আসছে নীতিমালা: বন্ধ হচ্ছে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের রাজনীতি

আসছে নীতিমালা: বন্ধ হচ্ছে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের রাজনীতি
সিজেডএন ডেস্ক

বর্তমানে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা শতভাগ সরকারি বেতন-ভাতা পাচ্ছেন। তবে এর বাইরেও তারা বিভিন্ন পেশায় সম্পৃক্ত হচ্ছেন। ফলে তাদের পেশাগত দায়িত্ব ও সময়ের পূর্ণ সদ্ব্যবহার নিশ্চিত হচ্ছে না। এমতাবস্থায় তাদের জন্য একটি আচরণবিধি প্রণয়নের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সে মোতাবেক কাজ করা শুরু করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। শিগগিরই এ-সংক্রান্ত খসড়া চূড়ান্ত করা হবে। সূশ্লিষ্ট সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
গত ২৮ জুলাই প্রধানমন্ত্রী শিক্ষা মন্ত্রণালয় পরিদর্শনে এসে মন্ত্রীসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীকে জানানো হয়, শিক্ষকরা বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সক্রিয় কর্মী ছাড়াও শিক্ষাবহির্ভূত ১৫ ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়াচ্ছেন। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো– দলীয় রাজনীতি, জমি কেনাবেচায় দালালি, সালিশ-দরবার, বাজার ও অটোরিকশা সমিতি নিয়ন্ত্রণ, ঠিকাদারি এবং স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ নেওয়া। এতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সার্বিক শৃঙ্খলা ও স্বাভাবিক পরিবেশ ব্যাহত হচ্ছে। এ সময় প্রধানমন্ত্রী জানতে চান শিক্ষকদের জন্য কোনো পৃথক আচরণবিধি আছে কি না। জবাবে কর্মকর্তারা বলেন, এক্ষেত্রে মূলত এমপিও নীতিমালার বিধানই অনুসরণ করা হয়। সেখানে শুধু স্বাভাবিক পরিবেশ নষ্ট হয় বা শৃঙ্খলা ভঙ্গ হয় এমন যেকোনো দলীয় রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড থেকে শিক্ষকদের বিরত থাকার নির্দেশনা রয়েছে।
বৈঠকে শিক্ষকদের পেশাদারিত্ব বজায় রাখতে তাদের জন্য নতুন আচরণবিধি প্রণয়নসহ প্রত্যক্ষ রাজনীতিতে সম্পৃক্ততা বন্ধের কঠোর উদ্যোগ নেওয়ার জন্য প্রস্তাব দেওয়া হয়। এরপর গত ৬ আগস্ট প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে আচরণবিধি প্রণয়নের নির্দেশনা আসে।
শিক্ষামন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী বেসরকারি শিক্ষকদের জন্য একটি পূর্ণাঙ্গ আচরণবিধি করা হবে। সেখানে একজন শিক্ষক কী করতে পারবেন, কী করতে পারবেন না, তা স্পষ্টভাবে উল্লেখ থাকবে। এর মধ্যে রাজনীতিতে সম্পৃক্ত না হওয়ার বিষয়টি অগ্রাধিকার পাবে বলেও জানা গেছে।
এদিকে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানাচ্ছে, বর্তমানে সারা দেশে প্রায় সাড়ে ৫ লাখ এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারী রয়েছেন। নতুন বিধিমালায় শিক্ষক কী করতে পারবেন আর কী করতে পারবেন না, তা সুনির্দিষ্ট করা হবে। পাশাপাশি দলীয় রাজনীতি ও শিক্ষকতার বাইরের কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত হতে পারবেন না। একই সঙ্গে চাকরিতে বহাল থেকে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সুযোগও বন্ধ হবে।
