শিরোনাম

প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন চান তরুণ ভোটাররা

প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন চান  তরুণ ভোটাররা
ছবি: সিটিজেন জার্নাল গ্রাফিক্স

দেশজুড়ে চলছে ভোটের আমেজ। রাজনৈতিক দলগুলোর প্রার্থী ও তাদের কর্মী-সমর্থকরা প্রচারে ব্যস্ত। ভোটারদের সমর্থন পেতে দিচ্ছেন নানা প্রতিশ্রুতি। তবে এবারের নির্বাচনের প্রেক্ষাপট ভিন্ন।জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। আর এই নির্বাচনের সবচেয়ে বড় শক্তি তরুণ ভোটাররা।

তারুণ্যের ভাবনায় নির্বাচন

তরুণরা চান সৎ নেতৃত্ব, কর্মসংস্থান, নিরাপত্তা এবং পুরোনো রাজনৈতিক সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসা একটি নতুন বাংলাদেশ। কিন্তু নির্বাচনের মাঠের বাস্তবতা, সহিংসতা ও রাজনৈতিক দলগুলোর পরস্পরের প্রতি অনাস্থা তাদের স্বপ্ন পূরণে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। রাজধানী ঢাকা ও ঢাকার বাইরের বেশ কয়েকজন তরুণ ভোটারের সঙ্গে কথা বলে নির্বাচন নিয়ে তাদের প্রত্যাশা ও আশঙ্কার এই চিত্র পাওয়া গেছে।

নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, দেশে বর্তমানে মোট ভোটার ১২ কোটি ৭৭ লাখের বেশি। এর মধ্যে প্রায় সাড়ে চার কোটি তরুণ ভোটার, যাদের বয়স ১৮ থেকে ৩৩ বছর। এই বিশাল ভোটব্যাংকই এবারের নির্বাচনের নিয়ামক শক্তি বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, দেশে বর্তমানে মোট ভোটার ১২ কোটি ৭৭ লাখের বেশি। এর মধ্যে প্রায় সাড়ে চার কোটি তরুণ ভোটার। যাদের বয়স ১৮ থেকে ৩৩ বছর। এই বিশাল ভোটব্যাংকই এবারের নির্বাচনের নিয়ামক শক্তি বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

তরুণ ভোটারদের প্রত্যাশার বিষয়ে নির্বাচন বিশ্লেষক ও ইসির সাবেক অতিরিক্ত সচিব জেসমিন টুলি বলেছেন, ‘দেশের প্রায় ৩৫ শতাংশ ভোটার তরুণ। এবারের নির্বাচনে তারা বড় ফ্যাক্টর। তারা এমন একটি সরকার চায়, যারা দেশকে দুর্নীতিমুক্ত এবং বেকার তরুণদের জন্য পর্যাপ্ত কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করবে।’ তার মতে, ‘ব্যক্তিগত জীবন, পরিবার ও কর্মজীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাও তরুণদের একটি বড় দাবি।’

জেসমিন টুলি বলেন, ‘২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের মূল লক্ষ্য ছিল বেকারত্ব দূর করে শিক্ষিত যুবকদের জন্য চাকরির ব্যবস্থা করা। পাশাপাশি যারা ইতোমধ্যে কর্মরত আছেন, তাদের কর্মস্থল ও চাকরির নিরাপত্তা নিশ্চিত করা- ওই আন্দোলনের গুরুত্বপূর্ণ দাবি ছিল। তাই আমার মনে হয়, তরুণরা এবার ভেবেচিন্তে ভোট দেবে। যারা দুর্নীতিমুক্ত ও বৈষম্যহীন সমাজ গড়তে পারবে তরুণরা তাদেরই ক্ষমতায় দেখতে চায়। কেননা, তরুণরা সামনে এগোতে চায়। যারা জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রত্যাশা পূরণ করবে, এমন প্রার্থীদের ভোট দেবেন তরুণরা।’

এবারের নির্বাচন ঘিরে মানুষের স্বপ্ন ও প্রত্যাশা অনেক। কারণ ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালের নির্বাচন ছিল নানা কারণে প্রশ্নবিদ্ধ। একতরফা নির্বাচন, রাতের ভোট, কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দিতে না পারা এবং ব্যালট ছিনিয়ে নিয়ে সিল দেওয়ার মতো গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। তবে এবার ভোটাররা নিজেদের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে পারবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

