পঞ্চগড় সীমান্ত থেকে ১০ জনকে ফিরিয়ে নিলো বিএসএফ

পঞ্চগড় সীমান্ত থেকে ১০ জনকে ফিরিয়ে নিলো বিএসএফ
পঞ্চগড় সংবাদদাতা

পঞ্চগড়ের বড়বাড়ি সীমান্তের শূন্যরেখায় তিন দিন আটকে থাকার পর অবশেষে নারী-শিশুসহ ১০ জনকে রাতের আঁধারে সরিয়ে নিয়েছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। সোমবার (৮ জুন) নীলফামারীর ৫৬ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. সিরাজুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
বিজিবির দাবি, গতকাল রবিবার দিবাগত রাত প্রায় আড়াইটার দিকে সীমান্তের ফ্লাডলাইট বন্ধ করে ওই ১০ জনকে অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হয়। তবে তাদের কোথায় নেওয়া হয়েছে বা বর্তমানে তারা কোথায় অবস্থান করছেন, সে বিষয়ে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
বিজিবি ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ৫ মে ভোরে পঞ্চগড় সদর উপজেলার হাড়িভাসা ইউনিয়নের বড়বাড়ি সীমান্ত দিয়ে তিন শিশু, দুই নারী ও পাঁচ পুরুষসহ ১০ জনকে বাংলাদেশে পুশইনের চেষ্টা করে বিএসএফ। তবে বিজিবির বাধার মুখে তারা বাংলাদেশে প্রবেশ করতে পারেননি। এরপর থেকে ওই ১০ জন সীমান্তের ভারতীয় অংশে শূন্য রেখার কাছাকাছি খোলা আকাশের নিচে অবস্থান করছিলেন। টানা তিন দিন ধরে রোদ, বৃষ্টি ও খাদ্য সংকটের মধ্যে মানবেতর জীবন কাটাতে হয় তাদের।
এ সময় সীমান্ত এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। শুধু তাই নয়, গতকাল রবিবার দুপুরেও ওই ১০ জনকে বাংলাদেশের দিকে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা করে বিএসএফ। এতে বিজিবি কড়া প্রতিবাদ জানায়। এক পর্যায়ে বিজিবি-বিএসএফ মুখোমুখি অবস্থানে চলে যায়। পরে বিএসএফ পিছু হটলে পরিস্থিতি শান্ত হয়।
৫৬ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. সিরাজুল ইসলাম জানান, বর্তমানে সীমান্ত পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। সম্ভাব্য যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিজিবি সদস্যরা সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

পঞ্চগড়ের বড়বাড়ি সীমান্তের শূন্যরেখায় তিন দিন আটকে থাকার পর অবশেষে নারী-শিশুসহ ১০ জনকে রাতের আঁধারে সরিয়ে নিয়েছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। সোমবার (৮ জুন) নীলফামারীর ৫৬ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. সিরাজুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
বিজিবির দাবি, গতকাল রবিবার দিবাগত রাত প্রায় আড়াইটার দিকে সীমান্তের ফ্লাডলাইট বন্ধ করে ওই ১০ জনকে অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হয়। তবে তাদের কোথায় নেওয়া হয়েছে বা বর্তমানে তারা কোথায় অবস্থান করছেন, সে বিষয়ে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
বিজিবি ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ৫ মে ভোরে পঞ্চগড় সদর উপজেলার হাড়িভাসা ইউনিয়নের বড়বাড়ি সীমান্ত দিয়ে তিন শিশু, দুই নারী ও পাঁচ পুরুষসহ ১০ জনকে বাংলাদেশে পুশইনের চেষ্টা করে বিএসএফ। তবে বিজিবির বাধার মুখে তারা বাংলাদেশে প্রবেশ করতে পারেননি। এরপর থেকে ওই ১০ জন সীমান্তের ভারতীয় অংশে শূন্য রেখার কাছাকাছি খোলা আকাশের নিচে অবস্থান করছিলেন। টানা তিন দিন ধরে রোদ, বৃষ্টি ও খাদ্য সংকটের মধ্যে মানবেতর জীবন কাটাতে হয় তাদের।
এ সময় সীমান্ত এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। শুধু তাই নয়, গতকাল রবিবার দুপুরেও ওই ১০ জনকে বাংলাদেশের দিকে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা করে বিএসএফ। এতে বিজিবি কড়া প্রতিবাদ জানায়। এক পর্যায়ে বিজিবি-বিএসএফ মুখোমুখি অবস্থানে চলে যায়। পরে বিএসএফ পিছু হটলে পরিস্থিতি শান্ত হয়।
৫৬ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. সিরাজুল ইসলাম জানান, বর্তমানে সীমান্ত পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। সম্ভাব্য যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিজিবি সদস্যরা সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

পঞ্চগড় সীমান্ত থেকে ১০ জনকে ফিরিয়ে নিলো বিএসএফ
পঞ্চগড় সংবাদদাতা

পঞ্চগড়ের বড়বাড়ি সীমান্তের শূন্যরেখায় তিন দিন আটকে থাকার পর অবশেষে নারী-শিশুসহ ১০ জনকে রাতের আঁধারে সরিয়ে নিয়েছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। সোমবার (৮ জুন) নীলফামারীর ৫৬ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. সিরাজুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
বিজিবির দাবি, গতকাল রবিবার দিবাগত রাত প্রায় আড়াইটার দিকে সীমান্তের ফ্লাডলাইট বন্ধ করে ওই ১০ জনকে অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হয়। তবে তাদের কোথায় নেওয়া হয়েছে বা বর্তমানে তারা কোথায় অবস্থান করছেন, সে বিষয়ে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
বিজিবি ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ৫ মে ভোরে পঞ্চগড় সদর উপজেলার হাড়িভাসা ইউনিয়নের বড়বাড়ি সীমান্ত দিয়ে তিন শিশু, দুই নারী ও পাঁচ পুরুষসহ ১০ জনকে বাংলাদেশে পুশইনের চেষ্টা করে বিএসএফ। তবে বিজিবির বাধার মুখে তারা বাংলাদেশে প্রবেশ করতে পারেননি। এরপর থেকে ওই ১০ জন সীমান্তের ভারতীয় অংশে শূন্য রেখার কাছাকাছি খোলা আকাশের নিচে অবস্থান করছিলেন। টানা তিন দিন ধরে রোদ, বৃষ্টি ও খাদ্য সংকটের মধ্যে মানবেতর জীবন কাটাতে হয় তাদের।
এ সময় সীমান্ত এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। শুধু তাই নয়, গতকাল রবিবার দুপুরেও ওই ১০ জনকে বাংলাদেশের দিকে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা করে বিএসএফ। এতে বিজিবি কড়া প্রতিবাদ জানায়। এক পর্যায়ে বিজিবি-বিএসএফ মুখোমুখি অবস্থানে চলে যায়। পরে বিএসএফ পিছু হটলে পরিস্থিতি শান্ত হয়।
৫৬ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. সিরাজুল ইসলাম জানান, বর্তমানে সীমান্ত পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। সম্ভাব্য যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিজিবি সদস্যরা সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

দুই দিন পর শূন্যরেখা থেকে ১১ জনকে সরিয়ে নিল বিএসএফ