কর্মকর্তারা প্রধানমন্ত্রীকে আরও জানিয়েছিলেন, ‘সরকারি কর্মচারী (আচরণ) বিধিমালা, ১৯৭৯’ সরাসরি তাদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয় না। নির্দিষ্ট আচরণবিধি না থাকায় শিক্ষকরা দলীয় রাজনীতিতে পদে নেওয়া, ক্লাস ফাঁকি দিয়ে সার্বক্ষণিক রাজনীতি করা, সালিশ-দরবার, অটোরিকশা সমিতি নিয়ন্ত্রণ থেকে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি নির্বাচনে অংশগ্রহণসহ নানা শিক্ষাবহির্ভূত কাজে যুক্ত হচ্ছেন। এটা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে সরকার একটি পৃথক আচরণবিধি করার উদ্যোগ নিয়েও শিক্ষক নেতাদের বাধার মুখে হোঁচট খায়। সর্বশেষ ২০১৮ সালে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে এমন একটি উদ্যোগও আটকে যায়।
এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের জন্য আচরণ বিধিমালা প্রণয়নকে শিক্ষাঙ্গনের সুষ্ঠু পরিবেশ ও শৃঙ্খলা ফেরানোর চেষ্টা হিসেবে দেখছেন বিশেষজ্ঞরা। তবে শিক্ষক সংগঠনগুলোর ভাষ্য, এটি শিক্ষকদের নির্বাচনের মাঠ থেকে দূরে রাখার কৌশল। অন্যদিকে জামায়াতপন্থী শিক্ষকদের অভিযোগ, স্থানীয় নির্বাচনে জামায়াত প্রার্থীদের অধিকাংশই শিক্ষক। তাদের রুখে দিতেই এমন সিদ্ধান্ত নিচ্ছে সরকার। এরিই মধ্যে তারা এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের নির্বাচনে অযোগ্য করার প্রস্তাবের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনের কাছে আপত্তি জানিয়েছেন।

বর্তমানে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা শতভাগ সরকারি বেতন-ভাতা পাচ্ছেন। তবে এর বাইরেও তারা বিভিন্ন পেশায় সম্পৃক্ত হচ্ছেন। ফলে তাদের পেশাগত দায়িত্ব ও সময়ের পূর্ণ সদ্ব্যবহার নিশ্চিত হচ্ছে না। এমতাবস্থায় তাদের জন্য একটি আচরণবিধি প্রণয়নের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সে মোতাবেক কাজ করা শুরু করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। শিগগিরই এ-সংক্রান্ত খসড়া চূড়ান্ত করা হবে। সূশ্লিষ্ট সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
গত ২৮ জুলাই প্রধানমন্ত্রী শিক্ষা মন্ত্রণালয় পরিদর্শনে এসে মন্ত্রীসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীকে জানানো হয়, শিক্ষকরা বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সক্রিয় কর্মী ছাড়াও শিক্ষাবহির্ভূত ১৫ ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়াচ্ছেন। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো– দলীয় রাজনীতি, জমি কেনাবেচায় দালালি, সালিশ-দরবার, বাজার ও অটোরিকশা সমিতি নিয়ন্ত্রণ, ঠিকাদারি এবং স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ নেওয়া। এতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সার্বিক শৃঙ্খলা ও স্বাভাবিক পরিবেশ ব্যাহত হচ্ছে। এ সময় প্রধানমন্ত্রী জানতে চান শিক্ষকদের জন্য কোনো পৃথক আচরণবিধি আছে কি না। জবাবে কর্মকর্তারা বলেন, এক্ষেত্রে মূলত এমপিও নীতিমালার বিধানই অনুসরণ করা হয়। সেখানে শুধু স্বাভাবিক পরিবেশ নষ্ট হয় বা শৃঙ্খলা ভঙ্গ হয় এমন যেকোনো দলীয় রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড থেকে শিক্ষকদের বিরত থাকার নির্দেশনা রয়েছে।
বৈঠকে শিক্ষকদের পেশাদারিত্ব বজায় রাখতে তাদের জন্য নতুন আচরণবিধি প্রণয়নসহ প্রত্যক্ষ রাজনীতিতে সম্পৃক্ততা বন্ধের কঠোর উদ্যোগ নেওয়ার জন্য প্রস্তাব দেওয়া হয়। এরপর গত ৬ আগস্ট প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে আচরণবিধি প্রণয়নের নির্দেশনা আসে।
