ব্রুকের সেঞ্চুরিতে পাকিস্তানকে হারিয়ে সেমিফাইনালে ইংল্যান্ড

ব্রুকের সেঞ্চুরিতে পাকিস্তানকে হারিয়ে সেমিফাইনালে ইংল্যান্ড
সিটিজেন স্পোর্টস ডেস্ক

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সুপার এইটে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে পাকিস্তানকে ২ উইকেটে হারিয়ে সবার আগে সেমিফাইনাল নিশ্চিত করেছে ইংল্যান্ড। এই পর্বে প্রথম ম্যাচে শ্রীলঙ্কাকে হারিয়েছিল ইংল্যান্ড।
পাল্লেকেলেতে আগে ব্যাট করে ২০ ওভারে ১৬৪ রান করে পাকিস্তান। জবাবে হ্যারি ব্রুকের সেঞ্চুরিতে ৫ বল হাতে রেখে জয় নিশ্চিত হয় ইংলিশদের।
রান তাড়া করতে নেমে শুরুটা ভালো হয়নি ইংল্যান্ডের। পাওয়ার প্লেতে দল হারায় ৩ উইকেট। ফিল সল্ট শূন্য, জস বাটলার ৩ ও জ্যাকব বেথেল ৮ রান করে সাজঘরে ফেরেন। সুবিধা করতে পারেননি টম ব্যাটন্টনও (২)। অপর প্রান্তে একাই লড়াই চালিয়ে যান দলনেতা হ্যারি ব্রুক। তাকে সঙ্গ দেন স্যাম কারান ও উইল জ্যাকস। ১৬ রান করে কারান আউট হলে পঞ্চম উইকেটে ৪৫ রানের জুটি ভাঙে।
৫০ বলে সেঞ্চুরি তুলে নেন ব্রুক। তবে জয় নিয়ে ফিরতে পারেননি তিনি। সেঞ্চুরি পূরণের পরের বলেই আউট হন। ব্রুকের ইনিংসে ছিল ১০ চার ও ৪ ছক্কা। ১২ বলে ইংল্যান্ডের দরকার ছিল ৫ রান। তবে ইনিংসের ১৯তম ওভারে উইল জ্যাকস (২৮) ও ওভারটন (০) ফিরলে ম্যাচ জমে ওঠে।
শেষ ওভারে ইংল্যান্ডের দরকার ছিল ৩ রান। সালমান মির্জার করা ওভারের প্রথম বলে চার মেরে দলের জয় নিশ্চিত করেন জোফরা আর্চার।
তার আগে পাকিস্তান ব্যাট করতে নেমে পাকিস্তান দলীয় ২৭ রানে ২ উইকেট হারায়। তৃতীয় উইকেটে জুটিতে শুরুর চাপ সামলে নেন ওপেনার সাহিবজাদা ফারহান ও অভিজ্ঞ ব্যাটার বাবর আজম। ২৪ বলে ২৫ রান করে সাজঘরে ফেরেন বাবর।
অন্যদিকে ফিফটি তুলে নেন ফারহান। আউট হওয়ার আগে তিনি করেন ৬৩ রান। ৪৫ বলে খেলা তার ইনিংসটি সাতটি চার ও দুটি ছয়ে সাজানো। এই দুজন আউট হওয়ার পর ১৬ বলে ২৫ রান করেন ফখর। আর শাদাবের ব্যাট থেকে আসে ২৩ রান।
ইংল্যান্ডের হয়ে সর্বোচ্চ তিন উইকেট নেন লিয়াম ডসন। দুটি করে উইকেট পেয়েছেন জোফরা আর্চার ও জেমি ওভারটন।
এই জয়ের মাধ্যমে ২ ম্যাচে ৪ পয়েন্ট পেলো হ্যারি ব্রুকের দল। তাদের পেছনে ফেলতে পারবে না পাকিস্তান। দুই ম্যাচ শেষে তারা সংগ্রহ করেছে কেবল মাত্র এক পয়েন্ট। ফলে শেষ ম্যাচ জিতলে তাদের সংগ্রহ দাঁড়াবে ৩ পয়েন্ট।
অন্যদিকে, নিউজিল্যান্ড এবং শ্রীলঙ্কা একই সঙ্গে ইংল্যান্ডকে পেছনে ফেলতে পারবে না। কেননা নিউজিল্যান্ডের পয়েন্ট ১, শ্রীলঙ্কা শূন্য। আবার একে অপরের বিপক্ষেও মাঠে নামতে হবে তাদের। সে ম্যাচে এক দল জিতলে অন্য দলের পক্ষে ইংল্যান্ডকে পেছনে ফেলা সম্ভব হবে না। আবার ম্যাচটি ড্র হলে কিউইদের পয়েন্ট হবে ২, শ্রীলঙ্কার ১। এক্ষেত্রে শেষ ম্যাচ জিতে নিউজিল্যান্ড সর্বোচ্চ ৪ পয়েন্ট সংগ্রহ করতে পারবে। অন্যদিকে লঙ্কানরা অর্জন করতে পারবে কেবল ৩ পয়েন্ট। তাই দুই ম্যাচ জিতেই সেমিফাইনাল নিশ্চিত ইংল্যান্ডের।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সুপার এইটে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে পাকিস্তানকে ২ উইকেটে হারিয়ে সবার আগে সেমিফাইনাল নিশ্চিত করেছে ইংল্যান্ড। এই পর্বে প্রথম ম্যাচে শ্রীলঙ্কাকে হারিয়েছিল ইংল্যান্ড।
