প্রধানমন্ত্রীর কাছে লেখা আ.লীগ নেতার চিঠি ভাইরাল

প্রধানমন্ত্রীর কাছে লেখা আ.লীগ নেতার চিঠি ভাইরাল
পিরোজপুর সংবাদদাতা

সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন স্থানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের ঝটিকা মিছিলের খবর সামনে আসছে। এর মধ্যেই পিরোজপুরের ভান্ডারিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মো. মিরাজুল ইসলামের লেখা একটি চিঠি সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। যা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
ভাইরাল হওয়া চিঠিতে মিরাজুল ইসলাম গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে সরকার গঠন করায় প্রধানমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন।
চিঠিতে তিনি রাষ্ট্র কাঠামো মেরামতের ৩১ দফা ও ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ স্লোগানের প্রশংসা করে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বের ওপর আস্থা প্রকাশ করেছেন। পাশাপাশি শপথ গ্রহণের পর প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্ব দেশের জনগণের মধ্যে আশার সঞ্চার করেছে বলেও উল্লেখ করেন।
জানা গেছে, চিঠিটি গত ২০ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পাঠানো হয় এবং ২৭ এপ্রিল তা গ্রহণ করা হয়। তবে কোনো রাজনৈতিক প্যাডে লেখা হয়নি। ‘ইফতি ইটিসিএল প্রাইভেট লিমিটেড’ নামক একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের অফিসিয়াল প্যাডে লিখে পাঠানো হয়েছে। মো. মিরাজুল ইসলাম ওই ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

মূলত, চিঠিতে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) আওতায় পিরোজপুর জেলায় চলমান তাদের ঠিকাদারি প্রকল্পগুলোর বাস্তবায়নের সময়সীমা আরও এক বছর বাড়ানোর দাবি জানানো হয়েছে।
চিঠিতে যা লেখা ছিল
গত ১২ ফেব্রুয়ারি জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে দুই-তৃতীয়াংশের বেশি জনসমর্থন নিয়ে বিজয়ী হয়ে আপনার নেতৃত্বে গণতান্ত্রিক সরকার গঠিত হওয়ায় প্রাণঢালা অভিনন্দন জানাই। রাষ্ট্র কাঠামো মেরামতের ৩১ দফা, যুগোপযোগী নির্বাচনি ইশতেহার ও সর্বোপরি ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ স্লোগানে দেশের মানুষের একান্ত মনের কথা ফুটে ওঠার কারণেই দলের এ অসামান্য বিজয়। বাংলার জনগণ আপনাকে ও আপনার দলকে দু’হাত উজাড় করে ভালোবাসা দিয়েছে। মহান মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তির প্রধান হিসেবে আপনার এবার জনগণকে দেওয়ার পালা। গত ১৭ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রীর হিসেবে শপথ গ্রহণের পর আপনার রাষ্ট্র নায়োকচিত নেতৃত্ব ইতোমধ্যে দেশের জনগণের কাছে সীমাহীন আশার সঞ্চার করেছে। আশা করছি আপনার বলিষ্ঠ নেতৃত্বাধীন সরকারের কাছ থেকে বাংলার জনগণ নিরাশ হবে না।
চিঠিটি ভাইরাল হওয়ার পরপরই রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। কারণ, কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের কোনো নেতার কাছ থেকে এমন চিঠি পাওয়ার ঘটনা এটাই প্রথম।
এ বিষয়ে মো. মিরাজুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন স্থানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের ঝটিকা মিছিলের খবর সামনে আসছে। এর মধ্যেই পিরোজপুরের ভান্ডারিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মো. মিরাজুল ইসলামের লেখা একটি চিঠি সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। যা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
ভাইরাল হওয়া চিঠিতে মিরাজুল ইসলাম গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে সরকার গঠন করায় প্রধানমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন।
চিঠিতে তিনি রাষ্ট্র কাঠামো মেরামতের ৩১ দফা ও ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ স্লোগানের প্রশংসা করে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বের ওপর আস্থা প্রকাশ করেছেন। পাশাপাশি শপথ গ্রহণের পর প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্ব দেশের জনগণের মধ্যে আশার সঞ্চার করেছে বলেও উল্লেখ করেন।
জানা গেছে, চিঠিটি গত ২০ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পাঠানো হয় এবং ২৭ এপ্রিল তা গ্রহণ করা হয়। তবে কোনো রাজনৈতিক প্যাডে লেখা হয়নি। ‘ইফতি ইটিসিএল প্রাইভেট লিমিটেড’ নামক একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের অফিসিয়াল প্যাডে লিখে পাঠানো হয়েছে। মো. মিরাজুল ইসলাম ওই ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