শিক্ষামন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী বেসরকারি শিক্ষকদের জন্য একটি পূর্ণাঙ্গ আচরণবিধি করা হবে। সেখানে একজন শিক্ষক কী করতে পারবেন, কী করতে পারবেন না, তা স্পষ্টভাবে উল্লেখ থাকবে। এর মধ্যে রাজনীতিতে সম্পৃক্ত না হওয়ার বিষয়টি অগ্রাধিকার পাবে বলেও জানা গেছে।
এদিকে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানাচ্ছে, বর্তমানে সারা দেশে প্রায় সাড়ে ৫ লাখ এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারী রয়েছেন। নতুন বিধিমালায় শিক্ষক কী করতে পারবেন আর কী করতে পারবেন না, তা সুনির্দিষ্ট করা হবে। পাশাপাশি দলীয় রাজনীতি ও শিক্ষকতার বাইরের কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত হতে পারবেন না। একই সঙ্গে চাকরিতে বহাল থেকে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সুযোগও বন্ধ হবে।
কর্মকর্তারা প্রধানমন্ত্রীকে আরও জানিয়েছিলেন, ‘সরকারি কর্মচারী (আচরণ) বিধিমালা, ১৯৭৯’ সরাসরি তাদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয় না। নির্দিষ্ট আচরণবিধি না থাকায় শিক্ষকরা দলীয় রাজনীতিতে পদে নেওয়া, ক্লাস ফাঁকি দিয়ে সার্বক্ষণিক রাজনীতি করা, সালিশ-দরবার, অটোরিকশা সমিতি নিয়ন্ত্রণ থেকে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি নির্বাচনে অংশগ্রহণসহ নানা শিক্ষাবহির্ভূত কাজে যুক্ত হচ্ছেন। এটা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে সরকার একটি পৃথক আচরণবিধি করার উদ্যোগ নিয়েও শিক্ষক নেতাদের বাধার মুখে হোঁচট খায়। সর্বশেষ ২০১৮ সালে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে এমন একটি উদ্যোগও আটকে যায়।
এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের জন্য আচরণ বিধিমালা প্রণয়নকে শিক্ষাঙ্গনের সুষ্ঠু পরিবেশ ও শৃঙ্খলা ফেরানোর চেষ্টা হিসেবে দেখছেন বিশেষজ্ঞরা। তবে শিক্ষক সংগঠনগুলোর ভাষ্য, এটি শিক্ষকদের নির্বাচনের মাঠ থেকে দূরে রাখার কৌশল। অন্যদিকে জামায়াতপন্থী শিক্ষকদের অভিযোগ, স্থানীয় নির্বাচনে জামায়াত প্রার্থীদের অধিকাংশই শিক্ষক। তাদের রুখে দিতেই এমন সিদ্ধান্ত নিচ্ছে সরকার। এরিই মধ্যে তারা এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের নির্বাচনে অযোগ্য করার প্রস্তাবের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনের কাছে আপত্তি জানিয়েছেন।

আসছে নীতিমালা: বন্ধ হচ্ছে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের রাজনীতি
সিজেডএন ডেস্ক

বর্তমানে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা শতভাগ সরকারি বেতন-ভাতা পাচ্ছেন। তবে এর বাইরেও তারা বিভিন্ন পেশায় সম্পৃক্ত হচ্ছেন। ফলে তাদের পেশাগত দায়িত্ব ও সময়ের পূর্ণ সদ্ব্যবহার নিশ্চিত হচ্ছে না। এমতাবস্থায় তাদের জন্য একটি আচরণবিধি প্রণয়নের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সে মোতাবেক কাজ করা শুরু করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। শিগগিরই এ-সংক্রান্ত খসড়া চূড়ান্ত করা হবে। সূশ্লিষ্ট সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
