শিরোনাম

পবিত্র আশুরা আজ

সিজেডএন  ডেস্ক
সিজেডএন ডেস্ক
পবিত্র আশুরা আজ
মসজিদ

আজ ১০ মহররম, পবিত্র আশুরা। ইসলামী ইতিহাসে ত্যাগ, শোক এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে অনমনীয় প্রতিবাদের এক অবিস্মরণীয় দিন আজ। হিজরি বর্ষের প্রথম মাস মহররমের এই দিনটি মুসলিম উম্মাহর ধর্মীয়, আধ্যাত্মিক ও ঐতিহাসিক জীবনে গভীর তাৎপর্য বহন করে। শুধু ইসলামের ইতিহাসে নয়, মানব ইতিহাসের বহু গুরুত্বপূর্ণ ও অলৌকিক ঘটনার সাক্ষী এই পবিত্র দিন।

আশুরা আরবি শব্দ, যা মূলত ‘আশারা’ থেকে এসেছে। এর অর্থ হচ্ছে দশ। আরবি সনের প্রথম মাস মহররমের ১০ তারিখকে পবিত্র আশুরা বলা হয়।

আরবি ৬১ হিজরির (ইংরেজি ৬৮০ খ্রিস্টাব্দ) ১০ মুহররম মানব সভ্যতার ইতিহাসে এক মর্মান্তিক ও বিয়োগান্ত ঘটনা সংঘটিত হয়েছিলো ইরাকের ফোরাত নদীর তীরে কারবালা প্রান্তরে। মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর প্রিয় দৌহিত্র হযরত ইমাম হোসাইন (রা.), তার পরিবারের সদস্য ও ঘনিষ্ঠ সঙ্গীরা এই দিনে ইরাকের কারবালা প্রান্তরে ইয়াজিদের বাহিনীর বিরুদ্ধে সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে অবস্থান নিয়ে শাহাদাত বরণ করেন। ইসলামের প্রকৃত আদর্শ, মানবিক মর্যাদা এবং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে তাদের এই আত্মত্যাগ ইতিহাসে এক অবিস্মরণীয় অধ্যায়।

এছাড়াও মহান আল্লাহ যেদিন আকাশ, বাতাস, পাহাড়-পর্বত, নদী-নালা, জান্নাত-জাহান্নাম, লাওহে মাহফুজ ও যাবতীয় সৃষ্টিজীবের আত্মা সৃষ্টি করেছিলেন, সেই দিনটি ছিল এই ১০ মহররম তথা পবিত্র আশুরার দিন।

আশুরার অন্যতম প্রধান আমল হলো রোজা রাখা। আশুরার রোজা রাখার সঠিক নিয়ম হলো– দুটি রোজা রাখতে হবে। মহররমের ১০ তারিখ একটি, আর এর সঙ্গে মিলিয়ে আগের দিন অর্থাৎ ৯ মহররম অথবা পরের দিন অর্থাৎ ১১ মহররম আরও একটি রোজা রাখতে হয়।

/জেএইচ/