নাগরিকত্ব ছাড়তে আবারও আবেদন এস আলমের
নিজস্ব প্রতিবেদক

নাগরিকত্ব ছাড়তে আবারও আবেদন এস আলমের
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৮ মে ২০২৬, ১৪: ৪৯

এস আলম গ্রুপের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাইফুল আলম আবারও বাংলাদেশের নাগরিকত্ব ত্যাগের আবেদন করেছেন। নিজের পাশাপাশি স্ত্রী ফারজানা পারভীন এবং দুই ছেলে আশরাফুল আলম ও আসাদুল আলম মাহিরের নাগরিকত্ব পরিত্যাগের আবেদনও করা হয়েছে। বিএনপি সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর গত ফেব্রুয়ারির শেষ সপ্তাহে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এ আবেদন জমা দেওয়া হয়।
তবে চলমান আইনি ও আর্থিক জটিলতার কারণে সরকার আপাতত এ আবেদন অনুমোদনের বিষয়ে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, নাগরিকত্ব ত্যাগের আবেদন মঞ্জুর হলে বিদেশে পাচার হওয়া অর্থ ফেরত আনা, দেশে থাকা সম্পদ ও সম্পত্তির বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া এবং আন্তর্জাতিক সালিসি মামলায় বাংলাদেশের অবস্থান দুর্বল হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হতে পারে।
মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সরকার মূলত দুটি বড় ঝুঁকি দেখছে। এক. সাইফুল আলমের (এস আলম) বিরুদ্ধে বিদেশে অর্থ পাচারের অভিযোগ রয়েছে। দুই. সম্পদ সুরক্ষার দাবি তুলে তিনি বাংলাদেশের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক সালিসি আদালতে মামলা করেছেন। এ অবস্থায় নাগরিকত্ব প্রশ্নে তার অবস্থান বদলালে মামলায় প্রভাব পড়তে পারে।
এর আগে ২০২০ সালেও বাংলাদেশের নাগরিকত্ব ত্যাগের আবেদন করেছিলেন সাইফুল আলম। তার আইনজীবীদের দাবি, সাইপ্রাসের নাগরিকত্ব গ্রহণের পর সেসময় আওয়ামী লীগ সরকার আবেদনটি অনুমোদন করেছিল। তবে ওই সিদ্ধান্তের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে ইসলামী ব্যাংক গত বছরের নভেম্বরে হাইকোর্টে রিট করে। পরে হাইকোর্ট স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সেই সিদ্ধান্ত স্থগিত করেন। ফলে সাইফুল আলমের নাগরিকত্বের বিষয়টি এখনো চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি হয়নি।
সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় শীর্ষ পর্যায়ে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগের মাধ্যমে ব্যাংক দখল, ঋণ অনিয়ম ও অর্থ পাচারের অভিযোগ রয়েছে এস আলমের বিরুদ্ধে। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সরকার পতনের পর তিনি আর দেশে ফেরেননি। বর্তমানে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে বিদেশে অবস্থান করছেন।
সাইপ্রাস নাকি সিঙ্গাপুরের নাগরিক?
সাইফুল আলম ২০২০ সালে সাইপ্রাসের নাগরিকত্ব নেওয়ার কথা বলে বাংলাদেশের নাগরিকত্ব ছাড়ার আবেদন করেছিলেন। তবে গত অক্টোবরে তিনি নিজেকে সিঙ্গাপুরের নাগরিক দাবি করে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক সালিসি মামলা করেন।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সূত্র বলছে, সিঙ্গাপুরের নাগরিকত্ব নিতে হলে সাধারণত আগের নাগরিকত্ব ত্যাগ করতে হয়। সেক্ষেত্রে সাইফুল আলম কবে সাইপ্রাসের নাগরিকত্ব বাতিল করেছেন বা কবে সিঙ্গাপুরের নাগরিক হয়েছেন, সে বিষয়ে সরকারের কাছে কোনো তথ্য নেই। তবে নথি অনুযায়ী, সাইপ্রাস সরকার ২০১৬ সালে তার নামে একটি পাসপোর্ট ইস্যু করেছিল।
বাংলাদেশের বিধি অনুযায়ী, কোনো নাগরিক বাংলাদেশের প্রতি আনুগত্য প্রত্যাহার না করা পর্যন্ত তার নাগরিকত্ব বহাল থাকে। নাগরিকত্ব ত্যাগ করতে চাইলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আবেদন করতে হয়।

