২০২৫ সালে এক্সে ১২৬টি ঘটনায় বাংলাদেশ নিয়ে ভুয়া তথ্য ছড়িয়েছে ভারতীয়রা : রিউমার স্ক্যানার

২০২৫ সালে এক্সে ১২৬টি ঘটনায় বাংলাদেশ নিয়ে ভুয়া তথ্য ছড়িয়েছে ভারতীয়রা : রিউমার স্ক্যানার
নিজস্ব প্রতিবেদক

বাংলাদেশকে ঘিরে অনলাইনে ভুয়া তথ্য ও গুজব ছড়ানোর প্রবণতা আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে বলে জানিয়েছে ফ্যাক্ট–চেকিং সংস্থা রিউমার স্ক্যানার।
সংস্থাটির পর্যবেক্ষণে উঠে এসেছে, ২০২৫ সালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স (সাবেক টুইটার)–এ বাংলাদেশ বিষয়ে অন্তত ১২৬টি ভুয়া তথ্যের ঘটনা শনাক্ত করা হয়েছে, যার বড় একটি অংশ ভারতীয় ব্যবহারকারী ও উৎস থেকে ছড়ানো হয়েছে। এর মাধ্যমে ভারতীয়রা বিভ্রান্তির সৃষ্টির অপচেষ্টা করছে।
রিউমার স্ক্যানারের তথ্যমতে, শুধু এক্স নয়—অন্যান্য ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মেও বাংলাদেশ নিয়ে অপতথ্য ছড়ানোর চিত্র স্পষ্ট। ২০২৫ সালে ফেসবুকে এমন ৫৪টি, ইনস্টাগ্রামে ৩০টি, ইউটিউবে ২৫টি এবং টিকটকে ১টি ভুয়া তথ্যে ছড়ানোর ঘটনা চিহ্নিত করা হয়েছে। পাশাপাশি ভারতীয় গণমাধ্যমেও বাংলাদেশকে ঘিরে ৩৮টি বিভ্রান্তিকর বা ভুল তথ্য প্রকাশের প্রমাণ পাওয়া গেছে।
সংস্থাটি আরও জানায়, ২০২৪ সাল থেকে ভারতীয় গণমাধ্যম, ভারত থেকে পরিচালিত বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম অ্যাকাউন্ট এবং দেশের ভেতরের কিছু ফেসবুক প্রোফাইল থেকেও বাংলাদেশকে কেন্দ্র করে গুজব ও ভুয়া তথ্য ছড়ানোর হার উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। এসব অপতথ্যে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার, খাগড়াছড়ির পরিস্থিতি নিয়ে এবং ২০২৪ সালের আন্দোলনে অংশ নেওয়া দল ও সংগঠনগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে।
রিউমার স্ক্যানারের বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়া শত শত ভুল ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ইতিমধ্যে শনাক্ত করা হয়েছে, যা জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি এবং সামাজিক অস্থিরতা উসকে দেওয়ার ঝুঁকি তৈরি করছে। এ পরিস্থিতিতে সংস্থাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তথ্য গ্রহণ ও শেয়ারের ক্ষেত্রে বাড়তি সতর্কতা এবং নির্ভরযোগ্য উৎস যাচাইয়ের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছে।

