ব্যবসা সহজ করার উদ্যোগ বাজেটের ভালো দিক

ব্যবসা সহজ করার উদ্যোগ বাজেটের ভালো দিক
আদালত সংবাদদাতা

সিজেডএন টোয়েন্টিফোর: এবারের বাজেটে প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৬.৫ শতাংশ। এই লক্ষ্যমাত্রা আসলে কতটা পূরণ করা সম্ভব হবে বলে আপনি মনে করছেন?
ড. গোলাম রসুল: এই বছর জিডিপির গ্রোথ খুবই কম ৪ শতাংশের মতো। এই গ্রোথ ৬/৭ শতাংশে উন্নীত করতে হবে। সরকার এই টার্গেট করেই জিডিপি গ্রোথের লক্ষ্যমাত্রা ৬.৫ শতাংশ নির্ধারণ করেছে। বর্তমান বাস্তবতায় মনে হচ্ছে, এটা একটু কঠিন হবে। কারণ আমাদের প্রাইভেট সেক্টর একটু স্থবির হয়ে আছে। সেক্ষেত্রে এই টার্গেটটা একটু অ্যামবিশাস মনে হয়। কিন্তু বাংলাদেশের অভিজ্ঞতা বলছে আমাদের ইকোনমিক গ্রোথ একসময় ছয়, সাত এমনকি ৮ শতাংশ পর্যন্ত ছিল। সেই কোভিডের সময় থেকে গ্রোথটা কমতে থাকে। আমরা যদি আমাদের প্রোডাক্টিভ যে সেক্টরগুলো আছে বিশেষ করে বিজনেস সেক্টর, বেসরকারি খাত-এসব চাঙা করতে পারি তাহলে এই গ্রোথটা এচিভ করা সম্ভব।
সিজেডএন টোয়েন্টিফোর: এই বাজেটে আর কোন কোন বিষয়কে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে?
ড. গোলাম রসুল: এই বাজেটে সোশ্যাল সেক্টরগুলোকে বেশ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। বাজেটে সামাজিক নিরাপত্তা খাতে সবচেয়ে বেশি ১ লাখ ৪৪ হাজার ৩৩৮ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। এটা আমাদের দরকার ছিল। আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশগুলোতে কিন্তু এই ব্যয় আরও বেশি। গত কয়েক বছরে আমাদের দেশের দারিদ্র্যের হারটা একটু বেড়েছে। প্রায় ৪০ শতাংশের বেশি লোক এখন দারিদ্র্যসীমার নিচে চলে গেছে। তাদেরকে যদি আপনি সামাজিক সুরক্ষা দিতে না পারেন, তবে এটা শুধু বর্তমান না ভবিষ্যতের জন্যও একটা রিস্ক তৈরি করবে। সেজন্য সরকার এবার সামাজিক সুরক্ষাকে সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়ে হাইয়েস্ট বাজেট দিয়েছে।
সিজেডএন টোয়েন্টিফোর: বয়স্ক বা প্রতিবন্ধী যারা আছেন তাদের দিকেও কিন্তু এই বাজেটে বিশেষ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি আপনি কীভাবে দেখছেন?
ড. গোলাম রসুল: এটা ভালো। কিন্তু উদ্যোগটা এখনো খুবই ছোট। আমাদের দেশে বয়স্কদের জন্য একটা নতুন পলিসি দরকার। আমাদের ডেমোগ্রাফি কিন্তু চেঞ্জ হয়ে যাচ্ছে। একসময় মানুষের গড় আয়ু অনেক কম ছিল। এখন গড় আয়ু ৭৩ হয়ে গেছে, আরও বাড়ছে। গড় আয়ু বাড়ার কারণে আমাদের বয়োজ্যেষ্ঠ লোকের সংখ্যা অনেক বেড়ে যাচ্ছে। কাজেই ভবিষ্যতে সরকার হয়তো এদিকে আরও বেশি নজর দেবে। তবে এই বাজেটে অল্প অল্প কিছু করছে। যেমন একটি উদাহরণ দিই, ৬৫ বছরের বেশি সিনিয়র সিটিজেনদের ট্রেনে সম্পূর্ণ ফ্রি এবং মেট্রোলের টিকেট ২৫ শতাংশ কম করা হয়েছে। তারপরে যারা বয়স্ক তাদের চিকিৎসার কিছু সামগ্রীর আমদানির ক্ষেত্রে ট্যাক্স কমানো হয়েছে। যদিও ইটস এ ভেরি স্মল বিগিনিং বাট ইটস এ গুড বিগিনিং। বয়স্কদের জন্য আমাদের ভবিষ্যতে আরো বেশি চিন্তা করতে হবে।
সিজেডএন টোয়েন্টিফোর: অন্তর্বর্তীকালীন সরকার যখন ছিল তখন আমাদের দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য একেবারে স্থবির হয়েছিল, অনেকটা বন্ধ বলা চলে। এই বাজেটে বর্তমান সরকার ব্যবসা বাণিজ্যের ক্ষেত্রে বিশেষ কোনো সুবিধা বা সহজীকরণের ব্যবস্থা করছে কি না?