এস আলম গ্রুপের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাইফুল আলম আবারও বাংলাদেশের নাগরিকত্ব ত্যাগের আবেদন করেছেন। নিজের পাশাপাশি স্ত্রী ফারজানা পারভীন এবং দুই ছেলে আশরাফুল আলম ও আসাদুল আলম মাহিরের নাগরিকত্ব পরিত্যাগের আবেদনও করা হয়েছে। বিএনপি সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর গত ফেব্রুয়ারির শেষ সপ্তাহে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এ আবেদন জমা দেওয়া হয়।
তবে চলমান আইনি ও আর্থিক জটিলতার কারণে সরকার আপাতত এ আবেদন অনুমোদনের বিষয়ে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, নাগরিকত্ব ত্যাগের আবেদন মঞ্জুর হলে বিদেশে পাচার হওয়া অর্থ ফেরত আনা, দেশে থাকা সম্পদ ও সম্পত্তির বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া এবং আন্তর্জাতিক সালিসি মামলায় বাংলাদেশের অবস্থান দুর্বল হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হতে পারে।
মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সরকার মূলত দুটি বড় ঝুঁকি দেখছে। এক. সাইফুল আলমের (এস আলম) বিরুদ্ধে বিদেশে অর্থ পাচারের অভিযোগ রয়েছে। দুই. সম্পদ সুরক্ষার দাবি তুলে তিনি বাংলাদেশের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক সালিসি আদালতে মামলা করেছেন। এ অবস্থায় নাগরিকত্ব প্রশ্নে তার অবস্থান বদলালে মামলায় প্রভাব পড়তে পারে।
এর আগে ২০২০ সালেও বাংলাদেশের নাগরিকত্ব ত্যাগের আবেদন করেছিলেন সাইফুল আলম। তার আইনজীবীদের দাবি, সাইপ্রাসের নাগরিকত্ব গ্রহণের পর সেসময় আওয়ামী লীগ সরকার আবেদনটি অনুমোদন করেছিল। তবে ওই সিদ্ধান্তের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে ইসলামী ব্যাংক গত বছরের নভেম্বরে হাইকোর্টে রিট করে। পরে হাইকোর্ট স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সেই সিদ্ধান্ত স্থগিত করেন। ফলে সাইফুল আলমের নাগরিকত্বের বিষয়টি এখনো চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি হয়নি।
সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় শীর্ষ পর্যায়ে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগের মাধ্যমে ব্যাংক দখল, ঋণ অনিয়ম ও অর্থ পাচারের অভিযোগ রয়েছে এস আলমের বিরুদ্ধে। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সরকার পতনের পর তিনি আর দেশে ফেরেননি। বর্তমানে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে বিদেশে অবস্থান করছেন।
সাইপ্রাস নাকি সিঙ্গাপুরের নাগরিক?
সাইফুল আলম ২০২০ সালে সাইপ্রাসের নাগরিকত্ব নেওয়ার কথা বলে বাংলাদেশের নাগরিকত্ব ছাড়ার আবেদন করেছিলেন। তবে গত অক্টোবরে তিনি নিজেকে সিঙ্গাপুরের নাগরিক দাবি করে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক সালিসি মামলা করেন।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সূত্র বলছে, সিঙ্গাপুরের নাগরিকত্ব নিতে হলে সাধারণত আগের নাগরিকত্ব ত্যাগ করতে হয়। সেক্ষেত্রে সাইফুল আলম কবে সাইপ্রাসের নাগরিকত্ব বাতিল করেছেন বা কবে সিঙ্গাপুরের নাগরিক হয়েছেন, সে বিষয়ে সরকারের কাছে কোনো তথ্য নেই। তবে নথি অনুযায়ী, সাইপ্রাস সরকার ২০১৬ সালে তার নামে একটি পাসপোর্ট ইস্যু করেছিল।
বাংলাদেশের বিধি অনুযায়ী, কোনো নাগরিক বাংলাদেশের প্রতি আনুগত্য প্রত্যাহার না করা পর্যন্ত তার নাগরিকত্ব বহাল থাকে। নাগরিকত্ব ত্যাগ করতে চাইলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আবেদন করতে হয়।

নাগরিকত্ব ছাড়তে আবারও আবেদন এস আলমের
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৮ মে ২০২৬, ১৪: ৪৯

