ভারত ম্যাচ খেলতে পাকিস্তানকে রাজি করিয়েছিলেন যিনি

ভারত ম্যাচ খেলতে পাকিস্তানকে রাজি করিয়েছিলেন যিনি
সিটিজেন স্পোর্টস ডেস্ক

দীর্ঘ নাটকের পর টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ভারত ও পাকিস্তানের ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়েছে। ম্যাচটি দেখতে কলম্বোতে উপস্থিত ছিলেন পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) চেয়ারম্যান মহসিন নাকভি। পাকিস্তান শুরুতে ম্যাচটি বয়কট করার সিদ্ধান্ত নিলেও পরে সরে আসে। পাকিস্তানের এই সিদ্ধান্ত বদলের আসল নায়ক কে, সেটা জানালেন পিসিবির চেয়ারম্যান।
গত ৯ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তান সরকার ভারতের বিপক্ষে তাদের ক্রিকেট দলকে খেলার অনুমতি দেয়। এর আগে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের প্রেসিডেন্ট আমিনুল ইসলাম বুলবুল পাকিস্তানকে ম্যাচটি আয়োজনের জন্য অনুরোধ করেছিলেন। এছাড়া শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট অনুরা কুমারা দিসানায়েকেও পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফের সঙ্গে ফোনে কথা বলতে দেখা গেছে।
গত রবিবার ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ চলাকালীন নাকভি দিসানায়েকের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং তাকে পাকিস্তানের সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের ‘প্রধান নায়ক’ হিসেবে উল্লেখ করেন।
এক সাক্ষাতে শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রীকে নাকভি বলেন, ‘প্রথমত, পাকিস্তানের রাষ্ট্রপতি (আসিফ আলি জারদারি) এবং পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর (শাহবাজ শরিফ) পক্ষ থেকে উষ্ণ শুভেচ্ছা। তারা আমাকে বিশেষভাবে অনুরোধ করেছেন আপনার কাছে তাদের শুভেচ্ছা পৌঁছে দিতে। আসলে, গতকালের ম্যাচে আপনিই ছিলেন আসল হিরো। কারণ আপনার কারণেই ২০০ কোটি মানুষ আনন্দিত হয়েছে। শুধুমাত্র আপনার কারণেই আমরা ম্যাচটি খেলেছি।’
ভারতের সঙ্গে না খেলার অনেক কারণ ছিল, কিন্তু দিসানায়েকের ফোন কলে কেটে যায় তাদের সঙ্গে পাকিস্তানের অচলাবস্থা। নাকভি বলেন, ‘ভারতের সাথে খেলা নিয়ে আমাদের বেশ কিছু সমস্যা ছিল। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী আপনার কল পাওয়ার সাথে সাথেই আমাকে ফোন করেন এবং বলেন, ‘আর কোনো সমস্যা নেই, আমাদের ম্যাচটি খেলতে হবে। ব্যস, এটুকুই।’ আমি আপনার প্রতি অত্যন্ত কৃতজ্ঞ যে আপনি এতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।’
আইসিসি, পিসিবি ও বিসিবির লাহোর বৈঠকের পর বয়কট ইস্যুর জট খুলে যায়। পাকিস্তান প্রথমে জানায়, ভারতে খেলতে অস্বীকৃতি জানানোয় বিশ্বকাপ থেকে বাদ পড়া বাংলাদেশের প্রতি সমর্থন জানাতেই তারা এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছিল।
পরে বাংলাদেশ বিশ্বকাপে অংশ না নেওয়ার কারণে কোনো শাস্তির মুখে পড়বে না এমন নিশ্চয়তা পাওয়ার পর পাকিস্তান ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ খেলার বিষয়টি বিবেচনায় আনে। শেষ পর্যন্ত শেহবাজ শরিফ শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্টের অনুরোধে সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করেন। আর নাকভি জানিয়ে দিলেন, ‘শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্টই ছিলেন এই ইস্যু সমাধানের আসল নায়ক।’