গত ২৮ জুলাই প্রধানমন্ত্রী শিক্ষা মন্ত্রণালয় পরিদর্শনে এসে মন্ত্রীসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীকে জানানো হয়, শিক্ষকরা বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সক্রিয় কর্মী ছাড়াও শিক্ষাবহির্ভূত ১৫ ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়াচ্ছেন। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো– দলীয় রাজনীতি, জমি কেনাবেচায় দালালি, সালিশ-দরবার, বাজার ও অটোরিকশা সমিতি নিয়ন্ত্রণ, ঠিকাদারি এবং স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ নেওয়া। এতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সার্বিক শৃঙ্খলা ও স্বাভাবিক পরিবেশ ব্যাহত হচ্ছে। এ সময় প্রধানমন্ত্রী জানতে চান শিক্ষকদের জন্য কোনো পৃথক আচরণবিধি আছে কি না। জবাবে কর্মকর্তারা বলেন, এক্ষেত্রে মূলত এমপিও নীতিমালার বিধানই অনুসরণ করা হয়। সেখানে শুধু স্বাভাবিক পরিবেশ নষ্ট হয় বা শৃঙ্খলা ভঙ্গ হয় এমন যেকোনো দলীয় রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড থেকে শিক্ষকদের বিরত থাকার নির্দেশনা রয়েছে।
বৈঠকে শিক্ষকদের পেশাদারিত্ব বজায় রাখতে তাদের জন্য নতুন আচরণবিধি প্রণয়নসহ প্রত্যক্ষ রাজনীতিতে সম্পৃক্ততা বন্ধের কঠোর উদ্যোগ নেওয়ার জন্য প্রস্তাব দেওয়া হয়। এরপর গত ৬ আগস্ট প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে আচরণবিধি প্রণয়নের নির্দেশনা আসে।
শিক্ষামন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী বেসরকারি শিক্ষকদের জন্য একটি পূর্ণাঙ্গ আচরণবিধি করা হবে। সেখানে একজন শিক্ষক কী করতে পারবেন, কী করতে পারবেন না, তা স্পষ্টভাবে উল্লেখ থাকবে। এর মধ্যে রাজনীতিতে সম্পৃক্ত না হওয়ার বিষয়টি অগ্রাধিকার পাবে বলেও জানা গেছে।
এদিকে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানাচ্ছে, বর্তমানে সারা দেশে প্রায় সাড়ে ৫ লাখ এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারী রয়েছেন। নতুন বিধিমালায় শিক্ষক কী করতে পারবেন আর কী করতে পারবেন না, তা সুনির্দিষ্ট করা হবে। পাশাপাশি দলীয় রাজনীতি ও শিক্ষকতার বাইরের কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত হতে পারবেন না। একই সঙ্গে চাকরিতে বহাল থেকে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সুযোগও বন্ধ হবে।
কর্মকর্তারা প্রধানমন্ত্রীকে আরও জানিয়েছিলেন, ‘সরকারি কর্মচারী (আচরণ) বিধিমালা, ১৯৭৯’ সরাসরি তাদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয় না। নির্দিষ্ট আচরণবিধি না থাকায় শিক্ষকরা দলীয় রাজনীতিতে পদে নেওয়া, ক্লাস ফাঁকি দিয়ে সার্বক্ষণিক রাজনীতি করা, সালিশ-দরবার, অটোরিকশা সমিতি নিয়ন্ত্রণ থেকে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি নির্বাচনে অংশগ্রহণসহ নানা শিক্ষাবহির্ভূত কাজে যুক্ত হচ্ছেন। এটা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে সরকার একটি পৃথক আচরণবিধি করার উদ্যোগ নিয়েও শিক্ষক নেতাদের বাধার মুখে হোঁচট খায়। সর্বশেষ ২০১৮ সালে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে এমন একটি উদ্যোগও আটকে যায়।
এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের জন্য আচরণ বিধিমালা প্রণয়নকে শিক্ষাঙ্গনের সুষ্ঠু পরিবেশ ও শৃঙ্খলা ফেরানোর চেষ্টা হিসেবে দেখছেন বিশেষজ্ঞরা। তবে শিক্ষক সংগঠনগুলোর ভাষ্য, এটি শিক্ষকদের নির্বাচনের মাঠ থেকে দূরে রাখার কৌশল। অন্যদিকে জামায়াতপন্থী শিক্ষকদের অভিযোগ, স্থানীয় নির্বাচনে জামায়াত প্রার্থীদের অধিকাংশই শিক্ষক। তাদের রুখে দিতেই এমন সিদ্ধান্ত নিচ্ছে সরকার। এরিই মধ্যে তারা এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের নির্বাচনে অযোগ্য করার প্রস্তাবের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনের কাছে আপত্তি জানিয়েছেন।

‘স্থানীয় নির্বাচন করতে পারবেন না এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা’