ড. গোলাম রসুল: আপনি খুব ভালো প্রশ্ন করেছেন। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে আমাদের ব্যবসার ক্ষেত্রে খুব খারাপ সময় গেছে। প্রাইভেট সেক্টর একেবারে মুখথুবড়ে পড়েছিল। এক্ষেত্রে আমি দেখলাম এই বাজেটে একটা চমৎকার জিনিস হচ্ছে। ব্যবসাকে সহজীকরণ করার জন্য একটা স্পেশাল সেকশন রাখা হয়েছে। আগে রেগুলেট বা কন্ট্রোল করা হতো। এটা করা যাবে না, ওটা করা যাবেনা। কিন্তু বেশি রেগুলেশন করলে খরচটা অনেক বেড়ে যায়। কস্ট অফ ডুইং বিজনেসটা অনেক বেড়ে যায়। ওয়ার্ল্ড ব্যাংক বা আইএমএফ-এর অনেকগুলো স্টাডিতে দেখা যাচ্ছে, আমাদের দেশের কস্ট অফ ডুইং বিজনেস অনেকবেশি এবং এটাকে সহজ করতে হবে। এবার বিনিয়োগকারীদের জন্য স্পেশাল কিছু উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

সিজেডএন টোয়েন্টিফোর: এবারের বাজেটে প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৬.৫ শতাংশ। এই লক্ষ্যমাত্রা আসলে কতটা পূরণ করা সম্ভব হবে বলে আপনি মনে করছেন?
ড. গোলাম রসুল: এই বছর জিডিপির গ্রোথ খুবই কম ৪ শতাংশের মতো। এই গ্রোথ ৬/৭ শতাংশে উন্নীত করতে হবে। সরকার এই টার্গেট করেই জিডিপি গ্রোথের লক্ষ্যমাত্রা ৬.৫ শতাংশ নির্ধারণ করেছে। বর্তমান বাস্তবতায় মনে হচ্ছে, এটা একটু কঠিন হবে। কারণ আমাদের প্রাইভেট সেক্টর একটু স্থবির হয়ে আছে। সেক্ষেত্রে এই টার্গেটটা একটু অ্যামবিশাস মনে হয়। কিন্তু বাংলাদেশের অভিজ্ঞতা বলছে আমাদের ইকোনমিক গ্রোথ একসময় ছয়, সাত এমনকি ৮ শতাংশ পর্যন্ত ছিল। সেই কোভিডের সময় থেকে গ্রোথটা কমতে থাকে। আমরা যদি আমাদের প্রোডাক্টিভ যে সেক্টরগুলো আছে বিশেষ করে বিজনেস সেক্টর, বেসরকারি খাত-এসব চাঙা করতে পারি তাহলে এই গ্রোথটা এচিভ করা সম্ভব।
সিজেডএন টোয়েন্টিফোর: এই বাজেটে আর কোন কোন বিষয়কে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে?
ড. গোলাম রসুল: এই বাজেটে সোশ্যাল সেক্টরগুলোকে বেশ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। বাজেটে সামাজিক নিরাপত্তা খাতে সবচেয়ে বেশি ১ লাখ ৪৪ হাজার ৩৩৮ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। এটা আমাদের দরকার ছিল। আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশগুলোতে কিন্তু এই ব্যয় আরও বেশি। গত কয়েক বছরে আমাদের দেশের দারিদ্র্যের হারটা একটু বেড়েছে। প্রায় ৪০ শতাংশের বেশি লোক এখন দারিদ্র্যসীমার নিচে চলে গেছে। তাদেরকে যদি আপনি সামাজিক সুরক্ষা দিতে না পারেন, তবে এটা শুধু বর্তমান না ভবিষ্যতের জন্যও একটা রিস্ক তৈরি করবে। সেজন্য সরকার এবার সামাজিক সুরক্ষাকে সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়ে হাইয়েস্ট বাজেট দিয়েছে।
সিজেডএন টোয়েন্টিফোর: বয়স্ক বা প্রতিবন্ধী যারা আছেন তাদের দিকেও কিন্তু এই বাজেটে বিশেষ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি আপনি কীভাবে দেখছেন?