এস আলম গ্রুপের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাইফুল আলম আবারও বাংলাদেশের নাগরিকত্ব ত্যাগের আবেদন করেছেন। নিজের পাশাপাশি স্ত্রী ফারজানা পারভীন এবং দুই ছেলে আশরাফুল আলম ও আসাদুল আলম মাহিরের নাগরিকত্ব পরিত্যাগের আবেদনও করা হয়েছে। বিএনপি সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর গত ফেব্রুয়ারির শেষ সপ্তাহে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এ আবেদন জমা দেওয়া হয়।
তবে চলমান আইনি ও আর্থিক জটিলতার কারণে সরকার আপাতত এ আবেদন অনুমোদনের বিষয়ে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, নাগরিকত্ব ত্যাগের আবেদন মঞ্জুর হলে বিদেশে পাচার হওয়া অর্থ ফেরত আনা, দেশে থাকা সম্পদ ও সম্পত্তির বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া এবং আন্তর্জাতিক সালিসি মামলায় বাংলাদেশের অবস্থান দুর্বল হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হতে পারে।
মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সরকার মূলত দুটি বড় ঝুঁকি দেখছে। এক. সাইফুল আলমের (এস আলম) বিরুদ্ধে বিদেশে অর্থ পাচারের অভিযোগ রয়েছে। দুই. সম্পদ সুরক্ষার দাবি তুলে তিনি বাংলাদেশের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক সালিসি আদালতে মামলা করেছেন। এ অবস্থায় নাগরিকত্ব প্রশ্নে তার অবস্থান বদলালে মামলায় প্রভাব পড়তে পারে।
এর আগে ২০২০ সালেও বাংলাদেশের নাগরিকত্ব ত্যাগের আবেদন করেছিলেন সাইফুল আলম। তার আইনজীবীদের দাবি, সাইপ্রাসের নাগরিকত্ব গ্রহণের পর সেসময় আওয়ামী লীগ সরকার আবেদনটি অনুমোদন করেছিল। তবে ওই সিদ্ধান্তের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে ইসলামী ব্যাংক গত বছরের নভেম্বরে হাইকোর্টে রিট করে। পরে হাইকোর্ট স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সেই সিদ্ধান্ত স্থগিত করেন। ফলে সাইফুল আলমের নাগরিকত্বের বিষয়টি এখনো চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি হয়নি।
সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় শীর্ষ পর্যায়ে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগের মাধ্যমে ব্যাংক দখল, ঋণ অনিয়ম ও অর্থ পাচারের অভিযোগ রয়েছে এস আলমের বিরুদ্ধে। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সরকার পতনের পর তিনি আর দেশে ফেরেননি। বর্তমানে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে বিদেশে অবস্থান করছেন।
সাইপ্রাস নাকি সিঙ্গাপুরের নাগরিক?
সাইফুল আলম ২০২০ সালে সাইপ্রাসের নাগরিকত্ব নেওয়ার কথা বলে বাংলাদেশের নাগরিকত্ব ছাড়ার আবেদন করেছিলেন। তবে গত অক্টোবরে তিনি নিজেকে সিঙ্গাপুরের নাগরিক দাবি করে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক সালিসি মামলা করেন।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সূত্র বলছে, সিঙ্গাপুরের নাগরিকত্ব নিতে হলে সাধারণত আগের নাগরিকত্ব ত্যাগ করতে হয়। সেক্ষেত্রে সাইফুল আলম কবে সাইপ্রাসের নাগরিকত্ব বাতিল করেছেন বা কবে সিঙ্গাপুরের নাগরিক হয়েছেন, সে বিষয়ে সরকারের কাছে কোনো তথ্য নেই। তবে নথি অনুযায়ী, সাইপ্রাস সরকার ২০১৬ সালে তার নামে একটি পাসপোর্ট ইস্যু করেছিল।
বাংলাদেশের বিধি অনুযায়ী, কোনো নাগরিক বাংলাদেশের প্রতি আনুগত্য প্রত্যাহার না করা পর্যন্ত তার নাগরিকত্ব বহাল থাকে। নাগরিকত্ব ত্যাগ করতে চাইলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আবেদন করতে হয়।
/এফসি/

ইসলামী ব্যাংকে লুটপাট: দুদকের জালে এস আলমের সঙ্গীরা


