সৌদির অনুরোধে ওমান বৈঠক বাতিল: ইরান

সৌদির অনুরোধে ওমান বৈঠক বাতিল: ইরান
সিজেডএন ডেস্ক

হরমুজ প্রণালিতে নিরাপদ বাণিজ্যিক নৌচলাচল নিয়ে ওমানের রাজধানী মাসকটে আঞ্চলিক দেশগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠক শেষ পর্যন্ত বাতিল করা হয়েছে। সৌদি আরবের অনুরোধে বৈঠকটি স্থগিত করা হয়েছে বলে জানিয়েছে তেহরান।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) নিয়মিত সাপ্তাহিক সংবাদ সম্মেলনে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, কয়েক সপ্তাহের আলোচনার পর উপকূলীয় দুই দেশ হিসেবে ইরান ও ওমানের মধ্যে হরমুজ প্রণালিতে নৌ চলাচলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়ে একটি সমঝোতা চূড়ান্ত হয়েছে। এ সমঝোতা কীভাবে ঘোষণা বা নথিভুক্ত করা হবে, তা ওমানের সঙ্গে পরামর্শ করে পরবর্তী সময়ে নির্ধারণ করা হবে।
বাঘাই বলেন, অত্যন্ত সংবেদনশীল ও জটিল নিরাপত্তা ইস্যুতে ইরান কোনো একটি বিষয়কে বিবেচনায় নিয়ে সিদ্ধান্ত নেয় না। অন্যদের দায়িত্বজ্ঞানহীন কর্মকাণ্ড বা প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের কারণে তেহরানের ‘যৌক্তিক ও দূরদর্শী’ পদক্ষেপ নিয়ে প্রশ্ন তোলারও কোনো কারণ নেই। ওমানে প্রস্তাবিত বৈঠকটিকে তেহরান ও মাসকাটের উদ্যোগে তৈরি একটি ‘সুযোগ’ হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি। এ ইরানি কর্মকর্তা জানান, আঞ্চলিক দেশগুলোর উচিত ছিল এ সুযোগকে স্বীকৃতি দেওয়া এবং কাজে লাগানো।
আঞ্চলিক সংকট নিরসনে ইরান ধারাবাহিকভাবে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে এবং বাস্তব পদক্ষেপের মাধ্যমে সেই প্রতিশ্রুতিও দেখিয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি। মুসলিম দেশগুলোর মধ্যে আঞ্চলিক যুদ্ধ অব্যাহত থাকলে এর একমাত্র বিজয়ী হবে ইসরায়েল বলে উল্লেখ করেন বাঘাই। তিনি বলেন, ‘ইহুদিবাদী শাসকগোষ্ঠী’ মুসলিম দেশগুলোর মধ্যে উত্তেজনা ও নিরাপত্তাহীনতা দীর্ঘায়িত করতে চায়।
উল্লেখ্য, হরমুজ প্রণালি বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি সরবরাহপথ। এ সরু পথ দিয়ে বিশ্বের মোট তেল চাহিদার প্রায় এক-পঞ্চমাংশ পরিবহন করা হয়। ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক অভিযান শুরুর পর থেকে দেশের সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তা রক্ষার কথা বলে ইরান এই জলপথে নৌ চলাচলের ওপর কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করে আসছে। এর পর থেকেই নিরাপদ নৌ চলাচলের ব্যবস্থা নিয়ে ইরান ও ওমানের মধ্যে প্রায় তিন মাস ধরে আলোচনা চলছিল।
২৫ আগস্ট দুই দেশ জানায়, তারা ধাপে ধাপে একটি কাঠামো তৈরির আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। প্রথম ধাপে একটি অস্থায়ী যৌথ সামুদ্রিক করিডর চালু এবং যৌথভাবে মাইন অপসারণের প্রকল্প নেওয়ার কথা রয়েছে। উপকূলীয় দেশগুলোর সার্বভৌমত্ব ও অধিকার বজায় রেখেই নিরাপদ নৌ চলাচল পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা এ কাঠামোর লক্ষ্য। তবে রবিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, কয়েকটি আঞ্চলিক দেশের অনুরোধে ওমান ও ইরানের যৌথ সিদ্ধান্তে সোমবারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকটি স্থগিত করা হয়েছে।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

