সখীপুরে সড়কে পড়েছিল মন্ত্রীর স্বজনের রক্তাক্ত মরদেহ

সখীপুরে সড়কে পড়েছিল মন্ত্রীর স্বজনের রক্তাক্ত মরদেহ
টাঙ্গাইল সংবাদদাতা

টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলার একটি সড়ক থেকে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রীর এক স্বজনের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল বুধবার দুপুরে সখীপুর–বাসাইল সড়কের নলুয়া বাজারের কাছের সড়কের ওপর থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
ঘটনার পর পরিবারের পক্ষ থেকে আওয়ালের মৃত্যুকে হত্যাকাণ্ড বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। পরিবারের সদস্যদের দাবি, সড়কে আওয়ালের রক্তাক্ত লাশের পাশে তাঁর মোটরসাইকেলটি অক্ষত অবস্থায় পড়ে ছিল।
পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড নাকি সড়ক দুর্ঘটনা- ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার আগে-সে বিষয়ে নিশ্চিত করে কিছু বলা যাচ্ছে না। এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আহমেদ আযম খান।
পুলিশ ও স্বজনদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গতকাল সকাল ১০টার দিকে যাদবপুর ইউনিয়নের বেড়বাড়ী সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি (ইপিআই) কেন্দ্রে যান আওয়াল শফিক। সেখানে দায়িত্ব পালনের পর দুপুর ১২টার দিকে নিজ মোটরসাইকেলে নলুয়া বাজারে ফিরছিলেন তিনি। বেলা পৌনে একটার দিকে স্থানীয় লোকজন নলুয়া বাজারের অদূরে সড়কের ওপর তাঁর রক্তাক্ত মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে স্বজনেরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাঁকে শনাক্ত করেন এবং পুলিশ তাঁর লাশ উদ্ধার করে।
যাদবপুর ইউনিয়ন কৃষক দলের আহ্বায়ক নাজিম উদ্দিন বলেন, তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে আওয়াল শফিকের মরদেহ দেখতে পান। তাঁর মাথার এক পাশ থেঁতলে যায় এবং গলায় কাটা দাগ ছিল। মোটরসাইকেলটি সড়কের পাশে পড়ে থাকলেও সেটি অক্ষত ছিল। আশপাশে কোনো ভারী যানবাহনের সঙ্গে সংঘর্ষের আলামত দেখা যায়নি।
এ ঘটনায় আজ বৃহস্পতিবার সকালে নিহত আওয়ালের স্ত্রী তানিয়া আক্তার বাদী হয়ে অজ্ঞানামা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা করেছেন। মামলা হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে সখীপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মোহাম্মদ আজহারুল ইসলাম বলেন, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর সঠিক কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে। ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ পরীক্ষা করা হচ্ছে। সরেজমিন তদন্তের পর এ ব্যাপারে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলার একটি সড়ক থেকে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রীর এক স্বজনের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল বুধবার দুপুরে সখীপুর–বাসাইল সড়কের নলুয়া বাজারের কাছের সড়কের ওপর থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
ঘটনার পর পরিবারের পক্ষ থেকে আওয়ালের মৃত্যুকে হত্যাকাণ্ড বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। পরিবারের সদস্যদের দাবি, সড়কে আওয়ালের রক্তাক্ত লাশের পাশে তাঁর মোটরসাইকেলটি অক্ষত অবস্থায় পড়ে ছিল।
পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড নাকি সড়ক দুর্ঘটনা- ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার আগে-সে বিষয়ে নিশ্চিত করে কিছু বলা যাচ্ছে না। এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আহমেদ আযম খান।
পুলিশ ও স্বজনদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গতকাল সকাল ১০টার দিকে যাদবপুর ইউনিয়নের বেড়বাড়ী সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি (ইপিআই) কেন্দ্রে যান আওয়াল শফিক। সেখানে দায়িত্ব পালনের পর দুপুর ১২টার দিকে নিজ মোটরসাইকেলে নলুয়া বাজারে ফিরছিলেন তিনি। বেলা পৌনে একটার দিকে স্থানীয় লোকজন নলুয়া বাজারের অদূরে সড়কের ওপর তাঁর রক্তাক্ত মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে স্বজনেরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাঁকে শনাক্ত করেন এবং পুলিশ তাঁর লাশ উদ্ধার করে।
যাদবপুর ইউনিয়ন কৃষক দলের আহ্বায়ক নাজিম উদ্দিন বলেন, তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে আওয়াল শফিকের মরদেহ দেখতে পান। তাঁর মাথার এক পাশ থেঁতলে যায় এবং গলায় কাটা দাগ ছিল। মোটরসাইকেলটি সড়কের পাশে পড়ে থাকলেও সেটি অক্ষত ছিল। আশপাশে কোনো ভারী যানবাহনের সঙ্গে সংঘর্ষের আলামত দেখা যায়নি।
এ ঘটনায় আজ বৃহস্পতিবার সকালে নিহত আওয়ালের স্ত্রী তানিয়া আক্তার বাদী হয়ে অজ্ঞানামা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা করেছেন। মামলা হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে সখীপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মোহাম্মদ আজহারুল ইসলাম বলেন, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর সঠিক কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে। ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ পরীক্ষা করা হচ্ছে। সরেজমিন তদন্তের পর এ ব্যাপারে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সখীপুরে সড়কে পড়েছিল মন্ত্রীর স্বজনের রক্তাক্ত মরদেহ
টাঙ্গাইল সংবাদদাতা

টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলার একটি সড়ক থেকে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রীর এক স্বজনের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল বুধবার দুপুরে সখীপুর–বাসাইল সড়কের নলুয়া বাজারের কাছের সড়কের ওপর থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
ঘটনার পর পরিবারের পক্ষ থেকে আওয়ালের মৃত্যুকে হত্যাকাণ্ড বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। পরিবারের সদস্যদের দাবি, সড়কে আওয়ালের রক্তাক্ত লাশের পাশে তাঁর মোটরসাইকেলটি অক্ষত অবস্থায় পড়ে ছিল।
পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড নাকি সড়ক দুর্ঘটনা- ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার আগে-সে বিষয়ে নিশ্চিত করে কিছু বলা যাচ্ছে না। এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আহমেদ আযম খান।
পুলিশ ও স্বজনদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গতকাল সকাল ১০টার দিকে যাদবপুর ইউনিয়নের বেড়বাড়ী সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি (ইপিআই) কেন্দ্রে যান আওয়াল শফিক। সেখানে দায়িত্ব পালনের পর দুপুর ১২টার দিকে নিজ মোটরসাইকেলে নলুয়া বাজারে ফিরছিলেন তিনি। বেলা পৌনে একটার দিকে স্থানীয় লোকজন নলুয়া বাজারের অদূরে সড়কের ওপর তাঁর রক্তাক্ত মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে স্বজনেরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাঁকে শনাক্ত করেন এবং পুলিশ তাঁর লাশ উদ্ধার করে।
যাদবপুর ইউনিয়ন কৃষক দলের আহ্বায়ক নাজিম উদ্দিন বলেন, তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে আওয়াল শফিকের মরদেহ দেখতে পান। তাঁর মাথার এক পাশ থেঁতলে যায় এবং গলায় কাটা দাগ ছিল। মোটরসাইকেলটি সড়কের পাশে পড়ে থাকলেও সেটি অক্ষত ছিল। আশপাশে কোনো ভারী যানবাহনের সঙ্গে সংঘর্ষের আলামত দেখা যায়নি।
এ ঘটনায় আজ বৃহস্পতিবার সকালে নিহত আওয়ালের স্ত্রী তানিয়া আক্তার বাদী হয়ে অজ্ঞানামা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা করেছেন। মামলা হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে সখীপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মোহাম্মদ আজহারুল ইসলাম বলেন, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর সঠিক কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে। ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ পরীক্ষা করা হচ্ছে। সরেজমিন তদন্তের পর এ ব্যাপারে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।









