মোহাম্মদপুরের বসিলায় চাঁদা দাবি, ৫ ঘণ্টা নির্মাণকাজ বন্ধ

মোহাম্মদপুরের বসিলায় চাঁদা দাবি, ৫ ঘণ্টা নির্মাণকাজ বন্ধ
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর মোহাম্মদপুরের বসিলা সিটি হাউজিংয়ের ১ নম্বর সড়কের ১২ নম্বর বাড়িতে আলিফ ল্যান্ড ডেভেলপারস লিমিটেডের নির্মাণাধীন আলিফ ফেলু টাওয়ারে চাঁদা দাবির অভিযোগ উঠেছে।
গতকাল (২২ আগস্ট) শনিবার দুপুরে অজ্ঞাতপরিচয়ে প্রায় ১০ থেকে ১২ জন ব্যক্তি নির্মাণকাজ চলাকালে সেখানে গিয়ে চাঁদা দাবি করেন। এ সময় তারা ভবন থেকে বেশ কিছু নির্মাণ-সরঞ্জাম নিয়ে যান এবং চাঁদা না পাওয়া পর্যন্ত কাজ বন্ধ রাখার হুমকি দেন। পরে মালিকপক্ষের সঙ্গে সমঝোতা হলে সরঞ্জাম ফেরত দেওয়া হয়।
ওই ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করেছে। প্রশ্ন উঠেছে, মোহাম্মদপুরে চাঁদাবাজি বন্ধ হবে কবে।
এদিকে স্থানীয়দের দাবি, সেখানে চাঁদা নেওয়া হয়েছে। তবে আলিফ ল্যান্ড ডেভেলপারস লিমিটেডের দায়িত্বশীল ব্যক্তিরা বলছেন, কোনো ধরনের চাঁদা দেওয়া হয়নি।
রবিবার (২৩ আগস্ট) সরেজমিনে দেখা যায়, ভবনের আশপাশে নির্মাণকাজের পরিবেশ স্বাভাবিক রয়েছে। ভবনের ছাদে রাজমিস্ত্রীরা কাজ করছেন। স্থানীয় একটি দোকানে আগের দিনের সিসিটিভি ফুটেজ সংরক্ষিত রয়েছে।
স্থানীয় মুদি দোকানদার শামিম বলেন, ‘আমি তখন দোকানের ভেতরে ছিলাম। হঠাৎ দেখি ৭-৮ জন লোক কোদাল ও কড়াই নিয়ে চলে গেছে। মেশিন বন্ধ করে রেখে তারা চলে যায়। পুরো ঘটনা দুই থেকে তিন মিনিটের মধ্যে ঘটে। যারা চাঁদা দাবির জন্য এসেছিল, তারা সবাই মাস্ক পরা ছিল। কাউকে চেনা যায়নি। পরে শুনেছি, কোম্পানির লোকজনের সঙ্গে সমঝোতা হওয়ার প্রায় পাঁচ ঘণ্টা পর মিস্ত্রিদের সরঞ্জাম ফেরত দেওয়া হয়।’
ভবনের এক রাজমিস্ত্রি ফোরম্যান বলেন, ‘আমি সেদিন ঢালাইয়ের কাজে ব্যস্ত ছিলাম। তাই নিচের ঘটনা ভালোভাবে দেখতে পারিনি। তবে দুপুরে কয়েকজন এসে চিৎকার-চেঁচামেচি করছিল এবং কাজ বন্ধ রাখে। পরে শুনেছি, তারা চাঁদা দাবি করেছে। চাঁদা না দিলে কাজ করতে দেবে না বলেও জানায়।’
ভবনের নিরাপত্তাকর্মী কালু বলেন, ‘আমি ভেতরে কাজ করছিলাম। হঠাৎ ৮ থেকে ১০ জন লোক এসে মিস্ত্রিদের কোদাল, বেলচা ও খুন্তি নিয়ে চলে যায় এবং কাজ বন্ধ রাখতে বলে। তারা ভবনের মালিকের ফোন নম্বর চায় এবং টাকা না দিয়ে কাজ চালিয়ে যেতে নিষেধ করে। পরে আমরা মালিককে বিষয়টি জানাই। মালিকের সঙ্গে সমঝোতার পর চার থেকে পাঁচ ঘণ্টা পরে সরঞ্জাম ফেরত দেওয়া হয়। আমি এখানে অনেক বছর ধরে আছি, কিন্তু এভাবে প্রকাশ্যে চাঁদা দাবি করতে আগে কাউকে দেখিনি।’
