ধানের শীষে ভোট দিয়ে স্বৈরাচারের জবাব দিন: তারেক রহমান

ধানের শীষে ভোট দিয়ে স্বৈরাচারের জবাব দিন: তারেক রহমান
সিরাজগঞ্জ সংবাদদাতা

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দিয়ে স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে জবাব দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, গত ১৬-১৭ বছর যাবৎ মানুষ অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেছে। এই অধিকারকে যদি ফিরিয়ে আনতে হয়, তাহলে ১২ তারিখে আপনাদের সবাইকে সোচ্চার হতে হবে। ১২ তারিখে যদি আপনারা জবাব দিতে পারেন ধানের শীষে সিল মারার মাধ্যমে, তাহলে সেই স্বৈরাচাররা আপনাদের জবাব পাবে।
শনিবার (৩১ জানুয়ারি) বিকালে সিরাজগঞ্জের বিসিক শিল্প পার্কে নির্বাচনি জনসভায় দেওয়া বক্তব্যে তারেক রহমান এসব কথা বলেন।
বিএনপি সরকার গঠন করলে তাঁত পণ্য রপ্তানির উদ্যোগ নেওয়ার আশ্বাস দেন বিএনপি চেয়ারম্যান। তিনি বলেন, আমরা যদি তাঁতের কথা বলি, আমরা যদি লুঙ্গির কথা বলি, রঙের কথা বলি– প্রথমেই চোখের সামনে ভেসে ওঠে সিরাজগঞ্জ-পাবনা এলাকার কথা। এই এলাকার বহু মানুষ তাঁত শিল্পের সঙ্গে জড়িত। আমরা যদি পরিকল্পনা গ্রহণ করতে পারি, তাহলে এই তাঁত শিল্পে উৎপাদিত পণ্য ইনশাআল্লাহ সারা বিশ্বে ছড়িয়ে দিতে সক্ষম হব। আগামী দিনে আমরা তা-ই করতে চাই। সিরাজগঞ্জ-পাবনায় উৎপাদিত তাঁত পণ্য সারা বিশ্বে রপ্তানি করতে চাই।
তিনি বলেন, আজ আপনাদের সামনে দাঁড়িয়ে আমি হয়তো প্রতিপক্ষ সম্পর্কে অনেক কথা বলতে পারতাম। আপনারাও হয়তো জোরে জোরে হাততালি দিতেন, কিন্তু তাতে কি আপনাদের কোনো লাভ হতো? লাভ হতো না। বাংলাদেশের মানুষ এখন জানতে চায়– কোন রাজনৈতিক দল কী পরিকল্পনা গ্রহণ করবে যাতে জনগণ এবং দেশ আগামীতে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে পারে।
সিরাজগঞ্জ ও পাবনাসহ সারাদেশে নতুন নতুন শিল্প পার্ক স্থাপন করার মাধ্যমে বেকার সমস্যার সমাধান, এই অঞ্চলে কৃষিনির্ভর শিল্প প্রতিষ্ঠা এবং ভোকেশনাল ইনস্টিটিউট স্থাপনের প্রতিশ্রুতি দেন বিএনপি চেয়ারম্যান। সরকার গঠন করলে ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষি কার্ডের মাধ্যমে নারী ও কৃষকদের সহযোগিতার কথাও বলেন তিনি।

বেলা ৩টায় কোরআন তেলোয়াতের মধ্য দিয়ে সমাবেশের কার্যক্রম শুরু হয়। বগুড়া থেকে তারেক রহমান সড়কপথে সিরাজগঞ্জ পৌঁছান সাড়ে ৩টায়।
জনসভায় দেওয়া বক্তব্যে বিএনপি নেতা বলেন, আমরা সব ধর্মের মানুষকে নিয়ে একসঙ্গে শাস্তিতে বসবাস করতে চাই। আমাদের কাছে মুখ্য হচ্ছে সে বাংলাদেশের নাগরিক। আমাদের কাছে ধর্মটা মুখ্য নয়, জাত-পাত মুখ্য নয়। আমাদের কাছে মূখ্য হচ্ছে সে বাংলাদেশের মানুষ।
সমাবেশে সিরাজগঞ্জ ও পাবনার দলীয় প্রার্থীদের পরিচয় করিয়ে ধানের শীষে ভোট চান তারেক রহমান। তারা হলেন– সেলিম রেজা (সিরাজগঞ্জ-১), ইকবাল হাসান মাহমুদ (সিরাজগঞ্জ-২), আয়নুল হক (সিরাজগঞ্জ-৩), এম আকবর আলী (সিরাজগঞ্জ-৪), আমিরুল ইসলাম খান (সিরাজগঞ্জ-৫), এম এ মুহিত (সিরাজগঞ্জ-৬); শামসুর রহমান (পাবনা-১), এ কে এম সেলিম রেজা হাবিব (পাবনা-২), হাসান জাফির তুহিন (পাবনা-৩), হাবিবুর রহমান হাবিব (পাবনা-৪) ও শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাস (পাবনা-৫)।