কাঠামোগত পরিবর্তনের প্রত্যাশা

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের লোক প্রশাসন বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র ইয়াসির আরাফাত। জুলাই আন্দোলনে অংশ নেন রাজধানীর মিরপুর এলাকা থেকে। নোয়াখালী-৬ আসনের তরুণ এই ভোটার মনে করেন, ‘এই নির্বাচন শুধু ক্ষমতা বদলের নয়, কাঠামোগত পরিবর্তনের সুযোগ।’ তার ভাষায়, ‘সৎ ও যোগ্য মানুষকে নির্বাচিত করতে না পারলে জুলাই আন্দোলনের অর্থই হারিয়ে যাবে।’

তিনি বলেন, ‘তরুণদের প্রধান দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে– নতুন কর্মসংস্থান, মানসম্মত ও আধুনিক শিক্ষা, নিত্যপণ্যের দাম সহনীয় রাখা, দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসন, সবার জন্য স্বাস্থ্যসেবা এবং প্রযুক্তিনির্ভর দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা।’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের এবারই প্রথম ভোট দেবেন অনেক শিক্ষার্থী । ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে ছবি: সিটিজেন জার্নাল
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের এবারই প্রথম ভোট দেবেন অনেক শিক্ষার্থী । ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে ছবি: সিটিজেন জার্নাল

ইয়াসির আরাফাতের মতো দেশের কাঠামোগত পরিবর্তন চান তেজগাঁও কলেজের অর্থনীতি বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী তাজরিন সুলতানা এ্যানি। তিনি কুমিল্লা-৪ আসনের ভোটার। ভোট দিতে যাবেন কিনা-এমন প্রশ্নের জবাবে এই শিক্ষার্থী বলেন, ‘একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে ভোট দেওয়া আমাদের দায়িত্ব। ভোটের মাধ্যমেই আমরা যোগ্য ও সৎ ব্যক্তিকে নির্বাচিত করার সুযোগ পাই। তাই আমি আমার ভোট অবশ্যই দেবো।’

নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা

ভোটের পরিবেশ ও নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন তরুণ ভোটারদের অনেকে। তাদের অভিযোগ, ২০২৪ সালের জুলাই–আগস্টের আন্দোলনের মধ্য দিয়ে সরকার পরিবর্তন হলেও মাঠপর্যায়ে এখনো আগের প্রশাসনিক ব্যবস্থার প্রভাব রয়ে গেছে।

তরুণ ভোটাররা আরও বলেন, গত এক বছরে টানা রাজনৈতিক সহিংসতায় বহু মানুষ আহত ও নিহত হয়েছে। এসব ঘটনার কারণে নির্বাচন ঘিরে নিরাপত্তা পরিস্থিতি এবং শান্তিপূর্ণ ভোটের পরিবেশ নিয়ে তরুণদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে।

এবার জাতীয় নির্বাচনে অনেক তরুণ-তরুণী ভোট দেবেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা ভবন এলাকায় ছবি: সিটিজেন জার্নাল
এবার জাতীয় নির্বাচনে অনেক তরুণ-তরুণী ভোট দেবেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা ভবন এলাকায় ছবি: সিটিজেন জার্নাল

এ বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাচ্যকলা বিভাগের শিক্ষার্থী মো. সাজিদুল ইসলাম বলেন, ‘৫ আগস্টের পর জনগণ যা প্রত্যাশা করেছিল, তা পায়নি। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সরকার যেভাবে ব্যর্থ হচ্ছে; এ অবস্থায় অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন কীভাবে হবে, তা দেখার বিষয়।