ভবনের ম্যানেজার বলেন, ‘মালিকপক্ষের অনুমতি ছাড়া আমার পক্ষে বিস্তারিত কথা বলা সম্ভব নয়। গতকাল দুপুর ১টার দিকে ঘটনা ঘটে। কোনো ধরনের বড় ঝামেলা হয়নি। তারা এসে কাজ বন্ধ করে চলে যায়। পরে মালিককে জানালে তার সঙ্গে তাদের কথা হয়। কিছুক্ষণ পর তাদের একজন এসে সব সরঞ্জাম ফেরত দিয়ে যায়। চাঁদা নেওয়া হয়েছে কি না, সে বিষয়ে আমি কিছু জানি না। আমি কোম্পানির চাকরি করি, তাই অনুমতি ছাড়া কিছু বলা সম্ভব নয়।’
আলিফ ল্যান্ড ডেভেলপারস লিমিটেডের দায়িত্বে থাকা একজনের সঙ্গে কথা বললে তিনি চাঁদা লেনদেনের বিষয়টি অস্বীকার করেন।

রাজধানীর মোহাম্মদপুরের বসিলা সিটি হাউজিংয়ের ১ নম্বর সড়কের ১২ নম্বর বাড়িতে আলিফ ল্যান্ড ডেভেলপারস লিমিটেডের নির্মাণাধীন আলিফ ফেলু টাওয়ারে চাঁদা দাবির অভিযোগ উঠেছে।
গতকাল (২২ আগস্ট) শনিবার দুপুরে অজ্ঞাতপরিচয়ে প্রায় ১০ থেকে ১২ জন ব্যক্তি নির্মাণকাজ চলাকালে সেখানে গিয়ে চাঁদা দাবি করেন। এ সময় তারা ভবন থেকে বেশ কিছু নির্মাণ-সরঞ্জাম নিয়ে যান এবং চাঁদা না পাওয়া পর্যন্ত কাজ বন্ধ রাখার হুমকি দেন। পরে মালিকপক্ষের সঙ্গে সমঝোতা হলে সরঞ্জাম ফেরত দেওয়া হয়।
ওই ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করেছে। প্রশ্ন উঠেছে, মোহাম্মদপুরে চাঁদাবাজি বন্ধ হবে কবে।
এদিকে স্থানীয়দের দাবি, সেখানে চাঁদা নেওয়া হয়েছে। তবে আলিফ ল্যান্ড ডেভেলপারস লিমিটেডের দায়িত্বশীল ব্যক্তিরা বলছেন, কোনো ধরনের চাঁদা দেওয়া হয়নি।
রবিবার (২৩ আগস্ট) সরেজমিনে দেখা যায়, ভবনের আশপাশে নির্মাণকাজের পরিবেশ স্বাভাবিক রয়েছে। ভবনের ছাদে রাজমিস্ত্রীরা কাজ করছেন। স্থানীয় একটি দোকানে আগের দিনের সিসিটিভি ফুটেজ সংরক্ষিত রয়েছে।
স্থানীয় মুদি দোকানদার শামিম বলেন, ‘আমি তখন দোকানের ভেতরে ছিলাম। হঠাৎ দেখি ৭-৮ জন লোক কোদাল ও কড়াই নিয়ে চলে গেছে। মেশিন বন্ধ করে রেখে তারা চলে যায়। পুরো ঘটনা দুই থেকে তিন মিনিটের মধ্যে ঘটে। যারা চাঁদা দাবির জন্য এসেছিল, তারা সবাই মাস্ক পরা ছিল। কাউকে চেনা যায়নি। পরে শুনেছি, কোম্পানির লোকজনের সঙ্গে সমঝোতা হওয়ার প্রায় পাঁচ ঘণ্টা পর মিস্ত্রিদের সরঞ্জাম ফেরত দেওয়া হয়।’
