ইয়ামালের স্তুতিতে স্পেন কোচ

ইয়ামালের স্তুতিতে স্পেন কোচ
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

ডালাসে শেষ ষোলোর হাইভোল্টেজ ম্যাচে পর্তুগালকে ১-০ গোলে হারিয়ে দীর্ঘ ১৬ বছর পর বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে স্পেন। বদলি খেলোয়াড় মিকেল মেরিনোর দ্বিতীয়ার্ধের যোগ করা সময়ের গোলে জয় পায় স্প্যানিশরা। পুরো ম্যাচ জুড়ে পর্তুগিজ রক্ষণে ত্রাস সৃষ্টি করে কোচ লুইস দে লা ফুয়েন্তের বিশেষ প্রশংসা কুড়িয়েছেন তরুণ ফরোয়ার্ড লামিনে ইয়ামাল। ২০১০ সালে বিশ্বকাপ জয়ের পর এবারই প্রথম নকআউট পর্বের এ জট ভাঙল স্পেনের। শনিবার (১১ জুলাই) বাংলাদেশ সময় রাত ১টায় সেমিফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে তারা মুখোমুখি হবে বেলজিয়ামের।
ঐতিহাসিক এ জয়ে নিজে কোনো গোল না পেলেও স্পেনের আক্রমণে মূল চালিকাশক্তি ছিলেন ইয়ামাল। বিশ্বকাপে এবারই প্রথম পুরো ৯০ মিনিট মাঠে থাকা এই রাইট উইঙ্গার পর্তুগালের গোলমুখে তিনটি শট নেন, যার দুটি ছিল অন-টার্গেট। হ্যামস্ট্রিংয়ের চোটের কারণে টুর্নামেন্টের শুরুতে পুরোপুরি ফিট না থাকায় কেপ ভার্দে, সৌদি আরব, উরুগুয়ে ও অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে তার খেলার সময় ধীরে ধীরে বাড়িয়েছিলেন কোচ। অবশেষে নকআউট পর্বের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে পূর্ণ সময় খেলে নিজের কার্যকারিতা প্রমাণ করলেন এ তরুণ উইঙ্গার। মাঠে ইয়ামালের গতি ও স্কিলের সামনে এতটাই শারীরিক ধকল পোহাতে হয়েছে পর্তুগিজ ডিফেন্ডার নুনো মেন্দেসকে যে, ম্যাচের ৫৬ মিনিটে পায়ের অস্বস্তি নিয়ে মাঠ ছাড়তে বাধ্য হন তিনি।
ম্যাচ শেষে ইয়ামালের খেলায় উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে স্প্যানিশ কোচ দে লা ফুয়েন্তে জানান, এটি ইয়ামালের ক্যারিয়ারের অন্যতম সেরা ও গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ, যা তার ভবিষ্যতের উন্নতিতে বড় ভূমিকা রাখবে। আক্রমণ ও রক্ষণ- দুই বিভাগেই ইয়ামাল দলের জন্য লড়েছেন এবং বল পেলেই প্রতিপক্ষের মনে দ্বিধা ও ভয় ধরিয়েছেন বলে উল্লেখ করেন কোচ। তিনি বলেন, শিরোপার দৌড়ে টিকে থাকতে এবং ইয়ামালের নিজস্ব বিকাশ ধরে রাখতে এ বিশ্বকাপে তাকে স্পেনের ভীষণ প্রয়োজন।

ডালাসে শেষ ষোলোর হাইভোল্টেজ ম্যাচে পর্তুগালকে ১-০ গোলে হারিয়ে দীর্ঘ ১৬ বছর পর বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে স্পেন। বদলি খেলোয়াড় মিকেল মেরিনোর দ্বিতীয়ার্ধের যোগ করা সময়ের গোলে জয় পায় স্প্যানিশরা। পুরো ম্যাচ জুড়ে পর্তুগিজ রক্ষণে ত্রাস সৃষ্টি করে কোচ লুইস দে লা ফুয়েন্তের বিশেষ প্রশংসা কুড়িয়েছেন তরুণ ফরোয়ার্ড লামিনে ইয়ামাল। ২০১০ সালে বিশ্বকাপ জয়ের পর এবারই প্রথম নকআউট পর্বের এ জট ভাঙল স্পেনের। শনিবার (১১ জুলাই) বাংলাদেশ সময় রাত ১টায় সেমিফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে তারা মুখোমুখি হবে বেলজিয়ামের।
ঐতিহাসিক এ জয়ে নিজে কোনো গোল না পেলেও স্পেনের আক্রমণে মূল চালিকাশক্তি ছিলেন ইয়ামাল। বিশ্বকাপে এবারই প্রথম পুরো ৯০ মিনিট মাঠে থাকা এই রাইট উইঙ্গার পর্তুগালের গোলমুখে তিনটি শট নেন, যার দুটি ছিল অন-টার্গেট। হ্যামস্ট্রিংয়ের চোটের কারণে টুর্নামেন্টের শুরুতে পুরোপুরি ফিট না থাকায় কেপ ভার্দে, সৌদি আরব, উরুগুয়ে ও অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে তার খেলার সময় ধীরে ধীরে বাড়িয়েছিলেন কোচ। অবশেষে নকআউট পর্বের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে পূর্ণ সময় খেলে নিজের কার্যকারিতা প্রমাণ করলেন এ তরুণ উইঙ্গার। মাঠে ইয়ামালের গতি ও স্কিলের সামনে এতটাই শারীরিক ধকল পোহাতে হয়েছে পর্তুগিজ ডিফেন্ডার নুনো মেন্দেসকে যে, ম্যাচের ৫৬ মিনিটে পায়ের অস্বস্তি নিয়ে মাঠ ছাড়তে বাধ্য হন তিনি।
ম্যাচ শেষে ইয়ামালের খেলায় উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে স্প্যানিশ কোচ দে লা ফুয়েন্তে জানান, এটি ইয়ামালের ক্যারিয়ারের অন্যতম সেরা ও গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ, যা তার ভবিষ্যতের উন্নতিতে বড় ভূমিকা রাখবে। আক্রমণ ও রক্ষণ- দুই বিভাগেই ইয়ামাল দলের জন্য লড়েছেন এবং বল পেলেই প্রতিপক্ষের মনে দ্বিধা ও ভয় ধরিয়েছেন বলে উল্লেখ করেন কোচ। তিনি বলেন, শিরোপার দৌড়ে টিকে থাকতে এবং ইয়ামালের নিজস্ব বিকাশ ধরে রাখতে এ বিশ্বকাপে তাকে স্পেনের ভীষণ প্রয়োজন।