পাল্লেকেলেতে আগে ব্যাট করে ২০ ওভারে ১৬৪ রান করে পাকিস্তান। জবাবে হ্যারি ব্রুকের সেঞ্চুরিতে ৫ বল হাতে রেখে জয় নিশ্চিত হয় ইংলিশদের।
রান তাড়া করতে নেমে শুরুটা ভালো হয়নি ইংল্যান্ডের। পাওয়ার প্লেতে দল হারায় ৩ উইকেট। ফিল সল্ট শূন্য, জস বাটলার ৩ ও জ্যাকব বেথেল ৮ রান করে সাজঘরে ফেরেন। সুবিধা করতে পারেননি টম ব্যাটন্টনও (২)। অপর প্রান্তে একাই লড়াই চালিয়ে যান দলনেতা হ্যারি ব্রুক। তাকে সঙ্গ দেন স্যাম কারান ও উইল জ্যাকস। ১৬ রান করে কারান আউট হলে পঞ্চম উইকেটে ৪৫ রানের জুটি ভাঙে।
৫০ বলে সেঞ্চুরি তুলে নেন ব্রুক। তবে জয় নিয়ে ফিরতে পারেননি তিনি। সেঞ্চুরি পূরণের পরের বলেই আউট হন। ব্রুকের ইনিংসে ছিল ১০ চার ও ৪ ছক্কা। ১২ বলে ইংল্যান্ডের দরকার ছিল ৫ রান। তবে ইনিংসের ১৯তম ওভারে উইল জ্যাকস (২৮) ও ওভারটন (০) ফিরলে ম্যাচ জমে ওঠে।
শেষ ওভারে ইংল্যান্ডের দরকার ছিল ৩ রান। সালমান মির্জার করা ওভারের প্রথম বলে চার মেরে দলের জয় নিশ্চিত করেন জোফরা আর্চার।
তার আগে পাকিস্তান ব্যাট করতে নেমে পাকিস্তান দলীয় ২৭ রানে ২ উইকেট হারায়। তৃতীয় উইকেটে জুটিতে শুরুর চাপ সামলে নেন ওপেনার সাহিবজাদা ফারহান ও অভিজ্ঞ ব্যাটার বাবর আজম। ২৪ বলে ২৫ রান করে সাজঘরে ফেরেন বাবর।
অন্যদিকে ফিফটি তুলে নেন ফারহান। আউট হওয়ার আগে তিনি করেন ৬৩ রান। ৪৫ বলে খেলা তার ইনিংসটি সাতটি চার ও দুটি ছয়ে সাজানো। এই দুজন আউট হওয়ার পর ১৬ বলে ২৫ রান করেন ফখর। আর শাদাবের ব্যাট থেকে আসে ২৩ রান।
ইংল্যান্ডের হয়ে সর্বোচ্চ তিন উইকেট নেন লিয়াম ডসন। দুটি করে উইকেট পেয়েছেন জোফরা আর্চার ও জেমি ওভারটন।
এই জয়ের মাধ্যমে ২ ম্যাচে ৪ পয়েন্ট পেলো হ্যারি ব্রুকের দল। তাদের পেছনে ফেলতে পারবে না পাকিস্তান। দুই ম্যাচ শেষে তারা সংগ্রহ করেছে কেবল মাত্র এক পয়েন্ট। ফলে শেষ ম্যাচ জিতলে তাদের সংগ্রহ দাঁড়াবে ৩ পয়েন্ট।
অন্যদিকে, নিউজিল্যান্ড এবং শ্রীলঙ্কা একই সঙ্গে ইংল্যান্ডকে পেছনে ফেলতে পারবে না। কেননা নিউজিল্যান্ডের পয়েন্ট ১, শ্রীলঙ্কা শূন্য। আবার একে অপরের বিপক্ষেও মাঠে নামতে হবে তাদের। সে ম্যাচে এক দল জিতলে অন্য দলের পক্ষে ইংল্যান্ডকে পেছনে ফেলা সম্ভব হবে না। আবার ম্যাচটি ড্র হলে কিউইদের পয়েন্ট হবে ২, শ্রীলঙ্কার ১। এক্ষেত্রে শেষ ম্যাচ জিতে নিউজিল্যান্ড সর্বোচ্চ ৪ পয়েন্ট সংগ্রহ করতে পারবে। অন্যদিকে লঙ্কানরা অর্জন করতে পারবে কেবল ৩ পয়েন্ট। তাই দুই ম্যাচ জিতেই সেমিফাইনাল নিশ্চিত ইংল্যান্ডের।

