‘স্বাধীন বিচার বিভাগ ছাড়া গণতন্ত্র টিকে থাকতে পারে না’
নিজস্ব প্রতিবেদক

‘স্বাধীন বিচার বিভাগ ছাড়া গণতন্ত্র টিকে থাকতে পারে না’
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২০ মে ২০২৬, ১৬: ৫১

স্বাধীন বিচার বিভাগ ছাড়া গণতন্ত্র টিকে থাকতে পারে না বলে জানিয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)।
বুধবার (২০ মে) বিকেলে একটি বিবৃতিতে এ কথা জানায় সংগঠনটি।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের জনগণ দীর্ঘদিন ধরে একটি স্বাধীন, কার্যকর ও নির্বাহী বিভাগের প্রভাবমুক্ত বিচারব্যবস্থার দাবি জানিয়ে আসছে। বিচার বিভাগের জন্য পৃথক সচিবালয় প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য ছিল অধস্তন আদালতের তত্ত্বাবধান, নিয়ন্ত্রণ, পদায়ন, পদোন্নতি, বদলি, শৃঙ্খলা ও প্রশাসনিক কার্যাবলিকে নির্বাহী বিভাগের প্রভাব থেকে মুক্ত করে সাংবিধানিক ভারসাম্য নিশ্চিত করা। এ ধরনের সিদ্ধান্ত বিচার বিভাগের প্রাতিষ্ঠানিক স্বাধীনতার ওপর সরাসরি আঘাত। বিচার বিভাগকে যদি তার নিজস্ব প্রশাসনিক কাঠামো, জনবল ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের সক্ষমতা থেকে বঞ্চিত করা হয়, তাহলে সংবিধানে ঘোষিত স্বাধীন বিচার বিভাগের ধারণা কাগুজে ঘোষণায় পরিণত হবে।
এতে বলা হয়েছে, বিচার বিভাগকে নির্বাহী বিভাগের অধীন প্রশাসনিক কাঠামোর মধ্যে আবদ্ধ রাখা ন্যায়বিচার, আইনের শাসন এবং নাগরিক অধিকার সুরক্ষার জন্য মারাত্মকভাবে ক্ষতিকর। আদালত যদি স্বাধীন না থাকে, তবে নাগরিকের শেষ আশ্রয়স্থল দুর্বল হয়ে পড়ে। আমরা স্পষ্টভাবে বলতে চাই যে, কোনো সরকার যদি বিচার বিভাগের ওপর প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখতে চায়, তবে তা গণতন্ত্র, সংবিধান ও জুলাই গণআকাঙ্ক্ষার পরিপন্থি। বিএনপি নিজেদের ৩১ দফার ওয়াদার বরখেলাপ করে বিচার বিভাগের স্বাধীনতার পথ রুদ্ধ করলে কোনোভাবেই তা গ্রহণযোগ্য হবে না।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এনসিপি মনে করে, সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় প্রতিষ্ঠা ছিল বিচার বিভাগের প্রকৃত স্বাধীনতার দিকে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রাতিষ্ঠানিক পদক্ষেপ। সেটিকে বিলুপ্ত বা অকার্যকর করার পরিবর্তে আরও শক্তিশালী, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক করার উদ্যোগ নেওয়া উচিত ছিল। স্বাধীন বিচার বিভাগ ছাড়া গণতন্ত্র টিকে থাকতে পারে না জানিয়ে বলা হয়, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হতে পারে না; এবং রাষ্ট্রের কোনো সংস্কারই অর্থবহ হতে পারে না।
এতে বলা হয়েছে, এনসিপি জনগণের অধিকার, সংবিধান, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা এবং আইনের শাসনের পক্ষে তার অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করছে। বিচার বিভাগের স্বাধীনতার বিরুদ্ধে যে কোনো প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ পদক্ষেপের বিরুদ্ধে আমরা রাজনৈতিক, আইনগত ও গণতান্ত্রিকভাবে প্রতিবাদ অব্যাহত রাখব।
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) পক্ষ থেকে সরকারের প্রতি ৪টি দাবি উপস্থাপণ করা হয়েছে। দাবিগুলো হলো-
- সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়ে পদায়িত বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তাদের প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত অবিলম্বে পুনর্বিবেচনা করতে হবে।
- স্বাধীন বিচার বিভাগ নিশ্চিত করতে বিচার বিভাগীয় সচিবালয়কে কার্যকর, স্থায়ী ও পূর্ণাঙ্গ প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো দিতে হবে।
- বিচারকদের পদায়ন, বদলি, পদোন্নতি ও শৃঙ্খলাজনিত বিষয়ে নির্বাহী বিভাগের প্রভাব দূর করতে হবে।
- প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে বিচার বিভাগের প্রশাসনিক স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় আইনগত ও প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

