মাদক ব্যবসার অভিযোগে বাড়ি ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগ, মা-ছেলে আটক

মাদক ব্যবসার অভিযোগে বাড়ি ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগ, মা-ছেলে আটক
ময়মনসিংহ সংবাদদাতা

ময়মনসিংহের ভালুকায় মাদক ব্যবসার অভিযোগে মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে এক বাড়িতে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। ঘটনার আগে এক নারী ও তার ছেলেকে আটক করে পুলিশে দিয়েছেন এলাকাবাসী।
শুক্রবার (১৭ জুলাই) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার হবিরবাড়ী ইউনিয়নের আওলাতলী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ জানায়, শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে ভালুকা উপজেলার হবিরবাড়ি ইউনিয়নের আওলাতলী মধ্যপাড়া (পুরাতন) জামে মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে আশপাশের কয়েকটি গ্রামের মানুষ একত্র হন। পরে মাদক ব্যবসার অভিযোগে আওলাতলী গ্রামের বাসিন্দা পারভেজ মিয়া ও তার মা পারভীন আক্তারকে আটক করে ভালুকা মডেল থানার পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন। আটক পারভেজ মিয়ার বাবার নাম জামাল উদ্দিন। তার বিরুদ্ধে ভালুকা মডেল থানায় মাদকের পাঁচটি মামলা রয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, খবর পেয়ে ভালুকা মডেল থানার পুলিশ এসে মা-ছেলেকে নিজেদের হেফাজতে নেয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই বিক্ষুব্ধ জনতা বাড়িটিতে ভাঙচুর চালায়। পরে সেখানে আগুন ধরিয়ে দিলে তিনটি আধা পাকা বসতঘর, চারটি টিনশেড ঘর, একটি রান্নাঘর ও বাড়ির পাশে রাখা একটি মোটরসাইকেল পুড়ে যায়। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, উদ্ধার হওয়া মাদকের একটি অংশও আগুনে পুড়ে গেছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে পারভেজ ও তার পরিবারের সদস্যরা এলাকায় মাদক ব্যবসা চালিয়ে আসছিলেন। এ নিয়ে তাদের একাধিকবার সামাজিকভাবে সতর্ক করা হলেও ব্যবসা বন্ধ করেননি। এতে স্থানীয়দের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে ক্ষোভ তৈরি হয়।
হবিরবাড়ী ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মকবুল হোসেন বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসায়ীদের কারণে এলাকাবাসী অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছিল। ছোট ছোট ছেলেরা মাদকে আসক্ত হয়ে যাচ্ছে।’
হবিরবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের ২ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য মো. শাহজাহান বলেন, ‘পরিবারটির বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসার অভিযোগ ছিলো। আগে তাদেরকে একাধিকবার সতর্ক করা হয়েছিলো।’
ভালুকা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম বলেন, ‘তাদের কাছ থেকে ৫০ পিস ইয়াবা পাওয়া গেছে। পরিবারটি মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। কিন্তু পুলিশ পৌছানোর আগেই ক্ষুব্ধ জনতা বসতঘরে আগুন ধরিয়ে দেয়। থানায় নতুন মামলার প্রস্তুতি চলছে।’

