বিভিন্ন দেশের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র আলোচনার প্রস্তাব দিয়েছে: ইরান

বিভিন্ন দেশের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র আলোচনার প্রস্তাব দিয়েছে: ইরান
সিটিজেন ডেস্ক

যুদ্ধ বন্ধে বিভিন্ন বন্ধু দেশের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র আলোচনার প্রস্তাব পাঠিয়েছে বলে জানিয়েছে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
আজ সোমবার (২৪ মার্চ) বার্তাসংস্থা এএফপির প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
তবে তেহরান বলছে, ওয়াশিংটনের সঙ্গে তাদের কোনো সরাসরি যোগাযোগ বা আলোচনা হয়নি। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ইরনাকে বলেন, গত কয়েক দিনে একাধিক বন্ধুপ্রতিম দেশের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে আলোচনার বার্তা পেয়েছে ইরান।
তিনি দাবি করেন, চলমান সংঘাতের ২৪ দিনেও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো ধরনের সরাসরি সংলাপে বসেনি তেহরান।
এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, ইরানের সঙ্গে ‘খুবই ফলপ্রসূ’ আলোচনা চলছে। এমনকি ওই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে তিনি পাঁচ দিনের জন্য হামলা স্থগিতের নির্দেশ দিয়েছেন বলেও জানান। তবে ইরান সেই দাবি নাকচ করায় পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।
ট্রাম্পের এই বক্তব্যের পর ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেন। তবে বার্তাসংস্থা এএফপি জানিয়েছে, ওই আলাপে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংলাপের প্রসঙ্গ ওঠেনি।
অন্যদিকে রয়টার্স, মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওসের বরাত দিয়ে জানিয়েছে, মিশর, তুরস্ক ও পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে কিছু যোগাযোগ চলছে।
ট্রাম্প এ বিষয়ে বলেন, আলোচনাগুলো ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনির সঙ্গে নয়; বরং তিনি এমন ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বলছেন, যাদের তিনি ‘বিবেচনাপ্রসূত’ বলে মনে করেন।
তবে আলোচনার ভবিষ্যৎ নিয়ে সতর্কবার্তাও দিয়েছেন তিনি। ট্রাম্প বলেন, আলোচনা ব্যর্থ হলে যুক্তরাষ্ট্র নিজেদের পরিকল্পনা অনুযায়ী হামলা চালিয়ে যাবে।
মার্কিন প্রেসিডেন্টের দাবি, ইরানের প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনায় ইতিমধ্যে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে অগ্রগতি হয়েছে। তাঁর ভাষ্য, “তারা আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে, আমরা নয়। তারা একটি সমঝোতায় পৌঁছাতে চায়, আমরাও চাই।”
এদিকে ইরানের গণমাধ্যমগুলো শুরু থেকেই যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো ধরনের আলোচনা চলার বিষয়টি অস্বীকার করে আসছে। ইরানের সংবাদ সংস্থা ফারস নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একটি সূত্রের বরাত দিয়ে জানিয়েছে, ট্রাম্পের সঙ্গে সরাসরি বা মধ্যস্থতাকারীর মাধ্যমেও ইরানের কোনো যোগাযোগ হয়নি।
ওই সূত্রের দাবি, উপসাগরীয় অঞ্চল ও ইসরায়েলের জ্বালানি অবকাঠামোতে পাল্টা হামলার হুঁশিয়ারি দেওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থানে পরিবর্তনের আভাস পাওয়া যাচ্ছে।