স্বাধীন বিচার বিভাগ ছাড়া গণতন্ত্র টিকে থাকতে পারে না বলে জানিয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)।
বুধবার (২০ মে) বিকেলে একটি বিবৃতিতে এ কথা জানায় সংগঠনটি।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের জনগণ দীর্ঘদিন ধরে একটি স্বাধীন, কার্যকর ও নির্বাহী বিভাগের প্রভাবমুক্ত বিচারব্যবস্থার দাবি জানিয়ে আসছে। বিচার বিভাগের জন্য পৃথক সচিবালয় প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য ছিল অধস্তন আদালতের তত্ত্বাবধান, নিয়ন্ত্রণ, পদায়ন, পদোন্নতি, বদলি, শৃঙ্খলা ও প্রশাসনিক কার্যাবলিকে নির্বাহী বিভাগের প্রভাব থেকে মুক্ত করে সাংবিধানিক ভারসাম্য নিশ্চিত করা। এ ধরনের সিদ্ধান্ত বিচার বিভাগের প্রাতিষ্ঠানিক স্বাধীনতার ওপর সরাসরি আঘাত। বিচার বিভাগকে যদি তার নিজস্ব প্রশাসনিক কাঠামো, জনবল ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের সক্ষমতা থেকে বঞ্চিত করা হয়, তাহলে সংবিধানে ঘোষিত স্বাধীন বিচার বিভাগের ধারণা কাগুজে ঘোষণায় পরিণত হবে।
এতে বলা হয়েছে, বিচার বিভাগকে নির্বাহী বিভাগের অধীন প্রশাসনিক কাঠামোর মধ্যে আবদ্ধ রাখা ন্যায়বিচার, আইনের শাসন এবং নাগরিক অধিকার সুরক্ষার জন্য মারাত্মকভাবে ক্ষতিকর। আদালত যদি স্বাধীন না থাকে, তবে নাগরিকের শেষ আশ্রয়স্থল দুর্বল হয়ে পড়ে। আমরা স্পষ্টভাবে বলতে চাই যে, কোনো সরকার যদি বিচার বিভাগের ওপর প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখতে চায়, তবে তা গণতন্ত্র, সংবিধান ও জুলাই গণআকাঙ্ক্ষার পরিপন্থি। বিএনপি নিজেদের ৩১ দফার ওয়াদার বরখেলাপ করে বিচার বিভাগের স্বাধীনতার পথ রুদ্ধ করলে কোনোভাবেই তা গ্রহণযোগ্য হবে না।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এনসিপি মনে করে, সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় প্রতিষ্ঠা ছিল বিচার বিভাগের প্রকৃত স্বাধীনতার দিকে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রাতিষ্ঠানিক পদক্ষেপ। সেটিকে বিলুপ্ত বা অকার্যকর করার পরিবর্তে আরও শক্তিশালী, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক করার উদ্যোগ নেওয়া উচিত ছিল। স্বাধীন বিচার বিভাগ ছাড়া গণতন্ত্র টিকে থাকতে পারে না জানিয়ে বলা হয়, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হতে পারে না; এবং রাষ্ট্রের কোনো সংস্কারই অর্থবহ হতে পারে না।
এতে বলা হয়েছে, এনসিপি জনগণের অধিকার, সংবিধান, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা এবং আইনের শাসনের পক্ষে তার অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করছে। বিচার বিভাগের স্বাধীনতার বিরুদ্ধে যে কোনো প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ পদক্ষেপের বিরুদ্ধে আমরা রাজনৈতিক, আইনগত ও গণতান্ত্রিকভাবে প্রতিবাদ অব্যাহত রাখব।
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) পক্ষ থেকে সরকারের প্রতি ৪টি দাবি উপস্থাপণ করা হয়েছে। দাবিগুলো হলো-
- সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়ে পদায়িত বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তাদের প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত অবিলম্বে পুনর্বিবেচনা করতে হবে।
- স্বাধীন বিচার বিভাগ নিশ্চিত করতে বিচার বিভাগীয় সচিবালয়কে কার্যকর, স্থায়ী ও পূর্ণাঙ্গ প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো দিতে হবে।
- বিচারকদের পদায়ন, বদলি, পদোন্নতি ও শৃঙ্খলাজনিত বিষয়ে নির্বাহী বিভাগের প্রভাব দূর করতে হবে।
- প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে বিচার বিভাগের প্রশাসনিক স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় আইনগত ও প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

‘স্বাধীন বিচার বিভাগ ছাড়া গণতন্ত্র টিকে থাকতে পারে না’
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২০ মে ২০২৬, ১৬: ৫১