দীর্ঘ নাটকের পর টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ভারত ও পাকিস্তানের ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়েছে। ম্যাচটি দেখতে কলম্বোতে উপস্থিত ছিলেন পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) চেয়ারম্যান মহসিন নাকভি। পাকিস্তান শুরুতে ম্যাচটি বয়কট করার সিদ্ধান্ত নিলেও পরে সরে আসে। পাকিস্তানের এই সিদ্ধান্ত বদলের আসল নায়ক কে, সেটা জানালেন পিসিবির চেয়ারম্যান।
গত ৯ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তান সরকার ভারতের বিপক্ষে তাদের ক্রিকেট দলকে খেলার অনুমতি দেয়। এর আগে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের প্রেসিডেন্ট আমিনুল ইসলাম বুলবুল পাকিস্তানকে ম্যাচটি আয়োজনের জন্য অনুরোধ করেছিলেন। এছাড়া শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট অনুরা কুমারা দিসানায়েকেও পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফের সঙ্গে ফোনে কথা বলতে দেখা গেছে।
গত রবিবার ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ চলাকালীন নাকভি দিসানায়েকের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং তাকে পাকিস্তানের সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের ‘প্রধান নায়ক’ হিসেবে উল্লেখ করেন।
এক সাক্ষাতে শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রীকে নাকভি বলেন, ‘প্রথমত, পাকিস্তানের রাষ্ট্রপতি (আসিফ আলি জারদারি) এবং পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর (শাহবাজ শরিফ) পক্ষ থেকে উষ্ণ শুভেচ্ছা। তারা আমাকে বিশেষভাবে অনুরোধ করেছেন আপনার কাছে তাদের শুভেচ্ছা পৌঁছে দিতে। আসলে, গতকালের ম্যাচে আপনিই ছিলেন আসল হিরো। কারণ আপনার কারণেই ২০০ কোটি মানুষ আনন্দিত হয়েছে। শুধুমাত্র আপনার কারণেই আমরা ম্যাচটি খেলেছি।’
ভারতের সঙ্গে না খেলার অনেক কারণ ছিল, কিন্তু দিসানায়েকের ফোন কলে কেটে যায় তাদের সঙ্গে পাকিস্তানের অচলাবস্থা। নাকভি বলেন, ‘ভারতের সাথে খেলা নিয়ে আমাদের বেশ কিছু সমস্যা ছিল। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী আপনার কল পাওয়ার সাথে সাথেই আমাকে ফোন করেন এবং বলেন, ‘আর কোনো সমস্যা নেই, আমাদের ম্যাচটি খেলতে হবে। ব্যস, এটুকুই।’ আমি আপনার প্রতি অত্যন্ত কৃতজ্ঞ যে আপনি এতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।’
আইসিসি, পিসিবি ও বিসিবির লাহোর বৈঠকের পর বয়কট ইস্যুর জট খুলে যায়। পাকিস্তান প্রথমে জানায়, ভারতে খেলতে অস্বীকৃতি জানানোয় বিশ্বকাপ থেকে বাদ পড়া বাংলাদেশের প্রতি সমর্থন জানাতেই তারা এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছিল।
পরে বাংলাদেশ বিশ্বকাপে অংশ না নেওয়ার কারণে কোনো শাস্তির মুখে পড়বে না এমন নিশ্চয়তা পাওয়ার পর পাকিস্তান ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ খেলার বিষয়টি বিবেচনায় আনে। শেষ পর্যন্ত শেহবাজ শরিফ শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্টের অনুরোধে সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করেন। আর নাকভি জানিয়ে দিলেন, ‘শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্টই ছিলেন এই ইস্যু সমাধানের আসল নায়ক।’

ভারত ম্যাচ খেলতে পাকিস্তানকে রাজি করিয়েছিলেন যিনি
সিটিজেন স্পোর্টস ডেস্ক

দীর্ঘ নাটকের পর টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ভারত ও পাকিস্তানের ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়েছে। ম্যাচটি দেখতে কলম্বোতে উপস্থিত ছিলেন পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) চেয়ারম্যান মহসিন নাকভি। পাকিস্তান শুরুতে ম্যাচটি বয়কট করার সিদ্ধান্ত নিলেও পরে সরে আসে। পাকিস্তানের এই সিদ্ধান্ত বদলের আসল নায়ক কে, সেটা জানালেন পিসিবির চেয়ারম্যান।
গত ৯ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তান সরকার ভারতের বিপক্ষে তাদের ক্রিকেট দলকে খেলার অনুমতি দেয়। এর আগে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের প্রেসিডেন্ট আমিনুল ইসলাম বুলবুল পাকিস্তানকে ম্যাচটি আয়োজনের জন্য অনুরোধ করেছিলেন। এছাড়া শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট অনুরা কুমারা দিসানায়েকেও পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফের সঙ্গে ফোনে কথা বলতে দেখা গেছে।
গত রবিবার ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ চলাকালীন নাকভি দিসানায়েকের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং তাকে পাকিস্তানের সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের ‘প্রধান নায়ক’ হিসেবে উল্লেখ করেন।
এক সাক্ষাতে শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রীকে নাকভি বলেন, ‘প্রথমত, পাকিস্তানের রাষ্ট্রপতি (আসিফ আলি জারদারি) এবং পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর (শাহবাজ শরিফ) পক্ষ থেকে উষ্ণ শুভেচ্ছা। তারা আমাকে বিশেষভাবে অনুরোধ করেছেন আপনার কাছে তাদের শুভেচ্ছা পৌঁছে দিতে। আসলে, গতকালের ম্যাচে আপনিই ছিলেন আসল হিরো। কারণ আপনার কারণেই ২০০ কোটি মানুষ আনন্দিত হয়েছে। শুধুমাত্র আপনার কারণেই আমরা ম্যাচটি খেলেছি।’
ভারতের সঙ্গে না খেলার অনেক কারণ ছিল, কিন্তু দিসানায়েকের ফোন কলে কেটে যায় তাদের সঙ্গে পাকিস্তানের অচলাবস্থা। নাকভি বলেন, ‘ভারতের সাথে খেলা নিয়ে আমাদের বেশ কিছু সমস্যা ছিল। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী আপনার কল পাওয়ার সাথে সাথেই আমাকে ফোন করেন এবং বলেন, ‘আর কোনো সমস্যা নেই, আমাদের ম্যাচটি খেলতে হবে। ব্যস, এটুকুই।’ আমি আপনার প্রতি অত্যন্ত কৃতজ্ঞ যে আপনি এতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।’
আইসিসি, পিসিবি ও বিসিবির লাহোর বৈঠকের পর বয়কট ইস্যুর জট খুলে যায়। পাকিস্তান প্রথমে জানায়, ভারতে খেলতে অস্বীকৃতি জানানোয় বিশ্বকাপ থেকে বাদ পড়া বাংলাদেশের প্রতি সমর্থন জানাতেই তারা এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছিল।
পরে বাংলাদেশ বিশ্বকাপে অংশ না নেওয়ার কারণে কোনো শাস্তির মুখে পড়বে না এমন নিশ্চয়তা পাওয়ার পর পাকিস্তান ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ খেলার বিষয়টি বিবেচনায় আনে। শেষ পর্যন্ত শেহবাজ শরিফ শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্টের অনুরোধে সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করেন। আর নাকভি জানিয়ে দিলেন, ‘শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্টই ছিলেন এই ইস্যু সমাধানের আসল নায়ক।’




