যে শর্তে আলোচনায় বসতে রাজি ইরান

যে শর্তে আলোচনায় বসতে রাজি ইরান
সিটিজেন ডেস্ক

যুদ্ধবিরতির মধ্যেই ইরানে ভয়াবহ হামলার হুমকি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। অন্যদিকে যুদ্ধ-উত্তেজনা অবসানের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আবারও আলোচনায় বসতে চায় ইরান। তবে এক্ষেত্রে শর্ত হলো ওয়াশিংটনকে ‘অতিরিক্ত বাড়াবাড়ি এবং হুমকি দেওয়া’ বন্ধ করতে হবে।
ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন প্রেস টিভির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শুক্রবার (১ মে) তুরস্ক সফর করেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সৈয়দ আব্বাস আরাঘচি। সেখানে ছয় মুসলিম দেশ তুরস্ক, কাতার, সৌদি আরব, মিসর, ইরাক এবং আজারবাইজানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। এ সময় যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আবার বৈঠকে বসার ব্যাপারে ইরানের অবস্থান স্পষ্ট করেন তিনি।
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘তারা এ যুদ্ধ শুরু করেনি। আমাদের ওপর চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। তবে যুক্তরাষ্ট্র যদি যুদ্ধবিরতি ভেঙে আবার হামলা শুরু করে, তাহলে সেটা মোকাবিলা করার জন্য ইরান সম্পূর্ণ প্রস্তুত।’
তবে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে মতপার্থক্যগুলো সংলাপের মাধ্যমে সমাধান হোক চান বলে জানিয়েছেন তিনি। আরাঘচি বলেন, একটি স্থায়ী সমঝোতায় পৌঁছানোর জন্য ইরান আবার আলোচনায় বসতে ইচ্ছুক। তবে সেক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রকে অবশ্যই ‘অতিরিক্ত বাড়াবাড়ি এবং হুমকি জাতীয় কথাবার্তা বন্ধ করতে হবে।’
পরমাণু প্রকল্প নিয়ে গত কয়েক বছর ধরে ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের মতবিরোধ চলছে। এ বিষয়ে আলোচনা চলমান থাকা অবস্থায় গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যৌথ অভিযান চালায় ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র। প্রথম দিনেই ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিসহ ৪০ জনের অধিক শীর্ষ নেতাকে হত্যা করে। এরপর টানা ৪০ দিন যুদ্ধ শেষে গত ৮ এপ্রিল যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান।
গত ১১ এপ্রিল শান্তি চুক্তি স্বক্ষরের উদ্দেশে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ইসলামাবাদে আলোচনায় বসে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের প্রতিনিধিরা। তবে দীর্ষ ২১ ঘণ্টা ধরে আলোচনার পরও কোনো মীমাংসা না হলে দুই পক্ষই ফিরে যায়।
এরপর দ্বিতীয় দফা আলোচনায় বসার জন্য ইরানকে হুমকি দিয়ে আসছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে এই সংলাপের জন্য সম্প্রতি তিন স্তরের পরিকল্পনা প্রস্তাব করে ইরান। কিন্তু প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সেই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে। সম্প্রতি জানা গেছে, প্রস্তাব প্রত্যাখ্যানের পর আরও একটি প্রস্তাব পাঠিয়েছে ইরান। তবে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানা যায়নি।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

যুদ্ধবিরতির মধ্যেই ইরানে ভয়াবহ হামলার হুমকি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। অন্যদিকে যুদ্ধ-উত্তেজনা অবসানের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আবারও আলোচনায় বসতে চায় ইরান। তবে এক্ষেত্রে শর্ত হলো ওয়াশিংটনকে ‘অতিরিক্ত বাড়াবাড়ি এবং হুমকি দেওয়া’ বন্ধ করতে হবে।
ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন প্রেস টিভির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শুক্রবার (১ মে) তুরস্ক সফর করেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সৈয়দ আব্বাস আরাঘচি। সেখানে ছয় মুসলিম দেশ তুরস্ক, কাতার, সৌদি আরব, মিসর, ইরাক এবং আজারবাইজানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। এ সময় যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আবার বৈঠকে বসার ব্যাপারে ইরানের অবস্থান স্পষ্ট করেন তিনি।
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘তারা এ যুদ্ধ শুরু করেনি। আমাদের ওপর চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। তবে যুক্তরাষ্ট্র যদি যুদ্ধবিরতি ভেঙে আবার হামলা শুরু করে, তাহলে সেটা মোকাবিলা করার জন্য ইরান সম্পূর্ণ প্রস্তুত।’
তবে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে মতপার্থক্যগুলো সংলাপের মাধ্যমে সমাধান হোক চান বলে জানিয়েছেন তিনি। আরাঘচি বলেন, একটি স্থায়ী সমঝোতায় পৌঁছানোর জন্য ইরান আবার আলোচনায় বসতে ইচ্ছুক। তবে সেক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রকে অবশ্যই ‘অতিরিক্ত বাড়াবাড়ি এবং হুমকি জাতীয় কথাবার্তা বন্ধ করতে হবে।’
পরমাণু প্রকল্প নিয়ে গত কয়েক বছর ধরে ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের মতবিরোধ চলছে। এ বিষয়ে আলোচনা চলমান থাকা অবস্থায় গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যৌথ অভিযান চালায় ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র। প্রথম দিনেই ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিসহ ৪০ জনের অধিক শীর্ষ নেতাকে হত্যা করে। এরপর টানা ৪০ দিন যুদ্ধ শেষে গত ৮ এপ্রিল যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান।
গত ১১ এপ্রিল শান্তি চুক্তি স্বক্ষরের উদ্দেশে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ইসলামাবাদে আলোচনায় বসে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের প্রতিনিধিরা। তবে দীর্ষ ২১ ঘণ্টা ধরে আলোচনার পরও কোনো মীমাংসা না হলে দুই পক্ষই ফিরে যায়।
এরপর দ্বিতীয় দফা আলোচনায় বসার জন্য ইরানকে হুমকি দিয়ে আসছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে এই সংলাপের জন্য সম্প্রতি তিন স্তরের পরিকল্পনা প্রস্তাব করে ইরান। কিন্তু প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সেই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে। সম্প্রতি জানা গেছে, প্রস্তাব প্রত্যাখ্যানের পর আরও একটি প্রস্তাব পাঠিয়েছে ইরান। তবে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানা যায়নি।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

