রোজায় ৬৫০ টাকায় গরুর মাংস, ৮ টাকায় ডিম বিক্রি করবে সরকার

রোজায় ৬৫০ টাকায় গরুর মাংস, ৮ টাকায় ডিম বিক্রি করবে সরকার
নিজস্ব প্রতিবেদক

রোজার মাসে ৬৫০ টাকায় ১ কেজি গরুর মাংস বিক্রি করবে সরকার। এ ছাড়া প্রতিটি ডিম ৮ টাকা ও প্রতি লিটার দুধ ৮০ টাকায় বিক্রি হবে। সাধারণ মানুষের জন্য সুলভ মূল্যে দুধ, ডিম, গরুর মাংস ও ব্রয়লার মুরগি বিক্রি করবে সরকার।
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় এবং প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের উদ্যোগে মাসব্যাপী এ কার্যক্রম পরিচালিত হবে। গত রবিবার রাজধানীর মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত এক সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
সভায় জানানো হয়, রমজানের আগের দিন থেকে ২৫ রমজান পর্যন্ত মোট ২৬ দিন ভ্রাম্যমাণ বিক্রয়কেন্দ্রের মাধ্যমে এসব পণ্য বিক্রি করা হবে। এ কর্মসূচির আওতায় ড্রেসড ব্রয়লার মুরগি প্রতি কেজি ২৪৫ টাকা, পাস্তুরিত দুধ প্রতি লিটার ৮০ টাকা, ডিম প্রতিটি ৮ টাকা এবং গরুর মাংস প্রতি কেজি ৬৫০ টাকায় বিক্রি করা হবে।
আরও সিদ্ধান্ত হয়, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের আওতাধীন বিভাগীয় পরিচালক ও জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তারা জেলা প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে ঢাকা শহরের বাইরে বিভিন্ন বিভাগীয় ও জেলা শহরেও স্থানীয় বাজার পরিস্থিতি বিবেচনায় সুলভ মূল্যে এসব পণ্য বিক্রির ব্যবস্থা নেবেন।
প্রাথমিকভাবে ঢাকা মহানগর ও সিটি করপোরেশন এলাকায় ২৫টি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে এ কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। স্থানীয় উদ্যোক্তা ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সঙ্গে সমন্বয় করে স্থায়ী স্পট নির্ধারণের মাধ্যমে পর্যায়ক্রমে বিক্রয়কেন্দ্রের সংখ্যা বাড়ানো হবে বলে জানানো হয়।

রোজার মাসে ৬৫০ টাকায় ১ কেজি গরুর মাংস বিক্রি করবে সরকার। এ ছাড়া প্রতিটি ডিম ৮ টাকা ও প্রতি লিটার দুধ ৮০ টাকায় বিক্রি হবে। সাধারণ মানুষের জন্য সুলভ মূল্যে দুধ, ডিম, গরুর মাংস ও ব্রয়লার মুরগি বিক্রি করবে সরকার।
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় এবং প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের উদ্যোগে মাসব্যাপী এ কার্যক্রম পরিচালিত হবে। গত রবিবার রাজধানীর মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত এক সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
সভায় জানানো হয়, রমজানের আগের দিন থেকে ২৫ রমজান পর্যন্ত মোট ২৬ দিন ভ্রাম্যমাণ বিক্রয়কেন্দ্রের মাধ্যমে এসব পণ্য বিক্রি করা হবে। এ কর্মসূচির আওতায় ড্রেসড ব্রয়লার মুরগি প্রতি কেজি ২৪৫ টাকা, পাস্তুরিত দুধ প্রতি লিটার ৮০ টাকা, ডিম প্রতিটি ৮ টাকা এবং গরুর মাংস প্রতি কেজি ৬৫০ টাকায় বিক্রি করা হবে।
আরও সিদ্ধান্ত হয়, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের আওতাধীন বিভাগীয় পরিচালক ও জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তারা জেলা প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে ঢাকা শহরের বাইরে বিভিন্ন বিভাগীয় ও জেলা শহরেও স্থানীয় বাজার পরিস্থিতি বিবেচনায় সুলভ মূল্যে এসব পণ্য বিক্রির ব্যবস্থা নেবেন।
প্রাথমিকভাবে ঢাকা মহানগর ও সিটি করপোরেশন এলাকায় ২৫টি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে এ কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। স্থানীয় উদ্যোক্তা ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সঙ্গে সমন্বয় করে স্থায়ী স্পট নির্ধারণের মাধ্যমে পর্যায়ক্রমে বিক্রয়কেন্দ্রের সংখ্যা বাড়ানো হবে বলে জানানো হয়।

রোজায় ৬৫০ টাকায় গরুর মাংস, ৮ টাকায় ডিম বিক্রি করবে সরকার
নিজস্ব প্রতিবেদক

রোজার মাসে ৬৫০ টাকায় ১ কেজি গরুর মাংস বিক্রি করবে সরকার। এ ছাড়া প্রতিটি ডিম ৮ টাকা ও প্রতি লিটার দুধ ৮০ টাকায় বিক্রি হবে। সাধারণ মানুষের জন্য সুলভ মূল্যে দুধ, ডিম, গরুর মাংস ও ব্রয়লার মুরগি বিক্রি করবে সরকার।
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় এবং প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের উদ্যোগে মাসব্যাপী এ কার্যক্রম পরিচালিত হবে। গত রবিবার রাজধানীর মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত এক সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
সভায় জানানো হয়, রমজানের আগের দিন থেকে ২৫ রমজান পর্যন্ত মোট ২৬ দিন ভ্রাম্যমাণ বিক্রয়কেন্দ্রের মাধ্যমে এসব পণ্য বিক্রি করা হবে। এ কর্মসূচির আওতায় ড্রেসড ব্রয়লার মুরগি প্রতি কেজি ২৪৫ টাকা, পাস্তুরিত দুধ প্রতি লিটার ৮০ টাকা, ডিম প্রতিটি ৮ টাকা এবং গরুর মাংস প্রতি কেজি ৬৫০ টাকায় বিক্রি করা হবে।
আরও সিদ্ধান্ত হয়, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের আওতাধীন বিভাগীয় পরিচালক ও জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তারা জেলা প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে ঢাকা শহরের বাইরে বিভিন্ন বিভাগীয় ও জেলা শহরেও স্থানীয় বাজার পরিস্থিতি বিবেচনায় সুলভ মূল্যে এসব পণ্য বিক্রির ব্যবস্থা নেবেন।
প্রাথমিকভাবে ঢাকা মহানগর ও সিটি করপোরেশন এলাকায় ২৫টি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে এ কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। স্থানীয় উদ্যোক্তা ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সঙ্গে সমন্বয় করে স্থায়ী স্পট নির্ধারণের মাধ্যমে পর্যায়ক্রমে বিক্রয়কেন্দ্রের সংখ্যা বাড়ানো হবে বলে জানানো হয়।




