শিরোনাম
সরাসরি

ইরানে হামলা অব্যাহত রাখতে ট্রাম্পকে সৌদি যুবরাজের চাপ

২১: ০৯

ইরানে হামলা অব্যাহত রাখতে ট্রাম্পকে সৌদি যুবরাজের চাপ

ইরানে হামলা অব্যাহত রাখতে ট্রাম্পকে সৌদি যুবরাজের চাপ
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান। ছবি: রয়টার্স

ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান অব্যাহত রাখতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে চাপ দিচ্ছেন সৌদি আরবের যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান—এমন তথ্য জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমস।


প্রতিবেদনে বলা হয়, গত সপ্তাহে ট্রাম্পের সঙ্গে একাধিকবার আলোচনা করেছেন সৌদি যুবরাজ। এসব আলোচনার বিষয়ে অবগত সূত্রগুলোর বরাতে জানানো হয়, যুবরাজ ট্রাম্পকে বোঝানোর চেষ্টা করছেন যে, যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যৌথ সামরিক অভিযান মধ্যপ্রাচ্যকে নতুনভাবে বিন্যস্ত করার এক ‘ঐতিহাসিক সুযোগ’ তৈরি করেছে।


সৌদি যুবরাজের মতে, ইরান দীর্ঘদিন ধরে উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোর জন্য বড় ধরনের হুমকি হয়ে রয়েছে। এই হুমকি স্থায়ীভাবে দূর করতে হলে ইরানের বর্তমান ক্ষমতাকাঠামোকে দুর্বল বা বিলুপ্ত করা প্রয়োজন—এমন যুক্তিও তিনি তুলে ধরেছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।


তবে এ ধরনের অবস্থানের কথা সরাসরি অস্বীকার করেছেন সৌদি আরবের কর্মকর্তারা। তারা জানিয়েছেন, ইরানকে ঘিরে এমন কোনো আগ্রাসী নীতির পক্ষে যুবরাজ অবস্থান নিয়েছেন—এই দাবি সঠিক নয়।


(সূত্র: নিউইয়র্ক

২০: ৩৬

তেহরান–ইসফাহানে ইসরায়েলের বিমান হামলা

তেহরান–ইসফাহানে ইসরায়েলের বিমান হামলা
ইরানের রাজধানী তেহরান ও গুরুত্বপূর্ণ শহর ইসফাহানে ইসরাইলের বিমান হামলা। ছবি: সংগৃহীত

ইরানের রাজধানী তেহরান ও গুরুত্বপূর্ণ শহর ইসফাহানে শক্তিশালী বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, অল্প সময়ের ব্যবধানে দুই শহরেই একাধিক বিস্ফোরণ ঘটে।

এর কিছুক্ষণ আগেই ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী ইরানে নতুন করে বিমান হামলা শুরুর ঘোষণা দেয়। সেই ঘোষণার পরপরই তেহরান ও ইসফাহানে বিস্ফোরণের খবর সামনে আসে, যা পরিস্থিতিকে আরও উত্তেজনাপূর্ণ করে তুলেছে।

তবে বিস্ফোরণের কারণ, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ বা হতাহতের বিষয়ে এখনো বিস্তারিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ থেকেও তাৎক্ষণিকভাবে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য দেওয়া হয়নি।

সূত্র: আলজাজিরা

২০: ০০

লারিজানির উত্তরসূরি কে এই জোলকাদর

ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা প্রধান হিসেবে নতুন দায়িত্ব পাওয়া মোহাম্মদ বাকের জোলকাদর দেশটির প্রশাসন ও সামরিক কাঠামোয় দীর্ঘদিন ধরে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসা এক অভিজ্ঞ কর্মকর্তা। ইসরায়েলের হামলায় আলী লারিজানি নিহত হওয়ার পর তাঁর স্থলাভিষিক্ত করা হয়েছে জোলকাদরকে।

দীর্ঘ কর্মজীবনে তিনি সামরিক, বেসামরিক ও বিচারিক—তিন ক্ষেত্রেই গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। বিশেষ করে ইরান-ইরাক যুদ্ধের সময় ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি)-এর একটি ডিভিশনের নেতৃত্ব দেওয়ার মাধ্যমে তাঁর উত্থান ঘটে। সে সময় তাঁকে ইরাকের কুর্দি অঞ্চলসহ সীমান্তবর্তী বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠীর সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষার দায়িত্বও দেওয়া হয়েছিল।

পরবর্তীতে তিনি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর সেকেন্ড-ইন-কমান্ড হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। সাম্প্রতিক সময়ে তাঁকে এক্সপেডিয়েন্সি ডিসার্নমেন্ট কাউন্সিলে অন্তর্ভুক্ত করা হয়—যে প্রতিষ্ঠানটি দেশের সর্বোচ্চ নেতাকে পরামর্শ দেয় এবং পার্লামেন্ট ও গার্ডিয়ান কাউন্সিলের মধ্যে মতবিরোধ মীমাংসায় মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করে।

পর্যবেক্ষকদের মতে, চার দশকেরও বেশি সময় ধরে রাষ্ট্রের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানে দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতা এবং তাঁর বিশ্বস্ততার কারণে তিনি সর্বোচ্চ নেতৃত্বের আস্থা অর্জন করেছেন।

বিশ্লেষকদের ধারণা, জোলকাদরের মতো অভিজ্ঞ ও পরীক্ষিত ব্যক্তিকে এই গুরুত্বপূর্ণ পদে নিয়োগ দিয়ে ইরান স্পষ্ট বার্তা দিয়েছে—জাতীয় নিরাপত্তার প্রশ্নে তারা কোনো ধরনের ছাড় দিতে প্রস্তুত নয়।

সূত্র: সিএনএন।

১৯: ৫০

ইরানের নতুন নিরাপত্তা প্রধান বাকের জোলকাদর

ইরানের নতুন নিরাপত্তা প্রধান বাকের জোলকাদর
ইরানের নতুন নিরাপত্তা প্রধান বাকের জোলকাদর। ছবি: তাসনিম নিউজ এজেন্সি

ইরানের নতুন নিরাপত্তা প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন মোহাম্মদ বাকের জোলকাদর। সাম্প্রতিক সময়ে ইসরাইলের বিমান হামলায় নিহত আলী লারিজানির স্থলাভিষিক্ত হয়ে তিনি এ পদে দায়িত্ব নিলেন।


দেশটির প্রেসিডেন্টের কার্যালয়ের বরাত দিয়ে রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা আইআরএনএ জানিয়েছে, বর্তমান পরিস্থিতিতে জাতীয় নিরাপত্তা কাঠামোকে পুনর্গঠনের অংশ হিসেবেই এই নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।


এর আগে ইসরায়েলের হামলায় আলী লারিজানির মৃত্যুর পর থেকেই গুরুত্বপূর্ণ এই পদটি শূন্য ছিল। নতুন নিয়োগের মাধ্যমে সেই শূন্যতা পূরণ করা হলো।


(সূত্র: আল জাজিরা)