স্বাধীন বিচার বিভাগ ছাড়া গণতন্ত্র টিকে থাকতে পারে না বলে জানিয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)।
বুধবার (২০ মে) বিকেলে একটি বিবৃতিতে এ কথা জানায় সংগঠনটি।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের জনগণ দীর্ঘদিন ধরে একটি স্বাধীন, কার্যকর ও নির্বাহী বিভাগের প্রভাবমুক্ত বিচারব্যবস্থার দাবি জানিয়ে আসছে। বিচার বিভাগের জন্য পৃথক সচিবালয় প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য ছিল অধস্তন আদালতের তত্ত্বাবধান, নিয়ন্ত্রণ, পদায়ন, পদোন্নতি, বদলি, শৃঙ্খলা ও প্রশাসনিক কার্যাবলিকে নির্বাহী বিভাগের প্রভাব থেকে মুক্ত করে সাংবিধানিক ভারসাম্য নিশ্চিত করা। এ ধরনের সিদ্ধান্ত বিচার বিভাগের প্রাতিষ্ঠানিক স্বাধীনতার ওপর সরাসরি আঘাত। বিচার বিভাগকে যদি তার নিজস্ব প্রশাসনিক কাঠামো, জনবল ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের সক্ষমতা থেকে বঞ্চিত করা হয়, তাহলে সংবিধানে ঘোষিত স্বাধীন বিচার বিভাগের ধারণা কাগুজে ঘোষণায় পরিণত হবে।
এতে বলা হয়েছে, বিচার বিভাগকে নির্বাহী বিভাগের অধীন প্রশাসনিক কাঠামোর মধ্যে আবদ্ধ রাখা ন্যায়বিচার, আইনের শাসন এবং নাগরিক অধিকার সুরক্ষার জন্য মারাত্মকভাবে ক্ষতিকর। আদালত যদি স্বাধীন না থাকে, তবে নাগরিকের শেষ আশ্রয়স্থল দুর্বল হয়ে পড়ে। আমরা স্পষ্টভাবে বলতে চাই যে, কোনো সরকার যদি বিচার বিভাগের ওপর প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখতে চায়, তবে তা গণতন্ত্র, সংবিধান ও জুলাই গণআকাঙ্ক্ষার পরিপন্থি। বিএনপি নিজেদের ৩১ দফার ওয়াদার বরখেলাপ করে বিচার বিভাগের স্বাধীনতার পথ রুদ্ধ করলে কোনোভাবেই তা গ্রহণযোগ্য হবে না।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এনসিপি মনে করে, সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় প্রতিষ্ঠা ছিল বিচার বিভাগের প্রকৃত স্বাধীনতার দিকে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রাতিষ্ঠানিক পদক্ষেপ। সেটিকে বিলুপ্ত বা অকার্যকর করার পরিবর্তে আরও শক্তিশালী, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক করার উদ্যোগ নেওয়া উচিত ছিল। স্বাধীন বিচার বিভাগ ছাড়া গণতন্ত্র টিকে থাকতে পারে না জানিয়ে বলা হয়, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হতে পারে না; এবং রাষ্ট্রের কোনো সংস্কারই অর্থবহ হতে পারে না।
এতে বলা হয়েছে, এনসিপি জনগণের অধিকার, সংবিধান, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা এবং আইনের শাসনের পক্ষে তার অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করছে। বিচার বিভাগের স্বাধীনতার বিরুদ্ধে যে কোনো প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ পদক্ষেপের বিরুদ্ধে আমরা রাজনৈতিক, আইনগত ও গণতান্ত্রিকভাবে প্রতিবাদ অব্যাহত রাখব।
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) পক্ষ থেকে সরকারের প্রতি ৪টি দাবি উপস্থাপণ করা হয়েছে। দাবিগুলো হলো-
- সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়ে পদায়িত বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তাদের প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত অবিলম্বে পুনর্বিবেচনা করতে হবে।
- স্বাধীন বিচার বিভাগ নিশ্চিত করতে বিচার বিভাগীয় সচিবালয়কে কার্যকর, স্থায়ী ও পূর্ণাঙ্গ প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো দিতে হবে।
- বিচারকদের পদায়ন, বদলি, পদোন্নতি ও শৃঙ্খলাজনিত বিষয়ে নির্বাহী বিভাগের প্রভাব দূর করতে হবে।
- প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে বিচার বিভাগের প্রশাসনিক স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় আইনগত ও প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
/এসবি/

সংস্কার ইস্যুতে রাজপথে নামার হুঁশিয়ারি নাহিদ ইসলামের