বাংলাদেশকে ঘিরে অনলাইনে ভুয়া তথ্য ও গুজব ছড়ানোর প্রবণতা আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে বলে জানিয়েছে ফ্যাক্ট–চেকিং সংস্থা রিউমার স্ক্যানার।
সংস্থাটির পর্যবেক্ষণে উঠে এসেছে, ২০২৫ সালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স (সাবেক টুইটার)–এ বাংলাদেশ বিষয়ে অন্তত ১২৬টি ভুয়া তথ্যের ঘটনা শনাক্ত করা হয়েছে, যার বড় একটি অংশ ভারতীয় ব্যবহারকারী ও উৎস থেকে ছড়ানো হয়েছে। এর মাধ্যমে ভারতীয়রা বিভ্রান্তির সৃষ্টির অপচেষ্টা করছে।
রিউমার স্ক্যানারের তথ্যমতে, শুধু এক্স নয়—অন্যান্য ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মেও বাংলাদেশ নিয়ে অপতথ্য ছড়ানোর চিত্র স্পষ্ট। ২০২৫ সালে ফেসবুকে এমন ৫৪টি, ইনস্টাগ্রামে ৩০টি, ইউটিউবে ২৫টি এবং টিকটকে ১টি ভুয়া তথ্যে ছড়ানোর ঘটনা চিহ্নিত করা হয়েছে। পাশাপাশি ভারতীয় গণমাধ্যমেও বাংলাদেশকে ঘিরে ৩৮টি বিভ্রান্তিকর বা ভুল তথ্য প্রকাশের প্রমাণ পাওয়া গেছে।
সংস্থাটি আরও জানায়, ২০২৪ সাল থেকে ভারতীয় গণমাধ্যম, ভারত থেকে পরিচালিত বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম অ্যাকাউন্ট এবং দেশের ভেতরের কিছু ফেসবুক প্রোফাইল থেকেও বাংলাদেশকে কেন্দ্র করে গুজব ও ভুয়া তথ্য ছড়ানোর হার উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। এসব অপতথ্যে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার, খাগড়াছড়ির পরিস্থিতি নিয়ে এবং ২০২৪ সালের আন্দোলনে অংশ নেওয়া দল ও সংগঠনগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে।
রিউমার স্ক্যানারের বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়া শত শত ভুল ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ইতিমধ্যে শনাক্ত করা হয়েছে, যা জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি এবং সামাজিক অস্থিরতা উসকে দেওয়ার ঝুঁকি তৈরি করছে। এ পরিস্থিতিতে সংস্থাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তথ্য গ্রহণ ও শেয়ারের ক্ষেত্রে বাড়তি সতর্কতা এবং নির্ভরযোগ্য উৎস যাচাইয়ের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছে।

২০২৫ সালে এক্সে ১২৬টি ঘটনায় বাংলাদেশ নিয়ে ভুয়া তথ্য ছড়িয়েছে ভারতীয়রা : রিউমার স্ক্যানার
নিজস্ব প্রতিবেদক

বাংলাদেশকে ঘিরে অনলাইনে ভুয়া তথ্য ও গুজব ছড়ানোর প্রবণতা আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে বলে জানিয়েছে ফ্যাক্ট–চেকিং সংস্থা রিউমার স্ক্যানার।
সংস্থাটির পর্যবেক্ষণে উঠে এসেছে, ২০২৫ সালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স (সাবেক টুইটার)–এ বাংলাদেশ বিষয়ে অন্তত ১২৬টি ভুয়া তথ্যের ঘটনা শনাক্ত করা হয়েছে, যার বড় একটি অংশ ভারতীয় ব্যবহারকারী ও উৎস থেকে ছড়ানো হয়েছে। এর মাধ্যমে ভারতীয়রা বিভ্রান্তির সৃষ্টির অপচেষ্টা করছে।
রিউমার স্ক্যানারের তথ্যমতে, শুধু এক্স নয়—অন্যান্য ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মেও বাংলাদেশ নিয়ে অপতথ্য ছড়ানোর চিত্র স্পষ্ট। ২০২৫ সালে ফেসবুকে এমন ৫৪টি, ইনস্টাগ্রামে ৩০টি, ইউটিউবে ২৫টি এবং টিকটকে ১টি ভুয়া তথ্যে ছড়ানোর ঘটনা চিহ্নিত করা হয়েছে। পাশাপাশি ভারতীয় গণমাধ্যমেও বাংলাদেশকে ঘিরে ৩৮টি বিভ্রান্তিকর বা ভুল তথ্য প্রকাশের প্রমাণ পাওয়া গেছে।
সংস্থাটি আরও জানায়, ২০২৪ সাল থেকে ভারতীয় গণমাধ্যম, ভারত থেকে পরিচালিত বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম অ্যাকাউন্ট এবং দেশের ভেতরের কিছু ফেসবুক প্রোফাইল থেকেও বাংলাদেশকে কেন্দ্র করে গুজব ও ভুয়া তথ্য ছড়ানোর হার উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। এসব অপতথ্যে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার, খাগড়াছড়ির পরিস্থিতি নিয়ে এবং ২০২৪ সালের আন্দোলনে অংশ নেওয়া দল ও সংগঠনগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে।
রিউমার স্ক্যানারের বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়া শত শত ভুল ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ইতিমধ্যে শনাক্ত করা হয়েছে, যা জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি এবং সামাজিক অস্থিরতা উসকে দেওয়ার ঝুঁকি তৈরি করছে। এ পরিস্থিতিতে সংস্থাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তথ্য গ্রহণ ও শেয়ারের ক্ষেত্রে বাড়তি সতর্কতা এবং নির্ভরযোগ্য উৎস যাচাইয়ের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছে।




