এবার আসছে ট্রাম্পের স্বাক্ষরযুক্ত ডলার

এবার আসছে ট্রাম্পের স্বাক্ষরযুক্ত ডলার
সিটিজেন ডেস্ক

দ্বিতীয় মেয়াদে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার পর থেকেই ডোনাল্ড ট্রাম্প মার্কিন ইতিহাসে ‘নিজের নাম’ খোদাই করার চেষ্টায় মেতেছেন।
নিজের নামে বিমানবন্দরের নামকরণ, জুতার ব্র্যান্ড চালু, গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার নাম বদলে দেওয়া, ‘ট্রাম্প শুল্ক’ আরোপ, ইরানে হামলা, অন্য দেশের প্রেসিডেন্টকে তুলে আনা– এমন নানা কর্মকাণ্ডে নিজেকে স্মরণীয় করে রাখার এক নিরন্তর অভিযানে নেমেছেন এই রিপাবলিকান নেতা।
এবার যুক্তরাষ্ট্রের মুদ্রা ডলারে দেখা যাবে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের স্বাক্ষর, যা দেশটির ইতিহাসে প্রথম। আগে ডলারে সাবেক দুই মার্কিন প্রেসিডেন্টের প্রতিকৃতি থাকলেও কখনোই কোনো প্রেসিডেন্টের স্বাক্ষর ছিল না। থাকতো অর্থমন্ত্রী আর ট্রেজারারের স্বাক্ষর।
১৬৫ বছরের সেই পুরোনো রীতি এবার ভেঙে দেওয়া হচ্ছে বলে বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) মার্কিন অর্থ মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা ঘোষণার আড়াইশ বছর পূর্তি উপলক্ষে ট্রাম্প ও তার অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্টের স্বাক্ষরসহ ডলারের নোট বাজারে ছাড়ার এ সিদ্ধান্ত হয়েছে।
জুনে প্রথম এ দুইজনের স্বাক্ষর দেওয়া ১০০ ডলারের নোট ছাপা হবে। এরপর ধাপে ধাপে অন্য নোটগুলোতেও এটা করা হবে। নোটগুলো বাজারে আসতে কয়েক সপ্তাহ লেগে যেতে পারে।
অর্থমন্ত্রী বেসেন্ট বলেন, আমাদের দেশ ও প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঐতিহাসিক সব অর্জনকে স্বীকৃতি দেওয়ার সবচেয়ে উপযুক্ত উপায় হলো মার্কিন ডলারে নেতার সই যুক্ত করা।
২৫০ বছর আগে ১৭৭৬ সালের ৪ জুলাই যুক্তরাষ্ট্রের ১৩টি স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল ব্রিটেনের কাছ থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা দেয়। পরবর্তীতে ওই অঞ্চলগুলো অঙ্গরাজ্যে রূপান্তরিত হয়ে ‘মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র’ নামের দেশটি প্রতিষ্ঠা করে। ১৮৬১ সাল থেকে অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে ব্যাংকনোটে মার্কিন কোষাধ্যক্ষের স্বাক্ষর রাখার প্রথা চালু আছে।
যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান আইনে মুদ্রায় জীবিত প্রেসিডেন্টদের ছবি বা প্রতিকৃতি ব্যবহার নিষিদ্ধ। কিন্তু স্বাক্ষর নিয়ে কিছু বলা নেই। বর্তমানে যেসব ডলার ছাপানো হচ্ছে, সেগুলোতে সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের অর্থমন্ত্রী জ্যানেট ইয়েলেন ও কোষাধ্যক্ষ লিন মালের্বার স্বাক্ষর আছে।

এ মাসের শুরুতে মার্কিন ফেডারেল আর্টস কমিশন ট্রাম্পের ছবি সম্বলিত একটি ২৪ ক্যারেটের স্মারক স্বর্ণমুদ্রার অনুমোদন দিয়েছে। এই কয়েনটিও যুক্তরাষ্ট্রের ২৫০তম জন্মদিন উপলক্ষে বাজারে ছাড়া হবে।
আরও যত নামকরণ
এক কালের আবাসন ব্যবসায়ী ট্রাম্প রাজনীতিতে আসার আগেই বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে উঁচু উঁচু ভবনে নিজের নাম যুক্ত করেছেন। সম্প্রতি নিজ অঙ্গরাজ্য ফ্লোরিডার একটি বিমানবন্দর নিজের নামে করা উদ্যোগ নিয়েছেন। ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যের কংগ্রেসে এরইমধ্যে এ সংক্রান্ত একটি বিল পাস হয়েছে।
প্রয়াত প্রেসিডেন্ট জন এফ কেনেডির নামে নির্মিত ওয়াশিংটনের ‘কেনেডি সেন্টার’-এর নাম বদলে ‘ট্রাম্প-কেনেডি সেন্টার’ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ডিসেম্বরে ট্রাম্পের নিজের বেছে নেওয়া বোর্ড ওই প্রস্তাবে অনুমোদনও দিয়েছে।
প্রেসিডেন্ট হিসেবে প্রথম মেয়াদে কোভিড-১৯ মহামারীর কারণে কোটি কোটি মার্কিনিকে দেওয়া সহায়তার চেকেও তার নাম ছিল।

