লেখ্য, ৯ জুলাই থেকে ১২ জুলাই পর্যন্ত চলবে শেষ আটের লড়াই। এরপর ১৪ ও ১৫ জুলাই সেমিফাইনাল, ১৮ জুলাই তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ এবং আগামী ১৯ জুলাই বিশ্বজয়ী দল নির্ধারণের মধ্য দিয়ে পর্দা নামবে ফুটবল বিশ্বের এই মেগা আসরের।

নিষেধাজ্ঞার শঙ্কায় আর্জেন্টাইন তারকাসহ ১৮ ফুটবলার
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

৪৮ দলের বিশ্বযজ্ঞে এখন টিকে আছে শীর্ষ আট দল। একদিনের বিরতি দিয়ে বৃহস্পতিবার ৯ জুলাই থেকেই শুরু হচ্ছে ফিফা বিশ্বকাপের রোমাঞ্চকর কোয়ার্টার ফাইনাল পর্ব। তবে শেষ চারের টিকিট কাটার এ লড়াইয়ের আগে বড় এক দুশ্চিন্তা ভর করেছে দলগুলোর শিবিরে। মাঠের লড়াইয়ে নামার আগেই কার্ডের খড়গ মাথায় নিয়ে চরম সতর্ক অবস্থায় আছেন আট দলের অন্তত ১৮ জন ফুটবলার। কোয়ার্টার ফাইনালের ম্যাচে আরেকটি হলুদ কার্ড পেলেই, তাদের দল সেমিফাইনালে উঠলেও নিয়ম অনুযায়ী সেই ম্যাচে মাঠে নামা হবে না এই তারকাদের।
এই নিষেধাজ্ঞার ঝুঁকিতে থাকা দলগুলোর মধ্যে রয়েছে আর্জেন্টিনা, ফ্রান্স, স্পেন ও ইংল্যান্ডের মতো বিশ্বফুটবলের অন্যতম ফেভারিটরা। তবে সবচেয়ে বেশি টেনশনে দিন কাটছে ইংল্যান্ড ও মরক্কো শিবিরের, কারণ এই দুই দলেরই সর্বোচ্চ চারজন করে খেলোয়াড় নকআউট পর্বে ইতোমধ্যে একটি করে হলুদ কার্ড দেখে ফেলেছেন। ফলে সেমিফাইনাল নিশ্চিতের ম্যাচে তাদের বাড়তি সতর্ক হয়ে খেলতে হবে। এছাড়া সুইজারল্যান্ড ও ফ্রান্সের তিনজন করে এবং আর্জেন্টিনা, স্পেন, বেলজিয়াম ও নরওয়ের একজন করে ফুটবলার এই তালিকায় রয়েছেন।
অবশ্য ২০২৬ সালের এই বর্ধিত আসরে খেলোয়াড়দের সুরক্ষার কথা বিবেচনা করে কার্ড নীতিতে বড় পরিবর্তন এনেছে বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা। ৩২ দলের পরিবর্তে এবার ৪৮ দল অংশ নেওয়ায় নকআউট পর্বে একটি বাড়তি রাউন্ড যোগ হয়েছে। ফলে সেমিফাইনাল পর্যন্ত পৌঁছাতে এবার একেকটি দলকে ছয়টি ম্যাচ খেলতে হচ্ছে। আগের নিয়ম বহাল থাকলে সেমিফাইনালের মতো গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে তারকাদের হারানোর একটি বড় আশঙ্কা তৈরি হতো। তাই নতুন নিয়ম অনুযায়ী গ্রুপ পর্বের সব হলুদ কার্ড নকআউট পর্ব শুরুর আগেই বাতিল বা রিসেট করা হয়েছিল।
তবে শেষ ৩২ কিংবা শেষ ১৬-র ম্যাচে যারা কার্ড পেয়েছেন, তারা কোয়ার্টার ফাইনালে আরেকটি কার্ড দেখলেই এক ম্যাচের জন্য স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিষিদ্ধ হবেন। সুখবর হলো, কোয়ার্টার ফাইনাল পর্ব শেষ হওয়ার পর হলুদ কার্ডের এই হিসাব আবার নতুন করে শূন্য থেকে শুরু হবে। ফলে কেবল হলুদ কার্ডের কারণে কোনো খেলোয়াড়ই স্বপ্নের ফাইনাল ম্যাচ থেকে বঞ্চিত হবেন না। ফাইনালে খেলতে না পারার একমাত্র কারণ হতে পারে সেমিফাইনাল ম্যাচে সরাসরি লাল কার্ড পাওয়া। কোনো খেলোয়াড় লাল কার্ড পেলে তিনি পরের ম্যাচে নিষিদ্ধ হবেন এবং সহিংস আচরণের তীব্রতা অনুযায়ী ফিফার শৃঙ্খলা কমিটি শাস্তির মেয়াদ আরও বাড়াতে পারবে।
নিষেধাজ্ঞার ঝুঁকিতে থাকা ১৮ ফুটবলার-
ইংল্যান্ড: জুড বেলিংহ্যাম, নিকো ও’রাইলি, ডেক্লান রাইস, মার্ক গেহি
মরক্কো: ইসা দিওপ, আশরাফ হাকিমি, রেদোয়ান হালহাল, বিলাল এল খান্নুস
ফ্রান্স: মানু কোনো, মাইকেল ওলিসে, ব্রাডলি বারকোলা
সুইজারল্যান্ড: গ্রানিত জাকা, দেনিস জাকারিয়া, মিরো মুহাইম
আর্জেন্টিনা: গঞ্জালো মন্তিয়েল
স্পেন: ফেরান তোরেস
বেলজিয়াম: ব্র্যান্ডন মেচেলে
নরওয়ে: অ্যান্তোনিও নুসা
উল্লেখ্য, ৯ জুলাই থেকে ১২ জুলাই পর্যন্ত চলবে শেষ আটের লড়াই। এরপর ১৪ ও ১৫ জুলাই সেমিফাইনাল, ১৮ জুলাই তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ এবং আগামী ১৯ জুলাই বিশ্বজয়ী দল নির্ধারণের মধ্য দিয়ে পর্দা নামবে ফুটবল বিশ্বের এই মেগা আসরের।

আমাদের প্রতিপক্ষ মরক্কো, রেফারি নয়: ফ্রান্স কোচ

