ইসলামী ব্যাংকের সামনে ৬ষ্ঠ দিনের মতো বিক্ষোভ

ইসলামী ব্যাংকের সামনে ৬ষ্ঠ দিনের মতো বিক্ষোভ
নিজস্ব প্রতিবেদক

ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান মো. খুরশীদ আলমকে অপসারণসহ ৭ দফা দাবিতে ৬ষ্ঠ দিনের মতো বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করছেন সচেতন গ্রাহকরা।
সোমবার (৮ জুন) সকাল ১০টায় মতিঝিলের দিলকুশা বাণিজ্যিক এলাকায় কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে ‘ইসলামী ব্যাংক সচেতন গ্রাহক ফোরাম’ ব্যানারে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেন তারা।
এ সময় তারা ইসলামী ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ২ ঘণ্টা কলমবিরতির আহ্বান জানান।
বিক্ষোভকারীরা বলেন, অবিলম্বে ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান খুরশীদ আলমকে পদত্যাগ করতে হবে। যতদিন পর্যন্ত তাকে অপসারণ করা না হবে, ততদিন পর্যন্ত আন্দোলন চলবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন।
তারা আরও বলেন, সরকারের বিরুদ্ধে আমাদের কোনো ক্ষোভ নাই। আমরা সরকারবিরোধী কোনো কর্মসূচিও দিচ্ছি না। আমরা শুধু এস আলমের সহযোগী লুটেরা চেয়ারম্যানের পদত্যাগ চাই। আমরা আমানতের রক্ষা চাই।
বিক্ষোভকারীরা সতর্ক করে বলেন, এস আলমের সহযোগিদের প্রতি এতো দরদ ভালো নয়। সরকার যদি তাদের প্রতি সমর্থন অব্যাহত রাখে, তবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মসনদও তসনস হয়ে যেতে পারে।
এর আগে গত সোমবার (১ জুন) মো. খুরশীদ আলমকে ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করেন তারা। এ সময় আন্দোলনকারীদের ওপর লাঠিপেটা, সাউন্ড গ্রেনেড ও জলকামান নিক্ষেপ করে পুলিশ। পরে অগ্রণী ব্যাংকের সামনে গিয়ে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে অংশ নিয়ে পুলিশের হামলার নিন্দা জানান তারা।
গ্রাহক ফোরামের ৭ দফা দাবির মধ্যে রয়েছে–
ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান খুরশীদ আলমের পদত্যাগ, ওমর ফারুক খানকে এমডি পদে পুনর্বহাল, লুটপাটের সঙ্গে জড়িত কাউকে ইসলামী ব্যাংকের বোর্ডে না রাখা, ব্যাংক রেজুলেশন অ্যাক্ট থেকে ১৮(ক) ধারা বাতিল করা, এস আলমের দখলকৃত মালিকানা ও দেশে থাকা সম্পত্তি বিক্রি করে লুট করা অর্থের সমন্বয় করা, শুধু ইসলামী ব্যাংক নয়– এস আলম যেন কোনো ব্যাংকেই ফিরতে না পারেন সেই ব্যবস্থা করা এবং ইসলামী ব্যাংকসহ সব ব্যাংক লুটকারীদের বিচারের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা।

ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান মো. খুরশীদ আলমকে অপসারণসহ ৭ দফা দাবিতে ৬ষ্ঠ দিনের মতো বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করছেন সচেতন গ্রাহকরা।
সোমবার (৮ জুন) সকাল ১০টায় মতিঝিলের দিলকুশা বাণিজ্যিক এলাকায় কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে ‘ইসলামী ব্যাংক সচেতন গ্রাহক ফোরাম’ ব্যানারে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেন তারা।
এ সময় তারা ইসলামী ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ২ ঘণ্টা কলমবিরতির আহ্বান জানান।
বিক্ষোভকারীরা বলেন, অবিলম্বে ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান খুরশীদ আলমকে পদত্যাগ করতে হবে। যতদিন পর্যন্ত তাকে অপসারণ করা না হবে, ততদিন পর্যন্ত আন্দোলন চলবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন।
তারা আরও বলেন, সরকারের বিরুদ্ধে আমাদের কোনো ক্ষোভ নাই। আমরা সরকারবিরোধী কোনো কর্মসূচিও দিচ্ছি না। আমরা শুধু এস আলমের সহযোগী লুটেরা চেয়ারম্যানের পদত্যাগ চাই। আমরা আমানতের রক্ষা চাই।
বিক্ষোভকারীরা সতর্ক করে বলেন, এস আলমের সহযোগিদের প্রতি এতো দরদ ভালো নয়। সরকার যদি তাদের প্রতি সমর্থন অব্যাহত রাখে, তবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মসনদও তসনস হয়ে যেতে পারে।
এর আগে গত সোমবার (১ জুন) মো. খুরশীদ আলমকে ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করেন তারা। এ সময় আন্দোলনকারীদের ওপর লাঠিপেটা, সাউন্ড গ্রেনেড ও জলকামান নিক্ষেপ করে পুলিশ। পরে অগ্রণী ব্যাংকের সামনে গিয়ে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে অংশ নিয়ে পুলিশের হামলার নিন্দা জানান তারা।
গ্রাহক ফোরামের ৭ দফা দাবির মধ্যে রয়েছে–
ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান খুরশীদ আলমের পদত্যাগ, ওমর ফারুক খানকে এমডি পদে পুনর্বহাল, লুটপাটের সঙ্গে জড়িত কাউকে ইসলামী ব্যাংকের বোর্ডে না রাখা, ব্যাংক রেজুলেশন অ্যাক্ট থেকে ১৮(ক) ধারা বাতিল করা, এস আলমের দখলকৃত মালিকানা ও দেশে থাকা সম্পত্তি বিক্রি করে লুট করা অর্থের সমন্বয় করা, শুধু ইসলামী ব্যাংক নয়– এস আলম যেন কোনো ব্যাংকেই ফিরতে না পারেন সেই ব্যবস্থা করা এবং ইসলামী ব্যাংকসহ সব ব্যাংক লুটকারীদের বিচারের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা।

ইসলামী ব্যাংকের সামনে ৬ষ্ঠ দিনের মতো বিক্ষোভ
নিজস্ব প্রতিবেদক

ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান মো. খুরশীদ আলমকে অপসারণসহ ৭ দফা দাবিতে ৬ষ্ঠ দিনের মতো বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করছেন সচেতন গ্রাহকরা।
সোমবার (৮ জুন) সকাল ১০টায় মতিঝিলের দিলকুশা বাণিজ্যিক এলাকায় কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে ‘ইসলামী ব্যাংক সচেতন গ্রাহক ফোরাম’ ব্যানারে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেন তারা।
এ সময় তারা ইসলামী ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ২ ঘণ্টা কলমবিরতির আহ্বান জানান।
বিক্ষোভকারীরা বলেন, অবিলম্বে ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান খুরশীদ আলমকে পদত্যাগ করতে হবে। যতদিন পর্যন্ত তাকে অপসারণ করা না হবে, ততদিন পর্যন্ত আন্দোলন চলবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন।
তারা আরও বলেন, সরকারের বিরুদ্ধে আমাদের কোনো ক্ষোভ নাই। আমরা সরকারবিরোধী কোনো কর্মসূচিও দিচ্ছি না। আমরা শুধু এস আলমের সহযোগী লুটেরা চেয়ারম্যানের পদত্যাগ চাই। আমরা আমানতের রক্ষা চাই।
বিক্ষোভকারীরা সতর্ক করে বলেন, এস আলমের সহযোগিদের প্রতি এতো দরদ ভালো নয়। সরকার যদি তাদের প্রতি সমর্থন অব্যাহত রাখে, তবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মসনদও তসনস হয়ে যেতে পারে।
এর আগে গত সোমবার (১ জুন) মো. খুরশীদ আলমকে ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করেন তারা। এ সময় আন্দোলনকারীদের ওপর লাঠিপেটা, সাউন্ড গ্রেনেড ও জলকামান নিক্ষেপ করে পুলিশ। পরে অগ্রণী ব্যাংকের সামনে গিয়ে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে অংশ নিয়ে পুলিশের হামলার নিন্দা জানান তারা।
গ্রাহক ফোরামের ৭ দফা দাবির মধ্যে রয়েছে–
ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান খুরশীদ আলমের পদত্যাগ, ওমর ফারুক খানকে এমডি পদে পুনর্বহাল, লুটপাটের সঙ্গে জড়িত কাউকে ইসলামী ব্যাংকের বোর্ডে না রাখা, ব্যাংক রেজুলেশন অ্যাক্ট থেকে ১৮(ক) ধারা বাতিল করা, এস আলমের দখলকৃত মালিকানা ও দেশে থাকা সম্পত্তি বিক্রি করে লুট করা অর্থের সমন্বয় করা, শুধু ইসলামী ব্যাংক নয়– এস আলম যেন কোনো ব্যাংকেই ফিরতে না পারেন সেই ব্যবস্থা করা এবং ইসলামী ব্যাংকসহ সব ব্যাংক লুটকারীদের বিচারের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা।

‘ইসলামী ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা কর্মবিরতি পালন করছে না’

