‘এই মিয়া চুপ, একেবারে খেয়ে ফেলব’

‘এই মিয়া চুপ, একেবারে খেয়ে ফেলব’
সিটিজেন ডেস্ক

মাদারীপুর-১ (শিবচর) আসনের সংসদ সদস্য পীরজাদা সাইদ উদ্দিন আহমদ হানজালার একটি সালিসি বৈঠকের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। এতে বৈঠকের একপর্যায়ে তাকে উত্তেজিত প্রতিক্রিয়া জানাতে দেখা যায়। ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পর এলাকায় বিষয়টি নিয়ে আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
শনিবার (২০ জুন) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া প্রায় এক মিনিটের ওই ভিডিওতে দেখা যায়, সালিস বৈঠকের সময় এমপি হানজালা উপস্থিত কয়েকজনের বক্তব্যে অসন্তোষ প্রকাশ করছেন। একপর্যায়ে তিনি বলেন, “কথা বললেন কেন? আপনারা এখানে কাউন্টার দিলেন কেন?” পরে টেবিলে হাত চাপড়ে উপস্থিত একজনকে উদ্দেশ করে বলেন, “এই মিয়া চুপ করেন, একেবারে খেয়ে ফেলব। চুপ করেন। আমি আসছি বিচার করার জন্য। কাউন্টার দিলে আমি দেব।”
স্থানীয় সূত্র জানায়, শিবচর উপজেলার দত্তপাড়া এলাকায় বিএনপির কর্মী তারামিয়া মল্লিককে ঘিরে একটি বিরোধ নিষ্পত্তির লক্ষ্যে আয়োজিত সালিস বৈঠকে এ ঘটনা ঘটে। বৈঠকে বিপুলসংখ্যক স্থানীয় মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
তারামিয়া মল্লিক দাবি করেন, ঘটনাটি প্রায় এক মাস আগের। সালিসের সময় বিভিন্ন পক্ষের বক্তব্য ও সম্ভাব্য সিদ্ধান্ত নিয়ে মতপার্থক্য দেখা দিলে পরিস্থিতি ধীরে ধীরে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। তিনি বলেন, নিজের অবস্থান তুলে ধরে আপত্তি জানালে একপর্যায়ে সংসদ সদস্য ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া দেখান।
তার ভাষ্য, সালিসি বৈঠকে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের বক্তব্য শোনা এবং মতামত বিবেচনা করা গুরুত্বপূর্ণ হলেও ওই বৈঠকে তা যথাযথভাবে প্রতিফলিত হয়নি।
স্থানীয়দের মতে, বৈঠকের একপর্যায়ে উত্তেজনা সৃষ্টি হলে উপস্থিত কেউ মোবাইল ফোনে ঘটনাটি ধারণ করেন। পরে সেই ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নিয়ে এলাকায় নতুন করে আলোচনা শুরু হয়।
তবে এ বিষয়ে সংসদ সদস্য পীরজাদা সাইদ উদ্দিন আহমদ হানজালার বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।