তিনি আরও বলেন, ‘নির্বাচন পূর্ববর্তী সময়ে আমরা যে ভায়োলেন্সগুলো দেখেছি, ওসমান হাদির মৃত্যু তার মধ্যে একটা। আরও নানারকম ষড়যন্ত্র আমরা দেখেছি। আমরা দেখছি রাজনৈতিক দলগুলো নিজ দলের দীর্ঘদিনের বয়ান পরিবর্তন করে ফেলছে। জুলাই পরবর্তী সময়ে তরুণদের যে আশা-আকাঙ্ক্ষা ছিল, তা অনেকটাই ম্লান হয়ে গেছে।’

নতুন ভোটারদের কথা

নেত্রকোনা-৩ (আটপাড়া-কেন্দুয়া) আসনের কেন্দুয়া পৌরশহরের দিগদাইর এলাকার বাসিন্দা মো. আবু তাহেরের ছেলে মো. আবু তারেক (১৯) ও একই এলাকার মো. হাসিম মিয়ার মেয়ে তামান্না আক্তার (১৯) এবার নতুন ভোটার হয়েছেন। ভোট দিতে যাবেন কিনা জানতে চাইলে আবু তারেক বলেন, ‘জীবনে প্রথমবার ভোট দেবো। তাই অনেক আগ্রহ নিয়ে অপেক্ষা করছি। আশা করি, এবারের নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হবে।’

অন্যদিকে তামান্না আক্তার বলেন, ‘আমরা গ্রামের মানুষ। আমাদের কাছে এলাকার উন্নয়ন সবার আগে। এজন্য সৎ ও যোগ্য প্রার্থীকে ভোট দিতে চাই। বিশেষ করে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে তরুণদের দেশের সম্পদে পরিণত করবেন- এমন প্রার্থীকেই বেছে নিতে চাই।’

আমরা গ্রামের মানুষ। আমাদের কাছে এলাকার উন্নয়ন সবার আগে। এজন্য সৎ ও যোগ্য প্রার্থীকে ভোট দিতে চাই। বিশেষ করে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে তরুণদের দেশের সম্পদে পরিণত করবেন- এমন প্রার্থীকেই বেছে নিতে চাই।
তামান্না আক্তার নতুন ভোটার, নেত্রকোনা (কেন্দুয়া)

নরসিংদীর মনোহরদী উপজেলার শুকুন্দী বালিয়াকান্দা গ্রামের কলেজছাত্র আশরাফুল ইসলাম সজল একজন নতুন ভোটার। এবারের নির্বাচন, সুষ্ঠু ও অবাধ ও উৎসবমুখর পরিবেশে হবে বলে প্রত্যাশা তার। সজল বলেন, ‘পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দেওয়ার অপেক্ষায় আছি। আমি মনে করি ভোট দেওয়া প্রতিটি নাগরিকের নৈতিক দায়িত্ব। সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য কেন্দ্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা খুব গুরুত্বপূর্ণ।’

দলগুলোর প্রতি আস্থা

বর্তমান রাজনৈতিক দলগুলোর ওপর আস্থা রাখতে চান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের চতুর্থ বর্ষের একজন শিক্ষার্থী। নাম প্রকাশ না করার শর্তে তিনি বলেন, ‘রাজনৈতিক দলগুলো নির্বাচন এলে বেশ ভালো ভালো ইশতেহার দেয়। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই তার বাস্তবায়ন তেমন দেখা যায় না। আশা করি এবার দলগুলো জনগণকে দেওয়া কথা রাখবে।’

নিজের ভোট নিজেই দিতে পারবেন বলে আশা করছেন অনেক তরুণ ভোটার ছবি: সিটিজেন জার্নাল
নিজের ভোট নিজেই দিতে পারবেন বলে আশা করছেন অনেক তরুণ ভোটার ছবি: সিটিজেন জার্নাল

নির্বাচনে সরকারের নিরপেক্ষতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন এই শিক্ষার্থী। তিনি বলেন, ‘এ নির্বাচন অভ্যুত্থান পরবর্তী নির্বাচন। মানুষ ভোটাধিকার ফেরত চায়। তবে আমরা গণমাধ্যমে দেখছি, কোনো কোনো প্রার্থী নিয়ম ভেঙে সময়ের আগেই প্রচারণায় নেমেছেন। অনেক প্রার্থী মনোনয়ন জমা দিতে গিয়ে ‘মবের’ শিকার হয়েছেন। এসব বিষয় নির্বাচন কমিশন ও সরকারের নিরপেক্ষতা ও সক্ষমতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করে।’

