ওয়ানডে অভিষেকেই বিশ্ব রেকর্ড আফ্রিকান ওপেনারের

ওয়ানডে অভিষেকেই বিশ্ব রেকর্ড আফ্রিকান ওপেনারের
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

উইন্ডহুকের নামিবিয়া ক্রিকেট গ্রাউন্ডে ক্যারিয়ারের প্রথম ওয়ানডে ম্যাচ খেলতে নেমেই ব্যাট হাতে তাণ্ডব চালালেন ২৪ বছর বয়সী বাঁহাতি ওপেনার জর্ডান হারমান। ১২৬ বলে ১৭টি চার ও ৩টি ছক্কায় ১৫০ রানের চোখধাঁধানো ইনিংস খেলে ওয়ানডে ক্রিকেটের ইতিহাস নতুন করে লিখেছেন দক্ষিণ আফ্রিকার এ তরুণ। তার বিধ্বংসী ইনিংসে ভর করে স্বাগতিক নামিবিয়ার বিপক্ষে সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে ৬ উইকেটে ৩৪৮ রানের বিশাল পুঁজি গড়েছে প্রোটিয়ারা।
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের সূচনায় এমন রেকর্ডের সাক্ষী খুব কমই হয়েছে বিশ্ব ক্রিকেট। ইতিহাসের দ্বিতীয় ব্যাটার হিসেবে নিজের অভিষেক ওয়ানডেতেই দেড়শ রান করার অনন্য নজির গড়লেন হারমান। মজার ব্যাপার হলো, এ তালিকার প্রথম ব্যাটারও একজন দক্ষিণ আফ্রিকান- ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে ম্যাথু ব্রিটজকে প্রথম ব্যাটার হিসেবে ওয়ানডে অভিষেকে ১৫০ রানের মাইলফলক স্পর্শ করেছিলেন।
ম্যাচের শুরুতে টস জিতে দক্ষিণ আফ্রিকাকে আগে ব্যাটিংয়ের আমন্ত্রণ জানায় নামিবিয়া। তবে তাদের সিদ্ধান্তকে দ্রুতই ভুল প্রমাণ করেন হারমান। দলীয় ২৭ রানে আরেক ওপেনার কনর এস্তেরহুইজেন সাজঘরে ফিরলেও দ্বিতীয় উইকেটে ম্যাচের লাগাম পুরোপুরি নিজেদের হাতে নেন হারমান ও টনি ডি জর্জি। দুজনে মিলে গড়েন ১৯০ রানের দুর্দান্ত এক জুটি। অন্যপ্রান্তে ডি জর্জি ৭২ রান করে আউট হলেও এক প্রান্ত আগলে রেখে নামিবিয়ান বোলারদের ওপর রীতিমতো ঝড় তোলেন হারমান।
ইনিংসের শুরুতে কিছুটা সময় নিয়ে খেললেও ৫০ পার হওয়ার পর ক্রমেই আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠেন তিনি। ১০১ বলে প্রথম ওয়ানডে সেঞ্চুরি পূর্ণ করার পর আরও বিধ্বংসী রূপ নেন। সেঞ্চুরি থেকে দেড়শ রানে পৌঁছাতে তিনি খেলেন মাত্র ২৪ বল, অর্থাৎ ১২৫ বলেই ছুঁয়ে ফেলেন দেড়শ রানের কোটা। তবে এই অবিশ্বাস্য কীর্তি গড়ার ঠিক পরের বলেই আর কোনো রান না যোগ করে আউট হন হারমান।

