শিরোনাম

থাইল্যান্ডে একযোগে অর্ধশতাধিক স্থানে আগুন ও বোমা হামলা

সিজেডএন ডেস্ক
সিজেডএন ডেস্ক
থাইল্যান্ডে একযোগে অর্ধশতাধিক স্থানে আগুন ও বোমা হামলা
নারাথিওয়াতে আগুন নেভানোর চেষ্টা করছে ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা

থাইল্যান্ডের মুসলিম-সংখ্যাগরিষ্ঠ দক্ষিণাঞ্চলীয় সীমান্ত প্রদেশগুলোতে একযোগে ৫০টিরও বেশি স্থানে অগ্নিসংযোগ ও বোমা হামলার ঘটনা ঘটেছে। অঞ্চলজুড়ে অস্থিতিশীলতা ছড়ানোর উদ্দেশ্যে শনিবার (২২ আগস্ট) দিবাগত রাতে পরিকল্পিতভাবে এসব হামলা চালানো হয় বলে জানিয়েছে দেশটির সামরিক বাহিনী। এ ঘটনায় অন্তত দুই জন আহত হয়েছেন।

সেনাবাহিনীর অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা অভিযান কমান্ড জানিয়েছে, শনিবার রাত ৮টা থেকে মধ্যরাতের মধ্যে মূলত নারাথিওয়াত, ইয়ালা ও পাত্তানি প্রদেশে একযোগে এসব হামলা চালানো হয়। হামলাকারীরা স্থানীয় সরকারি কার্যালয়, দোকান, চোরাই গাড়ি এবং একাধিক টেলিযোগাযোগ টাওয়ারে আগুন ধরিয়ে দেয়। সবচেয়ে বেশি হামলার ঘটনা ঘটেছে নারাথিওয়াত প্রদেশে। সেখানকার মুয়াং জেলায় একটি বোমা বিস্ফোরণে দুই নারী আহত হন। নিরাপত্তার স্বার্থে নারাথিওয়াতে রাতভর কারফিউ জারি করা হলেও রবিবার (২৩ আগস্ট) সকালে তা তুলে নেওয়া হয়।

নারাথিওয়াতের একটি প্রশাসনিক কার্যালয়ের বাইরে পুড়ে যাওয়া গাড়ি
নারাথিওয়াতের একটি প্রশাসনিক কার্যালয়ের বাইরে পুড়ে যাওয়া গাড়ি

এখনও কোনো গোষ্ঠী এ হামলার দায় স্বীকার করেনি। তবে ২০০৪ সাল থেকে থাইল্যান্ডের বৌদ্ধ-সংখ্যাগরিষ্ঠ সরকারের বিরুদ্ধে স্বায়ত্ত্বশাসনের দাবিতে সশস্ত্র আন্দোলন চালিয়ে আসছে বিদ্রোহীরা। এর নেতৃত্বে রয়েছে বারিসান রেভোলুসি ন্যাশনাল। দুই দশকের এ সংঘাতে এ পর্যন্ত ৭ হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। ২০১৩ সালে মালয়েশিয়ার মধ্যস্থতায় শান্তি আলোচনা শুরু হলেও ব্যাংককের রাজনৈতিক রদবদল ও অভ্যন্তরীণ বিভাজনের কারণে বারবার তা থমকে যায়। এমনকি জুলাই মাসে ৫ সেনা সদস্য নিহত হওয়ার পর পরিকল্পিত আলোচনা স্থগিত হয়ে যায়।

সূত্র: বিবিসি

/এমএকে/