মাদারীপুর-১ (শিবচর) আসনের সংসদ সদস্য পীরজাদা সাইদ উদ্দিন আহমদ হানজালার একটি সালিসি বৈঠকের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। এতে বৈঠকের একপর্যায়ে তাকে উত্তেজিত প্রতিক্রিয়া জানাতে দেখা যায়। ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পর এলাকায় বিষয়টি নিয়ে আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
শনিবার (২০ জুন) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া প্রায় এক মিনিটের ওই ভিডিওতে দেখা যায়, সালিস বৈঠকের সময় এমপি হানজালা উপস্থিত কয়েকজনের বক্তব্যে অসন্তোষ প্রকাশ করছেন। একপর্যায়ে তিনি বলেন, “কথা বললেন কেন? আপনারা এখানে কাউন্টার দিলেন কেন?” পরে টেবিলে হাত চাপড়ে উপস্থিত একজনকে উদ্দেশ করে বলেন, “এই মিয়া চুপ করেন, একেবারে খেয়ে ফেলব। চুপ করেন। আমি আসছি বিচার করার জন্য। কাউন্টার দিলে আমি দেব।”
স্থানীয় সূত্র জানায়, শিবচর উপজেলার দত্তপাড়া এলাকায় বিএনপির কর্মী তারামিয়া মল্লিককে ঘিরে একটি বিরোধ নিষ্পত্তির লক্ষ্যে আয়োজিত সালিস বৈঠকে এ ঘটনা ঘটে। বৈঠকে বিপুলসংখ্যক স্থানীয় মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
তারামিয়া মল্লিক দাবি করেন, ঘটনাটি প্রায় এক মাস আগের। সালিসের সময় বিভিন্ন পক্ষের বক্তব্য ও সম্ভাব্য সিদ্ধান্ত নিয়ে মতপার্থক্য দেখা দিলে পরিস্থিতি ধীরে ধীরে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। তিনি বলেন, নিজের অবস্থান তুলে ধরে আপত্তি জানালে একপর্যায়ে সংসদ সদস্য ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া দেখান।
তার ভাষ্য, সালিসি বৈঠকে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের বক্তব্য শোনা এবং মতামত বিবেচনা করা গুরুত্বপূর্ণ হলেও ওই বৈঠকে তা যথাযথভাবে প্রতিফলিত হয়নি।
স্থানীয়দের মতে, বৈঠকের একপর্যায়ে উত্তেজনা সৃষ্টি হলে উপস্থিত কেউ মোবাইল ফোনে ঘটনাটি ধারণ করেন। পরে সেই ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নিয়ে এলাকায় নতুন করে আলোচনা শুরু হয়।
তবে এ বিষয়ে সংসদ সদস্য পীরজাদা সাইদ উদ্দিন আহমদ হানজালার বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।

‘এই মিয়া চুপ, একেবারে খেয়ে ফেলব’
সিটিজেন ডেস্ক

মাদারীপুর-১ (শিবচর) আসনের সংসদ সদস্য পীরজাদা সাইদ উদ্দিন আহমদ হানজালার একটি সালিসি বৈঠকের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। এতে বৈঠকের একপর্যায়ে তাকে উত্তেজিত প্রতিক্রিয়া জানাতে দেখা যায়। ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পর এলাকায় বিষয়টি নিয়ে আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
শনিবার (২০ জুন) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া প্রায় এক মিনিটের ওই ভিডিওতে দেখা যায়, সালিস বৈঠকের সময় এমপি হানজালা উপস্থিত কয়েকজনের বক্তব্যে অসন্তোষ প্রকাশ করছেন। একপর্যায়ে তিনি বলেন, “কথা বললেন কেন? আপনারা এখানে কাউন্টার দিলেন কেন?” পরে টেবিলে হাত চাপড়ে উপস্থিত একজনকে উদ্দেশ করে বলেন, “এই মিয়া চুপ করেন, একেবারে খেয়ে ফেলব। চুপ করেন। আমি আসছি বিচার করার জন্য। কাউন্টার দিলে আমি দেব।”
স্থানীয় সূত্র জানায়, শিবচর উপজেলার দত্তপাড়া এলাকায় বিএনপির কর্মী তারামিয়া মল্লিককে ঘিরে একটি বিরোধ নিষ্পত্তির লক্ষ্যে আয়োজিত সালিস বৈঠকে এ ঘটনা ঘটে। বৈঠকে বিপুলসংখ্যক স্থানীয় মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
তারামিয়া মল্লিক দাবি করেন, ঘটনাটি প্রায় এক মাস আগের। সালিসের সময় বিভিন্ন পক্ষের বক্তব্য ও সম্ভাব্য সিদ্ধান্ত নিয়ে মতপার্থক্য দেখা দিলে পরিস্থিতি ধীরে ধীরে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। তিনি বলেন, নিজের অবস্থান তুলে ধরে আপত্তি জানালে একপর্যায়ে সংসদ সদস্য ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া দেখান।
তার ভাষ্য, সালিসি বৈঠকে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের বক্তব্য শোনা এবং মতামত বিবেচনা করা গুরুত্বপূর্ণ হলেও ওই বৈঠকে তা যথাযথভাবে প্রতিফলিত হয়নি।
স্থানীয়দের মতে, বৈঠকের একপর্যায়ে উত্তেজনা সৃষ্টি হলে উপস্থিত কেউ মোবাইল ফোনে ঘটনাটি ধারণ করেন। পরে সেই ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নিয়ে এলাকায় নতুন করে আলোচনা শুরু হয়।
তবে এ বিষয়ে সংসদ সদস্য পীরজাদা সাইদ উদ্দিন আহমদ হানজালার বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।