জেলা বিএনপির সভাপতি রুমানা মাহমুদের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান বাচ্চুর সঞ্চালনায় বক্তব্য দেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ওবায়দুর রহমান, স্বেচ্ছাসেবক দলের সাংগঠনিক সম্পাদক নাজমুল হাসানসহ সিরাজগঞ্জ ও পাবনার ধানের শীষের প্রার্থীরা।
সবশেষ ২০০৬ সালের ২৪ ডিসেম্বর সিরাজগঞ্জের কামারখন্দ উপজেলার জামতৈল ধোপাকান্দি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এক জনসভায় বক্তব্য রাখেন তারেক রহমান।
উত্তরাঞ্চলে প্রচারাভিযানের দুইদিনে তারেক রহমান রাজশাহী, নওগাঁ, বগুড়া, রংপুরে চারটি নির্বাচনী সমাবেশ করেন তারেক রহমান। শেষ দিনে সিরাজগঞ্জে সমাবেশ শেষে টাঙ্গাইলে জনসভায় অংশ নেবেন তিনি।

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দিয়ে স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে জবাব দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, গত ১৬-১৭ বছর যাবৎ মানুষ অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেছে। এই অধিকারকে যদি ফিরিয়ে আনতে হয়, তাহলে ১২ তারিখে আপনাদের সবাইকে সোচ্চার হতে হবে। ১২ তারিখে যদি আপনারা জবাব দিতে পারেন ধানের শীষে সিল মারার মাধ্যমে, তাহলে সেই স্বৈরাচাররা আপনাদের জবাব পাবে।
শনিবার (৩১ জানুয়ারি) বিকালে সিরাজগঞ্জের বিসিক শিল্প পার্কে নির্বাচনি জনসভায় দেওয়া বক্তব্যে তারেক রহমান এসব কথা বলেন।
বিএনপি সরকার গঠন করলে তাঁত পণ্য রপ্তানির উদ্যোগ নেওয়ার আশ্বাস দেন বিএনপি চেয়ারম্যান। তিনি বলেন, আমরা যদি তাঁতের কথা বলি, আমরা যদি লুঙ্গির কথা বলি, রঙের কথা বলি– প্রথমেই চোখের সামনে ভেসে ওঠে সিরাজগঞ্জ-পাবনা এলাকার কথা। এই এলাকার বহু মানুষ তাঁত শিল্পের সঙ্গে জড়িত। আমরা যদি পরিকল্পনা গ্রহণ করতে পারি, তাহলে এই তাঁত শিল্পে উৎপাদিত পণ্য ইনশাআল্লাহ সারা বিশ্বে ছড়িয়ে দিতে সক্ষম হব। আগামী দিনে আমরা তা-ই করতে চাই। সিরাজগঞ্জ-পাবনায় উৎপাদিত তাঁত পণ্য সারা বিশ্বে রপ্তানি করতে চাই।
তিনি বলেন, আজ আপনাদের সামনে দাঁড়িয়ে আমি হয়তো প্রতিপক্ষ সম্পর্কে অনেক কথা বলতে পারতাম। আপনারাও হয়তো জোরে জোরে হাততালি দিতেন, কিন্তু তাতে কি আপনাদের কোনো লাভ হতো? লাভ হতো না। বাংলাদেশের মানুষ এখন জানতে চায়– কোন রাজনৈতিক দল কী পরিকল্পনা গ্রহণ করবে যাতে জনগণ এবং দেশ আগামীতে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে পারে।
সিরাজগঞ্জ ও পাবনাসহ সারাদেশে নতুন নতুন শিল্প পার্ক স্থাপন করার মাধ্যমে বেকার সমস্যার সমাধান, এই অঞ্চলে কৃষিনির্ভর শিল্প প্রতিষ্ঠা এবং ভোকেশনাল ইনস্টিটিউট স্থাপনের প্রতিশ্রুতি দেন বিএনপি চেয়ারম্যান। সরকার গঠন করলে ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষি কার্ডের মাধ্যমে নারী ও কৃষকদের সহযোগিতার কথাও বলেন তিনি।