সম্প্রতি নির্বাচন ঘিরে শেরপুর, ভোলাসহ বেশ কিছু স্থানে সহিংসতার ঘটনা তরুণদের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। হিউম্যান রাইটস সাপোর্ট সোসাইটির তথ্য অনুযায়ী, গত বছরে রাজনৈতিক সহিংসতায় প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত ১৩৩ জন। এই সহিংসতা নির্বাচনকেন্দ্রিক নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা বাড়িয়েছে।

ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের তথ্য অনুযায়ী, এবারের নির্বাচনে প্রার্থীদের বড় একটি অংশ কোটিপতি ও ঋণগ্রস্ত। তাদের অর্থ ও পেশিশক্তির প্রভাব নিয়ে তরুণদের মধ্যে সন্দেহ আরও গভীর হয়েছে।

তরুণ ভোটারদের নিয়ে প্রার্থীদের ভাবনা

ঢাকা-১০ আসনের বিএনপি মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী শেখ রবিউল ইসলাম রবি সিটিজেন জার্নালকে বলেন, ‘আমরা তরুণদের বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করতে চাই। যে বাংলাদেশে তরুণ নেতৃত্বও প্রতিষ্ঠিত হবে। বিএনপি সরকার গঠন করলে কর্মসংস্থান সৃষ্টির পাশাপাশি তরুণদের উন্নয়নে বেশ কিছু উদ্যোগ নেবে।’

তরুণদের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও তাদের আত্মনির্ভরশীল করার জন্য নানা উদ্যোগ নেওয়ার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন পটুয়াখালী-৩ (গলাচিপা-দশমিনা) আসনের জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী অধ্যাপক শাহ আলম। তিনি জানান, বেকার ভাতা নয়, তাদের দল তরুণদের জন্য পর্যাপ্ত কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে এবং চাাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন অপরাধ বন্ধে তরুণদের প্রশিক্ষণ দিয়ে উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলবে। তরুণদের ঘুষ, দুর্নীতিমুক্ত ও বৈষম্যহীন নতুন বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন পূরণে জামায়াতে ইসলামী সব ধরনের সহায়তা করবে।

তরুণ ভোটাররা নতুন বাংলাদেশ গড়ার জন্য মুখিয়ে আছে। তরুণরা চায় এমন এক দেশ- যেখানে দখল, চাঁদাবাজি ও মাস্তানি থাকবে না। আমরা ক্ষমতায় গেলে যুবক ও তরুণদের জন্য নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি, ডিজিটাল ও নতুন প্রযুক্তিবিষয়ক প্রশিক্ষণ এবং শিক্ষাখাতে বরাদ্দ বাড়াবো।
নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী সংসদ সদস্য প্রার্থী, ঢাকা-৮

দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতি-মুক্ত এবং তরুণদের স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়ার আশ্বাস দিয়েছেন ঢাকা-৮ আসনের প্রার্থী নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। তিনি বলেছেন, ‘তরুণ ভোটাররা নতুন বাংলাদেশ গড়ার জন্য মুখিয়ে আছে। তরুণরা চায় এমন এক দেশ, যেখানে দখল, চাঁদাবাজি ও মাস্তানি থাকবে না। আমরা ক্ষমতায় গেলে যুবক ও তরুণদের জন্য নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি, ডিজিটাল ও নতুন প্রযুক্তিবিষয়ক প্রশিক্ষণ এবং শিক্ষাখাতে বরাদ্দ বাড়াবো ‘

আশঙ্কার মধ্যেও আশার আলো

নির্বাচন কেন্দ্র করে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে অবিশ্বাস, বাদানুবাদ ও পাল্টাপাল্টি অভিযোগের মধ্যেও পুরোপুরি হতাশ নন তরুণ ভোটারদের বড় একটি অংশ। তাদের বিশ্বাস, যদি নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করা যায় এবং রাজনৈতিক দলগুলো তাদের ইশতেহারে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করে; তবে সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে যাবে বাংলাদেশ।

/বিবি/