উইন্ডহুকের নামিবিয়া ক্রিকেট গ্রাউন্ডে ক্যারিয়ারের প্রথম ওয়ানডে ম্যাচ খেলতে নেমেই ব্যাট হাতে তাণ্ডব চালালেন ২৪ বছর বয়সী বাঁহাতি ওপেনার জর্ডান হারমান। ১২৬ বলে ১৭টি চার ও ৩টি ছক্কায় ১৫০ রানের চোখধাঁধানো ইনিংস খেলে ওয়ানডে ক্রিকেটের ইতিহাস নতুন করে লিখেছেন দক্ষিণ আফ্রিকার এ তরুণ। তার বিধ্বংসী ইনিংসে ভর করে স্বাগতিক নামিবিয়ার বিপক্ষে সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে ৬ উইকেটে ৩৪৮ রানের বিশাল পুঁজি গড়েছে প্রোটিয়ারা।
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের সূচনায় এমন রেকর্ডের সাক্ষী খুব কমই হয়েছে বিশ্ব ক্রিকেট। ইতিহাসের দ্বিতীয় ব্যাটার হিসেবে নিজের অভিষেক ওয়ানডেতেই দেড়শ রান করার অনন্য নজির গড়লেন হারমান। মজার ব্যাপার হলো, এ তালিকার প্রথম ব্যাটারও একজন দক্ষিণ আফ্রিকান- ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে ম্যাথু ব্রিটজকে প্রথম ব্যাটার হিসেবে ওয়ানডে অভিষেকে ১৫০ রানের মাইলফলক স্পর্শ করেছিলেন।
ম্যাচের শুরুতে টস জিতে দক্ষিণ আফ্রিকাকে আগে ব্যাটিংয়ের আমন্ত্রণ জানায় নামিবিয়া। তবে তাদের সিদ্ধান্তকে দ্রুতই ভুল প্রমাণ করেন হারমান। দলীয় ২৭ রানে আরেক ওপেনার কনর এস্তেরহুইজেন সাজঘরে ফিরলেও দ্বিতীয় উইকেটে ম্যাচের লাগাম পুরোপুরি নিজেদের হাতে নেন হারমান ও টনি ডি জর্জি। দুজনে মিলে গড়েন ১৯০ রানের দুর্দান্ত এক জুটি। অন্যপ্রান্তে ডি জর্জি ৭২ রান করে আউট হলেও এক প্রান্ত আগলে রেখে নামিবিয়ান বোলারদের ওপর রীতিমতো ঝড় তোলেন হারমান।
ইনিংসের শুরুতে কিছুটা সময় নিয়ে খেললেও ৫০ পার হওয়ার পর ক্রমেই আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠেন তিনি। ১০১ বলে প্রথম ওয়ানডে সেঞ্চুরি পূর্ণ করার পর আরও বিধ্বংসী রূপ নেন। সেঞ্চুরি থেকে দেড়শ রানে পৌঁছাতে তিনি খেলেন মাত্র ২৪ বল, অর্থাৎ ১২৫ বলেই ছুঁয়ে ফেলেন দেড়শ রানের কোটা। তবে এই অবিশ্বাস্য কীর্তি গড়ার ঠিক পরের বলেই আর কোনো রান না যোগ করে আউট হন হারমান।

ওয়ানডে অভিষেকেই বিশ্ব রেকর্ড আফ্রিকান ওপেনারের
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

উইন্ডহুকের নামিবিয়া ক্রিকেট গ্রাউন্ডে ক্যারিয়ারের প্রথম ওয়ানডে ম্যাচ খেলতে নেমেই ব্যাট হাতে তাণ্ডব চালালেন ২৪ বছর বয়সী বাঁহাতি ওপেনার জর্ডান হারমান। ১২৬ বলে ১৭টি চার ও ৩টি ছক্কায় ১৫০ রানের চোখধাঁধানো ইনিংস খেলে ওয়ানডে ক্রিকেটের ইতিহাস নতুন করে লিখেছেন দক্ষিণ আফ্রিকার এ তরুণ। তার বিধ্বংসী ইনিংসে ভর করে স্বাগতিক নামিবিয়ার বিপক্ষে সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে ৬ উইকেটে ৩৪৮ রানের বিশাল পুঁজি গড়েছে প্রোটিয়ারা।
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের সূচনায় এমন রেকর্ডের সাক্ষী খুব কমই হয়েছে বিশ্ব ক্রিকেট। ইতিহাসের দ্বিতীয় ব্যাটার হিসেবে নিজের অভিষেক ওয়ানডেতেই দেড়শ রান করার অনন্য নজির গড়লেন হারমান। মজার ব্যাপার হলো, এ তালিকার প্রথম ব্যাটারও একজন দক্ষিণ আফ্রিকান- ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে ম্যাথু ব্রিটজকে প্রথম ব্যাটার হিসেবে ওয়ানডে অভিষেকে ১৫০ রানের মাইলফলক স্পর্শ করেছিলেন।
ম্যাচের শুরুতে টস জিতে দক্ষিণ আফ্রিকাকে আগে ব্যাটিংয়ের আমন্ত্রণ জানায় নামিবিয়া। তবে তাদের সিদ্ধান্তকে দ্রুতই ভুল প্রমাণ করেন হারমান। দলীয় ২৭ রানে আরেক ওপেনার কনর এস্তেরহুইজেন সাজঘরে ফিরলেও দ্বিতীয় উইকেটে ম্যাচের লাগাম পুরোপুরি নিজেদের হাতে নেন হারমান ও টনি ডি জর্জি। দুজনে মিলে গড়েন ১৯০ রানের দুর্দান্ত এক জুটি। অন্যপ্রান্তে ডি জর্জি ৭২ রান করে আউট হলেও এক প্রান্ত আগলে রেখে নামিবিয়ান বোলারদের ওপর রীতিমতো ঝড় তোলেন হারমান।
ইনিংসের শুরুতে কিছুটা সময় নিয়ে খেললেও ৫০ পার হওয়ার পর ক্রমেই আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠেন তিনি। ১০১ বলে প্রথম ওয়ানডে সেঞ্চুরি পূর্ণ করার পর আরও বিধ্বংসী রূপ নেন। সেঞ্চুরি থেকে দেড়শ রানে পৌঁছাতে তিনি খেলেন মাত্র ২৪ বল, অর্থাৎ ১২৫ বলেই ছুঁয়ে ফেলেন দেড়শ রানের কোটা। তবে এই অবিশ্বাস্য কীর্তি গড়ার ঠিক পরের বলেই আর কোনো রান না যোগ করে আউট হন হারমান।

এশিয়ান গেমসে পাঁচ তারকা হোটেল পাচ্ছে না ভারতীয় দল







