বেরোবিতে ভিসি বাংলোর পুকুরের মাছের খাবারের ব্যয় ৫ লাখ টাকা!

বেরোবিতে ভিসি বাংলোর পুকুরের মাছের খাবারের ব্যয় ৫ লাখ টাকা!
বেরোবি সংবাদদাতা

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) উপাচার্যের বাংলোর পুকুরের মাছ ও প্রাণীর খাদ্য বাবদ ২০২৪-২৫ অর্থবছরে দেড় লাখ ব্যয় দেখানো হয়েছে। একই খাতে আগামী অর্থবছরের জন্য আরও পাঁচ লাখ টাকা বরাদ্দ চাওয়া হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের হিসাব শাখার বাজেটসংক্রান্ত নথি পর্যালোচনা করে এ তথ্য পাওয়া যায়।
এদিকে, বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে উপাচার্যের বাংলোর পুকুর ছাড়া অন্য কোনো পুকুর না থাকায় এ খাতে দেখানো মাছের খাবারের ব্যয় নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন শিক্ষার্থীরা। তাদের প্রশ্ন, তুলনামূলকভাবে ছোট একটি পুকুরে মাছের খাবার বাবদ এত টাকা কীভাবে ব্যয় হয়েছে এবং আগামী বছরের জন্য কেন আরও ৫ লাখ টাকা বরাদ্দ প্রয়োজন?
পাশাপাশি, পুকুরের মাছগুলো কোথায় যায় এবং এগুলোর জন্য কেন এত অর্থ ব্যয় করা হচ্ছে– এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছ থেকে স্বচ্ছ ব্যাখ্যা দাবি জানিয়েছেন তারা।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ফাইন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের শিক্ষার্থী সিয়াম কাজী বলেন, প্রাণীদের খাদ্যের জন্য এত টাকা ব্যয় দেখানো হলেও ক্যাম্পাসে অনেক প্রাণীকে না খেয়ে থাকতে দেখা যায়। বিশেষ করে ছুটির সময়ে ক্যাম্পাসে থাকা কুকুরগুলো খাবার পায় না। ক্যাম্পাসের প্রাণীদের নিয়ে কাজ করা সংগঠনগুলোই তখন খাবারের ব্যবস্থা করে। সেখানে প্রশাসনের ভূমিকা আমরা দেখতে পাই না।
প্রতিবেদকের হাতে আসা নথিতে মাছের খাবারের পাশাপাশি একই খাতে প্রাণীর খাদ্যের ব্যয়ও দেখানো হয়েছে। তবে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন প্রাণীর দেখভালের সঙ্গে যুক্ত শিক্ষার্থীদের দাবি, বিশ্ববিদ্যালয়ে থাকা কুকুর, বিড়ালসহ বিভিন্ন প্রাণী নিয়মিত খাদ্যসংকটে ভোগে।
ক্যাম্পাসের প্রাণীদের নিয়ে কাজ করা একটি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত শিক্ষার্থী আতিকুর রহমান বলেন, ক্যাম্পাসের বিভিন্ন প্রাণী খাবারের সংকটে পড়লে আমরা ব্যক্তিগত উদ্যোগে তাদের খাবার দিয়ে থাকি। প্রশাসনের পক্ষ থেকে এ খাতে টাকা ব্যয় দেখানো হলেও ক্যাম্পাসের প্রাণীদের নিয়মিত খাবার দেওয়ার কোনো কার্যক্রমে তাদের দেখা যায়নি।
তিনি আরও বলেন, বিশেষ করে বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ থাকলে ক্যাম্পাসের প্রাণীগুলো চরম খাদ্যসংকটে পড়ে। তখনও শিক্ষার্থীরাই ব্যক্তিগত উদ্যোগে তাদের খাবারের ব্যবস্থা করে।
এ বিষয়ে ভিসি বাংলোর দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তা মাহমুদ উল হাসান (পল্লব) বলেন, পুকুরে মাছ আছে। মাছ ছাড়া অন্য কোনো প্রাণীর জন্য খাবার কেনা হয় না।
জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. মো. ফেরদৌস রহমানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি অর্থ ও হিসাব দপ্তরে যোগাযোগ করতে বলেন।
পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থ ও হিসাব দপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. শাহজাহানের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) উপাচার্যের বাংলোর পুকুরের মাছ ও প্রাণীর খাদ্য বাবদ ২০২৪-২৫ অর্থবছরে দেড় লাখ ব্যয় দেখানো হয়েছে। একই খাতে আগামী অর্থবছরের জন্য আরও পাঁচ লাখ টাকা বরাদ্দ চাওয়া হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের হিসাব শাখার বাজেটসংক্রান্ত নথি পর্যালোচনা করে এ তথ্য পাওয়া যায়।
এদিকে, বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে উপাচার্যের বাংলোর পুকুর ছাড়া অন্য কোনো পুকুর না থাকায় এ খাতে দেখানো মাছের খাবারের ব্যয় নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন শিক্ষার্থীরা। তাদের প্রশ্ন, তুলনামূলকভাবে ছোট একটি পুকুরে মাছের খাবার বাবদ এত টাকা কীভাবে ব্যয় হয়েছে এবং আগামী বছরের জন্য কেন আরও ৫ লাখ টাকা বরাদ্দ প্রয়োজন?
পাশাপাশি, পুকুরের মাছগুলো কোথায় যায় এবং এগুলোর জন্য কেন এত অর্থ ব্যয় করা হচ্ছে– এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছ থেকে স্বচ্ছ ব্যাখ্যা দাবি জানিয়েছেন তারা।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ফাইন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের শিক্ষার্থী সিয়াম কাজী বলেন, প্রাণীদের খাদ্যের জন্য এত টাকা ব্যয় দেখানো হলেও ক্যাম্পাসে অনেক প্রাণীকে না খেয়ে থাকতে দেখা যায়। বিশেষ করে ছুটির সময়ে ক্যাম্পাসে থাকা কুকুরগুলো খাবার পায় না। ক্যাম্পাসের প্রাণীদের নিয়ে কাজ করা সংগঠনগুলোই তখন খাবারের ব্যবস্থা করে। সেখানে প্রশাসনের ভূমিকা আমরা দেখতে পাই না।
প্রতিবেদকের হাতে আসা নথিতে মাছের খাবারের পাশাপাশি একই খাতে প্রাণীর খাদ্যের ব্যয়ও দেখানো হয়েছে। তবে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন প্রাণীর দেখভালের সঙ্গে যুক্ত শিক্ষার্থীদের দাবি, বিশ্ববিদ্যালয়ে থাকা কুকুর, বিড়ালসহ বিভিন্ন প্রাণী নিয়মিত খাদ্যসংকটে ভোগে।
ক্যাম্পাসের প্রাণীদের নিয়ে কাজ করা একটি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত শিক্ষার্থী আতিকুর রহমান বলেন, ক্যাম্পাসের বিভিন্ন প্রাণী খাবারের সংকটে পড়লে আমরা ব্যক্তিগত উদ্যোগে তাদের খাবার দিয়ে থাকি। প্রশাসনের পক্ষ থেকে এ খাতে টাকা ব্যয় দেখানো হলেও ক্যাম্পাসের প্রাণীদের নিয়মিত খাবার দেওয়ার কোনো কার্যক্রমে তাদের দেখা যায়নি।
তিনি আরও বলেন, বিশেষ করে বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ থাকলে ক্যাম্পাসের প্রাণীগুলো চরম খাদ্যসংকটে পড়ে। তখনও শিক্ষার্থীরাই ব্যক্তিগত উদ্যোগে তাদের খাবারের ব্যবস্থা করে।
এ বিষয়ে ভিসি বাংলোর দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তা মাহমুদ উল হাসান (পল্লব) বলেন, পুকুরে মাছ আছে। মাছ ছাড়া অন্য কোনো প্রাণীর জন্য খাবার কেনা হয় না।
জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. মো. ফেরদৌস রহমানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি অর্থ ও হিসাব দপ্তরে যোগাযোগ করতে বলেন।
পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থ ও হিসাব দপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. শাহজাহানের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

