টানা ৫ জয়ে বিশ্বকাপের খুব কাছে নিগাররা

টানা ৫ জয়ে বিশ্বকাপের খুব কাছে নিগাররা
নিজস্ব প্রতিবেদক

নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাছাইপর্বে টানা পাঁচ ম্যাচে জয় পেয়েছে বাংলাদেশ। বুধবার (২৮ জানুয়ারি) কাঠমান্ডুতে সুপার সিক্স পর্বের তৃতীয় ম্যাচে থাইল্যান্ডকে ৩৯ রানে হারিয়েছে নিগার সুলতানা জ্যোতির দল। এই জয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের মূল পর্বে এক পা দিয়ে রাখলো বাঘিনীরা।
টসে হেরে আগে ব্যাট করে ৮ উইকেটে ১৬৫ রান তোলে বাংলাদেশ। তাড়া করতে নেমে ২০ ওভারে ৮ উইকেটে ১২৬ রানে থেমেছে থাইল্যান্ডের ইনিংস।
ব্যাট করতে নেমে বাংলাদেশের শুরুটা ভালো হয়নি। ইনিংসের প্রথম বলেই দিলারা আক্তার আউট হন। দ্বিতীয় ওভারেই সাজঘরে ফেরেন শারমিন আক্তার সুপ্তা। দ্রুত দুই উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে বাংলাদেশ।
চাপের মুখে দলের হাল ধরেন জুয়াইরিয়া ফেরদৌস ও সোবহানা মোস্তারি। ধীরে ধীরে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নিয়ে তারা গড়ে তোলেন বড় জুটি। জুয়াইরিয়া দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে ৪৫ বলে ৫৬ রান করেন, যেখানে ছিল তিনটি চার ও চারটি ছক্কা।
অন্যদিকে সোবহানা মোস্তারি খেলেন আরও আগ্রাসী ইনিংস। তিনি ৪২ বলে ৫৯ রান করেন। ইনিংসে তিনি নয়টি চার ও একটি ছক্কা মারেন। এই জুটিতেই বাংলাদেশের বড় সংগ্রহের ভিত্তি গড়ে ওঠে। ১৫.৩ ওভারে ১২২ রানে ভাঙে এই গুরুত্বপূর্ণ জুটি।
শেষ দিকে রিতু মনির দ্রুত ১৫ রানের ক্যামিও ইনিংসে বাংলাদেশের স্কোর আরও সমৃদ্ধ হয়। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেটে বাংলাদেশের সংগ্রহ দাঁড়ায় ১৬৫ রান।
থাইল্যান্ডের পক্ষে থিপাচা পুত্থাওং ছিলেন সবচেয়ে সফল বোলার। তিনি ৪ ওভারে ২২ রান দিয়ে ৩ উইকেট শিকার করেন। এছাড়া ফান্নিতা মায়া ও অনিচা কামচোমফুও দুটি করে উইকেট নেন।
১৬৬ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে থাইল্যান্ড শুরুতে কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও পরে ছন্দ হারাতে থাকে। ধারাবাহিকভাবে উইকেট পতনে বিপর্যস্ত হয়ে ওঠে দলটি। দলের পক্ষে নাত্থাকান চান্থাম সর্বোচ্চ ৪৬ রান করেন। দ্বিতীয় উইকেটে ৬৭ রানের জুটি গড়লেও প্রয়োজনীয় রানরেটের চাপে থাইল্যান্ড আর ম্যাচে ফিরতে পারেনি।
মাঝের ওভারগুলোতে স্বর্ণা আক্তার ও রিতু মনি থাইল্যান্ডের ইনিংসে বড় ধাক্কা দেন। স্বর্ণা ৪ ওভারে ২১ রান দিয়ে ২ উইকেট শিকার করেন। আর রিতু মনি ২০ রান খরচায় নেন ২ উইকেট। শুরু ও শেষ দিকে মারুফা আক্তার ছিলেন দারুণ কার্যকর। তিনি ৪ ওভারে ২৫ রান দিয়ে ৩ উইকেট তুলে নেন।
শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেটে থাইল্যান্ডের সংগ্রহ দাঁড়ায় ১২৬ রান। ফলে ৩৯ রানের বড় জয়ে সুপার সিক্সে টানা তৃতীয় এবং টুর্নামেন্টে টানা পঞ্চম জয় নিশ্চিত করে বাংলাদেশ।

নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাছাইপর্বে টানা পাঁচ ম্যাচে জয় পেয়েছে বাংলাদেশ। বুধবার (২৮ জানুয়ারি) কাঠমান্ডুতে সুপার সিক্স পর্বের তৃতীয় ম্যাচে থাইল্যান্ডকে ৩৯ রানে হারিয়েছে নিগার সুলতানা জ্যোতির দল। এই জয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের মূল পর্বে এক পা দিয়ে রাখলো বাঘিনীরা।
টসে হেরে আগে ব্যাট করে ৮ উইকেটে ১৬৫ রান তোলে বাংলাদেশ। তাড়া করতে নেমে ২০ ওভারে ৮ উইকেটে ১২৬ রানে থেমেছে থাইল্যান্ডের ইনিংস।
ব্যাট করতে নেমে বাংলাদেশের শুরুটা ভালো হয়নি। ইনিংসের প্রথম বলেই দিলারা আক্তার আউট হন। দ্বিতীয় ওভারেই সাজঘরে ফেরেন শারমিন আক্তার সুপ্তা। দ্রুত দুই উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে বাংলাদেশ।
চাপের মুখে দলের হাল ধরেন জুয়াইরিয়া ফেরদৌস ও সোবহানা মোস্তারি। ধীরে ধীরে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নিয়ে তারা গড়ে তোলেন বড় জুটি। জুয়াইরিয়া দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে ৪৫ বলে ৫৬ রান করেন, যেখানে ছিল তিনটি চার ও চারটি ছক্কা।
অন্যদিকে সোবহানা মোস্তারি খেলেন আরও আগ্রাসী ইনিংস। তিনি ৪২ বলে ৫৯ রান করেন। ইনিংসে তিনি নয়টি চার ও একটি ছক্কা মারেন। এই জুটিতেই বাংলাদেশের বড় সংগ্রহের ভিত্তি গড়ে ওঠে। ১৫.৩ ওভারে ১২২ রানে ভাঙে এই গুরুত্বপূর্ণ জুটি।
শেষ দিকে রিতু মনির দ্রুত ১৫ রানের ক্যামিও ইনিংসে বাংলাদেশের স্কোর আরও সমৃদ্ধ হয়। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেটে বাংলাদেশের সংগ্রহ দাঁড়ায় ১৬৫ রান।
থাইল্যান্ডের পক্ষে থিপাচা পুত্থাওং ছিলেন সবচেয়ে সফল বোলার। তিনি ৪ ওভারে ২২ রান দিয়ে ৩ উইকেট শিকার করেন। এছাড়া ফান্নিতা মায়া ও অনিচা কামচোমফুও দুটি করে উইকেট নেন।
১৬৬ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে থাইল্যান্ড শুরুতে কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও পরে ছন্দ হারাতে থাকে। ধারাবাহিকভাবে উইকেট পতনে বিপর্যস্ত হয়ে ওঠে দলটি। দলের পক্ষে নাত্থাকান চান্থাম সর্বোচ্চ ৪৬ রান করেন। দ্বিতীয় উইকেটে ৬৭ রানের জুটি গড়লেও প্রয়োজনীয় রানরেটের চাপে থাইল্যান্ড আর ম্যাচে ফিরতে পারেনি।
মাঝের ওভারগুলোতে স্বর্ণা আক্তার ও রিতু মনি থাইল্যান্ডের ইনিংসে বড় ধাক্কা দেন। স্বর্ণা ৪ ওভারে ২১ রান দিয়ে ২ উইকেট শিকার করেন। আর রিতু মনি ২০ রান খরচায় নেন ২ উইকেট। শুরু ও শেষ দিকে মারুফা আক্তার ছিলেন দারুণ কার্যকর। তিনি ৪ ওভারে ২৫ রান দিয়ে ৩ উইকেট তুলে নেন।
শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেটে থাইল্যান্ডের সংগ্রহ দাঁড়ায় ১২৬ রান। ফলে ৩৯ রানের বড় জয়ে সুপার সিক্সে টানা তৃতীয় এবং টুর্নামেন্টে টানা পঞ্চম জয় নিশ্চিত করে বাংলাদেশ।