দ্বিতীয় মেয়াদে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার পর থেকেই ডোনাল্ড ট্রাম্প মার্কিন ইতিহাসে ‘নিজের নাম’ খোদাই করার চেষ্টায় মেতেছেন।
নিজের নামে বিমানবন্দরের নামকরণ, জুতার ব্র্যান্ড চালু, গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার নাম বদলে দেওয়া, ‘ট্রাম্প শুল্ক’ আরোপ, ইরানে হামলা, অন্য দেশের প্রেসিডেন্টকে তুলে আনা– এমন নানা কর্মকাণ্ডে নিজেকে স্মরণীয় করে রাখার এক নিরন্তর অভিযানে নেমেছেন এই রিপাবলিকান নেতা।
এবার যুক্তরাষ্ট্রের মুদ্রা ডলারে দেখা যাবে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের স্বাক্ষর, যা দেশটির ইতিহাসে প্রথম। আগে ডলারে সাবেক দুই মার্কিন প্রেসিডেন্টের প্রতিকৃতি থাকলেও কখনোই কোনো প্রেসিডেন্টের স্বাক্ষর ছিল না। থাকতো অর্থমন্ত্রী আর ট্রেজারারের স্বাক্ষর।
১৬৫ বছরের সেই পুরোনো রীতি এবার ভেঙে দেওয়া হচ্ছে বলে বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) মার্কিন অর্থ মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা ঘোষণার আড়াইশ বছর পূর্তি উপলক্ষে ট্রাম্প ও তার অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্টের স্বাক্ষরসহ ডলারের নোট বাজারে ছাড়ার এ সিদ্ধান্ত হয়েছে।
জুনে প্রথম এ দুইজনের স্বাক্ষর দেওয়া ১০০ ডলারের নোট ছাপা হবে। এরপর ধাপে ধাপে অন্য নোটগুলোতেও এটা করা হবে। নোটগুলো বাজারে আসতে কয়েক সপ্তাহ লেগে যেতে পারে।
অর্থমন্ত্রী বেসেন্ট বলেন, আমাদের দেশ ও প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঐতিহাসিক সব অর্জনকে স্বীকৃতি দেওয়ার সবচেয়ে উপযুক্ত উপায় হলো মার্কিন ডলারে নেতার সই যুক্ত করা।
২৫০ বছর আগে ১৭৭৬ সালের ৪ জুলাই যুক্তরাষ্ট্রের ১৩টি স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল ব্রিটেনের কাছ থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা দেয়। পরবর্তীতে ওই অঞ্চলগুলো অঙ্গরাজ্যে রূপান্তরিত হয়ে ‘মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র’ নামের দেশটি প্রতিষ্ঠা করে। ১৮৬১ সাল থেকে অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে ব্যাংকনোটে মার্কিন কোষাধ্যক্ষের স্বাক্ষর রাখার প্রথা চালু আছে।
যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান আইনে মুদ্রায় জীবিত প্রেসিডেন্টদের ছবি বা প্রতিকৃতি ব্যবহার নিষিদ্ধ। কিন্তু স্বাক্ষর নিয়ে কিছু বলা নেই। বর্তমানে যেসব ডলার ছাপানো হচ্ছে, সেগুলোতে সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের অর্থমন্ত্রী জ্যানেট ইয়েলেন ও কোষাধ্যক্ষ লিন মালের্বার স্বাক্ষর আছে।

এ মাসের শুরুতে মার্কিন ফেডারেল আর্টস কমিশন ট্রাম্পের ছবি সম্বলিত একটি ২৪ ক্যারেটের স্মারক স্বর্ণমুদ্রার অনুমোদন দিয়েছে। এই কয়েনটিও যুক্তরাষ্ট্রের ২৫০তম জন্মদিন উপলক্ষে বাজারে ছাড়া হবে।
আরও যত নামকরণ
এক কালের আবাসন ব্যবসায়ী ট্রাম্প রাজনীতিতে আসার আগেই বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে উঁচু উঁচু ভবনে নিজের নাম যুক্ত করেছেন। সম্প্রতি নিজ অঙ্গরাজ্য ফ্লোরিডার একটি বিমানবন্দর নিজের নামে করা উদ্যোগ নিয়েছেন। ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যের কংগ্রেসে এরইমধ্যে এ সংক্রান্ত একটি বিল পাস হয়েছে।
প্রয়াত প্রেসিডেন্ট জন এফ কেনেডির নামে নির্মিত ওয়াশিংটনের ‘কেনেডি সেন্টার’-এর নাম বদলে ‘ট্রাম্প-কেনেডি সেন্টার’ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ডিসেম্বরে ট্রাম্পের নিজের বেছে নেওয়া বোর্ড ওই প্রস্তাবে অনুমোদনও দিয়েছে।
প্রেসিডেন্ট হিসেবে প্রথম মেয়াদে কোভিড-১৯ মহামারীর কারণে কোটি কোটি মার্কিনিকে দেওয়া সহায়তার চেকেও তার নাম ছিল।