যুদ্ধ বন্ধে বিভিন্ন বন্ধু দেশের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র আলোচনার প্রস্তাব পাঠিয়েছে বলে জানিয়েছে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
আজ সোমবার (২৪ মার্চ) বার্তাসংস্থা এএফপির প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
তবে তেহরান বলছে, ওয়াশিংটনের সঙ্গে তাদের কোনো সরাসরি যোগাযোগ বা আলোচনা হয়নি। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ইরনাকে বলেন, গত কয়েক দিনে একাধিক বন্ধুপ্রতিম দেশের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে আলোচনার বার্তা পেয়েছে ইরান।
তিনি দাবি করেন, চলমান সংঘাতের ২৪ দিনেও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো ধরনের সরাসরি সংলাপে বসেনি তেহরান।
এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, ইরানের সঙ্গে ‘খুবই ফলপ্রসূ’ আলোচনা চলছে। এমনকি ওই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে তিনি পাঁচ দিনের জন্য হামলা স্থগিতের নির্দেশ দিয়েছেন বলেও জানান। তবে ইরান সেই দাবি নাকচ করায় পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।
ট্রাম্পের এই বক্তব্যের পর ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেন। তবে বার্তাসংস্থা এএফপি জানিয়েছে, ওই আলাপে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংলাপের প্রসঙ্গ ওঠেনি।
অন্যদিকে রয়টার্স, মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওসের বরাত দিয়ে জানিয়েছে, মিশর, তুরস্ক ও পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে কিছু যোগাযোগ চলছে।
ট্রাম্প এ বিষয়ে বলেন, আলোচনাগুলো ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনির সঙ্গে নয়; বরং তিনি এমন ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বলছেন, যাদের তিনি ‘বিবেচনাপ্রসূত’ বলে মনে করেন।
তবে আলোচনার ভবিষ্যৎ নিয়ে সতর্কবার্তাও দিয়েছেন তিনি। ট্রাম্প বলেন, আলোচনা ব্যর্থ হলে যুক্তরাষ্ট্র নিজেদের পরিকল্পনা অনুযায়ী হামলা চালিয়ে যাবে।
মার্কিন প্রেসিডেন্টের দাবি, ইরানের প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনায় ইতিমধ্যে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে অগ্রগতি হয়েছে। তাঁর ভাষ্য, “তারা আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে, আমরা নয়। তারা একটি সমঝোতায় পৌঁছাতে চায়, আমরাও চাই।”
এদিকে ইরানের গণমাধ্যমগুলো শুরু থেকেই যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো ধরনের আলোচনা চলার বিষয়টি অস্বীকার করে আসছে। ইরানের সংবাদ সংস্থা ফারস নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একটি সূত্রের বরাত দিয়ে জানিয়েছে, ট্রাম্পের সঙ্গে সরাসরি বা মধ্যস্থতাকারীর মাধ্যমেও ইরানের কোনো যোগাযোগ হয়নি।
ওই সূত্রের দাবি, উপসাগরীয় অঞ্চল ও ইসরায়েলের জ্বালানি অবকাঠামোতে পাল্টা হামলার হুঁশিয়ারি দেওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থানে পরিবর্তনের আভাস পাওয়া যাচ্ছে।

বিভিন্ন দেশের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র আলোচনার প্রস্তাব দিয়েছে: ইরান
সিটিজেন ডেস্ক

যুদ্ধ বন্ধে বিভিন্ন বন্ধু দেশের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র আলোচনার প্রস্তাব পাঠিয়েছে বলে জানিয়েছে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
আজ সোমবার (২৪ মার্চ) বার্তাসংস্থা এএফপির প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
তবে তেহরান বলছে, ওয়াশিংটনের সঙ্গে তাদের কোনো সরাসরি যোগাযোগ বা আলোচনা হয়নি। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ইরনাকে বলেন, গত কয়েক দিনে একাধিক বন্ধুপ্রতিম দেশের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে আলোচনার বার্তা পেয়েছে ইরান।
তিনি দাবি করেন, চলমান সংঘাতের ২৪ দিনেও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো ধরনের সরাসরি সংলাপে বসেনি তেহরান।
এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, ইরানের সঙ্গে ‘খুবই ফলপ্রসূ’ আলোচনা চলছে। এমনকি ওই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে তিনি পাঁচ দিনের জন্য হামলা স্থগিতের নির্দেশ দিয়েছেন বলেও জানান। তবে ইরান সেই দাবি নাকচ করায় পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।
ট্রাম্পের এই বক্তব্যের পর ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেন। তবে বার্তাসংস্থা এএফপি জানিয়েছে, ওই আলাপে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংলাপের প্রসঙ্গ ওঠেনি।
অন্যদিকে রয়টার্স, মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওসের বরাত দিয়ে জানিয়েছে, মিশর, তুরস্ক ও পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে কিছু যোগাযোগ চলছে।
ট্রাম্প এ বিষয়ে বলেন, আলোচনাগুলো ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনির সঙ্গে নয়; বরং তিনি এমন ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বলছেন, যাদের তিনি ‘বিবেচনাপ্রসূত’ বলে মনে করেন।
তবে আলোচনার ভবিষ্যৎ নিয়ে সতর্কবার্তাও দিয়েছেন তিনি। ট্রাম্প বলেন, আলোচনা ব্যর্থ হলে যুক্তরাষ্ট্র নিজেদের পরিকল্পনা অনুযায়ী হামলা চালিয়ে যাবে।
মার্কিন প্রেসিডেন্টের দাবি, ইরানের প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনায় ইতিমধ্যে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে অগ্রগতি হয়েছে। তাঁর ভাষ্য, “তারা আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে, আমরা নয়। তারা একটি সমঝোতায় পৌঁছাতে চায়, আমরাও চাই।”
এদিকে ইরানের গণমাধ্যমগুলো শুরু থেকেই যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো ধরনের আলোচনা চলার বিষয়টি অস্বীকার করে আসছে। ইরানের সংবাদ সংস্থা ফারস নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একটি সূত্রের বরাত দিয়ে জানিয়েছে, ট্রাম্পের সঙ্গে সরাসরি বা মধ্যস্থতাকারীর মাধ্যমেও ইরানের কোনো যোগাযোগ হয়নি।
ওই সূত্রের দাবি, উপসাগরীয় অঞ্চল ও ইসরায়েলের জ্বালানি অবকাঠামোতে পাল্টা হামলার হুঁশিয়ারি দেওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থানে পরিবর্তনের আভাস পাওয়া যাচ্ছে।




