শীতে মাথা গরম করলে চৈত্র মাসে কী করবেন: জামায়াত আমির

শীতে মাথা গরম করলে চৈত্র মাসে কী করবেন: জামায়াত আমির
ফেনী সংবাদদাতা

জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান একটি দলের প্রতি ইঙ্গিত করে বলেছেন, ‘বিভিন্ন জায়গায় আমরা মাথা গরম হালত দেখতে পাচ্ছি। শীতের দিনে মাথা গরম করলে চৈত্র মাসে কী করবেন আপনারা? একটু মাথাটা ঠান্ডা রাখেন।’
তিনি বলেন, ‘একটু জুলাই যোদ্ধাদেরকে সম্মান করুন। এতগুলো শহীদের প্রতি একটু শ্রদ্ধা প্রদর্শন করুন। আবাল-বৃদ্ধ-বনিতা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে গুলির সামনে বুক পেতে দিয়েছিল যারা, তাদেরকে একটু সম্মান করুন। সেই সম্মানটা করলে মাথা গরমের কোনো সুযোগ নেই।’
শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ফেনীতে নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। জেলা শহরের ফেনী সরকারি পাইলট উচ্চবিদ্যালয় মাঠে এ জনসভা অনুষ্ঠিত হয়।
জামায়াত আমির বলেন, ‘রাজার ছেলে রাজা হবে, মন্ত্রীর ছেলে মন্ত্রী হবে, সেই সংস্কৃতির ধারা আমরা পাল্টে দিতে চাই।’ তিনি বলেন, ‘অতীতের বস্তাপচা রাজনীতি ফ্যাসিবাদ উপহার দিয়েছে, একনায়কতন্ত্র উপহার দিয়েছে, দুর্নীতিতে দেশকে চ্যাম্পিয়ন করেছে। ওই রাজনীতিকে আমরা লাল কার্ড দেখাতে চাই। আমাদের কাছে হিন্দু-মুসলমান, বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান সবাই সমান। আমরা তাদের সবার অধিকার নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর। ইনশাআল্লাহ এই কাজে কেউ বাধা দিয়ে আমাদের আটকাতে পারবে না।’

নারীদের ওপর হামলা করা হচ্ছে উল্লেখ করে শফিকুর রহমান বলেন, ‘কিছু কিছু জায়গায় মা-বোনদের ওপর হাত তোলা হচ্ছে। আমরা তাদের অতি বিনয়ের সঙ্গে আহ্বান জানাব, মা-বোন আপনাদেরও রয়েছে। নিজেদের মা-বোনকে সম্মান করুন, তাহলে বাংলার সব মা ও বোনকে আপনি সম্মান করতে পারবেন। খবরদার, মায়েদের সম্মান নিয়ে টান দেবেন না, আল্লাহর আরশ কেঁপে উঠবে। মায়েদের একটা দীর্ঘশ্বাস আপনাকে জ্বালিয়ে পুড়িয়ে ছাই করে দেবে।
চব্বিশের আগস্টে ফেনীতে বন্যা ও বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদের স্মৃতিচারণ করে জামায়াত আমির বলেন, ‘আজকে আমার বড়ই মনে পড়ে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃতি ছাত্র শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদকে। এই ফেনী নদী নিয়ে দুটি কথা বলেছিল, এ জন্য তাকে জীবন দিতে হয়েছে।’
তিনি বলেন, এখানে যে বাঁধটির কারণে আপনাদের দুঃখ, সেই বাঁধ এখনো নির্মাণ হয়নি। আল্লাহ যদি আমাদেরকে সেই সুযোগ দেন...আমরা জানি, পার্শ্ববর্তী আমাদের প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে একটু এই ব্যাপারে ব্যাপার-স্যাপার আছে। আমরা তাদেরকে শ্রদ্ধা করি, আশা করি তারাও আমাদেরকে শ্রদ্ধা করবে। তাদের সঙ্গে ফলপ্রসূ আলোচনার মাধ্যমে আমরা এর শান্তিপূর্ণ সমাধান খুঁজে বের করব।
১১-দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের পক্ষে ভোট চেয়ে জামায়াতের আমির বলেন, ‘দাঁড়িপাল্লার মার্কা হচ্ছে স্বাধীনতা রক্ষার মার্কা, বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষার মার্কা। দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার মার্কা। এর পক্ষে গোটা দেশে একদম চাষ করে ফেলতে হবে। একটা মানুষও বাদ যাবে না।’
শফিকুর রহমান তার বক্তব্য শেষ করে ফেনীর তিনটি আসনের প্রার্থীদের হাতে দাঁড়িপাল্লা ও ঈগল প্রতীক তুলে দেন।
সমাবেশে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন দলটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিটির পরিচালক এ টি এম মাসুম। বক্তব্য রাখেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদের ভিপি সাদিক কায়েম, এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির সভাপতি রাশেদ প্রধান, সাবেক জেলা আমির এ কে এম শামসুদ্দিন, ফেনী-৩ (দাগনভূঞা ও সোনাগাজী) আসনে জামায়াতের প্রার্থী ফখরুদ্দিন মানিক, ফেনী-১ (ফুলগাজী, পরশুরাম ও ছাগলনাইয়া) আসনের প্রার্থী এস এম কামাল উদ্দিন প্রমুখ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন জামায়াতের জেলা শাখার সেক্রেটারি মাওলানা আবদুর রহিম।

জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান একটি দলের প্রতি ইঙ্গিত করে বলেছেন, ‘বিভিন্ন জায়গায় আমরা মাথা গরম হালত দেখতে পাচ্ছি। শীতের দিনে মাথা গরম করলে চৈত্র মাসে কী করবেন আপনারা? একটু মাথাটা ঠান্ডা রাখেন।’
তিনি বলেন, ‘একটু জুলাই যোদ্ধাদেরকে সম্মান করুন। এতগুলো শহীদের প্রতি একটু শ্রদ্ধা প্রদর্শন করুন। আবাল-বৃদ্ধ-বনিতা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে গুলির সামনে বুক পেতে দিয়েছিল যারা, তাদেরকে একটু সম্মান করুন। সেই সম্মানটা করলে মাথা গরমের কোনো সুযোগ নেই।’
শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ফেনীতে নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। জেলা শহরের ফেনী সরকারি পাইলট উচ্চবিদ্যালয় মাঠে এ জনসভা অনুষ্ঠিত হয়।
জামায়াত আমির বলেন, ‘রাজার ছেলে রাজা হবে, মন্ত্রীর ছেলে মন্ত্রী হবে, সেই সংস্কৃতির ধারা আমরা পাল্টে দিতে চাই।’ তিনি বলেন, ‘অতীতের বস্তাপচা রাজনীতি ফ্যাসিবাদ উপহার দিয়েছে, একনায়কতন্ত্র উপহার দিয়েছে, দুর্নীতিতে দেশকে চ্যাম্পিয়ন করেছে। ওই রাজনীতিকে আমরা লাল কার্ড দেখাতে চাই। আমাদের কাছে হিন্দু-মুসলমান, বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান সবাই সমান। আমরা তাদের সবার অধিকার নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর। ইনশাআল্লাহ এই কাজে কেউ বাধা দিয়ে আমাদের আটকাতে পারবে না।’