বেরোবিতে ভিসি বাংলোর পুকুরের মাছের খাবারের ব্যয় ৫ লাখ টাকা!
বেরোবি সংবাদদাতা

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) উপাচার্যের বাংলোর পুকুরের মাছ ও প্রাণীর খাদ্য বাবদ ২০২৪-২৫ অর্থবছরে দেড় লাখ ব্যয় দেখানো হয়েছে। একই খাতে আগামী অর্থবছরের জন্য আরও পাঁচ লাখ টাকা বরাদ্দ চাওয়া হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের হিসাব শাখার বাজেটসংক্রান্ত নথি পর্যালোচনা করে এ তথ্য পাওয়া যায়।
এদিকে, বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে উপাচার্যের বাংলোর পুকুর ছাড়া অন্য কোনো পুকুর না থাকায় এ খাতে দেখানো মাছের খাবারের ব্যয় নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন শিক্ষার্থীরা। তাদের প্রশ্ন, তুলনামূলকভাবে ছোট একটি পুকুরে মাছের খাবার বাবদ এত টাকা কীভাবে ব্যয় হয়েছে এবং আগামী বছরের জন্য কেন আরও ৫ লাখ টাকা বরাদ্দ প্রয়োজন?
পাশাপাশি, পুকুরের মাছগুলো কোথায় যায় এবং এগুলোর জন্য কেন এত অর্থ ব্যয় করা হচ্ছে– এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছ থেকে স্বচ্ছ ব্যাখ্যা দাবি জানিয়েছেন তারা।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ফাইন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের শিক্ষার্থী সিয়াম কাজী বলেন, প্রাণীদের খাদ্যের জন্য এত টাকা ব্যয় দেখানো হলেও ক্যাম্পাসে অনেক প্রাণীকে না খেয়ে থাকতে দেখা যায়। বিশেষ করে ছুটির সময়ে ক্যাম্পাসে থাকা কুকুরগুলো খাবার পায় না। ক্যাম্পাসের প্রাণীদের নিয়ে কাজ করা সংগঠনগুলোই তখন খাবারের ব্যবস্থা করে। সেখানে প্রশাসনের ভূমিকা আমরা দেখতে পাই না।
প্রতিবেদকের হাতে আসা নথিতে মাছের খাবারের পাশাপাশি একই খাতে প্রাণীর খাদ্যের ব্যয়ও দেখানো হয়েছে। তবে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন প্রাণীর দেখভালের সঙ্গে যুক্ত শিক্ষার্থীদের দাবি, বিশ্ববিদ্যালয়ে থাকা কুকুর, বিড়ালসহ বিভিন্ন প্রাণী নিয়মিত খাদ্যসংকটে ভোগে।
ক্যাম্পাসের প্রাণীদের নিয়ে কাজ করা একটি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত শিক্ষার্থী আতিকুর রহমান বলেন, ক্যাম্পাসের বিভিন্ন প্রাণী খাবারের সংকটে পড়লে আমরা ব্যক্তিগত উদ্যোগে তাদের খাবার দিয়ে থাকি। প্রশাসনের পক্ষ থেকে এ খাতে টাকা ব্যয় দেখানো হলেও ক্যাম্পাসের প্রাণীদের নিয়মিত খাবার দেওয়ার কোনো কার্যক্রমে তাদের দেখা যায়নি।
তিনি আরও বলেন, বিশেষ করে বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ থাকলে ক্যাম্পাসের প্রাণীগুলো চরম খাদ্যসংকটে পড়ে। তখনও শিক্ষার্থীরাই ব্যক্তিগত উদ্যোগে তাদের খাবারের ব্যবস্থা করে।
এ বিষয়ে ভিসি বাংলোর দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তা মাহমুদ উল হাসান (পল্লব) বলেন, পুকুরে মাছ আছে। মাছ ছাড়া অন্য কোনো প্রাণীর জন্য খাবার কেনা হয় না।
জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. মো. ফেরদৌস রহমানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি অর্থ ও হিসাব দপ্তরে যোগাযোগ করতে বলেন।
পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থ ও হিসাব দপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. শাহজাহানের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

বিধি ভেঙে বেরোবিতে লাখ লাখ টাকা ফি আদায়