টানা ৫ জয়ে বিশ্বকাপের খুব কাছে নিগাররা
নিজস্ব প্রতিবেদক

নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাছাইপর্বে টানা পাঁচ ম্যাচে জয় পেয়েছে বাংলাদেশ। বুধবার (২৮ জানুয়ারি) কাঠমান্ডুতে সুপার সিক্স পর্বের তৃতীয় ম্যাচে থাইল্যান্ডকে ৩৯ রানে হারিয়েছে নিগার সুলতানা জ্যোতির দল। এই জয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের মূল পর্বে এক পা দিয়ে রাখলো বাঘিনীরা।
টসে হেরে আগে ব্যাট করে ৮ উইকেটে ১৬৫ রান তোলে বাংলাদেশ। তাড়া করতে নেমে ২০ ওভারে ৮ উইকেটে ১২৬ রানে থেমেছে থাইল্যান্ডের ইনিংস।
ব্যাট করতে নেমে বাংলাদেশের শুরুটা ভালো হয়নি। ইনিংসের প্রথম বলেই দিলারা আক্তার আউট হন। দ্বিতীয় ওভারেই সাজঘরে ফেরেন শারমিন আক্তার সুপ্তা। দ্রুত দুই উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে বাংলাদেশ।
চাপের মুখে দলের হাল ধরেন জুয়াইরিয়া ফেরদৌস ও সোবহানা মোস্তারি। ধীরে ধীরে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নিয়ে তারা গড়ে তোলেন বড় জুটি। জুয়াইরিয়া দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে ৪৫ বলে ৫৬ রান করেন, যেখানে ছিল তিনটি চার ও চারটি ছক্কা।
অন্যদিকে সোবহানা মোস্তারি খেলেন আরও আগ্রাসী ইনিংস। তিনি ৪২ বলে ৫৯ রান করেন। ইনিংসে তিনি নয়টি চার ও একটি ছক্কা মারেন। এই জুটিতেই বাংলাদেশের বড় সংগ্রহের ভিত্তি গড়ে ওঠে। ১৫.৩ ওভারে ১২২ রানে ভাঙে এই গুরুত্বপূর্ণ জুটি।
শেষ দিকে রিতু মনির দ্রুত ১৫ রানের ক্যামিও ইনিংসে বাংলাদেশের স্কোর আরও সমৃদ্ধ হয়। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেটে বাংলাদেশের সংগ্রহ দাঁড়ায় ১৬৫ রান।
থাইল্যান্ডের পক্ষে থিপাচা পুত্থাওং ছিলেন সবচেয়ে সফল বোলার। তিনি ৪ ওভারে ২২ রান দিয়ে ৩ উইকেট শিকার করেন। এছাড়া ফান্নিতা মায়া ও অনিচা কামচোমফুও দুটি করে উইকেট নেন।
১৬৬ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে থাইল্যান্ড শুরুতে কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও পরে ছন্দ হারাতে থাকে। ধারাবাহিকভাবে উইকেট পতনে বিপর্যস্ত হয়ে ওঠে দলটি। দলের পক্ষে নাত্থাকান চান্থাম সর্বোচ্চ ৪৬ রান করেন। দ্বিতীয় উইকেটে ৬৭ রানের জুটি গড়লেও প্রয়োজনীয় রানরেটের চাপে থাইল্যান্ড আর ম্যাচে ফিরতে পারেনি।
মাঝের ওভারগুলোতে স্বর্ণা আক্তার ও রিতু মনি থাইল্যান্ডের ইনিংসে বড় ধাক্কা দেন। স্বর্ণা ৪ ওভারে ২১ রান দিয়ে ২ উইকেট শিকার করেন। আর রিতু মনি ২০ রান খরচায় নেন ২ উইকেট। শুরু ও শেষ দিকে মারুফা আক্তার ছিলেন দারুণ কার্যকর। তিনি ৪ ওভারে ২৫ রান দিয়ে ৩ উইকেট তুলে নেন।
শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেটে থাইল্যান্ডের সংগ্রহ দাঁড়ায় ১২৬ রান। ফলে ৩৯ রানের বড় জয়ে সুপার সিক্সে টানা তৃতীয় এবং টুর্নামেন্টে টানা পঞ্চম জয় নিশ্চিত করে বাংলাদেশ।