নারীদের ওপর হামলা করা হচ্ছে উল্লেখ করে শফিকুর রহমান বলেন, ‘কিছু কিছু জায়গায় মা-বোনদের ওপর হাত তোলা হচ্ছে। আমরা তাদের অতি বিনয়ের সঙ্গে আহ্বান জানাব, মা-বোন আপনাদেরও রয়েছে। নিজেদের মা-বোনকে সম্মান করুন, তাহলে বাংলার সব মা ও বোনকে আপনি সম্মান করতে পারবেন। খবরদার, মায়েদের সম্মান নিয়ে টান দেবেন না, আল্লাহর আরশ কেঁপে উঠবে। মায়েদের একটা দীর্ঘশ্বাস আপনাকে জ্বালিয়ে পুড়িয়ে ছাই করে দেবে।
চব্বিশের আগস্টে ফেনীতে বন্যা ও বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদের স্মৃতিচারণ করে জামায়াত আমির বলেন, ‘আজকে আমার বড়ই মনে পড়ে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃতি ছাত্র শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদকে। এই ফেনী নদী নিয়ে দুটি কথা বলেছিল, এ জন্য তাকে জীবন দিতে হয়েছে।’
তিনি বলেন, এখানে যে বাঁধটির কারণে আপনাদের দুঃখ, সেই বাঁধ এখনো নির্মাণ হয়নি। আল্লাহ যদি আমাদেরকে সেই সুযোগ দেন...আমরা জানি, পার্শ্ববর্তী আমাদের প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে একটু এই ব্যাপারে ব্যাপার-স্যাপার আছে। আমরা তাদেরকে শ্রদ্ধা করি, আশা করি তারাও আমাদেরকে শ্রদ্ধা করবে। তাদের সঙ্গে ফলপ্রসূ আলোচনার মাধ্যমে আমরা এর শান্তিপূর্ণ সমাধান খুঁজে বের করব।
১১-দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের পক্ষে ভোট চেয়ে জামায়াতের আমির বলেন, ‘দাঁড়িপাল্লার মার্কা হচ্ছে স্বাধীনতা রক্ষার মার্কা, বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষার মার্কা। দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার মার্কা। এর পক্ষে গোটা দেশে একদম চাষ করে ফেলতে হবে। একটা মানুষও বাদ যাবে না।’
শফিকুর রহমান তার বক্তব্য শেষ করে ফেনীর তিনটি আসনের প্রার্থীদের হাতে দাঁড়িপাল্লা ও ঈগল প্রতীক তুলে দেন।
সমাবেশে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন দলটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিটির পরিচালক এ টি এম মাসুম। বক্তব্য রাখেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদের ভিপি সাদিক কায়েম, এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির সভাপতি রাশেদ প্রধান, সাবেক জেলা আমির এ কে এম শামসুদ্দিন, ফেনী-৩ (দাগনভূঞা ও সোনাগাজী) আসনে জামায়াতের প্রার্থী ফখরুদ্দিন মানিক, ফেনী-১ (ফুলগাজী, পরশুরাম ও ছাগলনাইয়া) আসনের প্রার্থী এস এম কামাল উদ্দিন প্রমুখ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন জামায়াতের জেলা শাখার সেক্রেটারি মাওলানা আবদুর রহিম।

শীতে মাথা গরম করলে চৈত্র মাসে কী করবেন: জামায়াত আমির
ফেনী সংবাদদাতা

জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান একটি দলের প্রতি ইঙ্গিত করে বলেছেন, ‘বিভিন্ন জায়গায় আমরা মাথা গরম হালত দেখতে পাচ্ছি। শীতের দিনে মাথা গরম করলে চৈত্র মাসে কী করবেন আপনারা? একটু মাথাটা ঠান্ডা রাখেন।’
তিনি বলেন, ‘একটু জুলাই যোদ্ধাদেরকে সম্মান করুন। এতগুলো শহীদের প্রতি একটু শ্রদ্ধা প্রদর্শন করুন। আবাল-বৃদ্ধ-বনিতা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে গুলির সামনে বুক পেতে দিয়েছিল যারা, তাদেরকে একটু সম্মান করুন। সেই সম্মানটা করলে মাথা গরমের কোনো সুযোগ নেই।’
শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ফেনীতে নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। জেলা শহরের ফেনী সরকারি পাইলট উচ্চবিদ্যালয় মাঠে এ জনসভা অনুষ্ঠিত হয়।
জামায়াত আমির বলেন, ‘রাজার ছেলে রাজা হবে, মন্ত্রীর ছেলে মন্ত্রী হবে, সেই সংস্কৃতির ধারা আমরা পাল্টে দিতে চাই।’ তিনি বলেন, ‘অতীতের বস্তাপচা রাজনীতি ফ্যাসিবাদ উপহার দিয়েছে, একনায়কতন্ত্র উপহার দিয়েছে, দুর্নীতিতে দেশকে চ্যাম্পিয়ন করেছে। ওই রাজনীতিকে আমরা লাল কার্ড দেখাতে চাই। আমাদের কাছে হিন্দু-মুসলমান, বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান সবাই সমান। আমরা তাদের সবার অধিকার নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর। ইনশাআল্লাহ এই কাজে কেউ বাধা দিয়ে আমাদের আটকাতে পারবে না।’