ভবনের এক রাজমিস্ত্রি ফোরম্যান বলেন, ‘আমি সেদিন ঢালাইয়ের কাজে ব্যস্ত ছিলাম। তাই নিচের ঘটনা ভালোভাবে দেখতে পারিনি। তবে দুপুরে কয়েকজন এসে চিৎকার-চেঁচামেচি করছিল এবং কাজ বন্ধ রাখে। পরে শুনেছি, তারা চাঁদা দাবি করেছে। চাঁদা না দিলে কাজ করতে দেবে না বলেও জানায়।’
ভবনের নিরাপত্তাকর্মী কালু বলেন, ‘আমি ভেতরে কাজ করছিলাম। হঠাৎ ৮ থেকে ১০ জন লোক এসে মিস্ত্রিদের কোদাল, বেলচা ও খুন্তি নিয়ে চলে যায় এবং কাজ বন্ধ রাখতে বলে। তারা ভবনের মালিকের ফোন নম্বর চায় এবং টাকা না দিয়ে কাজ চালিয়ে যেতে নিষেধ করে। পরে আমরা মালিককে বিষয়টি জানাই। মালিকের সঙ্গে সমঝোতার পর চার থেকে পাঁচ ঘণ্টা পরে সরঞ্জাম ফেরত দেওয়া হয়। আমি এখানে অনেক বছর ধরে আছি, কিন্তু এভাবে প্রকাশ্যে চাঁদা দাবি করতে আগে কাউকে দেখিনি।’
ভবনের ম্যানেজার বলেন, ‘মালিকপক্ষের অনুমতি ছাড়া আমার পক্ষে বিস্তারিত কথা বলা সম্ভব নয়। গতকাল দুপুর ১টার দিকে ঘটনা ঘটে। কোনো ধরনের বড় ঝামেলা হয়নি। তারা এসে কাজ বন্ধ করে চলে যায়। পরে মালিককে জানালে তার সঙ্গে তাদের কথা হয়। কিছুক্ষণ পর তাদের একজন এসে সব সরঞ্জাম ফেরত দিয়ে যায়। চাঁদা নেওয়া হয়েছে কি না, সে বিষয়ে আমি কিছু জানি না। আমি কোম্পানির চাকরি করি, তাই অনুমতি ছাড়া কিছু বলা সম্ভব নয়।’
আলিফ ল্যান্ড ডেভেলপারস লিমিটেডের দায়িত্বে থাকা একজনের সঙ্গে কথা বললে তিনি চাঁদা লেনদেনের বিষয়টি অস্বীকার করেন।

মোহাম্মদপুরের বসিলায় চাঁদা দাবি, ৫ ঘণ্টা নির্মাণকাজ বন্ধ
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর মোহাম্মদপুরের বসিলা সিটি হাউজিংয়ের ১ নম্বর সড়কের ১২ নম্বর বাড়িতে আলিফ ল্যান্ড ডেভেলপারস লিমিটেডের নির্মাণাধীন আলিফ ফেলু টাওয়ারে চাঁদা দাবির অভিযোগ উঠেছে।
গতকাল (২২ আগস্ট) শনিবার দুপুরে অজ্ঞাতপরিচয়ে প্রায় ১০ থেকে ১২ জন ব্যক্তি নির্মাণকাজ চলাকালে সেখানে গিয়ে চাঁদা দাবি করেন। এ সময় তারা ভবন থেকে বেশ কিছু নির্মাণ-সরঞ্জাম নিয়ে যান এবং চাঁদা না পাওয়া পর্যন্ত কাজ বন্ধ রাখার হুমকি দেন। পরে মালিকপক্ষের সঙ্গে সমঝোতা হলে সরঞ্জাম ফেরত দেওয়া হয়।
ওই ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করেছে। প্রশ্ন উঠেছে, মোহাম্মদপুরে চাঁদাবাজি বন্ধ হবে কবে।
