কে হচ্ছেন বিএনপির নতুন মহাসচিব

কে হচ্ছেন বিএনপির নতুন মহাসচিব
নিজস্ব প্রতিবেদক

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) মহাসচিব হিসেবে প্রায় দেড় দশক ধরে দায়িত্ব পালন করছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বিশেষ করে দলের সবচেয়ে সংকটময় মুহূর্তে এবং মাঠের কঠিন সংগ্রামে অদম্য সাহস নিয়ে নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ রেখেছেন তিনি। শেষ সময়ে এসে পেয়েছেন সাফল্য। বিএনপি অবশেষে ২০ বছর পর সরকার গঠন করেছে।
সরকার গঠনের পর বিএনপিতে এক ধরনের নেতৃত্ব ‘শূন্যতা’ বিরাজ করছে। দলটির নেতৃত্ব পরিবর্তন এখন সময়ের দাবি। অন্যান্য পদের মতো তাই মহাসচিব পদেও আসবে পরিবর্তন। মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের পর কে হচ্ছেন নতুন মহাসচিব তা নিয়ে দলের নেতাকর্মীদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের মধ্যেও ব্যাপক কৌতূহল ও আগ্রহ তৈরি হয়েছে। দলের সাংগঠনিক কাজে গতিশীলতা আনতে দীর্ঘ এক দশক পর কেন্দ্রীয় কাউন্সিল করতে যাচ্ছে বিএনপি। সেজন্য জোরালো প্রস্তুতি নিচ্ছে কেন্দ্রীয় কমিটি।
এদের মধ্যে সালাহউদ্দিন আহমদ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করছেন। রুহুল কবির রিজভী মন্ত্রীর পদমর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক ও শিল্প বিষয়ক উপদেষ্টা।
দলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, মহাসচিব প্রার্থীর আলোচনায় সবচেয়ে এগিয়ে আছেন সালাহউদ্দিন আহমদ। কারণ দলের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে তার প্রভাব অনেক বেশি। দলের চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে তার সুসম্পর্কের বিষয়টিও গুরুত্ব পাচ্ছে। অন্যদিকে দেশ-বিদেশে দলের অবস্থান শক্তিশালী করা এবং দলের দুঃসময়ে নেতাকর্মীদের সহায়তা করাসহ নানা কারণে আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীকেও মহাসচিব করার সম্ভাবনা আছে।
সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীকেও মহাসচিব করা হতে পারে বলে জোর আলোচনা আছে। ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় বারবার কারাবরণ ও নির্যাতনের শিকার হওয়ার পরও তিনি বিএনপিকে আঁকড়ে রেখেছেন। সরকারবিরোধী আন্দোলন-সংগ্রামে নেতৃত্ব দেওয়ার পাশাপাশি নেতাকর্মীদের সহায়তা করেছেন। এ কারণে দলে তার অন্যরকমের গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে।
বিএনপির মহাসচির পদের প্রার্থী হিসেবে আরও যাদের নাম শোনা যাচ্ছে তারা হলেন যুগ্ম মহাসচিব এবং ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সাবেক আহ্বায়ক হাবিব উন-নবী-খান সোহেল, চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ও ডাকসুর সাবেক ভিপি আমান উল্লাহ আমান ও যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন।
সম্প্রতি একটি বেসরকারি টেলিভিশনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বিএনপির মহাসচিব পদে নতুন মুখ আসতে পারে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, ‘আমার অনেক বয়স হয়ে গেছে। অসুস্থ হয়ে যাচ্ছি। আমি অবসর নিলে দল মহাসচিব পদে নতুন কাউকে বেছে নেবে, এটাই স্বাভাবিক।’