ড. গোলাম রসুল: এটা ভালো। কিন্তু উদ্যোগটা এখনো খুবই ছোট। আমাদের দেশে বয়স্কদের জন্য একটা নতুন পলিসি দরকার। আমাদের ডেমোগ্রাফি কিন্তু চেঞ্জ হয়ে যাচ্ছে। একসময় মানুষের গড় আয়ু অনেক কম ছিল। এখন গড় আয়ু ৭৩ হয়ে গেছে, আরও বাড়ছে। গড় আয়ু বাড়ার কারণে আমাদের বয়োজ্যেষ্ঠ লোকের সংখ্যা অনেক বেড়ে যাচ্ছে। কাজেই ভবিষ্যতে সরকার হয়তো এদিকে আরও বেশি নজর দেবে। তবে এই বাজেটে অল্প অল্প কিছু করছে। যেমন একটি উদাহরণ দিই, ৬৫ বছরের বেশি সিনিয়র সিটিজেনদের ট্রেনে সম্পূর্ণ ফ্রি এবং মেট্রোলের টিকেট ২৫ শতাংশ কম করা হয়েছে। তারপরে যারা বয়স্ক তাদের চিকিৎসার কিছু সামগ্রীর আমদানির ক্ষেত্রে ট্যাক্স কমানো হয়েছে। যদিও ইটস এ ভেরি স্মল বিগিনিং বাট ইটস এ গুড বিগিনিং। বয়স্কদের জন্য আমাদের ভবিষ্যতে আরো বেশি চিন্তা করতে হবে।
সিজেডএন টোয়েন্টিফোর: অন্তর্বর্তীকালীন সরকার যখন ছিল তখন আমাদের দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য একেবারে স্থবির হয়েছিল, অনেকটা বন্ধ বলা চলে। এই বাজেটে বর্তমান সরকার ব্যবসা বাণিজ্যের ক্ষেত্রে বিশেষ কোনো সুবিধা বা সহজীকরণের ব্যবস্থা করছে কি না?
ড. গোলাম রসুল: আপনি খুব ভালো প্রশ্ন করেছেন। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে আমাদের ব্যবসার ক্ষেত্রে খুব খারাপ সময় গেছে। প্রাইভেট সেক্টর একেবারে মুখথুবড়ে পড়েছিল। এক্ষেত্রে আমি দেখলাম এই বাজেটে একটা চমৎকার জিনিস হচ্ছে। ব্যবসাকে সহজীকরণ করার জন্য একটা স্পেশাল সেকশন রাখা হয়েছে। আগে রেগুলেট বা কন্ট্রোল করা হতো। এটা করা যাবে না, ওটা করা যাবেনা। কিন্তু বেশি রেগুলেশন করলে খরচটা অনেক বেড়ে যায়। কস্ট অফ ডুইং বিজনেসটা অনেক বেড়ে যায়। ওয়ার্ল্ড ব্যাংক বা আইএমএফ-এর অনেকগুলো স্টাডিতে দেখা যাচ্ছে, আমাদের দেশের কস্ট অফ ডুইং বিজনেস অনেকবেশি এবং এটাকে সহজ করতে হবে। এবার বিনিয়োগকারীদের জন্য স্পেশাল কিছু উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

ব্যবসা সহজ করার উদ্যোগ বাজেটের ভালো দিক
আদালত সংবাদদাতা

সিজেডএন টোয়েন্টিফোর: এবারের বাজেটে প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৬.৫ শতাংশ। এই লক্ষ্যমাত্রা আসলে কতটা পূরণ করা সম্ভব হবে বলে আপনি মনে করছেন?
ড. গোলাম রসুল: এই বছর জিডিপির গ্রোথ খুবই কম ৪ শতাংশের মতো। এই গ্রোথ ৬/৭ শতাংশে উন্নীত করতে হবে। সরকার এই টার্গেট করেই জিডিপি গ্রোথের লক্ষ্যমাত্রা ৬.৫ শতাংশ নির্ধারণ করেছে। বর্তমান বাস্তবতায় মনে হচ্ছে, এটা একটু কঠিন হবে। কারণ আমাদের প্রাইভেট সেক্টর একটু স্থবির হয়ে আছে। সেক্ষেত্রে এই টার্গেটটা একটু অ্যামবিশাস মনে হয়। কিন্তু বাংলাদেশের অভিজ্ঞতা বলছে আমাদের ইকোনমিক গ্রোথ একসময় ছয়, সাত এমনকি ৮ শতাংশ পর্যন্ত ছিল। সেই কোভিডের সময় থেকে গ্রোথটা কমতে থাকে। আমরা যদি আমাদের প্রোডাক্টিভ যে সেক্টরগুলো আছে বিশেষ করে বিজনেস সেক্টর, বেসরকারি খাত-এসব চাঙা করতে পারি তাহলে এই গ্রোথটা এচিভ করা সম্ভব।
সিজেডএন টোয়েন্টিফোর: এই বাজেটে আর কোন কোন বিষয়কে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে?
