যুদ্ধে ইরানের মিত্র মস্কো-বেইজিং কেন দূরত্ব বজায় রেখেছে

যুদ্ধে ইরানের মিত্র মস্কো-বেইজিং কেন দূরত্ব বজায় রেখেছে
সিটিজেন ডেস্ক

ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক হামলার ঘটনায় এখন পর্যন্ত রাশিয়া ও চীন কড়া ভাষায় নিন্দা জানালেও সরাসরি সামরিক সহায়তার কোনো ইঙ্গিত দেয়নি। সংঘাতে ইরানে ইতোমধ্যে এক হাজারের বেশি মানুষের প্রাণহানি হয়েছে।
রাশিয়া ও চীন উভয়েই এই যুদ্ধকে আন্তর্জাতিক আইনের স্পষ্ট লঙ্ঘন বলে আখ্যা দিয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করতে দুই দেশ যৌথভাবে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের জরুরি বৈঠক আহ্বানের অনুরোধ জানিয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, এই প্রতিক্রিয়া ইরান, রাশিয়া এবং চীনের ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের প্রতিফলন। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে মস্কো ও বেইজিং তেহরানের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক চুক্তি স্বাক্ষর করেছে এবং যৌথ নৌ মহড়াসহ সামরিক ও কৌশলগত সমন্বয় বাড়িয়েছে। তিন দেশই যুক্তরাষ্ট্র-নেতৃত্বাধীন আন্তর্জাতিক ব্যবস্থাকে দীর্ঘদিন ধরে নিজেদের বিরুদ্ধে ব্যবহার হচ্ছে বলে অভিযোগ করে।
তবে কঠোর বক্তব্যের পরও রাশিয়া বা চীন কেউই এখন পর্যন্ত ইরানকে সরাসরি সামরিক সহায়তা দেওয়ার কোনো ইঙ্গিত দেয়নি। বিশ্লেষকদের ধারণা, বৃহত্তর আঞ্চলিক যুদ্ধ বা সরাসরি বড় শক্তিগুলোর সংঘাতে জড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি এড়াতেই তারা সতর্ক অবস্থান নিয়েছে।
ফলে কূটনৈতিক সমর্থন থাকলেও, বর্তমান পরিস্থিতিতে ইরান কার্যত সামরিকভাবে একাই লড়াই করছে।
সূত্র: রয়টার্স

ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক হামলার ঘটনায় এখন পর্যন্ত রাশিয়া ও চীন কড়া ভাষায় নিন্দা জানালেও সরাসরি সামরিক সহায়তার কোনো ইঙ্গিত দেয়নি। সংঘাতে ইরানে ইতোমধ্যে এক হাজারের বেশি মানুষের প্রাণহানি হয়েছে।
রাশিয়া ও চীন উভয়েই এই যুদ্ধকে আন্তর্জাতিক আইনের স্পষ্ট লঙ্ঘন বলে আখ্যা দিয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করতে দুই দেশ যৌথভাবে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের জরুরি বৈঠক আহ্বানের অনুরোধ জানিয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, এই প্রতিক্রিয়া ইরান, রাশিয়া এবং চীনের ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের প্রতিফলন। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে মস্কো ও বেইজিং তেহরানের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক চুক্তি স্বাক্ষর করেছে এবং যৌথ নৌ মহড়াসহ সামরিক ও কৌশলগত সমন্বয় বাড়িয়েছে। তিন দেশই যুক্তরাষ্ট্র-নেতৃত্বাধীন আন্তর্জাতিক ব্যবস্থাকে দীর্ঘদিন ধরে নিজেদের বিরুদ্ধে ব্যবহার হচ্ছে বলে অভিযোগ করে।
তবে কঠোর বক্তব্যের পরও রাশিয়া বা চীন কেউই এখন পর্যন্ত ইরানকে সরাসরি সামরিক সহায়তা দেওয়ার কোনো ইঙ্গিত দেয়নি। বিশ্লেষকদের ধারণা, বৃহত্তর আঞ্চলিক যুদ্ধ বা সরাসরি বড় শক্তিগুলোর সংঘাতে জড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি এড়াতেই তারা সতর্ক অবস্থান নিয়েছে।
ফলে কূটনৈতিক সমর্থন থাকলেও, বর্তমান পরিস্থিতিতে ইরান কার্যত সামরিকভাবে একাই লড়াই করছে।
সূত্র: রয়টার্স

যুদ্ধে ইরানের মিত্র মস্কো-বেইজিং কেন দূরত্ব বজায় রেখেছে
সিটিজেন ডেস্ক

ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক হামলার ঘটনায় এখন পর্যন্ত রাশিয়া ও চীন কড়া ভাষায় নিন্দা জানালেও সরাসরি সামরিক সহায়তার কোনো ইঙ্গিত দেয়নি। সংঘাতে ইরানে ইতোমধ্যে এক হাজারের বেশি মানুষের প্রাণহানি হয়েছে।
রাশিয়া ও চীন উভয়েই এই যুদ্ধকে আন্তর্জাতিক আইনের স্পষ্ট লঙ্ঘন বলে আখ্যা দিয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করতে দুই দেশ যৌথভাবে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের জরুরি বৈঠক আহ্বানের অনুরোধ জানিয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, এই প্রতিক্রিয়া ইরান, রাশিয়া এবং চীনের ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের প্রতিফলন। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে মস্কো ও বেইজিং তেহরানের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক চুক্তি স্বাক্ষর করেছে এবং যৌথ নৌ মহড়াসহ সামরিক ও কৌশলগত সমন্বয় বাড়িয়েছে। তিন দেশই যুক্তরাষ্ট্র-নেতৃত্বাধীন আন্তর্জাতিক ব্যবস্থাকে দীর্ঘদিন ধরে নিজেদের বিরুদ্ধে ব্যবহার হচ্ছে বলে অভিযোগ করে।
তবে কঠোর বক্তব্যের পরও রাশিয়া বা চীন কেউই এখন পর্যন্ত ইরানকে সরাসরি সামরিক সহায়তা দেওয়ার কোনো ইঙ্গিত দেয়নি। বিশ্লেষকদের ধারণা, বৃহত্তর আঞ্চলিক যুদ্ধ বা সরাসরি বড় শক্তিগুলোর সংঘাতে জড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি এড়াতেই তারা সতর্ক অবস্থান নিয়েছে।
ফলে কূটনৈতিক সমর্থন থাকলেও, বর্তমান পরিস্থিতিতে ইরান কার্যত সামরিকভাবে একাই লড়াই করছে।
সূত্র: রয়টার্স