এবার আসছে ট্রাম্পের স্বাক্ষরযুক্ত ডলার
সিটিজেন ডেস্ক

দ্বিতীয় মেয়াদে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার পর থেকেই ডোনাল্ড ট্রাম্প মার্কিন ইতিহাসে ‘নিজের নাম’ খোদাই করার চেষ্টায় মেতেছেন।
নিজের নামে বিমানবন্দরের নামকরণ, জুতার ব্র্যান্ড চালু, গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার নাম বদলে দেওয়া, ‘ট্রাম্প শুল্ক’ আরোপ, ইরানে হামলা, অন্য দেশের প্রেসিডেন্টকে তুলে আনা– এমন নানা কর্মকাণ্ডে নিজেকে স্মরণীয় করে রাখার এক নিরন্তর অভিযানে নেমেছেন এই রিপাবলিকান নেতা।
এবার যুক্তরাষ্ট্রের মুদ্রা ডলারে দেখা যাবে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের স্বাক্ষর, যা দেশটির ইতিহাসে প্রথম। আগে ডলারে সাবেক দুই মার্কিন প্রেসিডেন্টের প্রতিকৃতি থাকলেও কখনোই কোনো প্রেসিডেন্টের স্বাক্ষর ছিল না। থাকতো অর্থমন্ত্রী আর ট্রেজারারের স্বাক্ষর।
১৬৫ বছরের সেই পুরোনো রীতি এবার ভেঙে দেওয়া হচ্ছে বলে বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) মার্কিন অর্থ মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা ঘোষণার আড়াইশ বছর পূর্তি উপলক্ষে ট্রাম্প ও তার অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্টের স্বাক্ষরসহ ডলারের নোট বাজারে ছাড়ার এ সিদ্ধান্ত হয়েছে।
জুনে প্রথম এ দুইজনের স্বাক্ষর দেওয়া ১০০ ডলারের নোট ছাপা হবে। এরপর ধাপে ধাপে অন্য নোটগুলোতেও এটা করা হবে। নোটগুলো বাজারে আসতে কয়েক সপ্তাহ লেগে যেতে পারে।
অর্থমন্ত্রী বেসেন্ট বলেন, আমাদের দেশ ও প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঐতিহাসিক সব অর্জনকে স্বীকৃতি দেওয়ার সবচেয়ে উপযুক্ত উপায় হলো মার্কিন ডলারে নেতার সই যুক্ত করা।
২৫০ বছর আগে ১৭৭৬ সালের ৪ জুলাই যুক্তরাষ্ট্রের ১৩টি স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল ব্রিটেনের কাছ থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা দেয়। পরবর্তীতে ওই অঞ্চলগুলো অঙ্গরাজ্যে রূপান্তরিত হয়ে ‘মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র’ নামের দেশটি প্রতিষ্ঠা করে। ১৮৬১ সাল থেকে অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে ব্যাংকনোটে মার্কিন কোষাধ্যক্ষের স্বাক্ষর রাখার প্রথা চালু আছে।
যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান আইনে মুদ্রায় জীবিত প্রেসিডেন্টদের ছবি বা প্রতিকৃতি ব্যবহার নিষিদ্ধ। কিন্তু স্বাক্ষর নিয়ে কিছু বলা নেই। বর্তমানে যেসব ডলার ছাপানো হচ্ছে, সেগুলোতে সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের অর্থমন্ত্রী জ্যানেট ইয়েলেন ও কোষাধ্যক্ষ লিন মালের্বার স্বাক্ষর আছে।

এ মাসের শুরুতে মার্কিন ফেডারেল আর্টস কমিশন ট্রাম্পের ছবি সম্বলিত একটি ২৪ ক্যারেটের স্মারক স্বর্ণমুদ্রার অনুমোদন দিয়েছে। এই কয়েনটিও যুক্তরাষ্ট্রের ২৫০তম জন্মদিন উপলক্ষে বাজারে ছাড়া হবে।
আরও যত নামকরণ
এক কালের আবাসন ব্যবসায়ী ট্রাম্প রাজনীতিতে আসার আগেই বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে উঁচু উঁচু ভবনে নিজের নাম যুক্ত করেছেন। সম্প্রতি নিজ অঙ্গরাজ্য ফ্লোরিডার একটি বিমানবন্দর নিজের নামে করা উদ্যোগ নিয়েছেন। ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যের কংগ্রেসে এরইমধ্যে এ সংক্রান্ত একটি বিল পাস হয়েছে।
প্রয়াত প্রেসিডেন্ট জন এফ কেনেডির নামে নির্মিত ওয়াশিংটনের ‘কেনেডি সেন্টার’-এর নাম বদলে ‘ট্রাম্প-কেনেডি সেন্টার’ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ডিসেম্বরে ট্রাম্পের নিজের বেছে নেওয়া বোর্ড ওই প্রস্তাবে অনুমোদনও দিয়েছে।
প্রেসিডেন্ট হিসেবে প্রথম মেয়াদে কোভিড-১৯ মহামারীর কারণে কোটি কোটি মার্কিনিকে দেওয়া সহায়তার চেকেও তার নাম ছিল।




