এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্পে অনিয়ম: কাদেরসহ ১৩ সাবেক সচিবের নথি সংগ্রহ

এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্পে অনিয়ম: কাদেরসহ ১৩ সাবেক সচিবের নথি সংগ্রহ
সিটিজেন ডেস্ক

ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে পিপিপি প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনের জন্য অধিগ্রহণ করা জমি ভিন্ন উদ্দেশ্যে ব্যবহারের অভিযোগে দায়ের করা মামলার তদন্তে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরসহ ১৩ জন সাবেক সচিবের বিষয়ে তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
তদন্তের অংশ হিসেবে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সরকারি সংস্থার কাছে প্রয়োজনীয় নথিপত্র ও দাপ্তরিক রেকর্ড চেয়ে চিঠি পাঠিয়েছে সংস্থাটি। দুদক বলছে, প্রকল্প-সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়া, দায়িত্ব পালনকালীন নথি এবং প্রশাসনিক কার্যক্রম পর্যালোচনা করেই পরবর্তী পদক্ষেপ নির্ধারণ করা হবে।
দুদকের উপপরিচালক আকতারুল ইসলাম জানিয়েছেন, মামলাটি বর্তমানে তদন্তাধীন রয়েছে। কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথি এখনো না পাওয়ায় সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে পুনরায় চিঠি দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।
দুদকের মামলার নথি অনুযায়ী, ২০১৮ সালে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে পিপিপি প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনের উদ্দেশ্যে প্রায় ৪০ একর জমি অধিগ্রহণ করে। সরকারি গেজেট অনুযায়ী ওই জমি শুধু ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনের জন্য ব্যবহারের কথা ছিল।
তবে পরবর্তীতে ওই জমির ব্যবহার পরিবর্তন করে সরকারি কর্মচারীদের আবাসন প্রকল্পে রূপান্তরের উদ্যোগ নেওয়া হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য নির্ধারিত জমিতে ফ্ল্যাট নির্মাণ না করে তা সরকারি কর্মকর্তাদের জন্য ৯৯ বছরের লিজে আবাসন সুবিধা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, যা গেজেটের শর্তের পরিপন্থী।
দুদকের অভিযোগে বলা হয়েছে, এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে পুনর্বাসন নীতিমালা লঙ্ঘন করা হয়েছে এবং প্রকল্প-সংশ্লিষ্ট ক্ষতিগ্রস্তরা ন্যায্য সুবিধা থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। একই সঙ্গে ক্ষমতার অপব্যবহার এবং রাষ্ট্রীয় সম্পদের অনিয়মিত ব্যবহারের মাধ্যমে আর্থিক ক্ষতির অভিযোগও আনা হয়েছে।
দীর্ঘ অনুসন্ধানের পর গত বছর এ ঘটনায় মোট ১৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা করে দুদক। আসামিদের মধ্যে রয়েছেন সাবেক মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম, সাবেক মুখ্য সচিব আহমদ কায়কাউসসহ বিভিন্ন পর্যায়ের সাবেক সরকারি কর্মকর্তারা।
মামলায় অভিযোগ করা হয়, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা পরস্পরের যোগসাজশে সরকারি নীতিমালা উপেক্ষা করে জমির উদ্দেশ্য পরিবর্তন করেন এবং তা সরকারি কর্মকর্তাদের আবাসনের জন্য ব্যবহারের সুযোগ তৈরি করেন। বর্তমানে মামলাটির তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
এদিকে একই দিনে দুদক কার্যালয়ে হাজির হন ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের (ডিএমটিসিএল) সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম এ এন সিদ্দিক। মেট্রোরেল প্রকল্পে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ সংক্রান্ত অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করা হয়েছিল বলে দুদক সূত্র জানিয়েছে।
দুদক কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বড় অবকাঠামো প্রকল্পে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগকে অগ্রাধিকার দিয়ে তদন্ত এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। তদন্ত শেষে সংশ্লিষ্টদের দায় নির্ধারণ করে আইন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে পিপিপি প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনের জন্য অধিগ্রহণ করা জমি ভিন্ন উদ্দেশ্যে ব্যবহারের অভিযোগে দায়ের করা মামলার তদন্তে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরসহ ১৩ জন সাবেক সচিবের বিষয়ে তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
তদন্তের অংশ হিসেবে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সরকারি সংস্থার কাছে প্রয়োজনীয় নথিপত্র ও দাপ্তরিক রেকর্ড চেয়ে চিঠি পাঠিয়েছে সংস্থাটি। দুদক বলছে, প্রকল্প-সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়া, দায়িত্ব পালনকালীন নথি এবং প্রশাসনিক কার্যক্রম পর্যালোচনা করেই পরবর্তী পদক্ষেপ নির্ধারণ করা হবে।
দুদকের উপপরিচালক আকতারুল ইসলাম জানিয়েছেন, মামলাটি বর্তমানে তদন্তাধীন রয়েছে। কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথি এখনো না পাওয়ায় সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে পুনরায় চিঠি দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।
দুদকের মামলার নথি অনুযায়ী, ২০১৮ সালে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে পিপিপি প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনের উদ্দেশ্যে প্রায় ৪০ একর জমি অধিগ্রহণ করে। সরকারি গেজেট অনুযায়ী ওই জমি শুধু ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনের জন্য ব্যবহারের কথা ছিল।
তবে পরবর্তীতে ওই জমির ব্যবহার পরিবর্তন করে সরকারি কর্মচারীদের আবাসন প্রকল্পে রূপান্তরের উদ্যোগ নেওয়া হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য নির্ধারিত জমিতে ফ্ল্যাট নির্মাণ না করে তা সরকারি কর্মকর্তাদের জন্য ৯৯ বছরের লিজে আবাসন সুবিধা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, যা গেজেটের শর্তের পরিপন্থী।
দুদকের অভিযোগে বলা হয়েছে, এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে পুনর্বাসন নীতিমালা লঙ্ঘন করা হয়েছে এবং প্রকল্প-সংশ্লিষ্ট ক্ষতিগ্রস্তরা ন্যায্য সুবিধা থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। একই সঙ্গে ক্ষমতার অপব্যবহার এবং রাষ্ট্রীয় সম্পদের অনিয়মিত ব্যবহারের মাধ্যমে আর্থিক ক্ষতির অভিযোগও আনা হয়েছে।
দীর্ঘ অনুসন্ধানের পর গত বছর এ ঘটনায় মোট ১৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা করে দুদক। আসামিদের মধ্যে রয়েছেন সাবেক মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম, সাবেক মুখ্য সচিব আহমদ কায়কাউসসহ বিভিন্ন পর্যায়ের সাবেক সরকারি কর্মকর্তারা।
মামলায় অভিযোগ করা হয়, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা পরস্পরের যোগসাজশে সরকারি নীতিমালা উপেক্ষা করে জমির উদ্দেশ্য পরিবর্তন করেন এবং তা সরকারি কর্মকর্তাদের আবাসনের জন্য ব্যবহারের সুযোগ তৈরি করেন। বর্তমানে মামলাটির তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
এদিকে একই দিনে দুদক কার্যালয়ে হাজির হন ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের (ডিএমটিসিএল) সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম এ এন সিদ্দিক। মেট্রোরেল প্রকল্পে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ সংক্রান্ত অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করা হয়েছিল বলে দুদক সূত্র জানিয়েছে।
দুদক কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বড় অবকাঠামো প্রকল্পে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগকে অগ্রাধিকার দিয়ে তদন্ত এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। তদন্ত শেষে সংশ্লিষ্টদের দায় নির্ধারণ করে আইন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্পে অনিয়ম: কাদেরসহ ১৩ সাবেক সচিবের নথি সংগ্রহ
সিটিজেন ডেস্ক

ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে পিপিপি প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনের জন্য অধিগ্রহণ করা জমি ভিন্ন উদ্দেশ্যে ব্যবহারের অভিযোগে দায়ের করা মামলার তদন্তে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরসহ ১৩ জন সাবেক সচিবের বিষয়ে তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
তদন্তের অংশ হিসেবে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সরকারি সংস্থার কাছে প্রয়োজনীয় নথিপত্র ও দাপ্তরিক রেকর্ড চেয়ে চিঠি পাঠিয়েছে সংস্থাটি। দুদক বলছে, প্রকল্প-সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়া, দায়িত্ব পালনকালীন নথি এবং প্রশাসনিক কার্যক্রম পর্যালোচনা করেই পরবর্তী পদক্ষেপ নির্ধারণ করা হবে।
দুদকের উপপরিচালক আকতারুল ইসলাম জানিয়েছেন, মামলাটি বর্তমানে তদন্তাধীন রয়েছে। কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথি এখনো না পাওয়ায় সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে পুনরায় চিঠি দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।
দুদকের মামলার নথি অনুযায়ী, ২০১৮ সালে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে পিপিপি প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনের উদ্দেশ্যে প্রায় ৪০ একর জমি অধিগ্রহণ করে। সরকারি গেজেট অনুযায়ী ওই জমি শুধু ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনের জন্য ব্যবহারের কথা ছিল।
তবে পরবর্তীতে ওই জমির ব্যবহার পরিবর্তন করে সরকারি কর্মচারীদের আবাসন প্রকল্পে রূপান্তরের উদ্যোগ নেওয়া হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য নির্ধারিত জমিতে ফ্ল্যাট নির্মাণ না করে তা সরকারি কর্মকর্তাদের জন্য ৯৯ বছরের লিজে আবাসন সুবিধা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, যা গেজেটের শর্তের পরিপন্থী।
দুদকের অভিযোগে বলা হয়েছে, এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে পুনর্বাসন নীতিমালা লঙ্ঘন করা হয়েছে এবং প্রকল্প-সংশ্লিষ্ট ক্ষতিগ্রস্তরা ন্যায্য সুবিধা থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। একই সঙ্গে ক্ষমতার অপব্যবহার এবং রাষ্ট্রীয় সম্পদের অনিয়মিত ব্যবহারের মাধ্যমে আর্থিক ক্ষতির অভিযোগও আনা হয়েছে।
দীর্ঘ অনুসন্ধানের পর গত বছর এ ঘটনায় মোট ১৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা করে দুদক। আসামিদের মধ্যে রয়েছেন সাবেক মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম, সাবেক মুখ্য সচিব আহমদ কায়কাউসসহ বিভিন্ন পর্যায়ের সাবেক সরকারি কর্মকর্তারা।
মামলায় অভিযোগ করা হয়, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা পরস্পরের যোগসাজশে সরকারি নীতিমালা উপেক্ষা করে জমির উদ্দেশ্য পরিবর্তন করেন এবং তা সরকারি কর্মকর্তাদের আবাসনের জন্য ব্যবহারের সুযোগ তৈরি করেন। বর্তমানে মামলাটির তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
এদিকে একই দিনে দুদক কার্যালয়ে হাজির হন ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের (ডিএমটিসিএল) সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম এ এন সিদ্দিক। মেট্রোরেল প্রকল্পে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ সংক্রান্ত অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করা হয়েছিল বলে দুদক সূত্র জানিয়েছে।
দুদক কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বড় অবকাঠামো প্রকল্পে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগকে অগ্রাধিকার দিয়ে তদন্ত এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। তদন্ত শেষে সংশ্লিষ্টদের দায় নির্ধারণ করে আইন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।




