কূটনৈতিক এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার

কূটনৈতিক এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর ঢাকায় অবস্থিত বিভিন্ন দূতাবাস ও সরকারি দপ্তরে হামলার হুমকির ঘটনায় পুরো কূটনৈতিক এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। একইসঙ্গে বারিধারা ও গুলশানের দূতাবাসগুলোকে বিশেষ নজরদারির আওতায় আনা হয়েছে।
রবিবার (২৩ আগস্ট) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ডিএমপির কূটনৈতিক নিরাপত্তা বিভাগের কর্মকর্তা অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার (এডিসি) আবু খায়ের।
তিনি বলেন, হুমকি ও চাঁদা দাবির ঘটনায় কূটনৈতিক এলাকায় আগের চেয়ে নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে। বিশেষ করে চেকপোস্ট, টহল এবং দূতাবাসের সামনে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। সেই সঙ্গে কুইক রেসপন্স টিমগুলোকেও প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
এর আগে, ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা বিভাগের (ডিবি) প্রধান অতিরিক্ত কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, বিভিন্ন দূতাবাস ও সরকারি দপ্তরে ইমেইলের মাধ্যমে চাঁদা দাবি করে হুমকি দিচ্ছে একটি প্রতারক চক্র। প্রতারক চক্রটি চীন, পাকিস্তান ও তুরস্কসহ চারটি বিদেশি দূতাবাস এবং বেশ কয়েকটি সরকারি দপ্তরে এ ধরনের হুমকিমূলক ইমেইল পাঠিয়েছে।
তিনি বলেন, প্রতারক চক্রটি ইমেইলে সাধারণ মানুষের বিকাশ নম্বর ব্যবহার করছে। যাদের বিকাশ নম্বর এসব ইমেইলে দেওয়া হয়েছিলো, তেমন তিন-চারজনকে আমরা জিজ্ঞাসাবাদের জন্য এনেছিলাম। তারা এ বিষয়ে কিছুই জানে না।
শফিকুল ইসলাম বলেন, আমাদের প্রাথমিক ধারণা- এটি কেবল চাঁদাবাজির চেষ্টা নাও হতে পারে। বিদেশি রাষ্ট্রদূত ও কূটনৈতিক মিশনগুলোর মধ্যে আতঙ্ক তৈরি এবং দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করাও এই চক্রের উদ্দেশ্য হতে পারে।

রাজধানীর ঢাকায় অবস্থিত বিভিন্ন দূতাবাস ও সরকারি দপ্তরে হামলার হুমকির ঘটনায় পুরো কূটনৈতিক এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। একইসঙ্গে বারিধারা ও গুলশানের দূতাবাসগুলোকে বিশেষ নজরদারির আওতায় আনা হয়েছে।
রবিবার (২৩ আগস্ট) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ডিএমপির কূটনৈতিক নিরাপত্তা বিভাগের কর্মকর্তা অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার (এডিসি) আবু খায়ের।
তিনি বলেন, হুমকি ও চাঁদা দাবির ঘটনায় কূটনৈতিক এলাকায় আগের চেয়ে নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে। বিশেষ করে চেকপোস্ট, টহল এবং দূতাবাসের সামনে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। সেই সঙ্গে কুইক রেসপন্স টিমগুলোকেও প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
এর আগে, ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা বিভাগের (ডিবি) প্রধান অতিরিক্ত কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, বিভিন্ন দূতাবাস ও সরকারি দপ্তরে ইমেইলের মাধ্যমে চাঁদা দাবি করে হুমকি দিচ্ছে একটি প্রতারক চক্র। প্রতারক চক্রটি চীন, পাকিস্তান ও তুরস্কসহ চারটি বিদেশি দূতাবাস এবং বেশ কয়েকটি সরকারি দপ্তরে এ ধরনের হুমকিমূলক ইমেইল পাঠিয়েছে।
তিনি বলেন, প্রতারক চক্রটি ইমেইলে সাধারণ মানুষের বিকাশ নম্বর ব্যবহার করছে। যাদের বিকাশ নম্বর এসব ইমেইলে দেওয়া হয়েছিলো, তেমন তিন-চারজনকে আমরা জিজ্ঞাসাবাদের জন্য এনেছিলাম। তারা এ বিষয়ে কিছুই জানে না।
শফিকুল ইসলাম বলেন, আমাদের প্রাথমিক ধারণা- এটি কেবল চাঁদাবাজির চেষ্টা নাও হতে পারে। বিদেশি রাষ্ট্রদূত ও কূটনৈতিক মিশনগুলোর মধ্যে আতঙ্ক তৈরি এবং দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করাও এই চক্রের উদ্দেশ্য হতে পারে।

কূটনৈতিক এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর ঢাকায় অবস্থিত বিভিন্ন দূতাবাস ও সরকারি দপ্তরে হামলার হুমকির ঘটনায় পুরো কূটনৈতিক এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। একইসঙ্গে বারিধারা ও গুলশানের দূতাবাসগুলোকে বিশেষ নজরদারির আওতায় আনা হয়েছে।
রবিবার (২৩ আগস্ট) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ডিএমপির কূটনৈতিক নিরাপত্তা বিভাগের কর্মকর্তা অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার (এডিসি) আবু খায়ের।
তিনি বলেন, হুমকি ও চাঁদা দাবির ঘটনায় কূটনৈতিক এলাকায় আগের চেয়ে নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে। বিশেষ করে চেকপোস্ট, টহল এবং দূতাবাসের সামনে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। সেই সঙ্গে কুইক রেসপন্স টিমগুলোকেও প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
এর আগে, ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা বিভাগের (ডিবি) প্রধান অতিরিক্ত কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, বিভিন্ন দূতাবাস ও সরকারি দপ্তরে ইমেইলের মাধ্যমে চাঁদা দাবি করে হুমকি দিচ্ছে একটি প্রতারক চক্র। প্রতারক চক্রটি চীন, পাকিস্তান ও তুরস্কসহ চারটি বিদেশি দূতাবাস এবং বেশ কয়েকটি সরকারি দপ্তরে এ ধরনের হুমকিমূলক ইমেইল পাঠিয়েছে।
তিনি বলেন, প্রতারক চক্রটি ইমেইলে সাধারণ মানুষের বিকাশ নম্বর ব্যবহার করছে। যাদের বিকাশ নম্বর এসব ইমেইলে দেওয়া হয়েছিলো, তেমন তিন-চারজনকে আমরা জিজ্ঞাসাবাদের জন্য এনেছিলাম। তারা এ বিষয়ে কিছুই জানে না।
শফিকুল ইসলাম বলেন, আমাদের প্রাথমিক ধারণা- এটি কেবল চাঁদাবাজির চেষ্টা নাও হতে পারে। বিদেশি রাষ্ট্রদূত ও কূটনৈতিক মিশনগুলোর মধ্যে আতঙ্ক তৈরি এবং দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করাও এই চক্রের উদ্দেশ্য হতে পারে।

বিভিন্ন দূতাবাস ও সরকারি দপ্তরে হুমকি দিচ্ছে প্রতারক চক্র: ডিবিপ্রধান