এই বিষয়ে জানতে চাইলে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আব্দুল মঈন খান জানান, বিএনপির মহাসচিব পদে রদবদল একটি চলমান প্রক্রিয়া। দলের সিদ্ধান্তের বাইরে যাওয়ার কোনো সুযোগ নেই। এক্ষেত্রে দল যে সিদ্ধান্ত নেবে সেটাই বিবেচনায় নেওয়া হবে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদ বলেন, ‘এটি দলীয় সিদ্ধান্তের ব্যাপার। দলের হাইকমান্ড চাইলে যাকে ইচ্ছা তাকে মহাসচিব পদে বসাতে পারেন। হাইকমান্ড অবশ্যই যোগ্যদের বিবেচনায় আনবেন বলে আমি মনে করি।’
দলের শীর্ষ পর্যায়ের কয়েকজন নেতা বলেন, দলকে নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য এখন একজন অভিজ্ঞ ও দূরদর্শী মহাসচিব প্রয়োজন। ভবিষ্যতে দলের সাফল্য তিনটি কৌশলের ওপর নির্ভর করছে। এগুলো হচ্ছে তৃণমূলের সঙ্গে সংযোগ পুনঃস্থাপন, অঙ্গসংগঠনগুলো পুনর্গঠন এবং বিরোধী দলকে রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলা করা। এই কৌশলগুলো বাস্তবায়নে নেতৃত্ব দেবেন নতুন মহাসচিব। তবে সব আলোচনা, হিসাব-নিকাশের পরও একটি বিষয় পরিষ্কার—চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নির্ভর করছে বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ওপর। কাউন্সিলের মাধ্যমে নির্বাচন হোক বা সরাসরি মনোনয়ন, যে প্রক্রিয়াই হোক, তার সিদ্ধান্তেই নির্ধারিত হবেন নতুন মহাসচিব।

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) মহাসচিব হিসেবে প্রায় দেড় দশক ধরে দায়িত্ব পালন করছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বিশেষ করে দলের সবচেয়ে সংকটময় মুহূর্তে এবং মাঠের কঠিন সংগ্রামে অদম্য সাহস নিয়ে নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ রেখেছেন তিনি। শেষ সময়ে এসে পেয়েছেন সাফল্য। বিএনপি অবশেষে ২০ বছর পর সরকার গঠন করেছে।
সরকার গঠনের পর বিএনপিতে এক ধরনের নেতৃত্ব ‘শূন্যতা’ বিরাজ করছে। দলটির নেতৃত্ব পরিবর্তন এখন সময়ের দাবি। অন্যান্য পদের মতো তাই মহাসচিব পদেও আসবে পরিবর্তন। মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের পর কে হচ্ছেন নতুন মহাসচিব তা নিয়ে দলের নেতাকর্মীদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের মধ্যেও ব্যাপক কৌতূহল ও আগ্রহ তৈরি হয়েছে। দলের সাংগঠনিক কাজে গতিশীলতা আনতে দীর্ঘ এক দশক পর কেন্দ্রীয় কাউন্সিল করতে যাচ্ছে বিএনপি। সেজন্য জোরালো প্রস্তুতি নিচ্ছে কেন্দ্রীয় কমিটি।
এদের মধ্যে সালাহউদ্দিন আহমদ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করছেন। রুহুল কবির রিজভী মন্ত্রীর পদমর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক ও শিল্প বিষয়ক উপদেষ্টা।
দলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, মহাসচিব প্রার্থীর আলোচনায় সবচেয়ে এগিয়ে আছেন সালাহউদ্দিন আহমদ। কারণ দলের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে তার প্রভাব অনেক বেশি। দলের চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে তার সুসম্পর্কের বিষয়টিও গুরুত্ব পাচ্ছে। অন্যদিকে দেশ-বিদেশে দলের অবস্থান শক্তিশালী করা এবং দলের দুঃসময়ে নেতাকর্মীদের সহায়তা করাসহ নানা কারণে আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীকেও মহাসচিব করার সম্ভাবনা আছে।
সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীকেও মহাসচিব করা হতে পারে বলে জোর আলোচনা আছে। ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় বারবার কারাবরণ ও নির্যাতনের শিকার হওয়ার পরও তিনি বিএনপিকে আঁকড়ে রেখেছেন। সরকারবিরোধী আন্দোলন-সংগ্রামে নেতৃত্ব দেওয়ার পাশাপাশি নেতাকর্মীদের সহায়তা করেছেন। এ কারণে দলে তার অন্যরকমের গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে।