যে শর্তে আলোচনায় বসতে রাজি ইরান
সিটিজেন ডেস্ক

যুদ্ধবিরতির মধ্যেই ইরানে ভয়াবহ হামলার হুমকি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। অন্যদিকে যুদ্ধ-উত্তেজনা অবসানের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আবারও আলোচনায় বসতে চায় ইরান। তবে এক্ষেত্রে শর্ত হলো ওয়াশিংটনকে ‘অতিরিক্ত বাড়াবাড়ি এবং হুমকি দেওয়া’ বন্ধ করতে হবে।
ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন প্রেস টিভির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শুক্রবার (১ মে) তুরস্ক সফর করেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সৈয়দ আব্বাস আরাঘচি। সেখানে ছয় মুসলিম দেশ তুরস্ক, কাতার, সৌদি আরব, মিসর, ইরাক এবং আজারবাইজানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। এ সময় যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আবার বৈঠকে বসার ব্যাপারে ইরানের অবস্থান স্পষ্ট করেন তিনি।
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘তারা এ যুদ্ধ শুরু করেনি। আমাদের ওপর চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। তবে যুক্তরাষ্ট্র যদি যুদ্ধবিরতি ভেঙে আবার হামলা শুরু করে, তাহলে সেটা মোকাবিলা করার জন্য ইরান সম্পূর্ণ প্রস্তুত।’
তবে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে মতপার্থক্যগুলো সংলাপের মাধ্যমে সমাধান হোক চান বলে জানিয়েছেন তিনি। আরাঘচি বলেন, একটি স্থায়ী সমঝোতায় পৌঁছানোর জন্য ইরান আবার আলোচনায় বসতে ইচ্ছুক। তবে সেক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রকে অবশ্যই ‘অতিরিক্ত বাড়াবাড়ি এবং হুমকি জাতীয় কথাবার্তা বন্ধ করতে হবে।’
পরমাণু প্রকল্প নিয়ে গত কয়েক বছর ধরে ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের মতবিরোধ চলছে। এ বিষয়ে আলোচনা চলমান থাকা অবস্থায় গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যৌথ অভিযান চালায় ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র। প্রথম দিনেই ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিসহ ৪০ জনের অধিক শীর্ষ নেতাকে হত্যা করে। এরপর টানা ৪০ দিন যুদ্ধ শেষে গত ৮ এপ্রিল যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান।
গত ১১ এপ্রিল শান্তি চুক্তি স্বক্ষরের উদ্দেশে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ইসলামাবাদে আলোচনায় বসে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের প্রতিনিধিরা। তবে দীর্ষ ২১ ঘণ্টা ধরে আলোচনার পরও কোনো মীমাংসা না হলে দুই পক্ষই ফিরে যায়।
এরপর দ্বিতীয় দফা আলোচনায় বসার জন্য ইরানকে হুমকি দিয়ে আসছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে এই সংলাপের জন্য সম্প্রতি তিন স্তরের পরিকল্পনা প্রস্তাব করে ইরান। কিন্তু প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সেই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে। সম্প্রতি জানা গেছে, প্রস্তাব প্রত্যাখ্যানের পর আরও একটি প্রস্তাব পাঠিয়েছে ইরান। তবে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানা যায়নি।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

ইরানিদের শেষ করে দেওয়ার হুমকি ট্রাম্পের