ইয়ামালের স্তুতিতে স্পেন কোচ
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

ডালাসে শেষ ষোলোর হাইভোল্টেজ ম্যাচে পর্তুগালকে ১-০ গোলে হারিয়ে দীর্ঘ ১৬ বছর পর বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে স্পেন। বদলি খেলোয়াড় মিকেল মেরিনোর দ্বিতীয়ার্ধের যোগ করা সময়ের গোলে জয় পায় স্প্যানিশরা। পুরো ম্যাচ জুড়ে পর্তুগিজ রক্ষণে ত্রাস সৃষ্টি করে কোচ লুইস দে লা ফুয়েন্তের বিশেষ প্রশংসা কুড়িয়েছেন তরুণ ফরোয়ার্ড লামিনে ইয়ামাল। ২০১০ সালে বিশ্বকাপ জয়ের পর এবারই প্রথম নকআউট পর্বের এ জট ভাঙল স্পেনের। শনিবার (১১ জুলাই) বাংলাদেশ সময় রাত ১টায় সেমিফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে তারা মুখোমুখি হবে বেলজিয়ামের।
ঐতিহাসিক এ জয়ে নিজে কোনো গোল না পেলেও স্পেনের আক্রমণে মূল চালিকাশক্তি ছিলেন ইয়ামাল। বিশ্বকাপে এবারই প্রথম পুরো ৯০ মিনিট মাঠে থাকা এই রাইট উইঙ্গার পর্তুগালের গোলমুখে তিনটি শট নেন, যার দুটি ছিল অন-টার্গেট। হ্যামস্ট্রিংয়ের চোটের কারণে টুর্নামেন্টের শুরুতে পুরোপুরি ফিট না থাকায় কেপ ভার্দে, সৌদি আরব, উরুগুয়ে ও অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে তার খেলার সময় ধীরে ধীরে বাড়িয়েছিলেন কোচ। অবশেষে নকআউট পর্বের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে পূর্ণ সময় খেলে নিজের কার্যকারিতা প্রমাণ করলেন এ তরুণ উইঙ্গার। মাঠে ইয়ামালের গতি ও স্কিলের সামনে এতটাই শারীরিক ধকল পোহাতে হয়েছে পর্তুগিজ ডিফেন্ডার নুনো মেন্দেসকে যে, ম্যাচের ৫৬ মিনিটে পায়ের অস্বস্তি নিয়ে মাঠ ছাড়তে বাধ্য হন তিনি।
ম্যাচ শেষে ইয়ামালের খেলায় উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে স্প্যানিশ কোচ দে লা ফুয়েন্তে জানান, এটি ইয়ামালের ক্যারিয়ারের অন্যতম সেরা ও গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ, যা তার ভবিষ্যতের উন্নতিতে বড় ভূমিকা রাখবে। আক্রমণ ও রক্ষণ- দুই বিভাগেই ইয়ামাল দলের জন্য লড়েছেন এবং বল পেলেই প্রতিপক্ষের মনে দ্বিধা ও ভয় ধরিয়েছেন বলে উল্লেখ করেন কোচ। তিনি বলেন, শিরোপার দৌড়ে টিকে থাকতে এবং ইয়ামালের নিজস্ব বিকাশ ধরে রাখতে এ বিশ্বকাপে তাকে স্পেনের ভীষণ প্রয়োজন।

বিশ্বকাপে স্পেনের অনন্য রেকর্ড