হরমুজ প্রণালিতে নিরাপদ বাণিজ্যিক নৌচলাচল নিয়ে ওমানের রাজধানী মাসকটে আঞ্চলিক দেশগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠক শেষ পর্যন্ত বাতিল করা হয়েছে। সৌদি আরবের অনুরোধে বৈঠকটি স্থগিত করা হয়েছে বলে জানিয়েছে তেহরান।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) নিয়মিত সাপ্তাহিক সংবাদ সম্মেলনে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, কয়েক সপ্তাহের আলোচনার পর উপকূলীয় দুই দেশ হিসেবে ইরান ও ওমানের মধ্যে হরমুজ প্রণালিতে নৌ চলাচলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়ে একটি সমঝোতা চূড়ান্ত হয়েছে। এ সমঝোতা কীভাবে ঘোষণা বা নথিভুক্ত করা হবে, তা ওমানের সঙ্গে পরামর্শ করে পরবর্তী সময়ে নির্ধারণ করা হবে।
বাঘাই বলেন, অত্যন্ত সংবেদনশীল ও জটিল নিরাপত্তা ইস্যুতে ইরান কোনো একটি বিষয়কে বিবেচনায় নিয়ে সিদ্ধান্ত নেয় না। অন্যদের দায়িত্বজ্ঞানহীন কর্মকাণ্ড বা প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের কারণে তেহরানের ‘যৌক্তিক ও দূরদর্শী’ পদক্ষেপ নিয়ে প্রশ্ন তোলারও কোনো কারণ নেই। ওমানে প্রস্তাবিত বৈঠকটিকে তেহরান ও মাসকাটের উদ্যোগে তৈরি একটি ‘সুযোগ’ হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি। এ ইরানি কর্মকর্তা জানান, আঞ্চলিক দেশগুলোর উচিত ছিল এ সুযোগকে স্বীকৃতি দেওয়া এবং কাজে লাগানো।
আঞ্চলিক সংকট নিরসনে ইরান ধারাবাহিকভাবে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে এবং বাস্তব পদক্ষেপের মাধ্যমে সেই প্রতিশ্রুতিও দেখিয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি। মুসলিম দেশগুলোর মধ্যে আঞ্চলিক যুদ্ধ অব্যাহত থাকলে এর একমাত্র বিজয়ী হবে ইসরায়েল বলে উল্লেখ করেন বাঘাই। তিনি বলেন, ‘ইহুদিবাদী শাসকগোষ্ঠী’ মুসলিম দেশগুলোর মধ্যে উত্তেজনা ও নিরাপত্তাহীনতা দীর্ঘায়িত করতে চায়।
উল্লেখ্য, হরমুজ প্রণালি বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি সরবরাহপথ। এ সরু পথ দিয়ে বিশ্বের মোট তেল চাহিদার প্রায় এক-পঞ্চমাংশ পরিবহন করা হয়। ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক অভিযান শুরুর পর থেকে দেশের সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তা রক্ষার কথা বলে ইরান এই জলপথে নৌ চলাচলের ওপর কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করে আসছে। এর পর থেকেই নিরাপদ নৌ চলাচলের ব্যবস্থা নিয়ে ইরান ও ওমানের মধ্যে প্রায় তিন মাস ধরে আলোচনা চলছিল।
২৫ আগস্ট দুই দেশ জানায়, তারা ধাপে ধাপে একটি কাঠামো তৈরির আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। প্রথম ধাপে একটি অস্থায়ী যৌথ সামুদ্রিক করিডর চালু এবং যৌথভাবে মাইন অপসারণের প্রকল্প নেওয়ার কথা রয়েছে। উপকূলীয় দেশগুলোর সার্বভৌমত্ব ও অধিকার বজায় রেখেই নিরাপদ নৌ চলাচল পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা এ কাঠামোর লক্ষ্য। তবে রবিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, কয়েকটি আঞ্চলিক দেশের অনুরোধে ওমান ও ইরানের যৌথ সিদ্ধান্তে সোমবারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকটি স্থগিত করা হয়েছে।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