মূলত, চিঠিতে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) আওতায় পিরোজপুর জেলায় চলমান তাদের ঠিকাদারি প্রকল্পগুলোর বাস্তবায়নের সময়সীমা আরও এক বছর বাড়ানোর দাবি জানানো হয়েছে।
চিঠিতে যা লেখা ছিল
গত ১২ ফেব্রুয়ারি জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে দুই-তৃতীয়াংশের বেশি জনসমর্থন নিয়ে বিজয়ী হয়ে আপনার নেতৃত্বে গণতান্ত্রিক সরকার গঠিত হওয়ায় প্রাণঢালা অভিনন্দন জানাই। রাষ্ট্র কাঠামো মেরামতের ৩১ দফা, যুগোপযোগী নির্বাচনি ইশতেহার ও সর্বোপরি ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ স্লোগানে দেশের মানুষের একান্ত মনের কথা ফুটে ওঠার কারণেই দলের এ অসামান্য বিজয়। বাংলার জনগণ আপনাকে ও আপনার দলকে দু’হাত উজাড় করে ভালোবাসা দিয়েছে। মহান মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তির প্রধান হিসেবে আপনার এবার জনগণকে দেওয়ার পালা। গত ১৭ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রীর হিসেবে শপথ গ্রহণের পর আপনার রাষ্ট্র নায়োকচিত নেতৃত্ব ইতোমধ্যে দেশের জনগণের কাছে সীমাহীন আশার সঞ্চার করেছে। আশা করছি আপনার বলিষ্ঠ নেতৃত্বাধীন সরকারের কাছ থেকে বাংলার জনগণ নিরাশ হবে না।
চিঠিটি ভাইরাল হওয়ার পরপরই রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। কারণ, কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের কোনো নেতার কাছ থেকে এমন চিঠি পাওয়ার ঘটনা এটাই প্রথম।
এ বিষয়ে মো. মিরাজুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

প্রধানমন্ত্রীর কাছে লেখা আ.লীগ নেতার চিঠি ভাইরাল
পিরোজপুর সংবাদদাতা

সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন স্থানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের ঝটিকা মিছিলের খবর সামনে আসছে। এর মধ্যেই পিরোজপুরের ভান্ডারিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মো. মিরাজুল ইসলামের লেখা একটি চিঠি সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। যা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
ভাইরাল হওয়া চিঠিতে মিরাজুল ইসলাম গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে সরকার গঠন করায় প্রধানমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন।
চিঠিতে তিনি রাষ্ট্র কাঠামো মেরামতের ৩১ দফা ও ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ স্লোগানের প্রশংসা করে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বের ওপর আস্থা প্রকাশ করেছেন। পাশাপাশি শপথ গ্রহণের পর প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্ব দেশের জনগণের মধ্যে আশার সঞ্চার করেছে বলেও উল্লেখ করেন।
জানা গেছে, চিঠিটি গত ২০ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পাঠানো হয় এবং ২৭ এপ্রিল তা গ্রহণ করা হয়। তবে কোনো রাজনৈতিক প্যাডে লেখা হয়নি। ‘ইফতি ইটিসিএল প্রাইভেট লিমিটেড’ নামক একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের অফিসিয়াল প্যাডে লিখে পাঠানো হয়েছে। মো. মিরাজুল ইসলাম ওই ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

মূলত, চিঠিতে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) আওতায় পিরোজপুর জেলায় চলমান তাদের ঠিকাদারি প্রকল্পগুলোর বাস্তবায়নের সময়সীমা আরও এক বছর বাড়ানোর দাবি জানানো হয়েছে।
চিঠিতে যা লেখা ছিল
গত ১২ ফেব্রুয়ারি জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে দুই-তৃতীয়াংশের বেশি জনসমর্থন নিয়ে বিজয়ী হয়ে আপনার নেতৃত্বে গণতান্ত্রিক সরকার গঠিত হওয়ায় প্রাণঢালা অভিনন্দন জানাই। রাষ্ট্র কাঠামো মেরামতের ৩১ দফা, যুগোপযোগী নির্বাচনি ইশতেহার ও সর্বোপরি ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ স্লোগানে দেশের মানুষের একান্ত মনের কথা ফুটে ওঠার কারণেই দলের এ অসামান্য বিজয়। বাংলার জনগণ আপনাকে ও আপনার দলকে দু’হাত উজাড় করে ভালোবাসা দিয়েছে। মহান মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তির প্রধান হিসেবে আপনার এবার জনগণকে দেওয়ার পালা। গত ১৭ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রীর হিসেবে শপথ গ্রহণের পর আপনার রাষ্ট্র নায়োকচিত নেতৃত্ব ইতোমধ্যে দেশের জনগণের কাছে সীমাহীন আশার সঞ্চার করেছে। আশা করছি আপনার বলিষ্ঠ নেতৃত্বাধীন সরকারের কাছ থেকে বাংলার জনগণ নিরাশ হবে না।
চিঠিটি ভাইরাল হওয়ার পরপরই রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। কারণ, কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের কোনো নেতার কাছ থেকে এমন চিঠি পাওয়ার ঘটনা এটাই প্রথম।
এ বিষয়ে মো. মিরাজুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।