বেলা ৩টায় কোরআন তেলোয়াতের মধ্য দিয়ে সমাবেশের কার্যক্রম শুরু হয়। বগুড়া থেকে তারেক রহমান সড়কপথে সিরাজগঞ্জ পৌঁছান সাড়ে ৩টায়।
জনসভায় দেওয়া বক্তব্যে বিএনপি নেতা বলেন, আমরা সব ধর্মের মানুষকে নিয়ে একসঙ্গে শাস্তিতে বসবাস করতে চাই। আমাদের কাছে মুখ্য হচ্ছে সে বাংলাদেশের নাগরিক। আমাদের কাছে ধর্মটা মুখ্য নয়, জাত-পাত মুখ্য নয়। আমাদের কাছে মূখ্য হচ্ছে সে বাংলাদেশের মানুষ।
সমাবেশে সিরাজগঞ্জ ও পাবনার দলীয় প্রার্থীদের পরিচয় করিয়ে ধানের শীষে ভোট চান তারেক রহমান। তারা হলেন– সেলিম রেজা (সিরাজগঞ্জ-১), ইকবাল হাসান মাহমুদ (সিরাজগঞ্জ-২), আয়নুল হক (সিরাজগঞ্জ-৩), এম আকবর আলী (সিরাজগঞ্জ-৪), আমিরুল ইসলাম খান (সিরাজগঞ্জ-৫), এম এ মুহিত (সিরাজগঞ্জ-৬); শামসুর রহমান (পাবনা-১), এ কে এম সেলিম রেজা হাবিব (পাবনা-২), হাসান জাফির তুহিন (পাবনা-৩), হাবিবুর রহমান হাবিব (পাবনা-৪) ও শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাস (পাবনা-৫)।

জেলা বিএনপির সভাপতি রুমানা মাহমুদের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান বাচ্চুর সঞ্চালনায় বক্তব্য দেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ওবায়দুর রহমান, স্বেচ্ছাসেবক দলের সাংগঠনিক সম্পাদক নাজমুল হাসানসহ সিরাজগঞ্জ ও পাবনার ধানের শীষের প্রার্থীরা।
সবশেষ ২০০৬ সালের ২৪ ডিসেম্বর সিরাজগঞ্জের কামারখন্দ উপজেলার জামতৈল ধোপাকান্দি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এক জনসভায় বক্তব্য রাখেন তারেক রহমান।
উত্তরাঞ্চলে প্রচারাভিযানের দুইদিনে তারেক রহমান রাজশাহী, নওগাঁ, বগুড়া, রংপুরে চারটি নির্বাচনী সমাবেশ করেন তারেক রহমান। শেষ দিনে সিরাজগঞ্জে সমাবেশ শেষে টাঙ্গাইলে জনসভায় অংশ নেবেন তিনি।