সৌদির অনুরোধে ওমান বৈঠক বাতিল: ইরান
সিজেডএন ডেস্ক

হরমুজ প্রণালিতে নিরাপদ বাণিজ্যিক নৌচলাচল নিয়ে ওমানের রাজধানী মাসকটে আঞ্চলিক দেশগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠক শেষ পর্যন্ত বাতিল করা হয়েছে। সৌদি আরবের অনুরোধে বৈঠকটি স্থগিত করা হয়েছে বলে জানিয়েছে তেহরান।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) নিয়মিত সাপ্তাহিক সংবাদ সম্মেলনে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, কয়েক সপ্তাহের আলোচনার পর উপকূলীয় দুই দেশ হিসেবে ইরান ও ওমানের মধ্যে হরমুজ প্রণালিতে নৌ চলাচলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়ে একটি সমঝোতা চূড়ান্ত হয়েছে। এ সমঝোতা কীভাবে ঘোষণা বা নথিভুক্ত করা হবে, তা ওমানের সঙ্গে পরামর্শ করে পরবর্তী সময়ে নির্ধারণ করা হবে।
বাঘাই বলেন, অত্যন্ত সংবেদনশীল ও জটিল নিরাপত্তা ইস্যুতে ইরান কোনো একটি বিষয়কে বিবেচনায় নিয়ে সিদ্ধান্ত নেয় না। অন্যদের দায়িত্বজ্ঞানহীন কর্মকাণ্ড বা প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের কারণে তেহরানের ‘যৌক্তিক ও দূরদর্শী’ পদক্ষেপ নিয়ে প্রশ্ন তোলারও কোনো কারণ নেই। ওমানে প্রস্তাবিত বৈঠকটিকে তেহরান ও মাসকাটের উদ্যোগে তৈরি একটি ‘সুযোগ’ হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি। এ ইরানি কর্মকর্তা জানান, আঞ্চলিক দেশগুলোর উচিত ছিল এ সুযোগকে স্বীকৃতি দেওয়া এবং কাজে লাগানো।
আঞ্চলিক সংকট নিরসনে ইরান ধারাবাহিকভাবে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে এবং বাস্তব পদক্ষেপের মাধ্যমে সেই প্রতিশ্রুতিও দেখিয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি। মুসলিম দেশগুলোর মধ্যে আঞ্চলিক যুদ্ধ অব্যাহত থাকলে এর একমাত্র বিজয়ী হবে ইসরায়েল বলে উল্লেখ করেন বাঘাই। তিনি বলেন, ‘ইহুদিবাদী শাসকগোষ্ঠী’ মুসলিম দেশগুলোর মধ্যে উত্তেজনা ও নিরাপত্তাহীনতা দীর্ঘায়িত করতে চায়।
উল্লেখ্য, হরমুজ প্রণালি বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি সরবরাহপথ। এ সরু পথ দিয়ে বিশ্বের মোট তেল চাহিদার প্রায় এক-পঞ্চমাংশ পরিবহন করা হয়। ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক অভিযান শুরুর পর থেকে দেশের সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তা রক্ষার কথা বলে ইরান এই জলপথে নৌ চলাচলের ওপর কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করে আসছে। এর পর থেকেই নিরাপদ নৌ চলাচলের ব্যবস্থা নিয়ে ইরান ও ওমানের মধ্যে প্রায় তিন মাস ধরে আলোচনা চলছিল।
২৫ আগস্ট দুই দেশ জানায়, তারা ধাপে ধাপে একটি কাঠামো তৈরির আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। প্রথম ধাপে একটি অস্থায়ী যৌথ সামুদ্রিক করিডর চালু এবং যৌথভাবে মাইন অপসারণের প্রকল্প নেওয়ার কথা রয়েছে। উপকূলীয় দেশগুলোর সার্বভৌমত্ব ও অধিকার বজায় রেখেই নিরাপদ নৌ চলাচল পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা এ কাঠামোর লক্ষ্য। তবে রবিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, কয়েকটি আঞ্চলিক দেশের অনুরোধে ওমান ও ইরানের যৌথ সিদ্ধান্তে সোমবারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকটি স্থগিত করা হয়েছে।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

হরমুজ প্রণালি নিয়ে ইরান-উপসাগরীয় দেশগুলোর বৈঠক স্থগিত ওমানের