বিএনপির মহাসচির পদের প্রার্থী হিসেবে আরও যাদের নাম শোনা যাচ্ছে তারা হলেন যুগ্ম মহাসচিব এবং ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সাবেক আহ্বায়ক হাবিব উন-নবী-খান সোহেল, চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ও ডাকসুর সাবেক ভিপি আমান উল্লাহ আমান ও যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন।
সম্প্রতি একটি বেসরকারি টেলিভিশনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বিএনপির মহাসচিব পদে নতুন মুখ আসতে পারে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, ‘আমার অনেক বয়স হয়ে গেছে। অসুস্থ হয়ে যাচ্ছি। আমি অবসর নিলে দল মহাসচিব পদে নতুন কাউকে বেছে নেবে, এটাই স্বাভাবিক।’
এই বিষয়ে জানতে চাইলে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আব্দুল মঈন খান জানান, বিএনপির মহাসচিব পদে রদবদল একটি চলমান প্রক্রিয়া। দলের সিদ্ধান্তের বাইরে যাওয়ার কোনো সুযোগ নেই। এক্ষেত্রে দল যে সিদ্ধান্ত নেবে সেটাই বিবেচনায় নেওয়া হবে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদ বলেন, ‘এটি দলীয় সিদ্ধান্তের ব্যাপার। দলের হাইকমান্ড চাইলে যাকে ইচ্ছা তাকে মহাসচিব পদে বসাতে পারেন। হাইকমান্ড অবশ্যই যোগ্যদের বিবেচনায় আনবেন বলে আমি মনে করি।’
দলের শীর্ষ পর্যায়ের কয়েকজন নেতা বলেন, দলকে নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য এখন একজন অভিজ্ঞ ও দূরদর্শী মহাসচিব প্রয়োজন। ভবিষ্যতে দলের সাফল্য তিনটি কৌশলের ওপর নির্ভর করছে। এগুলো হচ্ছে তৃণমূলের সঙ্গে সংযোগ পুনঃস্থাপন, অঙ্গসংগঠনগুলো পুনর্গঠন এবং বিরোধী দলকে রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলা করা। এই কৌশলগুলো বাস্তবায়নে নেতৃত্ব দেবেন নতুন মহাসচিব। তবে সব আলোচনা, হিসাব-নিকাশের পরও একটি বিষয় পরিষ্কার—চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নির্ভর করছে বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ওপর। কাউন্সিলের মাধ্যমে নির্বাচন হোক বা সরাসরি মনোনয়ন, যে প্রক্রিয়াই হোক, তার সিদ্ধান্তেই নির্ধারিত হবেন নতুন মহাসচিব।

কে হচ্ছেন বিএনপির নতুন মহাসচিব
নিজস্ব প্রতিবেদক

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) মহাসচিব হিসেবে প্রায় দেড় দশক ধরে দায়িত্ব পালন করছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বিশেষ করে দলের সবচেয়ে সংকটময় মুহূর্তে এবং মাঠের কঠিন সংগ্রামে অদম্য সাহস নিয়ে নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ রেখেছেন তিনি। শেষ সময়ে এসে পেয়েছেন সাফল্য। বিএনপি অবশেষে ২০ বছর পর সরকার গঠন করেছে।
সরকার গঠনের পর বিএনপিতে এক ধরনের নেতৃত্ব ‘শূন্যতা’ বিরাজ করছে। দলটির নেতৃত্ব পরিবর্তন এখন সময়ের দাবি। অন্যান্য পদের মতো তাই মহাসচিব পদেও আসবে পরিবর্তন। মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের পর কে হচ্ছেন নতুন মহাসচিব তা নিয়ে দলের নেতাকর্মীদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের মধ্যেও ব্যাপক কৌতূহল ও আগ্রহ তৈরি হয়েছে। দলের সাংগঠনিক কাজে গতিশীলতা আনতে দীর্ঘ এক দশক পর কেন্দ্রীয় কাউন্সিল করতে যাচ্ছে বিএনপি। সেজন্য জোরালো প্রস্তুতি নিচ্ছে কেন্দ্রীয় কমিটি।