ধানের শীষে ভোট দিয়ে স্বৈরাচারের জবাব দিন: তারেক রহমান
সিরাজগঞ্জ সংবাদদাতা

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দিয়ে স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে জবাব দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, গত ১৬-১৭ বছর যাবৎ মানুষ অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেছে। এই অধিকারকে যদি ফিরিয়ে আনতে হয়, তাহলে ১২ তারিখে আপনাদের সবাইকে সোচ্চার হতে হবে। ১২ তারিখে যদি আপনারা জবাব দিতে পারেন ধানের শীষে সিল মারার মাধ্যমে, তাহলে সেই স্বৈরাচাররা আপনাদের জবাব পাবে।
শনিবার (৩১ জানুয়ারি) বিকালে সিরাজগঞ্জের বিসিক শিল্প পার্কে নির্বাচনি জনসভায় দেওয়া বক্তব্যে তারেক রহমান এসব কথা বলেন।
বিএনপি সরকার গঠন করলে তাঁত পণ্য রপ্তানির উদ্যোগ নেওয়ার আশ্বাস দেন বিএনপি চেয়ারম্যান। তিনি বলেন, আমরা যদি তাঁতের কথা বলি, আমরা যদি লুঙ্গির কথা বলি, রঙের কথা বলি– প্রথমেই চোখের সামনে ভেসে ওঠে সিরাজগঞ্জ-পাবনা এলাকার কথা। এই এলাকার বহু মানুষ তাঁত শিল্পের সঙ্গে জড়িত। আমরা যদি পরিকল্পনা গ্রহণ করতে পারি, তাহলে এই তাঁত শিল্পে উৎপাদিত পণ্য ইনশাআল্লাহ সারা বিশ্বে ছড়িয়ে দিতে সক্ষম হব। আগামী দিনে আমরা তা-ই করতে চাই। সিরাজগঞ্জ-পাবনায় উৎপাদিত তাঁত পণ্য সারা বিশ্বে রপ্তানি করতে চাই।
তিনি বলেন, আজ আপনাদের সামনে দাঁড়িয়ে আমি হয়তো প্রতিপক্ষ সম্পর্কে অনেক কথা বলতে পারতাম। আপনারাও হয়তো জোরে জোরে হাততালি দিতেন, কিন্তু তাতে কি আপনাদের কোনো লাভ হতো? লাভ হতো না। বাংলাদেশের মানুষ এখন জানতে চায়– কোন রাজনৈতিক দল কী পরিকল্পনা গ্রহণ করবে যাতে জনগণ এবং দেশ আগামীতে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে পারে।
সিরাজগঞ্জ ও পাবনাসহ সারাদেশে নতুন নতুন শিল্প পার্ক স্থাপন করার মাধ্যমে বেকার সমস্যার সমাধান, এই অঞ্চলে কৃষিনির্ভর শিল্প প্রতিষ্ঠা এবং ভোকেশনাল ইনস্টিটিউট স্থাপনের প্রতিশ্রুতি দেন বিএনপি চেয়ারম্যান। সরকার গঠন করলে ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষি কার্ডের মাধ্যমে নারী ও কৃষকদের সহযোগিতার কথাও বলেন তিনি।

বেলা ৩টায় কোরআন তেলোয়াতের মধ্য দিয়ে সমাবেশের কার্যক্রম শুরু হয়। বগুড়া থেকে তারেক রহমান সড়কপথে সিরাজগঞ্জ পৌঁছান সাড়ে ৩টায়।
জনসভায় দেওয়া বক্তব্যে বিএনপি নেতা বলেন, আমরা সব ধর্মের মানুষকে নিয়ে একসঙ্গে শাস্তিতে বসবাস করতে চাই। আমাদের কাছে মুখ্য হচ্ছে সে বাংলাদেশের নাগরিক। আমাদের কাছে ধর্মটা মুখ্য নয়, জাত-পাত মুখ্য নয়। আমাদের কাছে মূখ্য হচ্ছে সে বাংলাদেশের মানুষ।
সমাবেশে সিরাজগঞ্জ ও পাবনার দলীয় প্রার্থীদের পরিচয় করিয়ে ধানের শীষে ভোট চান তারেক রহমান। তারা হলেন– সেলিম রেজা (সিরাজগঞ্জ-১), ইকবাল হাসান মাহমুদ (সিরাজগঞ্জ-২), আয়নুল হক (সিরাজগঞ্জ-৩), এম আকবর আলী (সিরাজগঞ্জ-৪), আমিরুল ইসলাম খান (সিরাজগঞ্জ-৫), এম এ মুহিত (সিরাজগঞ্জ-৬); শামসুর রহমান (পাবনা-১), এ কে এম সেলিম রেজা হাবিব (পাবনা-২), হাসান জাফির তুহিন (পাবনা-৩), হাবিবুর রহমান হাবিব (পাবনা-৪) ও শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাস (পাবনা-৫)।

জেলা বিএনপির সভাপতি রুমানা মাহমুদের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান বাচ্চুর সঞ্চালনায় বক্তব্য দেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ওবায়দুর রহমান, স্বেচ্ছাসেবক দলের সাংগঠনিক সম্পাদক নাজমুল হাসানসহ সিরাজগঞ্জ ও পাবনার ধানের শীষের প্রার্থীরা।
সবশেষ ২০০৬ সালের ২৪ ডিসেম্বর সিরাজগঞ্জের কামারখন্দ উপজেলার জামতৈল ধোপাকান্দি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এক জনসভায় বক্তব্য রাখেন তারেক রহমান।
উত্তরাঞ্চলে প্রচারাভিযানের দুইদিনে তারেক রহমান রাজশাহী, নওগাঁ, বগুড়া, রংপুরে চারটি নির্বাচনী সমাবেশ করেন তারেক রহমান। শেষ দিনে সিরাজগঞ্জে সমাবেশ শেষে টাঙ্গাইলে জনসভায় অংশ নেবেন তিনি।