ময়মনসিংহের ভালুকায় মাদক ব্যবসার অভিযোগে মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে এক বাড়িতে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। ঘটনার আগে এক নারী ও তার ছেলেকে আটক করে পুলিশে দিয়েছেন এলাকাবাসী।
শুক্রবার (১৭ জুলাই) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার হবিরবাড়ী ইউনিয়নের আওলাতলী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ জানায়, শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে ভালুকা উপজেলার হবিরবাড়ি ইউনিয়নের আওলাতলী মধ্যপাড়া (পুরাতন) জামে মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে আশপাশের কয়েকটি গ্রামের মানুষ একত্র হন। পরে মাদক ব্যবসার অভিযোগে আওলাতলী গ্রামের বাসিন্দা পারভেজ মিয়া ও তার মা পারভীন আক্তারকে আটক করে ভালুকা মডেল থানার পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন। আটক পারভেজ মিয়ার বাবার নাম জামাল উদ্দিন। তার বিরুদ্ধে ভালুকা মডেল থানায় মাদকের পাঁচটি মামলা রয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, খবর পেয়ে ভালুকা মডেল থানার পুলিশ এসে মা-ছেলেকে নিজেদের হেফাজতে নেয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই বিক্ষুব্ধ জনতা বাড়িটিতে ভাঙচুর চালায়। পরে সেখানে আগুন ধরিয়ে দিলে তিনটি আধা পাকা বসতঘর, চারটি টিনশেড ঘর, একটি রান্নাঘর ও বাড়ির পাশে রাখা একটি মোটরসাইকেল পুড়ে যায়। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, উদ্ধার হওয়া মাদকের একটি অংশও আগুনে পুড়ে গেছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে পারভেজ ও তার পরিবারের সদস্যরা এলাকায় মাদক ব্যবসা চালিয়ে আসছিলেন। এ নিয়ে তাদের একাধিকবার সামাজিকভাবে সতর্ক করা হলেও ব্যবসা বন্ধ করেননি। এতে স্থানীয়দের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে ক্ষোভ তৈরি হয়।
হবিরবাড়ী ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মকবুল হোসেন বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসায়ীদের কারণে এলাকাবাসী অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছিল। ছোট ছোট ছেলেরা মাদকে আসক্ত হয়ে যাচ্ছে।’
হবিরবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের ২ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য মো. শাহজাহান বলেন, ‘পরিবারটির বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসার অভিযোগ ছিলো। আগে তাদেরকে একাধিকবার সতর্ক করা হয়েছিলো।’
ভালুকা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম বলেন, ‘তাদের কাছ থেকে ৫০ পিস ইয়াবা পাওয়া গেছে। পরিবারটি মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। কিন্তু পুলিশ পৌছানোর আগেই ক্ষুব্ধ জনতা বসতঘরে আগুন ধরিয়ে দেয়। থানায় নতুন মামলার প্রস্তুতি চলছে।’

মাদক ব্যবসার অভিযোগে বাড়ি ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগ, মা-ছেলে আটক
ময়মনসিংহ সংবাদদাতা

ময়মনসিংহের ভালুকায় মাদক ব্যবসার অভিযোগে মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে এক বাড়িতে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। ঘটনার আগে এক নারী ও তার ছেলেকে আটক করে পুলিশে দিয়েছেন এলাকাবাসী।
শুক্রবার (১৭ জুলাই) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার হবিরবাড়ী ইউনিয়নের আওলাতলী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ জানায়, শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে ভালুকা উপজেলার হবিরবাড়ি ইউনিয়নের আওলাতলী মধ্যপাড়া (পুরাতন) জামে মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে আশপাশের কয়েকটি গ্রামের মানুষ একত্র হন। পরে মাদক ব্যবসার অভিযোগে আওলাতলী গ্রামের বাসিন্দা পারভেজ মিয়া ও তার মা পারভীন আক্তারকে আটক করে ভালুকা মডেল থানার পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন। আটক পারভেজ মিয়ার বাবার নাম জামাল উদ্দিন। তার বিরুদ্ধে ভালুকা মডেল থানায় মাদকের পাঁচটি মামলা রয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, খবর পেয়ে ভালুকা মডেল থানার পুলিশ এসে মা-ছেলেকে নিজেদের হেফাজতে নেয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই বিক্ষুব্ধ জনতা বাড়িটিতে ভাঙচুর চালায়। পরে সেখানে আগুন ধরিয়ে দিলে তিনটি আধা পাকা বসতঘর, চারটি টিনশেড ঘর, একটি রান্নাঘর ও বাড়ির পাশে রাখা একটি মোটরসাইকেল পুড়ে যায়। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, উদ্ধার হওয়া মাদকের একটি অংশও আগুনে পুড়ে গেছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে পারভেজ ও তার পরিবারের সদস্যরা এলাকায় মাদক ব্যবসা চালিয়ে আসছিলেন। এ নিয়ে তাদের একাধিকবার সামাজিকভাবে সতর্ক করা হলেও ব্যবসা বন্ধ করেননি। এতে স্থানীয়দের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে ক্ষোভ তৈরি হয়।
হবিরবাড়ী ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মকবুল হোসেন বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসায়ীদের কারণে এলাকাবাসী অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছিল। ছোট ছোট ছেলেরা মাদকে আসক্ত হয়ে যাচ্ছে।’
হবিরবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের ২ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য মো. শাহজাহান বলেন, ‘পরিবারটির বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসার অভিযোগ ছিলো। আগে তাদেরকে একাধিকবার সতর্ক করা হয়েছিলো।’
ভালুকা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম বলেন, ‘তাদের কাছ থেকে ৫০ পিস ইয়াবা পাওয়া গেছে। পরিবারটি মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। কিন্তু পুলিশ পৌছানোর আগেই ক্ষুব্ধ জনতা বসতঘরে আগুন ধরিয়ে দেয়। থানায় নতুন মামলার প্রস্তুতি চলছে।’