এদের মধ্যে সালাহউদ্দিন আহমদ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করছেন। রুহুল কবির রিজভী মন্ত্রীর পদমর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক ও শিল্প বিষয়ক উপদেষ্টা।
দলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, মহাসচিব প্রার্থীর আলোচনায় সবচেয়ে এগিয়ে আছেন সালাহউদ্দিন আহমদ। কারণ দলের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে তার প্রভাব অনেক বেশি। দলের চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে তার সুসম্পর্কের বিষয়টিও গুরুত্ব পাচ্ছে। অন্যদিকে দেশ-বিদেশে দলের অবস্থান শক্তিশালী করা এবং দলের দুঃসময়ে নেতাকর্মীদের সহায়তা করাসহ নানা কারণে আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীকেও মহাসচিব করার সম্ভাবনা আছে।
সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীকেও মহাসচিব করা হতে পারে বলে জোর আলোচনা আছে। ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় বারবার কারাবরণ ও নির্যাতনের শিকার হওয়ার পরও তিনি বিএনপিকে আঁকড়ে রেখেছেন। সরকারবিরোধী আন্দোলন-সংগ্রামে নেতৃত্ব দেওয়ার পাশাপাশি নেতাকর্মীদের সহায়তা করেছেন। এ কারণে দলে তার অন্যরকমের গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে।
বিএনপির মহাসচির পদের প্রার্থী হিসেবে আরও যাদের নাম শোনা যাচ্ছে তারা হলেন যুগ্ম মহাসচিব এবং ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সাবেক আহ্বায়ক হাবিব উন-নবী-খান সোহেল, চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ও ডাকসুর সাবেক ভিপি আমান উল্লাহ আমান ও যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন।
সম্প্রতি একটি বেসরকারি টেলিভিশনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বিএনপির মহাসচিব পদে নতুন মুখ আসতে পারে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, ‘আমার অনেক বয়স হয়ে গেছে। অসুস্থ হয়ে যাচ্ছি। আমি অবসর নিলে দল মহাসচিব পদে নতুন কাউকে বেছে নেবে, এটাই স্বাভাবিক।’
এই বিষয়ে জানতে চাইলে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আব্দুল মঈন খান জানান, বিএনপির মহাসচিব পদে রদবদল একটি চলমান প্রক্রিয়া। দলের সিদ্ধান্তের বাইরে যাওয়ার কোনো সুযোগ নেই। এক্ষেত্রে দল যে সিদ্ধান্ত নেবে সেটাই বিবেচনায় নেওয়া হবে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদ বলেন, ‘এটি দলীয় সিদ্ধান্তের ব্যাপার। দলের হাইকমান্ড চাইলে যাকে ইচ্ছা তাকে মহাসচিব পদে বসাতে পারেন। হাইকমান্ড অবশ্যই যোগ্যদের বিবেচনায় আনবেন বলে আমি মনে করি।’
দলের শীর্ষ পর্যায়ের কয়েকজন নেতা বলেন, দলকে নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য এখন একজন অভিজ্ঞ ও দূরদর্শী মহাসচিব প্রয়োজন। ভবিষ্যতে দলের সাফল্য তিনটি কৌশলের ওপর নির্ভর করছে। এগুলো হচ্ছে তৃণমূলের সঙ্গে সংযোগ পুনঃস্থাপন, অঙ্গসংগঠনগুলো পুনর্গঠন এবং বিরোধী দলকে রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলা করা। এই কৌশলগুলো বাস্তবায়নে নেতৃত্ব দেবেন নতুন মহাসচিব। তবে সব আলোচনা, হিসাব-নিকাশের পরও একটি বিষয় পরিষ্কার—চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নির্ভর করছে বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ওপর। কাউন্সিলের মাধ্যমে নির্বাচন হোক বা সরাসরি মনোনয়ন, যে প্রক্রিয়াই হোক, তার সিদ্ধান্তেই নির্ধারিত হবেন নতুন মহাসচিব।