ব্রুকের সেঞ্চুরিতে পাকিস্তানকে হারিয়ে সেমিফাইনালে ইংল্যান্ড
সিটিজেন স্পোর্টস ডেস্ক

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সুপার এইটে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে পাকিস্তানকে ২ উইকেটে হারিয়ে সবার আগে সেমিফাইনাল নিশ্চিত করেছে ইংল্যান্ড। এই পর্বে প্রথম ম্যাচে শ্রীলঙ্কাকে হারিয়েছিল ইংল্যান্ড।
পাল্লেকেলেতে আগে ব্যাট করে ২০ ওভারে ১৬৪ রান করে পাকিস্তান। জবাবে হ্যারি ব্রুকের সেঞ্চুরিতে ৫ বল হাতে রেখে জয় নিশ্চিত হয় ইংলিশদের।
রান তাড়া করতে নেমে শুরুটা ভালো হয়নি ইংল্যান্ডের। পাওয়ার প্লেতে দল হারায় ৩ উইকেট। ফিল সল্ট শূন্য, জস বাটলার ৩ ও জ্যাকব বেথেল ৮ রান করে সাজঘরে ফেরেন। সুবিধা করতে পারেননি টম ব্যাটন্টনও (২)। অপর প্রান্তে একাই লড়াই চালিয়ে যান দলনেতা হ্যারি ব্রুক। তাকে সঙ্গ দেন স্যাম কারান ও উইল জ্যাকস। ১৬ রান করে কারান আউট হলে পঞ্চম উইকেটে ৪৫ রানের জুটি ভাঙে।
৫০ বলে সেঞ্চুরি তুলে নেন ব্রুক। তবে জয় নিয়ে ফিরতে পারেননি তিনি। সেঞ্চুরি পূরণের পরের বলেই আউট হন। ব্রুকের ইনিংসে ছিল ১০ চার ও ৪ ছক্কা। ১২ বলে ইংল্যান্ডের দরকার ছিল ৫ রান। তবে ইনিংসের ১৯তম ওভারে উইল জ্যাকস (২৮) ও ওভারটন (০) ফিরলে ম্যাচ জমে ওঠে।
শেষ ওভারে ইংল্যান্ডের দরকার ছিল ৩ রান। সালমান মির্জার করা ওভারের প্রথম বলে চার মেরে দলের জয় নিশ্চিত করেন জোফরা আর্চার।
তার আগে পাকিস্তান ব্যাট করতে নেমে পাকিস্তান দলীয় ২৭ রানে ২ উইকেট হারায়। তৃতীয় উইকেটে জুটিতে শুরুর চাপ সামলে নেন ওপেনার সাহিবজাদা ফারহান ও অভিজ্ঞ ব্যাটার বাবর আজম। ২৪ বলে ২৫ রান করে সাজঘরে ফেরেন বাবর।
অন্যদিকে ফিফটি তুলে নেন ফারহান। আউট হওয়ার আগে তিনি করেন ৬৩ রান। ৪৫ বলে খেলা তার ইনিংসটি সাতটি চার ও দুটি ছয়ে সাজানো। এই দুজন আউট হওয়ার পর ১৬ বলে ২৫ রান করেন ফখর। আর শাদাবের ব্যাট থেকে আসে ২৩ রান।
ইংল্যান্ডের হয়ে সর্বোচ্চ তিন উইকেট নেন লিয়াম ডসন। দুটি করে উইকেট পেয়েছেন জোফরা আর্চার ও জেমি ওভারটন।
এই জয়ের মাধ্যমে ২ ম্যাচে ৪ পয়েন্ট পেলো হ্যারি ব্রুকের দল। তাদের পেছনে ফেলতে পারবে না পাকিস্তান। দুই ম্যাচ শেষে তারা সংগ্রহ করেছে কেবল মাত্র এক পয়েন্ট। ফলে শেষ ম্যাচ জিতলে তাদের সংগ্রহ দাঁড়াবে ৩ পয়েন্ট।
অন্যদিকে, নিউজিল্যান্ড এবং শ্রীলঙ্কা একই সঙ্গে ইংল্যান্ডকে পেছনে ফেলতে পারবে না। কেননা নিউজিল্যান্ডের পয়েন্ট ১, শ্রীলঙ্কা শূন্য। আবার একে অপরের বিপক্ষেও মাঠে নামতে হবে তাদের। সে ম্যাচে এক দল জিতলে অন্য দলের পক্ষে ইংল্যান্ডকে পেছনে ফেলা সম্ভব হবে না। আবার ম্যাচটি ড্র হলে কিউইদের পয়েন্ট হবে ২, শ্রীলঙ্কার ১। এক্ষেত্রে শেষ ম্যাচ জিতে নিউজিল্যান্ড সর্বোচ্চ ৪ পয়েন্ট সংগ্রহ করতে পারবে। অন্যদিকে লঙ্কানরা অর্জন করতে পারবে কেবল ৩ পয়েন্ট। তাই দুই ম্যাচ জিতেই সেমিফাইনাল নিশ্চিত ইংল্যান্ডের।