ড. গোলাম রসুল: এই বাজেটে সোশ্যাল সেক্টরগুলোকে বেশ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। বাজেটে সামাজিক নিরাপত্তা খাতে সবচেয়ে বেশি ১ লাখ ৪৪ হাজার ৩৩৮ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। এটা আমাদের দরকার ছিল। আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশগুলোতে কিন্তু এই ব্যয় আরও বেশি। গত কয়েক বছরে আমাদের দেশের দারিদ্র্যের হারটা একটু বেড়েছে। প্রায় ৪০ শতাংশের বেশি লোক এখন দারিদ্র্যসীমার নিচে চলে গেছে। তাদেরকে যদি আপনি সামাজিক সুরক্ষা দিতে না পারেন, তবে এটা শুধু বর্তমান না ভবিষ্যতের জন্যও একটা রিস্ক তৈরি করবে। সেজন্য সরকার এবার সামাজিক সুরক্ষাকে সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়ে হাইয়েস্ট বাজেট দিয়েছে।
সিজেডএন টোয়েন্টিফোর: বয়স্ক বা প্রতিবন্ধী যারা আছেন তাদের দিকেও কিন্তু এই বাজেটে বিশেষ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি আপনি কীভাবে দেখছেন?
ড. গোলাম রসুল: এটা ভালো। কিন্তু উদ্যোগটা এখনো খুবই ছোট। আমাদের দেশে বয়স্কদের জন্য একটা নতুন পলিসি দরকার। আমাদের ডেমোগ্রাফি কিন্তু চেঞ্জ হয়ে যাচ্ছে। একসময় মানুষের গড় আয়ু অনেক কম ছিল। এখন গড় আয়ু ৭৩ হয়ে গেছে, আরও বাড়ছে। গড় আয়ু বাড়ার কারণে আমাদের বয়োজ্যেষ্ঠ লোকের সংখ্যা অনেক বেড়ে যাচ্ছে। কাজেই ভবিষ্যতে সরকার হয়তো এদিকে আরও বেশি নজর দেবে। তবে এই বাজেটে অল্প অল্প কিছু করছে। যেমন একটি উদাহরণ দিই, ৬৫ বছরের বেশি সিনিয়র সিটিজেনদের ট্রেনে সম্পূর্ণ ফ্রি এবং মেট্রোলের টিকেট ২৫ শতাংশ কম করা হয়েছে। তারপরে যারা বয়স্ক তাদের চিকিৎসার কিছু সামগ্রীর আমদানির ক্ষেত্রে ট্যাক্স কমানো হয়েছে। যদিও ইটস এ ভেরি স্মল বিগিনিং বাট ইটস এ গুড বিগিনিং। বয়স্কদের জন্য আমাদের ভবিষ্যতে আরো বেশি চিন্তা করতে হবে।
সিজেডএন টোয়েন্টিফোর: অন্তর্বর্তীকালীন সরকার যখন ছিল তখন আমাদের দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য একেবারে স্থবির হয়েছিল, অনেকটা বন্ধ বলা চলে। এই বাজেটে বর্তমান সরকার ব্যবসা বাণিজ্যের ক্ষেত্রে বিশেষ কোনো সুবিধা বা সহজীকরণের ব্যবস্থা করছে কি না?
ড. গোলাম রসুল: আপনি খুব ভালো প্রশ্ন করেছেন। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে আমাদের ব্যবসার ক্ষেত্রে খুব খারাপ সময় গেছে। প্রাইভেট সেক্টর একেবারে মুখথুবড়ে পড়েছিল। এক্ষেত্রে আমি দেখলাম এই বাজেটে একটা চমৎকার জিনিস হচ্ছে। ব্যবসাকে সহজীকরণ করার জন্য একটা স্পেশাল সেকশন রাখা হয়েছে। আগে রেগুলেট বা কন্ট্রোল করা হতো। এটা করা যাবে না, ওটা করা যাবেনা। কিন্তু বেশি রেগুলেশন করলে খরচটা অনেক বেড়ে যায়। কস্ট অফ ডুইং বিজনেসটা অনেক বেড়ে যায়। ওয়ার্ল্ড ব্যাংক বা আইএমএফ-এর অনেকগুলো স্টাডিতে দেখা যাচ্ছে, আমাদের দেশের কস্ট অফ ডুইং বিজনেস অনেকবেশি এবং এটাকে সহজ করতে হবে। এবার বিনিয়োগকারীদের জন্য স্পেশাল কিছু উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।



