ওয়াশিংটন-তেহরান তৃতীয় বৈঠক এ সপ্তাহেই

ওয়াশিংটন-তেহরান তৃতীয় বৈঠক এ সপ্তাহেই

ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের ‘নাটকের’ শান্তিপূর্ণ যবনিকাপাত হবে, এই আশাতেই আছে গোটা বিশ্ববাসী। ভঙ্গুর হলেও বেশ কিছুদিন ধরে চালু আছে গাজার তথাকথিত শান্তিচুক্তি। লেবানন, সিরিয়া ও ইয়েমেনও শান্ত হয়ে এসেছে। এ অবস্থায় ইরানে নতুন করে সংঘাত শুরু হোক, এটা কেউই চান না।
ইরান প্রসঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের চিন্তাধারা ক্ষণে ক্ষণে পরিবর্তন হচ্ছে। একবার শোনা যায়, ‘ইরানে হামলার দ্বারপ্রান্তে’ যুক্তরাষ্ট্র। আবার পরের মুহূর্তে দেশটির প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, ‘সহিংসতা নয়, আলোচনা কাম্য। কেউ কেউ বলছেন, ইরানে হামলার জন্য শুধু ছুতা খুঁজে বেড়াচ্ছেন ট্রাম্প।
তেহরান-ওয়াশিংটন আলোচনায় মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করছে ওমান। ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বদর আলবুসাইদি নিশ্চিত করেছেন, আগামী বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) জেনেভায় আবারও বৈঠকে বসতে যাচ্ছেন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের প্রতিনিধিরা।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী নিজের সামাজিকমাধ্যমের অ্যাকাউন্টে পোস্ট করে এই তথ্য জানান। তিনি লিখেছেন, ‘(ইরানের পরমাণু) চুক্তি চূড়ান্ত করার জন্য যে বাড়তি উদ্যোগ নেওয়া দরকার, সেটার প্রতি ইতিবাচক মনোভাব নিয়ে’ আলোচনা আবারো শুরু হতে যাচ্ছে।
চলতি মাসের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান একটি সম্ভাব্য ‘শান্তি চুক্তি’র জন্য কাজ করে যাচ্ছে। গত ৬ ফেব্রুয়ারি ওমানের মধ্যস্থতায় দেশটির রাজধানী মাসকাটে প্রথম দফা আলোচনার পর গত ১৭ ফেব্রুয়ারি জেনেভায় দ্বিতীয় দফা আলোচনায় বসেন দুই দেশের প্রতিনিধিরা।
এবার তৃতীয় দফার আলোচনার ঘোষণা এলো।
তেহরান জানিয়েছে, আগামী ‘দুই-তিন’ দিনের মধ্যে নতুন পরমাণু চুক্তির জন্য তারা প্রস্তুত। কিন্তু তা সত্ত্বেও যুদ্ধের ওপরই যেন বেশি জোর দিচ্ছে হোয়াইট হাউস।

ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের ‘নাটকের’ শান্তিপূর্ণ যবনিকাপাত হবে, এই আশাতেই আছে গোটা বিশ্ববাসী। ভঙ্গুর হলেও বেশ কিছুদিন ধরে চালু আছে গাজার তথাকথিত শান্তিচুক্তি। লেবানন, সিরিয়া ও ইয়েমেনও শান্ত হয়ে এসেছে। এ অবস্থায় ইরানে নতুন করে সংঘাত শুরু হোক, এটা কেউই চান না।
ইরান প্রসঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের চিন্তাধারা ক্ষণে ক্ষণে পরিবর্তন হচ্ছে। একবার শোনা যায়, ‘ইরানে হামলার দ্বারপ্রান্তে’ যুক্তরাষ্ট্র। আবার পরের মুহূর্তে দেশটির প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, ‘সহিংসতা নয়, আলোচনা কাম্য। কেউ কেউ বলছেন, ইরানে হামলার জন্য শুধু ছুতা খুঁজে বেড়াচ্ছেন ট্রাম্প।
তেহরান-ওয়াশিংটন আলোচনায় মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করছে ওমান। ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বদর আলবুসাইদি নিশ্চিত করেছেন, আগামী বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) জেনেভায় আবারও বৈঠকে বসতে যাচ্ছেন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের প্রতিনিধিরা।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী নিজের সামাজিকমাধ্যমের অ্যাকাউন্টে পোস্ট করে এই তথ্য জানান। তিনি লিখেছেন, ‘(ইরানের পরমাণু) চুক্তি চূড়ান্ত করার জন্য যে বাড়তি উদ্যোগ নেওয়া দরকার, সেটার প্রতি ইতিবাচক মনোভাব নিয়ে’ আলোচনা আবারো শুরু হতে যাচ্ছে।
চলতি মাসের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান একটি সম্ভাব্য ‘শান্তি চুক্তি’র জন্য কাজ করে যাচ্ছে। গত ৬ ফেব্রুয়ারি ওমানের মধ্যস্থতায় দেশটির রাজধানী মাসকাটে প্রথম দফা আলোচনার পর গত ১৭ ফেব্রুয়ারি জেনেভায় দ্বিতীয় দফা আলোচনায় বসেন দুই দেশের প্রতিনিধিরা।
এবার তৃতীয় দফার আলোচনার ঘোষণা এলো।
তেহরান জানিয়েছে, আগামী ‘দুই-তিন’ দিনের মধ্যে নতুন পরমাণু চুক্তির জন্য তারা প্রস্তুত। কিন্তু তা সত্ত্বেও যুদ্ধের ওপরই যেন বেশি জোর দিচ্ছে হোয়াইট হাউস।

ওয়াশিংটন-তেহরান তৃতীয় বৈঠক এ সপ্তাহেই

ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের ‘নাটকের’ শান্তিপূর্ণ যবনিকাপাত হবে, এই আশাতেই আছে গোটা বিশ্ববাসী। ভঙ্গুর হলেও বেশ কিছুদিন ধরে চালু আছে গাজার তথাকথিত শান্তিচুক্তি। লেবানন, সিরিয়া ও ইয়েমেনও শান্ত হয়ে এসেছে। এ অবস্থায় ইরানে নতুন করে সংঘাত শুরু হোক, এটা কেউই চান না।
ইরান প্রসঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের চিন্তাধারা ক্ষণে ক্ষণে পরিবর্তন হচ্ছে। একবার শোনা যায়, ‘ইরানে হামলার দ্বারপ্রান্তে’ যুক্তরাষ্ট্র। আবার পরের মুহূর্তে দেশটির প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, ‘সহিংসতা নয়, আলোচনা কাম্য। কেউ কেউ বলছেন, ইরানে হামলার জন্য শুধু ছুতা খুঁজে বেড়াচ্ছেন ট্রাম্প।
তেহরান-ওয়াশিংটন আলোচনায় মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করছে ওমান। ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বদর আলবুসাইদি নিশ্চিত করেছেন, আগামী বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) জেনেভায় আবারও বৈঠকে বসতে যাচ্ছেন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের প্রতিনিধিরা।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী নিজের সামাজিকমাধ্যমের অ্যাকাউন্টে পোস্ট করে এই তথ্য জানান। তিনি লিখেছেন, ‘(ইরানের পরমাণু) চুক্তি চূড়ান্ত করার জন্য যে বাড়তি উদ্যোগ নেওয়া দরকার, সেটার প্রতি ইতিবাচক মনোভাব নিয়ে’ আলোচনা আবারো শুরু হতে যাচ্ছে।
চলতি মাসের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান একটি সম্ভাব্য ‘শান্তি চুক্তি’র জন্য কাজ করে যাচ্ছে। গত ৬ ফেব্রুয়ারি ওমানের মধ্যস্থতায় দেশটির রাজধানী মাসকাটে প্রথম দফা আলোচনার পর গত ১৭ ফেব্রুয়ারি জেনেভায় দ্বিতীয় দফা আলোচনায় বসেন দুই দেশের প্রতিনিধিরা।
এবার তৃতীয় দফার আলোচনার ঘোষণা এলো।
তেহরান জানিয়েছে, আগামী ‘দুই-তিন’ দিনের মধ্যে নতুন পরমাণু চুক্তির জন্য তারা প্রস্তুত। কিন্তু তা সত্ত্বেও যুদ্ধের ওপরই যেন বেশি জোর দিচ্ছে হোয়াইট হাউস।




