গ্যাস সংকট: ঘোড়াশাল-পলাশ সার কারখানায় উৎপাদন বন্ধ
গ্যাস সংকট: ঘোড়াশাল-পলাশ সার কারখানায় উৎপাদন বন্ধ
তীব্র গ্যাস সংকটের কারণে নরসিংদীর পলাশের ঘোড়াশাল-পলাশ ফার্টিলাইজার পিএলসি কারখানার সার উৎপাদন বন্ধ হয়ে গেছে।


চাহিদা অনুযায়ী গ্যাস ও বিদ্যুৎ না পাওয়ায় দেশের তৈরি পোশাক কারখানাগুলোর উৎপাদন সক্ষমতা বর্তমানে ২৫ থেকে ৩০ শতাংশ পর্যন্ত কমে গেছে।

ইন্ডাকশন চুলার উপরিভাগ পরিষ্কার রাখার বিষয়টিও সমান জরুরি। গ্লাস-সিরামিক পৃষ্ঠে ময়লা বা পোড়া দাগ থাকলে তাপ সঞ্চালনে সমস্যা হয়। নিয়মিত পরিষ্কার রাখলে তাপ সহজে বাসনে পৌছায় এবং বিদ্যুতের অপচয় কমে।

দেশে দীর্ঘদিন ধরে মূল্যস্ফীতি ৯ শতাংশের নিচে নামছে না। মূল্যস্ফীতির চাপে মানুষের জীবনে কষ্ট বাড়ছে। বিনিয়োগ, ব্যবসা -বানিজ্য, রপ্তানি আয়- কোথাও স্বস্তির খবর নেই। ব্যাংকিং খাত এখনো নড়বড়ে অবস্থায়।

বিসিআইসির ৫টি ইউরিয়া কারখানা পূর্ণ সক্ষমতায় চালাতে প্রতিদিন প্রায় ১৯৭ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস প্রয়োজন হয়। চালু থাকা শাহজালাল ফার্টিলাইজার কারখানার দৈনিক উৎপাদন সক্ষমতা প্রায় ১ হাজার ৩০০ মেট্রিক টন।
তীব্র গ্যাস সংকটের কারণে নরসিংদীর পলাশের ঘোড়াশাল-পলাশ ফার্টিলাইজার পিএলসি কারখানার সার উৎপাদন বন্ধ হয়ে গেছে।

ত্রিমুখী সংকটে সাধারণ ভোক্তারা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। দুই থেকে তিন গুন দাম দিয়েও গ্যাসের সিলিন্ডার পাওয়া যাচ্ছে না। গ্যাসের অভাবে অনেক বাসায় রান্না হচ্ছে না।

দুই সপ্তাহের মধ্যে তৃতীয়বার দুর্ঘটনা ঘটেছে ঢাকার গ্যাস বিতরণের পাইপলাইনে। এবার উত্তরা টঙ্গী ব্রীজের কাছে শিল্প গ্রাহকের সার্ভিস লাইনের ভাল্ভ ফেটে উচ্চ চাপে গ্যাস লিকেজ হয়েছে। ফলে উত্তরা, উত্তরখান ও দক্ষিনখান এলাকায় গ্যাস সরবরাহ বন্ধ রয়েছে।

তিতাস গ্যাসফিল্ডের শহর ব্রাহ্মণবাড়িয়া। সেই শহরেই তীব্র গ্যাস সংকট দেখা দিয়েছে। রবিবার (১১ জানুয়ারি) সকালে নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস সরবরাহের দাবিতে শহরের কাউতলি বাসস্ট্যান্ড এলাকায় কর্মসূচি পালন করেছে সব শ্রেণি-পেশার মানুষ।

‘আজ কোনো চুলাই জ্বলেনি। গতকাল যা রান্না করেছিলাম তা খেয়ে কোনোমতে প্রাণ বাঁচাচ্ছি। কখন গ্যাস আসবে সেই অপেক্ষায় আছি’, কথাগুলো বলছিলেন রাজধানীর মিরপুরের রূপনগর এলাকার গৃহবধূ রুমা আক্তার।