এদিকে স্থানীয়দের দাবি, সেখানে চাঁদা নেওয়া হয়েছে। তবে আলিফ ল্যান্ড ডেভেলপারস লিমিটেডের দায়িত্বশীল ব্যক্তিরা বলছেন, কোনো ধরনের চাঁদা দেওয়া হয়নি।
রবিবার (২৩ আগস্ট) সরেজমিনে দেখা যায়, ভবনের আশপাশে নির্মাণকাজের পরিবেশ স্বাভাবিক রয়েছে। ভবনের ছাদে রাজমিস্ত্রীরা কাজ করছেন। স্থানীয় একটি দোকানে আগের দিনের সিসিটিভি ফুটেজ সংরক্ষিত রয়েছে।
স্থানীয় মুদি দোকানদার শামিম বলেন, ‘আমি তখন দোকানের ভেতরে ছিলাম। হঠাৎ দেখি ৭-৮ জন লোক কোদাল ও কড়াই নিয়ে চলে গেছে। মেশিন বন্ধ করে রেখে তারা চলে যায়। পুরো ঘটনা দুই থেকে তিন মিনিটের মধ্যে ঘটে। যারা চাঁদা দাবির জন্য এসেছিল, তারা সবাই মাস্ক পরা ছিল। কাউকে চেনা যায়নি। পরে শুনেছি, কোম্পানির লোকজনের সঙ্গে সমঝোতা হওয়ার প্রায় পাঁচ ঘণ্টা পর মিস্ত্রিদের সরঞ্জাম ফেরত দেওয়া হয়।’
ভবনের এক রাজমিস্ত্রি ফোরম্যান বলেন, ‘আমি সেদিন ঢালাইয়ের কাজে ব্যস্ত ছিলাম। তাই নিচের ঘটনা ভালোভাবে দেখতে পারিনি। তবে দুপুরে কয়েকজন এসে চিৎকার-চেঁচামেচি করছিল এবং কাজ বন্ধ রাখে। পরে শুনেছি, তারা চাঁদা দাবি করেছে। চাঁদা না দিলে কাজ করতে দেবে না বলেও জানায়।’
ভবনের নিরাপত্তাকর্মী কালু বলেন, ‘আমি ভেতরে কাজ করছিলাম। হঠাৎ ৮ থেকে ১০ জন লোক এসে মিস্ত্রিদের কোদাল, বেলচা ও খুন্তি নিয়ে চলে যায় এবং কাজ বন্ধ রাখতে বলে। তারা ভবনের মালিকের ফোন নম্বর চায় এবং টাকা না দিয়ে কাজ চালিয়ে যেতে নিষেধ করে। পরে আমরা মালিককে বিষয়টি জানাই। মালিকের সঙ্গে সমঝোতার পর চার থেকে পাঁচ ঘণ্টা পরে সরঞ্জাম ফেরত দেওয়া হয়। আমি এখানে অনেক বছর ধরে আছি, কিন্তু এভাবে প্রকাশ্যে চাঁদা দাবি করতে আগে কাউকে দেখিনি।’
ভবনের ম্যানেজার বলেন, ‘মালিকপক্ষের অনুমতি ছাড়া আমার পক্ষে বিস্তারিত কথা বলা সম্ভব নয়। গতকাল দুপুর ১টার দিকে ঘটনা ঘটে। কোনো ধরনের বড় ঝামেলা হয়নি। তারা এসে কাজ বন্ধ করে চলে যায়। পরে মালিককে জানালে তার সঙ্গে তাদের কথা হয়। কিছুক্ষণ পর তাদের একজন এসে সব সরঞ্জাম ফেরত দিয়ে যায়। চাঁদা নেওয়া হয়েছে কি না, সে বিষয়ে আমি কিছু জানি না। আমি কোম্পানির চাকরি করি, তাই অনুমতি ছাড়া কিছু বলা সম্ভব নয়।’
আলিফ ল্যান্ড ডেভেলপারস লিমিটেডের দায়িত্বে থাকা একজনের সঙ্গে কথা বললে তিনি চাঁদা লেনদেনের বিষয়টি অস্বীকার করেন।