নারীদের ওপর হামলা করা হচ্ছে উল্লেখ করে শফিকুর রহমান বলেন, ‘কিছু কিছু জায়গায় মা-বোনদের ওপর হাত তোলা হচ্ছে। আমরা তাদের অতি বিনয়ের সঙ্গে আহ্বান জানাব, মা-বোন আপনাদেরও রয়েছে। নিজেদের মা-বোনকে সম্মান করুন, তাহলে বাংলার সব মা ও বোনকে আপনি সম্মান করতে পারবেন। খবরদার, মায়েদের সম্মান নিয়ে টান দেবেন না, আল্লাহর আরশ কেঁপে উঠবে। মায়েদের একটা দীর্ঘশ্বাস আপনাকে জ্বালিয়ে পুড়িয়ে ছাই করে দেবে।
চব্বিশের আগস্টে ফেনীতে বন্যা ও বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদের স্মৃতিচারণ করে জামায়াত আমির বলেন, ‘আজকে আমার বড়ই মনে পড়ে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃতি ছাত্র শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদকে। এই ফেনী নদী নিয়ে দুটি কথা বলেছিল, এ জন্য তাকে জীবন দিতে হয়েছে।’
তিনি বলেন, এখানে যে বাঁধটির কারণে আপনাদের দুঃখ, সেই বাঁধ এখনো নির্মাণ হয়নি। আল্লাহ যদি আমাদেরকে সেই সুযোগ দেন...আমরা জানি, পার্শ্ববর্তী আমাদের প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে একটু এই ব্যাপারে ব্যাপার-স্যাপার আছে। আমরা তাদেরকে শ্রদ্ধা করি, আশা করি তারাও আমাদেরকে শ্রদ্ধা করবে। তাদের সঙ্গে ফলপ্রসূ আলোচনার মাধ্যমে আমরা এর শান্তিপূর্ণ সমাধান খুঁজে বের করব।
১১-দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের পক্ষে ভোট চেয়ে জামায়াতের আমির বলেন, ‘দাঁড়িপাল্লার মার্কা হচ্ছে স্বাধীনতা রক্ষার মার্কা, বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষার মার্কা। দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার মার্কা। এর পক্ষে গোটা দেশে একদম চাষ করে ফেলতে হবে। একটা মানুষও বাদ যাবে না।’
শফিকুর রহমান তার বক্তব্য শেষ করে ফেনীর তিনটি আসনের প্রার্থীদের হাতে দাঁড়িপাল্লা ও ঈগল প্রতীক তুলে দেন।
সমাবেশে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন দলটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিটির পরিচালক এ টি এম মাসুম। বক্তব্য রাখেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদের ভিপি সাদিক কায়েম, এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির সভাপতি রাশেদ প্রধান, সাবেক জেলা আমির এ কে এম শামসুদ্দিন, ফেনী-৩ (দাগনভূঞা ও সোনাগাজী) আসনে জামায়াতের প্রার্থী ফখরুদ্দিন মানিক, ফেনী-১ (ফুলগাজী, পরশুরাম ও ছাগলনাইয়া) আসনের প্রার্থী এস এম কামাল উদ্দিন প্রমুখ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন জামায়াতের জেলা শাখার সেক্রেটারি মাওলানা আবদুর রহিম।




